আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

শেখ হাসিনাই আলেমদের মূল্যায়ন করেন: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রাহাত (পিরোজপুর)

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে এদেশের আলেম সমাজ যথাযথ মূল্যায়ন পান। তিনি কওমীয়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে  সাধারণ শিক্ষার সমমর্যাদা দিয়েছেন।

শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর) পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলার ছারছিনা দরবার শরীফের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের আলেমদের বিনা টাকায় হজ করার ব্যবস্থা করেছেন শেখ হাসিনা। যা অতীতে কোনো সরকারের সময়ে হয়নি। দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর কাছে ইসলামী শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার কন্যাও দেশের আলেমদের সম্মান দেখান। 

এ সময় ছারছীনা শরীফের পীর শাহ মোহাম্মদ মোহেবুল্লাহ বলেছেন, খাঁটি মুসলমান হতে কুরআন ও সুন্নাহর পথে চলার কোনো বিকল্প নাই। ইসলামী আদর্শে জীবন গড়ার লক্ষ্যে ইসলামের সকল হুকুম আহকাম মেনে চলতে হবে। 

দরবারের ১৩৩তম বার্ষিক মাহফিলের আখেরি মোনাজাত পূর্ব বয়ানে এসব কথা বলেন তিনি। 

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়ে আরো বক্তব্য দেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, এসএম শাহজাদা এমপি, মো. মহিবুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট মো. আফজাল হোসেন এমপি, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মাওলানা আব্দুর রশিদ ও মাওলানা নুরুর রহমান বেগ। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন মহারাজ, ইউএনও মো.মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার, স্বরূপকাঠি উপজেলার চেয়ারম্যান আব্দুল হক, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির, বানারীপাড়া উপজেলার চেয়ারম্যান গোলাম ফারুকসহ বিশিষ্ট ওলামারা। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলে দেশের খ্যাতনামা আলেম ওলামারা ওয়াজ-নসিহত করেন। 


আরও খবর



স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলাকেটে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীতে স্ত্রী ও দুই শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর গলাকেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন আশিকুল মোল্লা নামের এক ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের দারোয়ানি পুরাতন বন্দর বাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, আশিকুল মোল্লার স্ত্রী তহুরা বেগম (৩৫) তাদের দুই শিশুকন্যা আয়েশা আক্তার তানিয়া (৮) ও জারিন (৫)।

আশিকুল মোল্লা চড়াইখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ মোল্লার ছেলে। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে দারোয়ানি পুরাতন বন্দর বাজার গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, সকালে আশিকুরের গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। পরে তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। পরে তার ঘরে প্রবেশ করে দেখা যায়, স্ত্রী তহুরা এবং তাদের দুই কন্যার মরদেহ ঘরের বিছানায় পড়ে রয়েছে।

আশিকুল মোল্লা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন।

এদিকে খবর পেয়ে নীলফামারী সদর থানা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম। তবে কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো অজানা বলছে পুলিশ।


আরও খবর



ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে তুরস্ক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আধুনিক ইতিহাসে গত বছর সবচেয়ে বড় দুর্যোগের সম্মুখীন হয় তুরস্ক। সাত দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি প্রদেশ। নিহত হন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। ধ্বংস হয়ে যায় লাখ লাখ বাড়ি।

ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত এলাকায় নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিছু নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে ভুক্তভোগীদের মাঝে।

এরদোয়ান বলেন, আজকে আমরা হাতায়ে এলাকায় ৭ হাজার ২৭৫টি বাড়ি হস্তান্তর করছি। এই অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। গত বছর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বিধ্বস্ত এলাকায় আগামী দুই মাসের মধ্যে ৭৫ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এরদোয়ান। তুরস্কের সরকার এ বছরের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে।

দেশটির নগরায়ণমন্ত্রী মেহমেত ওজাসেকি ভূমিকম্পে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯০ হাজার পরিবার বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে।

তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত বরাবর ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় তুরস্কের দক্ষিণপূর্বাঞ্চল।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় নতুন করে মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, দেশটিতে আঘাত হানা ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৫৩ হাজার ৫৩৭ জন মারা গেছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ হাজার।

সিরিয়ার সরকার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারির ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এক হাজার ৪১৪ জন নিহত হয়।

ফলে দুই দেশের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটিতে ৫৯ হাজার ৪৮৮ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয় পেরুতে। ১৯৭০ সালের ভূমিকম্পে দেশটিতে ৬৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু টানেলে ২৩ গাড়ির টোল মওকুফ চায় পুলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

বঙ্গবন্ধু টানেল যাত্রা শুরুর পর থেকে সম্প্রতি কার রেসিং, প্রাইভেটকারের পেছনে দ্রুত গতির বাসের ধাক্কা দেওয়া, টানেলের ভেতর সেলফি তোলা এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টোল প্লাজার ব্যারিয়ারে ধাক্কা দেওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে দুর্ঘটনায় উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাতে ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চেয়েছে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ। একই সাথে কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুততার সাথে যেকোন ঘটনার সাড়া পেলে চারটি গাড়ি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

