আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

শামসুজ্জামান শামসের মুক্তির দাবিতে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
শাকিল মোল্লা, রাজবাড়ী

Image

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তি, সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার দাবিতে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

প্রথম আলো রাজবাড়ী বন্ধুসভার উদ্যোগে শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপি এই কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন নাগরিক কমিটির সহসভাপতি আবদুস সামাদ মিয়া, প্রথম আলো বন্ধুসভার উপদেষ্টা চৌধুরী ইমরুল আহমেদ, রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ও জেলা টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুল কুদ্দুস বাবু, রাজবাড়ী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহসভাপতি সনজিৎ দাস, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র শীল, দৈনিক আমাদের রাজবাড়ী পত্রিকার সম্পাদক ফকীর জাহিদুল ইসলাম রুমন, রাজবাড়ী রিপোর্টার্স ইউনিটের সহসভাপতি দেবাশিষ বিশ্বাস, রিপোর্টার্স ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন বিশ্বাস, কালুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি কাওসার আহমেদ, বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর রাজবাড়ী প্রতিনিধি এজাজ আহম্মেদ। কর্মসূচিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংবাদিক ও বন্ধুসভার বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা, সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামসের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলা বাতিল করে নিঃশর্ত মুক্তি দাও, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল কর প্ল্যাকার্ড প্রদর্শণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, প্রথম আলো প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একটি পত্রিকা। এটি সবচেয়ে পাঠক প্রিয় পত্রিকা। সাংবাদিকতার নিয়ম মেনেই সবসময় খবর পরিবেশন করে। কিন্তু একটি খবর কেন্দ্র করে পত্রিকার সাংবাদিককে রাতের আধারে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সম্পাদকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মধ্যরাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটা মূলত ভয় দেখানোর জন্য ও সাংবাদিকের কণ্ঠ রোধ করার জন্য করা হয়েছে। এই মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে লেখার সুযোগ করে দিতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বাজারে প্রতিটি দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের মধ্যে হাহাকার তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনের কথা লেখায় প্রথম আলোর ওই কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এখানে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা হয়নি। সুনির্দিষ্ট ভাবে এক দিনমুজুরের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। কথায় কথায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করার প্রবণতা বাদ দিতে হবে। এই আইন বাতিল করতে হবে। সাংবাদিকের মুক্তি দিতে হবে।


আরও খবর



ডায়াবেটিস থেকে মিলল মুক্তি, বিশ্বে আশার আলো

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

ডায়াবেটিস রুখে দেয়ার লড়াইয়ে একদল চীনা বিজ্ঞানী এবং চিকিত্সক আশার আলো দিতে পেরেছে। তারা বিশ্বে প্রথমবারের মতো, সেল থেরাপি ব্যবহার করে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিকে পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে সফল হয়েছেন।

৫৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ২৫ বছর ধরে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি এই রোগের কারণে জটিলতার গুরুতর ঝুঁকিতে ছিলেন। ২০১৭ সালে তার একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তার বেশিরভাগ অগ্ন্যাশয়ের আইলেটের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলেন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতিদিন একাধিক ইনসুলিন ইনজেকশনের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিলেন তিনি।

সাংহাই চাংজেং হাসপাতালের একজন শীর্ষস্থানীয় গবেষক ইয়িন হাও চলতি মাসের শুরুর দিকে সাংহাইভিত্তিক নিউজ আউটলেট দ্য পেপারকে বলেন, ওই ব্যক্তি গুরুতর ডায়াবেটিস জটিলতার ঝুঁকিতে ছিলেন।'

গবেষক ইয়িন হাও বলেন, 'এই রোগী ২০২১ সালের জুলাই মাসে 'উদ্ভাবনী কোষ প্রতিস্থাপন' (ইনোভেটিভ সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট) সেবা পেয়েছিলেন। প্রতিস্থাপনের ১১ সপ্তাহ পর ওই ব্যক্তি বাহ্যিকভাবে নেয়া ইনসুলিন ইঞ্জেকশনের প্রয়োজন থেকে মুক্তি পান। এসময় রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য মুখে খাওয়ার ওষুধের ডোজও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হয়েছিল। এবং এক বছর পরে ওরাল ওষুধও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলো-আপ পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ওই রোগীর অগ্ন্যাশয় আইলেটের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেয়েছেন তিনি। ওই রোগী ৩৩ মাসের জন্য সম্পূর্ণরূপে ইনসুলিন নেয়া বন্ধ রেখেছেন।

