আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

Image

কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয় শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ১২ নম্বর আশ্রয় শিবিরের জি-৭ ব্লকে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত মোহাম্মদ মাহবুব ওরফে হাফেজ মাহবুব (২৭) উখিয়ার ময়নারঘোনা ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের ডি-৯ ব্লকের বাসিন্দা সৈয়দ আমিনের ছেলে।

স্থানীয়দের বরাতে শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় বালুখালী ১২ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের জি-৭ ব্লকে কয়েকজন স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করছিলেন মোহাম্মদ মাহবুব। একপর্যায়ে ৫-৭ জন মুখোশধারী দুষ্কৃতকারী সেখান থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। কিছুদূর নেওয়ার দুষ্কৃতকারীরা মোহাম্মদ মাহবুবকে লক্ষ্য করে বুকে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে। খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন,  আহত মাহবুবকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বালুখালী ১২ নম্বর আশ্রয় শিবির সংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সে সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহাবুবকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, মোহাম্মদ মাহবুব রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অপরাধকর্মের বিরোধিতা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানানো সম্ভব হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও কাজ শুরু হয়নি অদ্যাবধি

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন হলেও অদ্যাবধি কাজ শুরু হয়নি। স্থান নির্বাচন, প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন দৃশ্যমান অবকাঠামো না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে বগুড়ার আপামোর জনগণ ও শিক্ষা সংশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

জানা যায় চার বছরেরও বেশি সময় আগে দ্বিতীয় দফায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়েছিল।

বিশ বছরের ব্যবধানে চার বছর আগে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি বগুড়ায় বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে আইন প্রণয়ন করা হয়। দ্বিতীয় দফা এই আইন করার পরও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদাসীনতায় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই বলে মনে করছেন বগুড়াবাসী।

প্রায় ২৪ বছর আগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত গেজেটে বলা হয়েছে, যেহেতু বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান প্রাগ্রাসর বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ পঠন-পাঠন ও গবেষণার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি ও সম্প্রসারণ কল্পে বৃহত্তর বগুড়া জেলার জামালপুর নামক স্থানেবগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা আইন করা হইলো।

এই আইন বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ নামে অভিহিত হবে। সে সময় স্থান নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা হলেও পরবর্তীতে আর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি। এর দুই দশক বা বিশ বছর পর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠকে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করা হয়। ২০০১ সালে আইন করে গেজেট প্রকাশকরা হলেও ভিসি নিয়োগ বা প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ করা হয়নি। এর ফলে সেই সময় বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন আইন করা হলেও তার বাস্তবায়ন ২০ বছরেরও সম্ভব হয়নি।

এরপর ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রীসভায় খসরা অনুমোদন দেওয়া হলেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ব্যাপারে বগুড়ার শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে কোন কাগজপত্র বগুড়ায় আসেনি। প্রকল্প পরিচালক বা ভিসি নিয়োগও দেওয়া হয়নি। এমনকি জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। জায়গাও নির্ধারণ করা হয়নি।

দ্বিতীয় বার ২০২০ সালের সিদ্ধান্তের পর ৪ বছর পার হলেও কোন অগ্রগতি নাই। দ্বিতীয় বারের মত বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত আসার পর বগুড়ার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আশায় বুক বেঁধেছিলো, কিন্তু এত দিনেও সেই আশার প্রতিফলন দেখেনি বগুড়াবাসী।

২০২৩ সালে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর আসনে বগুড়া জেলা আওয়াপমীলীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকান্ড এগিয়ে নেওয়ার ঘোষনা দেন। তিনি ওই সংসদের  শেষ পর্যায়ে প্রায় ৯ মাস সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।

তার গৃহিত পদক্ষেপে জনগণ ইতিবাচক ভাবে নিলেও একাদশ সংসদের মেয়াদকালে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের নূন্যতম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার প্রতিটি আসনে আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে কোন সংসদ সদস্যই এ বিষয়ে কথা না বলায় হতাশ হয়েছে বগুড়াবাসী।

বগুড়ার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সাথে কথা বললে তারা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে কোন অগ্রগতি বা ভূমি অধিগ্রহণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে একুশে পদক দিচ্ছে চসিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

প্রতি বছরের মতো এবারও ২০২৪ সালের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একুশে পদক ঘোষণা করেছেন।

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কৃতি ব্যক্তিত্বদের সম্মাননা দিচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এবছর ১৮ কবি-ছড়াকার, সাংবাদিক, নাট্যব্যক্তিত্ব, গবেষক, শিক্ষবিদ, চিকিৎসকসহ সমাজের বিশিষ্টজনদের পদকে ভূষিত করছে চসিক।

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সিআরবি শিরীষতলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত একুশের বইমেলা মঞ্চে এসব গুণীজনদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