যেসব কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে যাবে সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে; কিন্তু দুর্ঘটনাসহ টানেলের বিভিন্ন কাজে যাওয়া ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে।

সড়ক ও সেতু বিভাগে সম্প্রতি এ ব্যাপারে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (এস্টেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এসএম মোস্তাইন হোসাইন।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর টানেল উদ্বোধনের পরদিন থেকে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। টানেলের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে নৌবাহিনী। কিন্তু টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনাসহ নানা বিষয়ে আইনগত কাজ করে পুলিশ।

উপ-কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসাইন বলেন, টানেলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনার জন্য পুলিশকে ডাকা হয়। পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া পুলিশের যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে টোল পরিশোধ করতে হয়। অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিএমপির ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের ২৩টি গাড়ির টোলমুক্ত রাখার জন্য সড়ক ও সেতু বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারিতে চিঠি পাঠানো হলেও এখনো কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, কোন কর্মকর্তার গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে টানেলে যাবে, সেগুলো টোলের আওতায় থাকবে। শুধুমাত্র গাড়ি অপারেশনাল কাজে থাকবে সেসব ধরনের ২৩টি গাড়িতে টোলমুক্ত সুবিধা দিতে বলা হয়েছে।

টোলমুক্ত সুবিধা চাওয়া গাড়িগুলো হলো- ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের বন্দর জোনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা, টহল গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, রেকার ও ফোর্স আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত গাড়ি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সেতুতেও পারাপারের জন্য টোল দিতে হয়। কিন্তু সেতুতে দুর্ঘটনা ও টানেলের অভ্যন্তরে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ভিন্নতা আছে। টানেলে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাড়াতাড়ি গিয়ে উদ্ধার করতে হয়। আমাদের গাড়ির সংকট আছে। টানেলের অভ্যন্তরে কোনো ঘটনা ঘটলে থানা থেকে ফোর্স আসতে সময় লাগে, সেজন্য দুই প্রান্তে আমরা দুটি করে চারটি গাড়ি স্ট্যান্ডবাই রাখার জন্য বলেছি। যাতে যে কোনো ঘটনা-দুর্ঘটনার জন্য পুলিশ দ্রুত মুভ করতে পারে। তাই টানেলের অপারেশনাল কাজে ব্যবহারের জন্য ডাবল কেবিনের চারটি গাড়ি চাওয়া হয়েছে। টানেলে কোনো গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে সেটি উদ্ধারে গেলে পুলিশকেও টোল দিতে হয়।

পতেঙ্গা প্রান্ত দিয়ে টানেলে প্রবেশ করলে বের হতে হয় অপর প্রান্তে। ফলে পতেঙ্গা থানার যেসব গাড়ি টানেলে প্রবেশ করে সেগুলোকে ফিরে আসতে হয় অপর প্রান্ত হয়ে। যার কারণে টানেলে প্রবেশ ও বাহির উভয়ক্ষেত্রে টোল দিতে হয়। আমরা সরকারি কাজে যাই, টোল দেওয়ার কোনো টাকা বরাদ্দ থাকে না। কিন্তু পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানার ওসির গাড়ি ছাড়া অন্যসব গাড়িকে টানেলে প্রবেশ ও বের হতে উভয় দিকের টোল দিতে হয়।

উল্লেখ্য, কর্ণফুলী নদীর দুইপাড়ে চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন গড়ে তুলতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে টানেল প্রকল্পের শুরুর দিকে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা। অনুমোদনের দুই বছর পরে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ব্যয় বাড়িয়ে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা করা হয়। এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের মধ্যে একটি নতুন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বানানো হয়েছে এ টানেল। নির্মাণ কাজ করেছে চীনা কোম্পানি চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড- সিসিসি

এ টানেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে আছে নৌবাহিনী। টানেলের দুই প্রান্তে দুটি থানা নির্মাণের প্রস্তাব চট্টগ্রাম নগর পুলিশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

গত বছরের ২৮ অক্টেবার টানেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন সেটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।


আরও খবর



মোংলা বন্দরের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পুনরায় চালু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আবু বকর সিদ্দিক, মোংলা প্রতিনিধি

