আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

সিলেট গ্যাস ফিল্ডে উত্তোলন বাড়লো ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটের গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রের ৭নং কূপ থেকে ওয়ার্ক ওভারের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে আরও ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে। এখন থেকে এ গ্যাস ফিল্ডে দৈনিক ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বেশি উত্তোলন হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

শনিবার রাতে নিজের ফেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি আরো জানান, শনিবার (৭ মে) রাত পৌনে ৯টা থেকে কৈলাশটিলার এ কূপ থেকে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে।

তিনি লিখেন, ঈদের আগে গ্যাস নিয়ে সু-সংবাদ দিয়েছিলাম আপনাদের। জাতীয় গ্রিডে নতুন করে গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা ছিল এ মাসের ১০ তারিখে। আমরা সময়ের আগেই দ্রুত কাজ শেষ করেছি। শনিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের কৈলাশটিলা-৭নং কূপ বাপেক্সের বিজয়-১১ রিগ দ্বারা সফলভাবে ওয়ার্ক ওভারের মাধ্যমে দৈনিক ১৯ এমএমসিএফ (মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আমাদের বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৬০০ এমএমসিএফডি। আমাদের নিজস্ব গ্যাস ফিল্ড থেকে ২৩০০ এমএমসিএফডি উৎপাদন করা হচ্ছে এবং বাকিটা এলএনজি আমদানি করে ৮৫০ এমএমসিএফডি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার সময়ও গ্যাসের উৎপাদন ছিল মাত্র ১৭৪৪ এমএমসিএফডি। সেখান থেকে আমরা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়েছিলাম ২৭৫০ এমএমসিএফডি পর্যন্ত। ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমরা এ সক্ষমতায় গ্যাস উৎপাদন করেছি। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে, আমাদের নিজস্ব গ্যাসের রির্জাভ কমতে শুরু করেছে।

নসরুল হামিদ আরো জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার, বিদ্যমান গ্যাসকূপগুলোতে ডিপ ড্রিলিং এর মাধ্যমে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামীতে গ্যাস নিয়ে আরো সু-খবর দিতে পারবো বলে আশা করি।

এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (৭ মে) রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের কৈলাশটিলা-৭নং কূপ হতে দৈনিক ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল)-কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডে এখন পর্যন্ত ৭টি কূপ খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে চলমান দু’টি কূপ থেকে দৈনিক ২ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রের ৭ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ১৭ অক্টোবর। এর আগের বছর ২০১৩ মালের ১৭ সেপ্টেম্বর সিলেট সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কূপটির খননকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।


আরও খবর



চিনি রপ্তানিতে ‘লাগাম টানছে’ ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে গত ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চিনি রপ্তানি সীমিত করার পরিকল্পনা করছে ভারত। ভারতীয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এ বছর দেশটি চিনি রপ্তানির সীমা এক কোটি টন নির্ধারণের পরিকল্পনা নিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভারত চিনি রপ্তানির সীমা ৮০ লাখ টন করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। কিন্তু পরে স্থানীয় কারখানাগুলোকে বিশ্ববাজারে আরও কিছু চিনি বিক্রির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি চিনি উৎপাদনকারী দেশ ভারত রপ্তানিতেও দ্বিতীয়। রপ্তানিতে শীর্ষে থাকা ব্রাজিলেও এবার উৎপাদন কম হয়েছে। পাশাপাশি তেলের উচ্চ মূল্যের কারণে মিলগুলো আখভিত্তিক ইথানল উৎপাদনে ঝুঁকছে, যার দাম ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে চড়ে গেছে। ভারত বিশ্বের অন্তত ১২১টি দেশে চিনি রপ্তানি করলেও তাদের প্রধান ক্রেতা ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, সুদান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ভারতের চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ইন্ডিয়ান সুগার মিলস এসোসিয়েশন দেশটিতে এ বছর চিনির উৎপাদন ৩ কোটি ১০ লাখ টন হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। পরবর্তীতে এই পূর্বাভাস সংশোধন করে চিনির উৎপাদন ৩ কোটি ৫৫ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি। মঙ্গলবার (২৫ মে) দেশটির নেতৃস্থানীয় চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বলরামপুর চিনি, ডালমিয়া ভারত সুগার, ধমপুর সুগার মিল, ওয়ারিকেশ সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ এবং শ্রী রেনুকা সুগারসের শেয়ার দাম প্রায় ৮ শতাংশ পড়েছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক মুম্বাই-ভিত্তিক এক ডিলার বলেছেন, এক কোটি টনের সীমা যথেষ্ট বড়। এতে কারখানা ও সরকার উভয়ই খুশি থাকবে। তিনি জানান, এক কোটি টন রপ্তানির পর আগামী ১ অক্টোবর ২০২২০২৩ মৌসুম শুরুর সময় ভারতে চিনির মজুত দাঁড়াতে পারে মোট ৬০ লাখ টন, যা উৎসব মৌসুমের চাহিদা পূরণ করতে যথেষ্ট। মহামারীর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ইউক্রেন যুদ্ধ আন্তর্জাতিক পণ্য বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী খাদ্য মূল্য গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেন থেকে সূর্যমুখী তেল না পাওয়ায় এবং ইন্দোনেশিয়া পাম তেল রপ্তানি বন্ধ রাখায় রান্নার তেলের দাম চড়ে গেছে অনেক দেশেই।


