আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদীতে ভারতীয় নাগরিকের লাশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে খোয়াই নদী থেকে এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহের পকেটে পাওয়া নাগরিক সনদ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স অনুযায়ী তার নাম দ্বিজরাজ ঘোষ। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই শহরের পশ্চিম জাম্বুরা এলাকার রাসিক ঘোষের ছেলে।

পুলিশের ধারণা কেউ তাকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাধীন রেলওয়ে ব্রিজের নিচ থেকে লাশটি উদ্ধার করে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ।

এর আগে খোয়াই নদীর রেলওয়ে ব্রিজের পিলারের কাছে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে থানা পুলিশ, শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ এবং সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এ সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহফুজা আক্তার শিমুল। উদ্ধার হওয়া লাশের পকেট থেকে ভারতীয় নাগরিক সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং ভারতীয় রুপি উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত)  মোরশেদ আলম বলেন, আমরা খবর পেয়ে খোয়াই নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করেছি। লাশের পকেটে ভারতীয় নাগরিক সনদ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পেলে বিজিবির মাধ্যমে লাশটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করব।


আরও খবর



শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির উত্তরাধিকার: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির ‌উত্তরাধিকার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনের জাতীয় ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির উত্তরাধিকার। বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর গত ৪৮ বছরে তার মত জনপ্রিয় নেতা সৃষ্টি হয়নি। সাহসী রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হয়তো পাঁচ বছর পর নির্বাচন, তিনি হয়তো দেশের কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়েছেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, তখনই হয়তো একটা দুইটা নাম লিখে রেখেছেন। যখন জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে অথবা সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন হচ্ছে তখনই ওই ডায়রি থেকে নাম এনে প্রার্থিতা ঠিক করে নেন। এই হচ্ছেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, পনেরো বছরের আগের বাংলাদেশ ও পরের বদলের যাওয়া যে বাংলাদেশ, সে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা। আমাদের এই জনপদের সৃষ্টি ক্ষেত্রে মহান দুজন মানুষ কাজ করেছেন। একজন (বঙ্গবন্ধু) আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন এবং স্বাধীনতা দিয়ে তিনি যে ল্যাগেসি, যে উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, তিনি নেই কিন্তু সে সবসময়ের জন্য রয়ে গেছে। আরেকজন মুক্তির জন্য কাজ করছেন তিনি শেখ হাসিনা।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে সাহসী রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রেলকে স্মার্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

Image

রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি লোক নিয়োগ করে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে রেলকে আধুনিকায়ন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা। চেষ্টা চলছে রেলের সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও জনগণের কাছে সবচেয়ে সস্তা পরিবহন হিসেবে গড়ে তোলার।

আজ রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুরে ৯৫ বছর আগে নির্মিত বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং শেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক রেল মন্ত্রণালয়কে স্মার্ট বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা রেলকে সুন্দর ও সেবামুখী স্মার্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি বলেন, বিএনপির আমলে রেলের অনেক লোককে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে চাকরিচ্যুত করে জনবলের সংকট সৃষ্টি করা হয়। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি লোক নিয়োগ করে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে রেলকে আধুনিকায়ন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়কে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, আপনারা সাংবাদিক মানুষ। আমি কালকে পার্বতীপুর, সৈয়দপুরে যে কথাগুলো বলেছি তা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। আপনারা তো সমাজের বিবেক। কথাগুলো যদি পজিটিভ ওয়েতে উপস্থাপন না করা হয়, সে ক্ষেত্রে কিন্তু আমি মনে করব যে আপনারা সহযোগিতা করছেন না। কিন্তু আমরা চাই আপনাদের সহযোগিতা। কারণ আপনারাও বাংলাদেশের নাগরিক, আমরাও বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা সবাই দেশের উন্নয়ন চাই। সে ক্ষেত্রে নেগেটিভ নিউজ করে উন্নয়ন আশা করা যায় না।