সাংহাই চ্যাংজেং হাসপাতাল, চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সের অধীনে সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ইন মোলিকিউলার সেল সায়েন্স এবং সাংহাইভিত্তিক রেনজি হাসপাতালের চিকিৎসক এবং গবেষকদের যৌথভাবে অর্জিত চিকিৎসা সাফল্য গত ৩০ এপ্রিল সেল ডিসকভারি জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলুলার এবং শারীরবৃত্তীয় বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক টিমোথি কিফার বলেন, 'আমি মনে করি এই গবেষণাটি ডায়াবেটিসের জন্য সেল থেরাপির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতিনিধিত্ব করে।

ডায়াবেটিস এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক অসুস্থতা, যা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। এ রোগে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। শরীর যখন রক্তের সব গ্লুকোজকে ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই রোগ জটিল অবস্থায় পৌঁছালে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং বিকল হয়ে যেতে পারে কিডনিও। নতুন এই গবেষণা বলা হচ্ছে, ওষুধ এবং ইনসুলিন ছাড়াই টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদিও এটি নিয়ে আরো বিস্তর গবেষণার প্রয়োজন।

১৯৮০-২০১৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ কোটি থেকে বেড়ে ৪২ কোটি ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ডায়াবেটিসকে মহামারি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও এ রোগ থেকে পরিত্রাণের কার্যক্রম খুব সীমিত। এতো দিন নিরাময় অযোগ্য এই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল ছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজ ট্যাগ: ডায়াবেটিস

আরও খবর



ঢাকায় বস্তি থাকবে না, দিনমজুররাও থাকবে ফ্ল্যাটে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকায় কোনো কাঁচা বস্তি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকবে না। সুন্দর পরিবেশে সবাই বসবাস করবে। সেই ব্যবস্থা করে দেবো। এই পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি। মানুষের কল্যাণে কাজ করা, এটাই আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি।

পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারের স্থানে ১০তলা বঙ্গবাজার পাইকারি মার্কেট, শাহবাগে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশু উদ্যানের আধুনিকায়নসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আজ (শনিবার) সকালে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীদের জন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করে দিচ্ছি। যে বস্তিতে যেরকম ভাড়া সেরকম ভাড়াই দেবে। কিন্তু তারা ফ্ল্যাটে থাকবে। শুধু বড়লোকেরাই ফ্ল্যাটে থাকবে সেটা হতে পারে না, আমাদের রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিন মজুররাও ফ্ল্যাটে থাকবে। স্বল্প ভাড়া, কেউ যদি প্রতিদিন ভাড়া দিতে চায়, সেই ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি সাত দিনের ভাড়া দিতে চায়, সে ব্যবস্থা আছে। কেউ মাসের ভাড়া দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও হবে। আমরা ইতিমধ্যে ৩০০ পরিবার তুলেছি।

পরিবেশ রক্ষার গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের এক টুকরো জমি আছে তারা একটা ফুলের গাছ, একটা ফলের গাছ হলেও লাগান। যাদের গ্রামের বাড়ি আছে সেখানে যেন অনাবাদি জমি না থাকে সেই দিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এতে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস,  ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহম্মদ ইব্‌রাহিম।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের যুবসমাজ লেখাপড়া করে কাজ পায় না, সেখানে আমরা স্টার্টআপ প্রোগ্রাম নিয়েছি। যারা কম্পিউটার শিখবে, ডিজিটাল সিস্টেম শিখবে। তারা ছাড়াও অন্য সকলে এখানে ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে। কোম্পানির আইন পরিবর্তন করে এক ব্যক্তি যাতে কোম্পানি খুলতে পারে সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। একটা কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি। যে ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে আমাদের তরুণরা অন্তত দুই লাখ টাকা নিতে পারে। এককভাবে বা কয়েকজনের মিলে যাতে বিভিন্ন ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন।

পাস করে চাকরির সন্ধানে না ছোটার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নিজেই নিজের বস হবেন, নিজের চাকরি দেবেন, নিজে উদ্যোক্তা হবেন, নিজের চাকরি দিতে পারবেন, সেভাবে তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছে। তার জন্য ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে আমরা কম্পিউটার ট্রেনিং এবং ইনকিউবেটর সেন্টার করে দিচ্ছি। স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করে দিচ্ছি। ট্রেনিংয়ের সাথে সাথে সব ধরনের সুযোগ আমরা করে দিচ্ছি। শুধু দেশে নয়, বিদেশে কাজ করতে গেলেও উপযুক্ত ট্রেনিং নিয়ে যাওয়া ভালো। দালাল ধরে টাকা খরচ করে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরার চেয়ে নিজের দেশে থেকে কাজ করা অনেক লাভবান। এ ব্যাপারে মানুষকে একটু উজ্জীবিত  করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজকে লেখাপড়া করতে হবে। মাদক, নেশা, দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। একটা মাদকাসক্ত সন্তান যদি থাকে তাহলে সেই পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। তোমরা বাবা-মাকে কষ্ট দাও কেন? নিজেকে কষ্ট দাও কেন? যারা মাদক সেবন করে তারা পরবর্তীতে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে যায়। নিজেদের ঘর সংসার হয় না, কিছু হয় না। জনগণকে একটা সচেতনতা সৃষ্টি করা দরকার।