চসিক একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন- মো: নাছির উদ্দিন (শিল্প উন্নয়ন ও সমাজসেবায়)। রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রেয়সী রায়, (সংস্কৃতিতে), শহীদ সাইফুদ্দিন খালেদ, (মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা আন্দোলনে), আসহাব উদ্দিন আহমদ, (ভাষা আন্দোলনে), প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্তী-শিক্ষায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান), সম্পাদক রুশো মাহমুদ (সংবাদ পত্র শিল্পের বিকাশ ও মনোন্নয়নে), প্রফেসর ডা. মহাম্মদ গোফরানুল হক (চিকিৎসায়), জসীম চৌধুরী সবুজ (সাংবাদিকতায়), নাট্যব্যক্তিত্ব শিশির দত্ত (নাটকে), শৈবাল চৌধুরী (স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ ও গবেষণা), ফজিলাতুল কদর (নারী জাগরণ ও নারী নেতৃত্বে), জাকির হোসেন লুলু (ক্রীড়ায়), শামসুল আরেফীন (লোকসাহিত্য গবেষণা) ও ড. শামসুদ্দিন শিশির(প্রবন্ধ গবেষণা), কবি আবসার হাবীব ও কবি ভাগ্যধন বড়ুয়া (কবিতায়), শিশুসাহিত্যিক অরুণ শীল ও শিশুসাহিত্যিক শিবুকান্তি দাশ (শিশুসাহিত্যে)।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জাবির ধর্ষণের ঘটনায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ১৮ নাগরিকের উদ্বেগ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৩ ফেব্রুারি ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশে ১৮ নাগরিক। আজ মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, আজকের যে ছাত্র সে আগামী দিনের রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত হবে। সেই ছাত্রদের যদি এই নৈতিক অধঃপতন হয়, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চরম উদ্বিগ্ন। এ ঘটনায় হতবাক ও ক্ষুব্ধ।'

সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে বিবৃতিতে তারা বলেছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোপূর্বে এমন আরও ঘটনা ঘটেছে। কোনো ধর্ষণের ঘটনায় কোনো রকম তদন্ত বা সুরাহা কর্তৃপক্ষ করেনি। বিশাল এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা আনার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেয়নি। এই সুযোগে উচ্ছৃঙ্খল কতিপয় ছাত্র এই ধরণের অমানবিক ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হচ্ছে।'

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'আমরা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই যে বাংলাদেশে এ হীনকর্ম জনগণের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। আমরা সরকারের কাছে এই জঘন্য অপরাধের দ্রুত তদন্ত ও বিচার চাই। সেইসঙ্গে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা ও শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্‌বান জানাচ্ছি। আমরা আশা করি বাংলাদেশের কোথাও আর কোনো নারীকে ধর্ষণ করা হবে না।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন হাসান ইমাম, অনুপম সেন, সারওয়ার আলী, রামেন্দু মজুমদার, আবেদ খান, ফেরদৌসী মজুমদার, মামুনুর রশীদ, মফিদুল হক, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, মুনতাসীর মামুন, শাহরিয়ার কবীর, কেরামত মওলা, মিলনকান্তি  দে, লাকী ইনাম, সারা যাকের. শিমূল ইউসুফ, গোলাম কুদ্দুছ এবং আহকামউল্লাহ।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

শাকিব ‘রাজকুমার’ হলে আমি রাজা: জায়েদ খান

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চীনে সেতুতে জাহাজের ধাক্কা, ভেঙে নদীতে পড়ল গাড়ি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চীনের গুয়াংজুতে পণ্যবাহী জাহাজের ধাক্কায় মাঝ বরাবর ভেঙে গেছে একটি সেতু। এতে ওই মূহুর্তে সেতুর ওপর দিয়ে যেতে থাকা বাসসহ পাঁচটি যানবাহন নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে গুয়াংজু প্রদেশের নানশা জেলায় পার্ল নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সঙ্গে আহত হয়েছেন জাহাজের একজন ক্রু। এছাড়া এ ঘটনায় এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির এক ফুটেজে দেখা গেছে, সেতুর একটি অংশ ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে। সেতুর নিচে আটকে আছে দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজটি। তবে, জাহাজে কোনও মালামাল ছিলো না বলেই মনে হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> ফিলিপাইনে ট্রাক খাদে পড়ে ১৫ জন নিহত

এ ঘটনার পরপরই সেতুর আশেপাশের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে জাহাজের ক্যাপ্টেনকে। আশেপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ ও ইন্টারনেটের মতো পরিষেবাও আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পার্ল নদীর মোহনায় অবস্থিত গুয়াংজু হলো চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বাণিজ্যিক বন্দর নগরী। আর ঘটনাস্থল নানশা জেলা দক্ষিণ চীনের অন্যতম দ্রুততম বর্ধনশীল বন্দর। ২০০৪ সালে চালু হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই এ বন্দরে কার্গো জাহাজ চলাচল বেড়ে চলেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেতুটিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বেশ কিছুদিন আগেই এটা সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু তিনবার স্থগিত হয়ে যায় সংস্কারের উদ্যোগ। এছাড়া ২০২১ সালে নৌযানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়িয়ে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।


আরও খবর



সিলেটে শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন ফুটবলার

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

সিলেট সদর উপজেলার শামাউরাকান্দিতে বালুবাহী ট্রাক চাপায় মো. তারেক আহমদ মোহন নামের এক ফুটবল খেলোয়াড়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হাটখোলা ইউনিয়নের শামাউরাকান্দি এলাকায় বালুবাহী ট্রাক চাপায় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবক মোহনের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার নলকট এলাকায়।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসে মোহন। দেশে থাকাকালীন খুব ভালো ফুটবল খেলতো সে। প্রবাস থেকে এসেও সে ফুটবল খেলা ছাড়তে পারেনি। গতকালও একটি টুর্নাম্যান্টে অংশ নিয়েছিল সে। খেলাধুলার পাশাপাশি মাঝে মাঝে সে নিজের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতে বের হত। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি তার বিয়েরও তারিখ ছিলো।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে সে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে শামাউরাকান্দি এলাকায় যায়। সেখানে একদিকে দ্রুতগতিতে চলছে বালুবাহী ট্রাক, অপরদিকে স্কুলের শিশুরা রাস্তা পার হচ্ছে। ঘটনার সময় একটি দ্রুতগামী বালুবাহি ট্রাক দেখে সে এগিয়ে গিয়ে শিশুদের রাস্তা পার করে দিতে যায়। আগে থেকে সিগন্যাল দিলেও একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাক ও ট্রাকের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