আরও খবর



সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা বেতন চান সরকারি কর্মচারীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছয় সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের ব্যয় বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা করাসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি বাস্তবায়ন ঐক্য ফোরাম।

রোববার (২২ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানায় সংগঠনটি।

ফোরামের নেতারা বলেন, নবম পে-স্কেল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালের জন্য ১১-২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা, শতভাগ পেনশন, স্বেচ্ছায় অবসরে চাকরির বয়সসীমা ২০ বছর নির্ধারণ এবং আনুতোষিক প্রতি ১ টাকায় ৩০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে এবং পে-কমিশনে কর্মচারীর প্রতিনিধি রাখতে হবে।

অন্য দাবিগুলোর হলো- সচিবালয়ের মতো এর বাইরে সব দপ্তর বা অধিদপ্তরে কর্মরত কর্মচারীদের পদবী ও গ্রেড পরিবর্তনসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি প্রণয়ন করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রথম শ্রেণি ও সহকারী শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার পদমর্যাদা ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দিতে হবে। ব্লক পদ প্রথা প্রত্যাহার, পদোন্নতিযোগ্য পদ শূন্য না থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পর উচ্চতর পদের বেতন স্কেল দিতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ কর্মে নিয়োজিত কর্মচারীদের যৌক্তিকভাবে ঝুঁকিভাতা দিতে হবে ও আউট সোর্সিং নিয়োগ প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে।

ফোরামের আহ্বায়ক হেদায়েত হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৫ সালে ঘোষিত বেতন স্কেলে শুভঙ্করের ফাঁকির মধ্যে ১১-২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের বিভিন্নভাবে ঠকানো হয়েছে, বৈষম্যে নিপতিত করা হয়েছে। ১১-২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট বৈষম্য, আর্থিক দৈন্যতাসহ সার্বিক বিষয় নিরসনের জন্য বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন হতে সরকারের কাছে বিভিন্ন সময়ে দাবি পেশ করা হলেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।

তিনি বলেন, জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধির দৃষ্টান্ত আমাদের দেশের প্রচলিত প্রথা। এরই মধ্যে গত দুবছরে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে নিত্যপণ্যের মূল্য। ফলে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা দিশেহারা। এমনি পরিস্থিতিতে আর্থিক দৈন্যতায় নিপতিত প্রজাতন্ত্রের ১১-২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বকারী সমমনা সংগঠনসমূহ একাধিক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে একটি মঞ্চে এসে এক ও অভিন্ন দাবি সরকারের নিকট পেশ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সমন্বয়ক মো. লুৎফর রহমান, মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী প্রমুখ।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ সেই চার কিশোরীকে উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ হওয়ার ৩২ ঘণ্টা পর সেই চার কিশোরীকে এক পুলিশ সদস্যের বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ মে) রাত ৯টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান। এর আগে জেলা কারাগারের পাশে এক পুলিশ সদস্যের বাসায় চার কিশোরীকে পাওয়া যায়। সন্ধ্যায় আরেক পুলিশ সদস্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।

লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার ড. এইচ এম কামরুজ্জামান জানান, এই চার কিশোরী অভাব অনটন ও কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়। তারা কাজ করে পরিবারের অভাব অনটন দূর করতে বাবা-মার অগোচরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে একটি সিএনজি যোগে জেলা শহরের উত্তর তেমুহনীতে আসে। এরপর নুরুল ইসলাম নামের এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে আশ্রিত থাকেন তারা। তাদের অবস্থান পরিবারের সদস্যদের জানাতে নিষেধ করায় সন্দেহ হলে কৌশলে মুঠোফোনে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে বিষয়টি কমলনগর থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, অন্য কারও প্ররোচনা কিংবা তাদের কেউ অপহরণ করেনি। তারা স্বেচ্ছায় কাজের সন্ধানে বাড়ি ছাড়ে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্ত করা হচ্ছে। চার কিশোরীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ, সহকারী পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান, ডিএসবির ওসি একেএম আজিজুর রহমান মিয়া ও কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান হোসেনসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তবে চার কিশোরী উদ্ধার হওয়ায় পরিবারের সবাই খুশি।