মন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, রেলসচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর, রেলওয়ের মহাপরিচালক কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক পার্থ সরকার, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম, পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী মমতাজুল ইসলাম, ঈশ্বরদী ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং শেডের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী (ইনচার্জ) মো. শাকের জামাল, রেলওয়ে শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। এর আগে মন্ত্রী শনিবার রাতে ট্রেনযোগে নাটোরের আব্দুলপুর জংশন স্টেশনে নামেন। সেখান থেকে তিনি ঈশ্বরদীর পাকশীতে এসে রাত্রিযাপন করেন।

উল্লেখ্য, ঈশ্বরদী শহরের ফতেমোহাম্মদপুরে অবস্থিত এ স্থাপনা ব্রডগেজ রেলপথের ক্ষেত্রে দেশের সবচেয়ে বড় ডিজেল লোকোমোটিভ রানিংশেড। ১৯২৯ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিনের লোকশেড হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। তখন এখানে বাষ্পীয় ইঞ্জিন মেরামত হতো। ষাট ও সত্তরের দশকে যুক্ত হয় ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন)। পর্যায়ক্রমে এটি ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং শেডে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে এখান থেকে ১২৭টি ইঞ্জিন বিভিন্ন ব্রডগেজ রেলপথে যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন নিয়ে চলাচল করেছে।


আরও খবর



মন্ত্রিসভার আকার বাড়ছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুনদের শপথ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গুঞ্জন চলছিল দু-একদিনের মধ্যে বাড়ছে মন্ত্রিসভার আকার। নতুন করে যুক্ত হতে পারে সাত থেকে আট নতুন মুখ। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এমন ইঙ্গিতও দিয়েছেন মন্ত্রিসভার একজন সদস্য। অবশেষে রাতেই বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, নতুন মুখদের শপথের কথা।

জানা গেছে, আরও একজন পূর্ণমন্ত্রী, চারজন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী যোগ হতে পারেন মন্ত্রিসভায়। যদিও কারা এই নতুন মুখ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাদের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে।

মন্ত্রিসভা আকার বাড়ার বিষয়ে এখনও কিছু জানেন না বলেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি জানান, তার কাছে এমন কোনো সংবাদ নেই। তিনি জানার পর বিস্তারিত বলতে পারবেন।

সরকারি বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মন্ত্রিসভার দু-একজন সিনিয়র মন্ত্রীর দফতর পরিবর্তন হতে পারে। এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্যে থেকেও তিন-চারজন আসতে পারেন।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১১ জানুয়ারি শপথ নেয় নতুন মন্ত্রিসভা। এতে অভিজ্ঞ ও নতুন মুখ নিয়ে ৩৭ জন সদস্য জায়গা পান। মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়ার বিষয়ে শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছে। শোনা যাচ্ছিল, সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের নির্বাচিত হওয়ার পর মন্ত্রিসভার সদস্য বাড়বে।

সংসদে ৪৮ সংরক্ষিত নারী সদস্যের মনোনয়ন দিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি দিয়েছিল দুজনকে। তাদের সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সবশেষ বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তাদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী বাদে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এখনও দুটি মন্ত্রণালয়ে কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী দেয়া হয়নি। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে দুজন নারী সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান মন্ত্রিসভায় বড় বড় বেশ কিছু মন্ত্রণালয়ে একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এসব মন্ত্রণালয়ে আগে একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপমন্ত্রী ছিলেন।

সূত্র বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত একজনকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। ওই নারী সদস্য এবার দ্বিতীয় দফায় সংরক্ষিত আসনে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়েও একজন প্রতিমন্ত্রী দেয়া হতে পারে। আগের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন শামসুল আলম। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েও একজন প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপমন্ত্রী দেয়া হতে পারে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপমন্ত্রী দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও একজন প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেয়া হয়েছে বরাবরই। এবার এখন পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একাই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এই মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী কিংবা বিভাগ ভাগ করে আরেকজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।


