আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

শীতকাল এবার কেমন হবে, জানালেন আবহাওয়াবিদরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম-এর প্রভাবে গত বুধবার থেকে ঢাকাসহ দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং একই সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

এর সঙ্গে সঙ্গে শীত শুরু হওয়ার কথাও বলা হচ্ছে। ঠিক কবে থেকে শীত পড়তে পারে আর এবারের শীত কতটা তীব্র হবে এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মূলত শীতকাল হলেও সাধারণত দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষত উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে নভেম্বর মাসের শেষদিক থেকেই যেটার খুব একটা তারতম্য হয়নি এবারও।

তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার স্বাভাবিক গতি-প্রকৃতি কিছুটা পাল্টে গেছে, যার কারণে শীতকালের সময় এবং ধরন ঠিক আগের মতো হচ্ছে না।

শীতের শুরু কবে?

আবহাওয়াবিদরা বলেন, সাধারণত স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে বোঝানো হয়। আর ডিসেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের সময়কালকে শীতকাল হিসেবে ধরে থাকেন।

মিগজাউমের প্রভাবে এই বৃষ্টিপাতের পর এই মাসের ১০ তারিখের পর থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু হবে বলে জানাচ্ছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের একজন আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলে কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে।

এটিকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবেও দেখা যায় কারণ শীতকালে ২.৬ থেকে শুরু করে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গেলে সেটা শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে পড়ে।

গত ৩০ বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তারা দেখেছেন, ডিসেম্বর মাসে সাধারণত একটি থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা থাকে।

অবশ্য আরেক জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান মনে করছেন শীতকালের শুরুটা মূলত ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধের দিকে অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর কোনো একটা সময় থেকে হবে।

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী বৃষ্টিপাতের পরপর তাপমাত্রা হঠাৎ করে নেমে গেলে শীত অনুভূত হবে তবে প্রকৃত অর্থে এটি শীতকাল নয়

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি যখন আকাশ মেঘমুক্ত হয়ে বায়ুমণ্ডল পুরোপুরি শুষ্ক হয়ে যাবে তখন শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে যেটা হতে কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করছেন আবদুল মান্নান।

তিনি বলছিলেন, এ মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেটি পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধ, অর্থাৎ ১৬ তারিখের পর থেকে মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রকৃত অর্থে শীতকাল শুরুর সম্ভাবনা দেখছেন তিনি যখন রাতের তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামবে।

কেমন হবে শীতকাল?

বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছিল এ বছরেরই জুন মাসে।

আমেরিকা ও ইউরোপের মতো শীতপ্রধান জায়গায় তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করেছে মানুষ। বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা উচ্চতম রেকর্ড ছুঁয়েছে যার একটা প্রধান কারণ ছিল এল নিনো নামে প্রাকৃতিক আবহাওয়া চক্র।

এই এল নিনো ও একই সঙ্গে বিশ্বের বাড়তে থাকা তাপমাত্রার প্রভাবে এবারের শীতকালটা আগের তুলনায় কিছুটা উষ্ণ হওয়ার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এল নিনো সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে যে অবস্থাটা মে মাস পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং এল নিনো সক্রিয় থাকা অবস্থায় স্বাভাবিকের চেয়ে সাধারণত বেশি তাপমাত্রা দেখা যায় বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবুল কালাম মল্লিক।

প্রতি তিন থেকে সাত বছরের মধ্যে একবার এই এল নিনো দেখা দেয়- যখন তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩০ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় হিসেবে স্বাভাবিকভাবে ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এ বছর ডিসেম্বর মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ১৪.৫ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে বলে ধারণা দেন আবুল কালাম মল্লিক। পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় চিত্রের দিকে তাকালে তাপমাত্রা বাড়তে থাকার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।

