আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শায়েস্তাগঞ্জে মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ শিল্প এলাকা অলিপুর মহাসড়কের উভয় পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। মহাসড়ককে চার লেনে উন্নয়নের কাজ অচিরেই শরু হবে। এরই অংশ হিসেবে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির বাস্তবায়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশের প্রায় দুই শতাধিক দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মো: নাহিদ ভূঁঞার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা হয়েছে। এর আগে হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা সরানোর জন্য মাইকিং করেছিল।

এ বিষয়ে সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মো: নাহিদ ভূঁঞা জানান, সরকারি নির্দেশনায় আমরা মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। সরকারি জায়গায় অবৈধ দখলে কাউকেই কোনো বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না এবং আজকের মতো অভিযান শেষ করা হয়েছে প্রয়োজন হলে আমাদের অভিযান আরো বাড়ানো হতে পারে। অলিপুর এখন শিল্পাঞ্চল হয়ে ওঠায় মহাসড়কের পাশে দোকানপাট গড়ে ওঠায় হাজার হাজার শ্রমিক ঠিকমতো আসা-যাওয়া করতে পারেন না। এছাড়াও অবৈধ স্থাপনার জন্য প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

তিনি আরো জানান, সরকারি জায়গায় কোনো রকম অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠলে আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে। এ উচ্ছেদ অভিযানের পরও যদি অবৈধভাবে দোকানপাট কেউ গড়ে তোলেন তাহলে উনাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



জীবিত তিনজনকে মৃত্যু সনদ, ভাতা তুলছেন অন্যরা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

Image

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার তিন ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জীবিত তিন ব্যক্তিকে মৃতের সনদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে তাদের বয়স্ক ও বিধবা ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও খবিরুল আহসান।

ভুক্তভোগীরা হলেন খলিশাউড় ইউনিয়নের গড়ুয়াকান্দা গ্রামের হযরত আলী (৭১), হোগলা ইউনিয়নের জামিরাকান্দা গ্রামের মৃত সুরুজ আলী ফকিরের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৭৭) ও পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের উকুয়াকান্দা গ্রামের মৃত মামুদ আলীর মেয়ে খাদিজা আক্তার (৬০)। তাদের মধ্যে হযরত আলী ও জহুরা খাতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান, মেম্বার, সমাজসেবা কর্মকর্তা মিলে তাদের মৃত দেখিয়ে অন্য ব্যক্তিদের ভাতা সুবিধা করে দিয়েছেন। তবে চেয়ারম্যানদের দাবি, তাদের ভুলের কারণে এমনটি হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক বরাবর দেওয়া হয়েছে।

হযরত আলী বলেন, দীর্ঘদিন বয়স্ক ভাতা পেতেন তিনি। ভাতার দুই কিস্তি তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে না আসায় বিষয়টি জানতে সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নেন। সমাজসেবা কর্মকর্তা জানান খলিশাউড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রাম্যান কমল কৃষ্ণ সরকারের দেওয়া প্রত্যয়ন মোতাবেক তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে। এ কারণে তাঁর নামে বরাদ্দ বয়স্ক ভাতা অন্য ব্যক্তিকে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে খলিশাউড় ইউপি চেয়ারম্যান কমল কৃষ্ণ সরকার বলেন, একই গ্রামের হযরত আলী নামে দুই ব্যক্তির একজন মারা গেলে ভুলবশত জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে সমাজসেবা অফিসে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে।

জহুরা খাতুনের অভিযোগ, তিনিও নিয়মিত বয়স্ক ভাতাভোগী ছিলেন। হঠাৎ ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমাজসেবা অফিসে খোঁজ নেন। পরে জানতে পারেন তাঁকেও ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম আকন্দ খোকনের স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নে মৃত দেখানো হয়েছে। এ কারণে তাঁর পরিবর্তে হালিমা খাতুনের নাম অন্তর্ভুক্ত করে এক বছর ধরে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