আসন্ন ঈদুল আজহায় যেখানে সেখানে পশু কোরবানি না করার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে পশু কোরবানির জন্য আরও আধুনিক ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে সিটি করপোরেশনগুলোকে। শুধু সিটি করপোরেশন নয়, দেশব্যাপী আধুনিক ব্যবস্থা রাখতে হবে, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। যেন শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। পানির যাতে অপচয় না হয়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর জলাশয় ভরাট করা যাবে না, এটি ভরাট করে বহুতল ভবন  নির্মাণ করাও যাবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশ যত উন্নত হচ্ছে মানুষের কাজকর্ম ততো বাড়ছে। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। এরইমধ্যে রাজধানীবাসীর যাতায়াতের জন্য ঢাকাতে একটি মেট্রো রেলপথ তৈরি করা হয়েছে। আরও কয়েকটি মেট্রো রেলপথ নির্মাণ করা হবে। কিছু ওপর দিয়ে যাবে, আবার কিছু পাতাল দিয়ে যাবে। সেইভাবেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টাইগাররা।

মঙ্গলবার (২১ মে) হিউস্টনের প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  

প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। এর আগে কোনো সংস্করণেই দেখা হয়নি এই দুই দলের। বিশ্বকাপের আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এই তিন ম্যাচ বেশ গুরুত্বপূর্ণ টাইগারদের জন্য। ইনজুরির কারণে এই সিরিজের নেই পেসার তাসকিন আহমেদ।

দুই পেসার ও দুই স্পিনারকে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের সঙ্গে একাদশে জায়গা পেয়েছেন দুই স্পিনার মাহেদী হাসান ও রিশাদ হোসেন।

বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, মাহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।

যুক্তরাষ্ট্র একাদশ: মোনাক পাটেল, অ্যারন জোন্স, অ্যান্ড্রিস গিউস, কোরি অ্যান্ডারসন, মোহাম্মদ আলী খান, হারমীত সিং, জাসদ্বীপ সিং, নিতিশ কুমার, নসতুশ কেনজিগে, সৌরভ নেটরাভালকার ও স্টিভেন টেইলর।


আরও খবর



আধা ঘণ্টা মেট্রোরেল বন্ধে অফিসগামী যাত্রীদের ভোগান্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দিনের শুরুতেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল আধাঘণ্টা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল। পরে ৯টার দিকে স্বাভাবিক হয় চলাচল।

সকালে মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে মতিঝিলগামী একটি ট্রেন বন্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর এ সময় উত্তরাগামী ট্রেনটি মিরপুর-১০ নম্বর স্টেশনে আটকে ছিল। এ সময় প্লাটফর্ম থেকে ঘোষণা করা হয় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচলে দেরি হচ্ছে। এদিকে হঠাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ হওয়ায় স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বাড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

এদিকে সকালে মেট্রোরেলের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দেওয়া হয়, অনিবার্য কারণবশত অদ্য ৩০ মে মেট্রোরেল ১৫ মিনিট Headway-তে (বিরতির সময়) চলাচল করবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত Headway চালু হলে জানানো হবে। এতে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেড়ে যায় সকাল থেকেই। পরে সোয়া ১০টার দিকে আবার পূর্ব নির্ধারিত বিরতিতেই স্টেশনগুলোতে আসতে শুরু করে মেট্রোরেল।

মেট্রোরেলের এ ধরনের বিভ্রাট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। নির্ধারিত সময় নিয়ে বের হয়েও মাঝে মাঝেই মেট্রোর বিভিন্ন ত্রুটির কারণে শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

বর্তমানে মেট্রোরেল চলছে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত। উত্তরা থেকে মতিঝিল অভিমুখী ট্রেনের পিক আওয়ার হচ্ছে সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে ১১টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। আবার বিকেল ৩টা ১৩ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পিক আওয়ার হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা রুটের পিক আওয়ার শুরু হয় সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে ১২টা ৮ মিনিট এবং বিকেল ৩টা ৫৩ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত।

পিক আওয়ারে প্রতি ৮ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে। অফ পিক আওয়ারে ১২ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে।