ডিসেম্বর মাস

২০১৮ ১৩.৯২

২০১৯ ১৪.২১৪

২০২০ ১৪.২৫

২০২১ ১৫.৪৫

২০২২ ১৫.১৯৪

জানুয়ারি মাস

২০১৮ ১১.৩৩

২০১৯ ১২.৩৭

২০২০ ১৩.০৯

২০২১ ১৩.৩২

২০২২ ১৩.৬৯

৩০ বছরের তথ্য অনুযায়ী জানুয়ারি মাসের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে যেটাও এবার সামান্য বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ তথ্য অবশ্য পুরো দেশজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যা রেকর্ড করা হয় তার গড় হিসাব। অঞ্চলভেদে তাপমাত্রার তারতম্য হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এবার তেমন শীত পড়বে না সেটা ভাবলেও ভুল হবে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে আবহাওয়ার ব্যাপারে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যায় না উল্লেখ করে আবদুল মান্নান বলছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর এই সময়ে যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতি ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে।

গত তিন মাসে পরপর কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আবহাওয়া বিরূপ আচরণ করলে শর্ট পিরিয়ডে তীব্র শৈত্য প্রবাহ আসার সম্ভাবনাকেও কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে, এটুকু বলা যায় যে সামগ্রিকভাবে এবার শীতের সময় কিছুটা ওয়ার্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রমজানে রাজধানীতে সুলভমূল্যে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি করবে সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন রমজানে রাজধানীর ২৫টি স্পটে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম, মাংস, ড্রেসড ব্রয়লারসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হবে। গত রমজানের চেয়ে এবার পাঁচটি স্পট বাড়ানো হয়েছে। এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাস উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের করণীয় হিসেবে বিভিন্ন এজেন্ডার ওপর আলোচনাসভায় মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আসন্ন রমজানে ঢাকা শহরে আরও নতুন পাঁচটি স্পট বাড়ানো হয়েছে। এসব পণ্য সুলভ মূল্যে বিপণন করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে রমজানে সুলভ মূল্যে প্রাণিজ পণ্য কিনতে পারে সেদিকে ব্যবসায়ীদের খেয়াল রাখতে হবে।

গত বছর রমজানে কার্যক্রমে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৪০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯৪০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং ডিম প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে বিক্রয় করা হয়। তবে এ বছর পণ্যগুলোর দাম এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

সঠিক মূল্যে পশুখাদ্য উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব এটিএম মোস্তফা কামাল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহীন আখতার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার।


আরও খবর



বিশ্বের দুর্লভ পাসপোর্টের অধিকারী মাত্র ৫০০ জন!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাসপোর্ট হাতে পাওয়া মানে যেন চোখজুড়ে বিশ্ব ঘুরে দেখার এক সুবর্ণ সুযোগ। পাসপোর্টের মধ্যেও আছে শ্রেণিবিভাগ। যার ওপর নির্ভর করে সুযোগ-সুবিধা। বিশ্বে এমন বিরল পাসপোর্ট রয়েছে যার অধিকারী মাত্র ৫০০ জন। বিস্ময়কর এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

পাসপোর্টের মাধ্যমেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক আঞ্চলিক চুক্তির মতো বিষয়গুলো প্রকাশ পায়। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের মধ্যে অন্যতম হলো জাপানের পাসপোর্ট। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৯৩টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা পেয়ে থাকেন।

তবে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ পাসপোর্ট হলো মাল্টার সার্বভৌম সামরিক আদেশের পাসপোর্ট। এ দেশটি জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক মর্যাদা এবং সংবিধানসহ সার্বভৌম জাতি হিসেবে স্বীকৃত। এ দেশটির গাড়ির লাইসেন্স, মুদ্রা, পাসপোর্টসহ সবই অনন্যা বৈশিষ্টের।

১৩০০-এর দশকে অর্ডার অব মাল্টা বিদেশি মিশনে আসা কূটনীতিকদের প্রাথমিক পাসপোর্ট ইস্যুকারী দেশ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ কূটনৈতিক পাসপোর্ট বিবর্তিত হয়। বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রায় ৫০০ কূটননৈতিক পাসপোর্ট রয়েছে। এ ধরনের পাসপোর্ট অস্তিত্বের প্রতীক এবং বিরলতম পাসপোর্ট হিসেবে পরিচিত। লাল রঙের এ পাসপোর্ট সার্বভৌম কাউন্সিলের সদস্য, কূটনৈতিক মিশনের নেতা ও তাদের পরিবারের জন্য একচেটিয়াভাবে সংরক্ষিত।

দেশটির এক কর্মকর্তা জানান, কূটনৈতিক এ পাসপোর্ট শেনজেন সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ দ্বারা স্বীকৃত। আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও এ আদেশ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

