আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সিলেটের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
এস এ শফি, সিলেট

Image

সিলেটের বন্যাদুর্গত জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রাসেল হাসান।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকাল থেকে সারাদিন সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রাসেল হাসান জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যার্ত মানুষজনের মাঝে রান্নাখাবার এবং প্লাবিত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত ‍পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মাহফুজা আক্তার শিমুল, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

উল্লেখ্য, অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বুধবার মধ্যরাত থেকে সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ উপজেলায় আকষ্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন প্লাবিত এলাকাগুলোর মানুষ। বহু পরিবার এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে প্রশাসন।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোবারক হোসেন জানান, জেলার জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট উপজেলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে নতুন আরও কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তাছাড়া যারা পানিবন্দি রয়েছেন তাদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছে। সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের সার্বক্ষণিক তদারকি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



কলকাতায় উদ্ধার খণ্ডিত মাংস এমপি আনারের, ধারণা হারুনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজিম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেপ্তার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশবিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এ ছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।

হারুন বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুন্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজিম।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে হবে: তিবরীজি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি বলেছেন, আগামী ১ জুন শনিবার সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগেও দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪। ক্যাম্পেইন চলাকালীন ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হবে।

সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে এ ক্যাম্পেইন সফল করতে হবে। এ বয়সের কোন শিশু যাতে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক থাকতে হবে। অসুস্থতার কারণে ৬-৫৯ মাস বয়সী কোন শিশু যদি ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ পড়ে তাকে সুস্থতা পরবর্তী এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে।

অনুষ্ঠিতব্য এ ক্যাম্পেইন নিয়ে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন ও পুষ্টিবার্তা বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সোস্যাল মিডিয়া, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিয়মিত প্রচার প্রচারনার ব্যবস্থা করলে জনগণ এ ব্যাপারে আরও সচেতন হবে।

বুধবার সকালে নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন রয়েল রোডস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্টান ও জাতীয় পুষ্টি সেবার বাস্তবায়নে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় এ সভার আয়োজন করেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে শিশুরা অপুষ্টিতে ভূগছে। শিশুর সুস্থভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি, রক্ত স্বল্পতা  ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক অনুপুষ্টি। তাই এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অপুষ্টি দূরীকরণ সম্ভব হবে। শিশুর জন্মের সাথে সাথে মায়ের বুকের শাল দুধ খাওয়াতে হবে এবং ৬ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ ছাড়া অন্য কিছু দেয়া যাবে না। শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমানমত ঘরে তৈরি পুষ্টি সমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত  পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. ইফতেখার আহমেদ বলেন, আগামী ১ জুন শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে বিভাগের ১১ জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ১৩৯ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৫ লাখ ৩৬ হাজার ২৪ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে ৬-৫৯ মাস বয়সী মোট ৫১ লাখ ৫৭ হাজার ১৬৩ জন শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তন্মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৯৪ হাজার ৪৭৭ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭০২ জন, কক্সবাজার জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৫৯ হাজার ২৬১ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৮ জন, বান্দরবান জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ১০ হাজার ৩৮০ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬৫ হাজার ৭২১ জন, রাঙ্গামাটি জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ১০ হাজার ৫৩৭ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭৫ হাজার ৩২৩ জন, খাগড়াছড়ি জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ১৫ হাজার ৩৮৯ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৯৪ হাজার ৩৭৮ জন, ফেনী জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৩২ হাজার ৩৭১ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৮ জন, নোয়াখালী জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৬৩ হাজার ৭১৩ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ ২৮ হাজার ২৮৫ জন, লক্ষীপুর জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৩৫ হাজার ২০৮ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭২লাখ ৬৪ হাজার ৭৮৫ জন, চাঁদপুর জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৪২ হাজার ৬৯৬ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫৩২ জন, কুমিল্লা জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০৭ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪২ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৬-১১ মাস বয়সী ৫৮ হাজার ৩০০ জন, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২২০ জন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬-১১ মাস বয়সী ৮৫ হাজার, ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৬০ হাজার শিশু।