তবে হোগলা ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম আকন্দ খোকনের দাবি, তাঁর অজান্তে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ভুলবশত এমনটি করেছেন। তবে ভুল সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে কাগজপত্র নিয়ে সমাজসেবা অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে। অতি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের উকুয়াকান্দা গ্রামের মৃত মামুদ আলীর স্ত্রী খাদিজা আক্তার ২০১৯ সালে যাচাই-বাছাই শেষে বিধবা ভাতার কার্ড পান। ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ভাতা পান তিনি। এই ভাতার টাকায় নিজের ব্যয় বহন করতেন। গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে ভাতা পাচ্ছেন না তিনি। কারণ জানতে সমাজসেবা অফিসে খবর নিতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, আপনি তো মারা গেছেন। তাই ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বুলবুল বলেন, বিধবা ভাতা না পাওয়ার ব্যাপারে আমাকে কেউ জানায়নি। এ ধরনের বিষয় অহরহ ঘটছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে সমাধানের জন্য আমরা সমাজসেবা বিভাগে পাঠিয়ে দিই।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানরা মৃত্যু সনদ দিয়ে সুপারিশ পাঠালে ভাতাভোগী দুজনকে মৃত দেখিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। প্রকৃত বিষয়টি যেহেতু জানা গেছে, কয়েক দিনের মধ্যে সংশোধনের ব্যবস্থা করা হবে।

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খবিরুল আহসান জানান, জীবিত ব্যক্তিকে মৃতের সনদ দিয়ে ভাতা কেটে দিয়ে অন্যজনের নামে প্রতিস্থাপনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও হয়রানির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে খাদিজা আক্তার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সমাজসেবা বিভাগে বিষয়টি সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতাসাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: নেত্রকোনা

আরও খবর



বগুড়ায় স্ত্রী-সন্তানকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া প্রতিনিধি

Image

বগুড়া শহরের বনানী এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল থেকে আশামণি (২০) ও তার এক বছরের ছেলে আবদুল্লাহ আল রাফির মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী আজিজুল হককে (২৩) আটক করেছে পুলিশ। তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত। তার বাড়ি বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া।

আশা মনির লাশ হোটেলের বাথরুমের ভেতরে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়েছিল। আর তার ১ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল্লাহ আল রাফির মাথাবিহীন লাশ বস্তায় ভরে খাটের নিচে রাখাছিল।

রবিবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ দুটি লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আজিজুল হক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানায়।

নিহত আশামনির ভাই সনি জানান, সেনা সদস্য আজিজুল হকের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে তার বোনের বিয়ে হয়। দুই মাসের ছুটি নিয়ে সে কিছুদিন আগে বগুড়ায় আসে। এরপর তার ভগ্নিপতি আজিজুল গত বৃহস্পতিবার শহরের নারুলি এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে তিনি। ১ জুন বেড়ানোর কথা বলে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়ে যান আজিজুল হক। ২ জুন খুন ও আটক হওয়ার খবর পান তারা।

শুভেচ্ছা হোটেলের ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর আজিজুল হক তার স্ত্রী ও এক বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে দোতলার একটি কক্ষে ওঠেন। এরপর রাত ১১টার দিকে তিনি হোটেল থেকে বের হয়ে যান। তিনি বলেন, আজ (রবিবার) সকাল ১১টার দিকে আজিজুল হক হোটেলে কক্ষের ভাড়া পরিশোধ করতে আসেন। কিন্তু তখন তার সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তান না থাকায় আমাদের সন্দেহ হয়। এরপর আমরা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে ওই কক্ষের ভেতরে আজিজুল হকের স্ত্রীর গলকাটা বিবস্ত্র লাশ এবং বাথরুমে বস্তাবন্দী মাথাবিহীন সন্তানের লাশ দেখতে পান।

শাজাহানপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সেনা সদস্য আজিজুল হক হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দাবি সে তার সন্তানের মাথা পাশের করতোয়া নদীকে ফেলে দিয়েছে। নিহত শিশুর মাথা খোঁজা হচ্ছে।

জেলা পুলিশ সুপার সুদীপকুমার চক্রবর্ত্তী জানান, পুলিশ সদস্যারা চেষ্টা করে শিশুর মাথা উদ্ধার করতে পানেনি। তবে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস থেকে ডুবুরি চাওয়া হয়েছে। তারা মাথা উদ্ধারে অভিযান চালাবে।


আরও খবর



ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন হালিমা আক্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের পণ্য কিনে ননস্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার কাতারে এবার যুক্ত হলেন রাজধানী ডেমরার হালিমা আক্তার দিপু। সারা দেশে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর আওতায় কিস্তি সুবিধায় ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ টাকা। হয়েছেন ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ৩৮তম মিলিয়নিয়ার। ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হালিমা আক্তার। 

সোমবার (২৭ মে, ২০২৪) রাজধানী ডেমরায় এমএস টাওয়ারে ওয়ালটন প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হালিমা আক্তারের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

আসন্ন ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী চলছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। এর আওতায় দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ই-প্লাজা থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন বা ফ্যান ক্রয়ে ক্রেতাদের ননস্টপ মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার।

চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় গত ১৮ মে ডেমরার এমএস টাওয়ার ওয়ালটন প্লাজা থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে কিস্তি সুবিধায় ৩১২ লিটারের একটি ফ্রিজ কেনেন হালিমা আক্তার। ফ্রিজটি কেনার পর তার নাম, মোবাইল নাম্বার এবং ক্রয়কৃত ফ্রিজের মডেল নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই তার মোবাইলে ওয়ালটনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়ার একটি ম্যাসেজ যায়।

হালিমা আক্তারের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির গজারিয়ায়। ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত তিনি। ৪ সদস্যের বাসায় নিজেদের ব্যবহারের জন্য ওয়ালটনের ফ্রিজটি কেনেন তিনি।

পুরস্কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে হালিমা আক্তার বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজের গুণগতমান যেমন ভালো, তেমনি দামও সাধ্যের মধ্যে। তাই বাসার জন্য ওয়ালটন ফ্রিজ কিনি। কিন্তু ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে যে ১০ লাখ টাকা পাবো তা কখনো ভাবিনি। ওয়ালটনের কাছ থেকে পাওয়া এই টাকা দিয়ে ব্যবসা করবো। ওয়ালটনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

চিত্রনায়ক আমিন খান বলেন, বিশ্বমানের ইলেকট্রনিক্স পণ্য দ্বোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে ওয়ালটন। ওয়ালটন শুধু ব্যবসাই করছে না, তারা মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও কাজ করছে। আমাদের দেশেই এখন আন্তার্জতিকমানের পণ্য তৈরি হচ্ছে। তাই আমাদের উচিৎ- কষ্টার্জিত টাকায় বিদেশি পণ্য না কেনা।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন্স) সুব্রত পোদ্দার, সাব-ইন্সপেক্টর মো. মাজহার, ওয়ালটনের চিফ ডিভিশনাল অফিসার ইমরোজ হায়দার খান, ডিভিশনাল ক্রেডিট ম্যানেজার জাকির হোসেন, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার আবু নাসের প্রধান, রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার মিজানুর রহমান, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুস্তাফিজুর রহমান ও ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজার মেহেদি হাসান।

নিউজ ট্যাগ: ওয়ালটন ফ্রিজ

আরও খবর



জামায়াত সম্পর্কে ফখরুলের বক্তব্য অযৌক্তিক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ: কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য অযৌক্তিক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ।

সোমবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তি জামায়াত সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যে এ কথা আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতসহ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির গভীর বন্ধন রয়েছে। জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা সুস্পষ্টভাবে অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক। জামায়াতের রাজনীতি বাংলাদেশের মূল চেতনা, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধের পরিপন্থি। রাজনীতির এ ধারা বার বার দেশবিরোধী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক কখনোই ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের আখরে রচিত পবিত্র সংবিধান ও রাষ্ট্রের মৌলিক চেতনাবিরোধী এই রাজনীতিকে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দিতে পারে না। যাদের রাজনীতি দেশের ভিত্তিমূলে আঘাত হানে তাদের কৌশলও কখনো বিজ্ঞানসম্মত বা যৌক্তিক হতে পারে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে প্রতিগতিশীলতার মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে রাখা তার আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। একই সঙ্গে তার বক্তব্যে উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, উসকানি দেওয়ার দুরভিসন্ধি প্রকাশিত হয়েছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান এদেশে স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী এই অপশক্তির গভীর আঁতাত ও সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তাদের প্রতি এক ধরনের দায়বদ্ধতা অনুভব করে এবং সর্বদা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির রাজনীতির সামাজিক বৈধতা ও স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠায় বিএনপি বরাবরই প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিএনপির রাজনীতি এই চক্রেই আবর্তিত। তারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে নিজেদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শের ভিত্তিতে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শবিরোধী কোনো রাজনৈতিক অপশক্তিকে আওয়ামী লীগ কখনো স্বীকৃতি দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ধীরগ‌তি, দীর্ঘ যানজট

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সড়কটিতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, পশু ও পণ্যবাহী পরিবহন বেশি চলাচল করতে দেখা গেছে। এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে। কোথাও কোথাও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। বুধবার (১২ জুন) ভোর থে‌কে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়‌কে এমন প‌রি‌স্থি‌তির সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতু ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৪০১ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২০ হাজার ২৫০ টাকা।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর মো. সাজেদুর রহমান জানান, গাড়ির চাপ বৃদ্ধি ও এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে চার লেনের কাজ চলমান থাকায় সারি রয়েছে। মহাসড়কে পুলি কাজ করে যাচ্ছে।


আরও খবর