Image

মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্প দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চারটি কাটার সাকশন ড্রেজারের মাধ্যমে মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ বন্দরের বেসক্রিক এলাকার সেকশন-২ এবং সেকশন৪ এর মাধ্যমে পুনরায় শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানা যায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালে শুরু হয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ২০২২ সালে ড্রেজিং মাটি ফেলার জমি সংকটের কারণে ড্রেজিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। উক্ত সময়ে সম্পন্নকৃত ড্রেজিং এর ফলে মোংলা বন্দরে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ আনা সম্ভব হয়। কিন্তু প্রায় এক বছর যাবৎ ড্রেজিং বন্ধ থাকায় চ্যানেলের কিছু স্থানে পলি জমার কারণে নিয়মিতভাবে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ এ বন্দরে আসতে পারছিল না। এখন ড্রেজিং মাটি ফেলার জমির ব্যবস্থা হওয়ায় পুরনায় ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। ইনারবারে চলমান ড্রেজিং প্রকল্পটি সমাপ্ত হলে ৯.৫ থেকে ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ অনায়াসে মোংলা বন্দরে আসতে পারবে।

অধিক ড্রাফটের জাহাজ বন্দরে আগমনের ফলে মোংলা বন্দরের আয় বৃদ্ধির পাশিপাশি সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর



৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার তালিকা প্রকাশের নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

৪৩তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে উত্তীর্ণদের তালিকা ৩০ দিনের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের বেঞ্চ সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রুলসহ এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তিনি আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন। তাকে সহযোগিতা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বায়েজীদ হোসাইন, আইনজীবী নাঈম সরদার ও ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার।

রুলে ইতোপূর্বে ৪৩তম বিসিএস থেকে ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডারের বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৪তম বিসিএসের ফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত যত নন-ক্যাডার শূন্যপদ হবে তার তালিকা করে ৪৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ নন-ক্যাডার প্রার্থীদের থেকে নিয়োগের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত ২৯ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও ক্যাডারপদে সুপারিশ পায়নি এমন ৫০০ জন চাকরি প্রার্থী এই রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটে পিএসসি চেয়ারম্যান, জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল ও আদেশ জারি করেছেন।

৪৩তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মো. মারুফ হোসেন, মো. হাসান সরদার, মো. ফারুকুল ইসলামসহ ৫০০ জন বাদী হয়ে রিট মামলা দায়ের করেছিলেন।‌

রিট আবেদনে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরে ওই বিসিএসে সর্বমোট ৯ হাজার ৮৪১ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পিএসসি গত ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩  নন-ক্যাডার পদে চাকরি করতে ইচ্ছুক এমন প্রার্থীদের অনলাইনে পছন্দ ক্রম আহ্বান করে।

পরবর্তীতে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩ বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিস পদে ২ হাজার ১৬৩ জনকে এবং একইসঙ্গে ৬৪২ জনকে বিভিন্ন নন ক্যাডার পদে সুপারিশ করা হয়। অথচ নন-ক্যাডার মেধাতালিকা প্রকাশ করাই হয়নি। যেটি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা ২০১০, সংশোধিত বিধিমালা ২০১৪ এর পরিপন্থী।

৪৩তম বিসিএস সার্কুলারে বলা হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারণে বঞ্চিত নন-ক্যাডার প্রার্থীদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা ২০১০, সংশোধিত বিধিমালা ২০১৪ অনুযায়ী সুপারিশ করা হবে। উক্ত বিধি অনুযায়ী পিএসসি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা পদগুলোকে সংরক্ষণ করবেন এবং পরবর্তী বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিসিএসের নন ক্যাডার প্রার্থীদের ধাপে ধাপে সুপারিশ করবে।

কিন্তু পিএসসি নন-ক্যাডারদের মেধা তালিকা প্রকাশ না করেই সম্পূর্ণ অন্যায় এবং বিধি বহির্ভূতভাবে ৬৪২ জনকে বিভিন্ন নন করার পদে সুপারিশ করেছে, যা আইনের দৃষ্টিতে অন্যায় যা বাতিল করা আবশ্যক।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, নন-ক্যাডার প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না করা এবং ফলাফল প্রকাশের আগেই নন-ক্যাডার প্রার্থীদের পছন্দ ক্রম আহ্বান করা সংশ্লিষ্ট নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মেধাবী হাজারো উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীদের বিষয়টি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা পিএসসির সাংবিধানিক দায়িত্ব। ইতোমধ্যে অনেক চাকরি প্রার্থীর বয়সসীমা অতিক্রম হওয়ায় তারা অন্য কোনো সরকারি চাকরিতে আবেদনও করতে পারবেন না। ফলে তারা চরম হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছেন। আশাকরি বিবাদীরা যথাসময়ে রুলের জবাব দেবেন।

এরআগে, গত ২৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত ৪৩তম বিসিএস এর নন-ক্যাডারের ফলাফল বাতিল, ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের মেধা তালিকা প্রকাশ এবং ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত শূন্য হওয়া নন-ক্যাডার পদে ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের সুপারিশ অব্যাহত রাখার জন্য গত ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ ৩ জনকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নোটিশটি পাঠানো হয়েছিল। নোটিশের কোনো জবাব না পেয়ে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।


আরও খবর