আরও খবর



হাসপাতাল ও হেলথ কমপ্লেক্সকে স্বাবলম্বী করে তোলা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা দেশের গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দেয়া। লক্ষ্য একটাই, প্রতিটি হেলথ কমপ্লেক্স বা জেলার সকারি হাসপাতালগুলোকে সাবলম্বি করে গড়ে তোলা। তাহলে গ্রামগঞ্জের কোন রোগী চিকিৎসা নিতে ঢাকা বা চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরে ভীড় করবে না।

আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনি কমপ্লেক্স পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী জানান, কোন রোগী যাতে চিকিসকের ভুল চিকিৎসার শিকার না হন, সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গ্রামে চিকিৎসক না থাকার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামে চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা দেয়ার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ, কুমুদিনি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।


আরও খবর



সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা প্রদান সম্পন্ন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
সিলেট প্রতিনিধি

Image

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সিলেটের উদ্যোগে তৃণমূলের সংগ্রামী নারীদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর জীবনযুদ্ধে জয়ী নারীদের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কার্যক্রমের ধরাবাহিকতায় সিলেটে বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৫ জন শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর পূর্ব শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকল্পা একাডেমিতে আয়োজিত সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে জয়িতা সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার মহাপরিচালক (গ্রেড-১) কেয়া খান।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী এনডিসির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান বিপিএম-বার, পিপিএম, এসএমপি সিলেটের পুলিশ কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন খান পিপিএম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জাকিয়া আফরোজ, অতিরিক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ও জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কর্মসূচির পরিচালক সালেহা বিনতে সিরাজ, সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক এমপি, রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত সৈয়দা জেবুন্নেছা হক।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যম সূচিত অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক শাহিনা আক্তার।

সিলেট জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণলয়ের এপিসি প্রকল্পের চাইল্ড রাইটস্ ফ্যাসিলিটেটর প্রিয়াংকা দাস রায় এর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় ৫টি ক্যাটাগরিতে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা যথাক্রমে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী সিলেটের আছমা কামালী শান্তা, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী সিলেটের অধ্যাপক ডাঃ শামসুন নাহার বেগম, সফল জননী মৌলভীবাজারের কমলী রবিদাশ, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে নতুন জীবন শুরু করেছেন যে নারী হবিগঞ্জের নাজমা আক্তার, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী হবিগঞ্জের স্বপ্না রাণী দেব বর্মা-কে  উত্তরীয়, ক্রেস্ট, সম্মাননা চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধান অতিথি সহ অতিথিবৃন্দ।

বিভাগীয় পর্যায়ে রানার্স জয়িতা- সুফিয় রহমান, মোছাম্মত সেলিনা বেগম, বেগম হাজেরা হাশেম ও বিনতা দেব-কে উত্তরীয় ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জয়িতা তোমরাই বাংলাদেশের বাতিঘর শীর্ষক স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ঢাকার মহাপরিচালক কেয়া খান বলেন, দেশ-জাতি, সমাজের উন্নয়ন সহ সর্বক্ষেত্রে মায়েদের আবাদন বেশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী থাকার কারণে আজ নারী সমাজ শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকুরী, উদ্যোক্তা, সমাজসেবা সহ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছেন। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই। দক্ষতার সাথে তারা দেশের উন্নয়নে নিরলস ভাবে ভূমিকা রাখছেন। সমাজে প্রতিকূলতা অতিক্রম করে যে নারী তাঁর কাজের মাধ্যমে উজ্জীবিত তাঁদের সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে নারী সমাজের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল সকলক্ষেত্রে নারীদের অবদান নিশ্চিত করা।

পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী কাজ করায়, নারীর উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে সুনামের সাথে পরিচিত লাভ করেছে। তিনি বাল্য বিবাহ রোধে কাজ করার পাশাপাশি জয়িতা সম্মাননা পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের উৎসাহিত করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নারী পুরুষ সমতার মাধ্যমে সবাইকে এক যুগে কাজ করার আহবান জানান।

নিউজ ট্যাগ: সিলেট

আরও খবর