বর্তমানে মাল্টার সার্বভৌম আদেশ ১২০টি দেশে সক্রিয়ভাবে নিযুক্ত রয়েছে। চিকিৎসা, সামাজিক এবং মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে মাল্টা এসব দেশের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক প্রসারিত করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে এ পাসপোর্টের স্বীকৃতি মেলেনি। তবে বিশ্বের ১২টি দেশে এ পাসপোর্টের স্বীকৃতি রয়েছে। এর বাইরেও সার্বভৌম সত্ত্বা হিসেবে এ পাসপোর্টকে বিবেচনা করা হয়।


আরও খবর



একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে একুশে পদক ২০২৪ তুলে দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক তুলে দেন তিনি।

১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেয়া টাকার পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদকর জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে। এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দুজন, শিল্পকলায় ১২ জন, সমাজসেবায় দুজন, ভাষা ও সাহিত্যে চারজন এবং শিক্ষায় একজন বিশিষ্ট নাগরিক এ পুরস্কার পেয়েছেন।

ভাষা আন্দোলন বিভাগে পুরস্কারের জন্য মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর) নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শিল্পকলা বিভাগে সংগীত ক্যাটাগরিতে জালাল উদ্দীন খা (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, নৃত্যকলা ক্যাটাগরিতে শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয় ক্যাটাগরিতে ডলি জহুর ও এম এ আলমগীর, আবৃত্তি ক্যাটাগরিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালিদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী, চিত্রকলা ক্যাটাগরিতে শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিং ক্যাটাগরিতে কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবা বিভাগে মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ, ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর) এবং শিক্ষা বিভাগে প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু- এ পুরস্কার পেয়েছেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কার প্রদান করে। ২০২৩ সালে ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক দেওয়া হয়।


আরও খবর



পাঁচ বছর পর তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার অভিজ্ঞতা পাওয়ার এক দিন পর পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পেলেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাসিন্দারা। সেখানে গতকাল রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ গতকাল এই উপজেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

গতকাল দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ছিল। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আজ সোমবার থেকেই তাপমাত্রা বাড়বে। শীতের প্রকোপ এ সপ্তাহের মধ্যেই কমে যাবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়ায় গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত শুক্রবার ছিল ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি ৭০ বছরের রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দেশে জানুয়ারি সবচেয়ে শীতলতম মাস। গতকাল রংপুর বিভাগের সব জেলাতেই ছিল মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। অর্থাৎ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলাতেই ছিল মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ঢাকায় এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় গত মঙ্গলবার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুখ বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা কম থাকে। আজ সোমবার থেকেই তাপমাত্রা বাড়বে। চলতি সপ্তাহ শেষে সারা দেশেই তাপমাত্রা একটু করে বাড়বে। তিনি বলেন, ৩০ জানুয়ারি থেকে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীতের প্রকোপ এখনকার মতো থাকবে না।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সিজারের সময় নবজাতকের পিঠ কাটার অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

এবার বরগুনার তালতলীতে প্রসূতি মায়ের সিজারের সময় নবজাতকের পিঠ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উপজেলা শহরের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে।

প্রসূতির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তালতলী শহরের হোটেল ব্যবসায়ী ইব্রাহিম খলিল সোহাগের স্ত্রী লিপি আক্তার প্রসবব্যথা নিয়ে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল সড়কের দোয়েল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। সন্ধ্যার পর ওই ক্লিনিকে স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রুনা রহমান ওই প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এ সময় নবজাতকের পিঠ কেটে যায়।

নবজাতকের বাবা সোহাগ বলেন, সিজারিয়ান অপারেশনের এক ঘণ্টা পরে নবজাতক মেয়ের গায়ে কাপড় পেঁচিয়ে আমার হাতে তুলে দেয়। এরপর নবজাতক অনবরত কান্না করতে থাকে। ওই সময় মেয়ের শরীরে রক্ত দেখতে পাই। পরে গায়ের কাপড় খুলে ডান হাতের নিচে কেটে যাওয়ার ক্ষত দেখতে পেয়ে বিষয়টি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ডা. রুনা রহমানের কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

এ ঘটনায় বরগুনা জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