তিনি বলেন, ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে হলে মসজিদ, মন্দির,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, বাস স্ট্যান্ড, নৌ-ঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণস্থানে মাইকিং করে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ, সরকারী প্রতিষ্টান, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি ও এনজিও সংস্থাগুলোকে ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে মাঠকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী শিশুদেরকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে নিয়োজিত থাকবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনসহ অন্যান্য কর্মসূচীগুলো শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. ইফতেখার আহমেদ বলেন, ভিটামিন ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে। পরিবারের রান্নায় ভিটাামিন সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার শিশুর জন্য যথেষ্ট উপকারী। মা ও শিশুর পুষ্টির জন্য গর্র্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের  স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে ভিটামিন সমৃদ্ধ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ খাবার খেতে দিতে হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. ইফতেখার আহমেদের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী,  চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. জেবিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ঈমাম হোসেন রানা ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার সফিজুল ইসলাম।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. গাজী গোলাম মওলা, প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক ড. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রামের পরিচালক মোঃ মাহফুজুল হক, পরিবার পরিকল্পনা নোয়াখালী জেলার উপ-পরিচালক মোস্তফা কামাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাধবী বড়য়া, পরিবার পরিকল্পনা রাঙামাটি জেলা কনসালট্যান্ট ডা. বেবী ত্রিপুরা, জাতীয় সংবাদ সংস্থা এন.এনবির চট্টগ্রাম প্রধান রনজিত কুমার শীল, নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক ইউছুফ মিয়া, পরিবার পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমূখ।

অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভায় বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, পরিবার পরিকল্পনা বিভিন্ন জেলার উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।


আরও খবর



ঘুমের মধ্যে দম আটকে যাওয়া কীসের লক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে রাতে একটু ঘুমাতে গেলেন, কিন্তু দম আটকে যাওয়ার কারণে আচমকাই জেগে উঠতে হয়। এই সমস্যা অনেকের হয়ে থাকে। কিংবা রাতে লম্বা ঘুম দেয়ার পর বিকেল নামতেই ঝিমুনি। এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে হেলাফেলা করা যাবে না। এগুলো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ। স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিস্তারিত বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া: স্লিপ অ্যাপনিয়ায় হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। শ্বাসনালি যতক্ষণ বন্ধ থাকে, রোগী নিশ্বাস নিতে পারেন না। এতে বাইরে থেকে বাতাসের মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্ক, হার্ট বা অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিনের পর দিন কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেনের ঘাটতির ফলে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। যার প্রভাবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সচল রাখতে অক্সিজেন খাদ্যের মতো কাজ করে। যখন অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্ক সিগন্যাল দিয়ে রোগীকে জাগিয়ে তোলে, যেন তিনি নিশ্বাস নেন এবং তখন সংকুচিত শ্বাসনালি খুলে যায়। এভাবে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বার বার জেগে ওঠেন। বার বার ঘুম ভাঙার কারণে তারা ক্লান্ত থাকেন, ফলে দিনের বেলায় ঝিমুতে থাকেন।

লক্ষণ: জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্লিপ অ্যাপনিয়ার এমন কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছেন।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক নাক ডাকেন। দেখা যায়, তারা কখনো খুব জোড়ে ডাকছেন, আবার থেমে যাচ্ছে, তারপর আবার ভিন্ন স্বরে নাক ডাকছেন।

প্রায় সময় ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। বিশেষ করে চিত হয়ে ঘুমানোর সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে ওঠেন এবং কিছু সময়ের জন্য হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

অনেক সময় ঘুমানোর পরও ক্লান্ত লাগে, কাজ করতে গিয়ে বা গাড়ি চালাতে গিয়ে হুট করে ঘুমিয়ে পড়েন।