উল্লেখ্য, শনিবার (৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকা থেকে সামিয়া আক্তার, জোবায়দা আক্তার, সিমু আক্তার ও মিতু আক্তার নামে (চাচাতো ও খালাতো বোন) চার কিশোরী একসঙ্গে সামিয়ার নানার বাড়ির (নোয়াখালী) উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তাদের খোঁজ না পাওয়ায় নানী পরিচয়ে আকলিমা নামের এক নারী কমলনগর থানায় নিখোঁজ হওয়ার সাধারণ ডায়েরি করেন। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিউজ ট্যাগ: কিশোরী উদ্ধার

আরও খবর



জুনেই পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে: কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী জুনেই পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে বাংলার মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে পাবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ শেষে নেত্রীকে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সামারি (সার-সংক্ষেপ) পাঠাবো। তিনি যখন সময় দেবেন, সেই সময়ে আমরা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবো।

শনিবার (২১ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ দিয়ে বিশ্বব্যাংক তাদের সহযোগিতার হাত ফিরিয়ে নিয়েছিল। তারা চলে গেলেও আমরা আমাদের টাকা দিয়েই পদ্মা সেতু করেছি। জুন মাসেই চন্দ্রালোকিত পূর্ণিমা রাতে পদ্মা সেতুতে দাঁড়িয়ে বাংলার মানুষ পূর্ণিমার চাঁদ দেখবে।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন বলেই আজকে দেশের এত সমৃদ্ধি। বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা দিয়েছেন। আর শেখ হাসিনা দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের মানুষ ভালো থাকলে তো বিএনপির মন খারাপ করে। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, তরুণ প্রজন্মের মেট্রোরেল তো হয়েই গেলো। ফখরুল সাহেব এবার কী বলবেন? তিনি নিশ্চয় বলবেন, শেখ হাসিনা সব করেই ফেললেন, আমরা কিছু পারলাম না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন আসছে কী দেখাবেন? জনগণকে কী দেখিয়ে ভোট চাইবেন? আপনাদের নেতা তো পলাতক দণ্ডিত তারেক রহমান। তাহলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে? দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বেগম খালেদা জিয়া?

তিনি আরও বলেন, ১৩ বছর আন্দোলন করলেন। প্রতি বছর বলেন, ঈদের পর আন্দোলন..। ১৩ বছরে কত ঈদ এলো, আর কত ঈদ যে গেলো। আন্দোলন আর হলো না। আন্দোলনেও বিএনপি ফেল মেরেছে, নির্বাচনেও ফেল করেছে। এখন বলে বেড়াচ্ছেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস করে পরবর্তী নির্বাচনে জিতবে। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী করে না, সন্ত্রাস করে বিএনপি। এটা তো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ প্রমুখ।


আরও খবর



পদ্মায় ১১ যাত্রী নিয়ে স্পিডবোট ডুবি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৬৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট থেকে একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ঘাটে আসার পথে ১১ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে। শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শনিবার সকালে শিমুলিয়া থেকে একটি স্পিডবোট শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। বোটটি পদ্মা সেতুর কাছে এলে ঢেউয়ের ধাক্কায় উল্টে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় জেলেনৌকা ও নৌপুলিশের টিম গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে।

বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্র জানিয়েছে, পদ্মা সেতুর কাছে আসার পর স্পিডবোটটির তলা ফুটো হয়ে যায়। এতে এটি ডুবে যায়। স্পিডবোটটিতে ১১ যাত্রী ছিল। সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি নৌপুলিশের। তবে স্থানীয়রা মনে করছেন, এখনো কয়েকজন নিখোঁজ থাকতে পারে।

সূত্র আরও জানায়, শিমুলিয়া থেকে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে রওনা হয় বাবু নামের ওই স্পিডবোট। এর চালক ছিলেন মো. উজ্জ্বল। সেতু অতিক্রমের সময় প্রচণ্ড ঢেউয়ের ধাক্কায় বোট উল্টে যায়।

কাঁঠালবাড়ী নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. জাহানুর আলী বলেন, বোটটি তলা ফেটে ডুবে যায়। তবে সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো হতাহত ও নিখোঁজ নেই।

নিউজ ট্যাগ: স্পিডবোট

আরও খবর