নিউজ ট্যাগ: মেট্রোরেল

আরও খবর



ইউক্রেনকে রাশিয়ায় হামলার অনুমতি দিলেন বাইডেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় হামলা চালানোর জন্য ইউক্রেনকে অনুমতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে ইউক্রেন শুধুমাত্র খারকিভ অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত রুশ ভূখণ্ডে এই হামলা চালাতে পারবে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (৩১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

অবশ্য পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় হামলা চালানো হলে গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনকে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য আমেরিকান সরবরাহকৃত অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন। তবে এই অনুমতি শুধুমাত্র খারকিভ অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত রুশ ভূখণ্ডে হামলার জন্য।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা বিবিসি নিউজকে বলেছেন, ইউক্রেন যেন পাল্টা-হামলার উদ্দেশ্যে’ মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম হয় তা নিশ্চিত করার জন্য তার দলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত যেখান থেকে রুশ বাহিনী তাদের (ইউক্রেনকে) আঘাত করছে বা তাদের আঘাত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে’ সেখানে হামলা করতে পারবে ইউক্রেন।

বিবিসি বলছে, রাশিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় নজিরবিহীন আক্রমণের পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়ান বাহিনী খারকিভ অঞ্চলে বেশ সাফল্য অর্জন করেছে এবং অগ্রসর হয়েছে।

শুক্রবার ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলেছেন, খারকিভ শহরের উপকণ্ঠে একটি আবাসিক ভবনে রাশিয়ার গোলাবর্ষণে তিনজন নিহত এবং আরও ১৬ জন আহত হয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা বিবিসিকে আরও বলেছেন, আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) বা রাশিয়ার অভ্যন্তরে দূরপাল্লার হামলা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আমাদের নীতি পরিবর্তন হয়নি।’

এদিকে নতুন নীতিতে রাশিয়ার বিমানে আক্রমণ করা অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা জানতে চাইলে একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা তাদের (ইউক্রেন) কখনও বলিনি, তারা রাশিয়ার ভূখণ্ডে রাশিয়ান বিমানকে গুলি করতে পারবে না যেটি তাদেরকে আক্রমণ করতে আসছে।’

হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

অবশ্য এই ধরনের অনুমতি বা পদক্ষেপ চলমান সংঘর্ষের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এমন উদ্বেগ সত্ত্বেও বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় নেতা সম্প্রতি এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহারে বিধিনিষেধ শিথিল করার আহ্বান জানিয়েছেন।

কিন্তু ওয়াশিংটন সংঘাত আরও জোরালো হওয়ার ভয়ে এই ধরনের বিধিনিষেধগুলো শিথিল করতে বাধা দিয়ে থাকে। মূলত রাশিয়াকে মোকাবিলায় ইউক্রেনকে বেশিরভাগ অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রই সরবরাহ করে থাকে।

তবে বুধবার মলদোভা সফরকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন রুশ ভূখণ্ডে হামলা না করার বিষয়ে মার্কিন নীতিতে এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন। সেদিন তিনি বলেন, প্রতিটি পদক্ষেপে, আমরা প্রয়োজন অনুসারে মানিয়ে নিয়েছি এবং সামঞ্জস্য করেছি। এবং এভাবেই আমরা সামনে এগিয়ে যাবো।’

অবশ্য পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ায় হামলা চালানো হলে গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সম্প্রতি উজবেকিস্তান সফরকালে তিনি বলেন, সংঘাতের এই ক্রমাগত বৃদ্ধি গুরুতর পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ইউরোপে, বিশেষত ছোট দেশগুলোতে, তারা কী নিয়ে খেলছে সে সম্পর্কে তাদের সচেতন হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, এমন অনেক ইউরোপীয় দেশ রয়েছে যারা আয়তনে ছোট’ এবং সেসব দেশের ঘনবসতিপূর্ণ জনসংখ্যা’ রয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে আঘাত করার কথা বলার আগে এই বাস্তবতাটি তাদের মনে রাখা উচিত, এটি গুরুতর বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের বাহিনী হামলা চালালেও তার দায়ভার পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহকারীদের ওপরই বর্তাবে।’

প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন পশ্চিমা সামরিক প্রশিক্ষকরা ইতোমধ্যেই ইউক্রেনে ভাড়াটে হিসাবে গোপনে কাজ করছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠানোর কোনও পদক্ষেপ নিলে তা সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং ইউরোপকে গুরুতর সংঘাতের দিকে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেটি হবে বৈশ্বিক সংঘাতের দিকেও আরেকটি পদক্ষেপ।


আরও খবর