মেজাজ খিটখিটে থাকে। কারও সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না, অবসাদগ্রস্ত লাগে। কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না।

ওষুধ খেয়েও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

করণীয়: প্রাথমিক পর্যায়ের স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়লে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিনেও চিকিৎসা না করলে সমস্যা জটিল আকার নিতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে; যার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা খুব বেশি হলে চিকিৎসক রোগীকে কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার বা সি প্যাপ নামে একটি যন্ত্রের সাহায্য নিতে বলেন। এই যন্ত্রটি অনেকটা বক্সের মতো এবং এর সঙ্গে মোটা পাইপের সংযোগ দিয়ে একটি মাস্ক বসানো থাকে। রোগীকে প্রতিবার ঘুমের সময় এই মাস্কটি পরতে হয়। এই যন্ত্রটি মূলত ঘুমের মধ্যে রোগীর শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং অক্সিজেনের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখে। ফলে শরীরের অঙ্গগুলোকে আর অক্সিজেনের ঘাটতিতে ভুগতে হয় না। এতে অনেক জটিল রোগের নিরাময় সম্ভব হয়।

তবে যারা সি-প্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না, তাদেরকে বিকল্প চিকিৎসা নিতে হয়। যেমন, গলার টনসিল বা নাকের পেশি বড় হয়ে গেলে তা অপারেশন করা। ম্যান্ডিবুলার অ্যাডভান্সমেন্ট ডিভাইস-ম্যাড ব্যবহার। এটি মুখের নীচের চোয়ালকে সামনে এগিয়ে রাখতে দাঁতের চারপাশে বসানো এক ধরনের যন্ত্র, যা শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে।

লেজার অপারেশনের মাধ্যমে শ্বাসনালীর পরিধি বড় করাও একটি প্রক্রিয়া। এছাড়া জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যেমন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও মদপান পরিহার, কাত হয়ে ঘুমানো।

নিউজ ট্যাগ: স্লিপ অ্যাপনিয়া

আরও খবর



সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল, নজর রাখছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী দুই দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। পরবর্তীতে এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে রেমাল’। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বুধবারের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এখনও কোনো তথ্য না জানালেও আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরপর এটি ২৪ তারিখের পরে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি অর্জন করতে পারে। তবে, ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত এর গতিবিধি ও প্রভাব সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাবে না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। যা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান। আরবিতে এর অর্থ বালি। এই নামে ফিলিস্তিনের গাজা থেকে ১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে একটি শহরও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। সুন্দরবনের কারণে সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিল দেশের উপকূল। এর আগে ২০০৯ সালের মে মাসেই সুন্দরবনে আঘাত হেনেছিল প্রলয়ঙ্করী আইলা।


আরও খবর



সৌদি পৌঁছেছেন ৩৪ হাজার ৭৪১ হজযাত্রী, আরও ১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৩৪ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী। আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ মে) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৭৪৭ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩০ হাজার ৯৯৪ জন সৌদিতে গিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮৪ হাজার ২৪টি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।

হেল্প ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মোট ৮৭টি ফ্লাইট সৌদিতে গিয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৯টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ২৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২০টি ফ্লাইট রয়েছে। হজ ফ্লাইট শুরুর পর থেকে মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ৮৪ হাজার ২৪ জন হজযাত্রীর ভিসা ইস্যু হয়েছে।

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মো. লুৎফর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি মক্কায় মারা যান। এ নিয়ে হজ করতে গিয়ে মোট তিনজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় দুইজন এবং মদিনায় একজন মারা যান।

এ বছর সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মো. আসাদুজ্জামান নামে এক হজযাত্রী মারা যান। গত ১৫ মে তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মো. মোস্তফা (৮৯) নামে এক বৃদ্ধ গত শনিবার (১৮ মে) মক্কায় মারা যান।

গত ৯ মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শেষ হবে ১০ জুন।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২০ জুন এবং শেষ হবে ২২ জুলাই।


আরও খবর
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