আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

সব মামলায় সম্রাটের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। এরমধ্যে দিয়ে সম্রাট তার বিরুদ্ধে থাকা চারটি মামলাতেই জামিন পেলেন। এতে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই।

বুধবার (১১ মে) ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল একই আদালত এ মামলায় সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর করেছিলেন।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। একই বছরের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। গত ২২ মার্চ দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ। অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি বিশেষ জজ আদালত-৬ এ পাঠানো হয়।


আরও খবর



সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ৯ জনের ১৭ বছর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ৯ জনকে পৃথক দুই ধারায় ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৫ মে) ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

৯ আসামি হলেন-ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মাইনুল হক, জিএম ননী গোপাল নাথ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজিএম কামরুল হোসেন খান ও সাইফুল হাসান এবং প্যারাগন নিট কম্পোজিট লিমিটেডের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা ও পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সম্পত্তি আত্মসাতের দায়ে তাদের প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। যা প্রত্যেকের কাছ থেকে সমহারে রাষ্ট্রের অনুকূলে আদায়যোগ্য হবে।

আর প্রতারণার দায়ে প্রত্যেককে সাত বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।  অর্থদণ্ড না দিলে তাদের আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে।

দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে। সেক্ষেত্রে দণ্ডিতদের ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

রায় ঘোষণার সময় ডিএমডি মাইনুল হক, এজিএম সফিজ উদ্দিন আহমেদ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন এবং এজিএম কামরুল হোসেন খান আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্য ৫ আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম।

২৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৮১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মুজিবুর রহমান রমনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমান।


আরও খবর



২ বিমানের ধাক্কা : প্রধান প্রকৌশলীসহ বরখাস্ত ৫

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে (উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের স্থান) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি উড়োজাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলামসহ ৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১১ মে) বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ড. আবু সালেহ মোস্তফা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বরখাস্ত হওয়া অপর চারজন হলেন- বিমানের প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহাউল ইসলাম, সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে আগে থেকেই বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাখা ছিলো।এরপর আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হ্যাঙ্গারের দিকে নেওয়া হয়। হ্যাঙ্গারের ভেতরে প্রবেশ করানোর সময় ৭৩৭ উড়োজাহাজের সামনের অংশের সঙ্গে ভেতরে থাকা ৭৭৭ উড়োজাহাজের পেছনে অংশের সংঘর্ষ বাঁধে। এতে দুই উড়োজাহাজই ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এ ঘটনায় বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) আলী নাসেরকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং বিমানের চিফ অব সেফটির নেতৃত্বে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।

আজ বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই পাঁচ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (১৯৭৯) প্রবিধানমালার ৫৫ ধারা লঙ্ঘনের জন্য তাদের দায়ী করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



নেত্রকোনায় বাবার সামনেই ছুরিকাঘাতে মেয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পারিবারিক কলহের জেরে নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাবার চোখের সামনেই মেয়ে আরিফা আক্তার (১৮) নিজের পেটে ছুরিকাঘাত করেছেন। এতে গুরুতর যখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের নাটেরকোনা চরপাড়া আরিফার শশুরবাড়ী মড়ল বাড়িতে ঘটে। এদিন একই উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের মহিষবেড় গ্রামের মোহাম্মদ আলী তার মেয়েকে দেখতে মেয়ের শ্বশুর বাড়ি যান। পরে বাবার সামনেই এ ঘটনা ঘটান আরিফা।

পূর্বধলা থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বাবার সাথে মান-অভিমান ছিলো। বাবার সামনেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছি। কাল বুধবার ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭ মাস পূর্বে চরপাড়া গ্রামের মড়লবাড়ীর আব্দুল খালেকের প্রবাসী ছেলে সাগরের সাথে আরিফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মাঝে বনিবনা না হওয়ায় ঝামেলার সূত্রপাত ঘটে। এ নিয়ে প্রায় সময়ই ঝগড়া হতো। যা পারিবারিক কলহে রূপ নেয়।

মঙ্গলবার দুপুরে মেয়েকে দেখতে বাবা মোহাম্মদ আলী মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গেলে তার সামনেই শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে মেয়ের ঝগড়া হয়। পরে মেয়ে তার বাবার সাথে বাড়ি ফিরে আসতে চাইলে বাবা এতে আপত্তি জানায়। এ সময় ঘরে থাকা ফল কাটার ছোট ছুরি হাতে নিয়েই নিজের পেটে আঘাত করে। তাৎক্ষণিক শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর



আত্মসমর্পণের পর কারাগারে হাজী সেলিম

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে।

রোববার (২২ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

আবেদনে হাজী সেলিমের আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ উল্লেখ করেন, ২০১৬ সালে ওপেন হার্ট সার্জারির সময় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বাক-শক্তিহীন অবস্থায় রয়েছেন হাজী সেলিম। তিনি দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলে থাকলে চিকিৎসার অভাবে ও বাক-শক্তি না থাকায় যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ কারণে যে কোনো শর্তে তার জামিন আবেদন করছি। জামিন পেলে তিনি পলাতক হবেন না। তাই আপিল শর্তে আত্মসমর্পণ পূর্বক তার জামিন আবেদন করছি।

গত ২৫ এপ্রিল দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে হাইকোর্ট থেকে মামলার নথি এসে পৌঁছায়। এদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে রায়ের নথি পাঠানো হয়।

সেদিন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, আইন অনুযায়ী আজ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আর হাইকোর্টের রায়ের ফলে তার সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্যতা নেই।

এর আগে হাজী সেলিমকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট।

২০২১ সালের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় রায়।

এছাড়া জরিমানার টাকা অনাদায়ে হাজী সেলিমকে আদালত আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং রায় পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আত্মসমর্পণ না করলে জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। এছাড়া জব্দ করা হাজী সেলিমের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে বলা হয়।

জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

পরে ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৩ বছরের সাজা বাতিল করে রায় দেন।

এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক। শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের ওই রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে হাজী সেলিমের আপিল পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায় দেন হাইকোর্ট। সেখানে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর বহাল থাকে।


আরও খবর



পাকা চুল কালো করতে ঘরোয়া উপায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই চুল পাক ধরতে শুরু করে। পাকা চুল কালো করতে অনেকেই বাজারচলতি বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তাতে সাময়িক ভাবে চুলের সাদা ভাব খানিকটা কমে গেলেও দীর্ঘস্থায়ী কোনও সুফল পাওয়া যায় না। বরং রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত এই ধরনের বাজারচলতি রং ব্যবহারে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

এমনকি পাকা চুলের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। এক বার রং করার পর প্রায় ৭-১০ দিনেই আবার সাদা চুল উঁকি দেয়। এত ঝামেলায় না গিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে সাদা চুল কালো করতে পারেন। কী ভাবে? জানেন কি আলু দিয়েই সাদা চুল কালো করা সম্ভব। রইল পদ্ধতি।

একটি পাত্রে এক কাপ আলুর খোসা আর দুকাপ জল দিয়ে প্রায় ২০-৩০ মিনিট মতো ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে আপনি যে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, তার সঙ্গে এই মিশ্রণটি মিশিয়ে শ্যাম্পু করে নিন।

শ্যাম্পু করা হয়ে গেলে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল না শুকিয়ে ফেলে তোয়ালে দিয়ে কিছু ক্ষণ পেঁচিয়ে রাখুন। মিনিট ১৫ পরে চুল থেকে তোয়ালে খুলে চুল শুকিয়ে নিন।পর পর দুসপ্তাহ এটি ব্যবহার করলে পাকা চুলের সমস্যা দূর হবে।

 

নিউজ ট্যাগ: পাকা চুল কালো

আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২