আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা হবে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের পথের বাধা সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাতির পিতার ১০৩ তম জন্মবার্ষিকীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, সংবিধান অবিকৃত রেখে, সংবিধানে যেভাবে আছে সেভাবেই নির্বাচনে যেতে চায় আওয়ামী লীগ। বিএনপি সরকার বারবার সংবিধানের ওপর আঘাত এনে কলঙ্কিত করেছে। আওয়ামী লীগ সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করে সেই আলোকে আগামী নির্বাচন করবে।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলের সভাপতি ও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সকাল ৭টায় ১২মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এসময় আওয়ামী লীগের সিনিয়র ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



বাগেরহাটে আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় চেতনানাশক দিয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বেমরতা ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগরের বাসায় চেতনা নাশক স্প্রে দিয়ে দুর্ধর্ষ চুরি ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) গভির রাতে বাগেরহাট শহরের আমলাপাড়া এলাকার বাসায় এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ঘরের জানালার গ্রীল ভেঙ্গে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। খবর পেয়ে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

স্থানীয়রা জানান, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বেমরতা ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগরের স্ত্রী মুক্তা খানম আমলাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাকতা করেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হলে শিক্ষকরা তার বাসায় গিয়ে দেখে দরজা খোলা অবস্থায় আছে। পরে তারা স্থানীয়দের সহায়তায় চেয়ারম্যান দম্পতিকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন।

মনোয়ার হোসেন টগর জানান, প্রতিদিনের মত তারা রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কোন এক সময় চোরেরা চেতনা নাশক স্প্রে দিয়ে ঘরের জানালার গ্রীল ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। এসময় তারা বিভিন্ন আসবাবপত্র তছনছ করে আলমিরাতে থাকা নগদ ২ লক্ষ টাকা এবং প্রায় ৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



আজ যেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলংকাকে ২ উইকেটে হারিয়ে অভিযান শুরু করেছে টাইগাররা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই আরও বড় প্রতিপক্ষ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের সামনে। এবার শান্ত-সাকিবদের দক্ষিণ আফ্রিকা পরীক্ষা।

আজ সোমবার গ্রুপ ডির ম্যাচে নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলবে দুদল। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

বাংলাদেশ যেহেতু শ্রীলংকার বিপক্ষে জয় পেয়েছে, তাই প্রোটিয়াদের বিপক্ষেও আগের ম্যাচের একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব।


আরও খবর



‘রাজধানীতে কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না’

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীতে ব্যাটারি বা যন্ত্রচালিত কোনো রিকশা চলতে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভবনে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভায় এই নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না। এটা আগে কার্যকর করুন। এ ছাড়া ২২ মহাসড়কে রিকশা ও ইজিবাইক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেটা বাস্তবায়ন করুন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ঢাকা সিটিতে ব্যাটারিচালিত রিকশা যাতে না চলে, সেই বিষয়ে শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ নয়, এগুলো চলতে যাতে না পারে, সেটার ব্যবস্থা করুন।

সারাদেশে মোটরসাইকেল-ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি স্ক্র্যাপ (ধ্বংস) করতে হবে। উচ্চ হর্নের বিষয়ে আমাদের সর্তক থাকতে হবে। রাজধানীতে হুটার বাজানো বন্ধ করা দরকার। জরুরি সেবা ছাড়া হুটার বাজানো যাবে না।

এর আগে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র শহরের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশা বন্ধে সম্মতি জানান।

সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ভয়াবহ ব্যাপার, যখন ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকেরা দুই পা ওপরে উঠিয়ে বেপরোয়া গতিতে চালায়। অনেক প্রতিবন্ধী আছেন, যারা চোখে কিছুটা কম দেখেন, তারাও এই রিকশা নিয়ে নেমে পড়েন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্ধান্তে আসা দরকার যে ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইক চলবে না। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদারসহ আরও অনেকে।


আরও খবর



২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য বাজেট কেমন হওয়া উচিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ

Image

আমরা জানি, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ না করলে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থার উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্নীতিমুক্ত করে চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসা সহায়কদের গুণগত মান উন্নয়ন করে স্বাস্থ্য সেবায় আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব।

দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ জাতিসংঘে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে যথাসাধ্য অবদান রেখেছে। কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবার শক্ত ভিত গড়ে তুলতে পারলেই এই খাতে পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। বাংলাদেশে গত দুই দশকে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের জন্য বরাদ্দ রয়েছে মোট জিডিপির ১ শতাংশেরও কম। যা মালদ্বীপে ৯.১৪% , ভারতে ১.১% , কিন্তু বাংলাদেশে ০.৪৭% । স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নে সরকার জিডিপি ২% বরাদ্দ রাখলে ভালো হয়, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশ করেছে মোট জিডিপির ৫% -এ উন্নিত করা। অবশ্যই পাঁচটি মৌলিক অধিকারের একটি হচ্ছে স্বাস্থ্য। সরকারের কাছে এই স্বাস্থ্য যদি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত হয়, তাহলে স্বাস্থ্য খাতে অবশ্যই বাজে বৃদ্ধি করা উচিত বলে আমি মনে করি।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪০০ বিলিয়ন টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হলেও তা অপ্রতূল। কারণ মূল বাজেট ৮ লাখ কোটি টাকা - এর ১০% এর থেকেও ৪০০ বিলিয়ন টাকা অনেক কম। বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন বাজেটে জনগণের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ১০% বরাদ্দ রাখার দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। এমতাবস্থায় গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৯ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ছিল এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেট এর পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ইকুইপমেন্ট দেখাশোনার জন্য বায়ো মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিৎ। চিকিৎসা সেবা, মেডিকেল শিক্ষা ও গবেষণার জন্য আলাদা অতিরিক্ত বাজেট দেয়া প্রয়োজন। ব্যাসিক সাবজেক্টে শিক্ষক-স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্তদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে।

দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ কমিউনিটি ক্লিনিক এর ধারণা জাতিসংঘের প্রশংসা অর্জন করেছে। ৭০টি দেশে এই কমিউনিটি ক্লিনিকের ধ্যান-ধারণা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ৩০টি ওষুধ কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে দেওয়া হয়। কমিউনিটি ক্লিনিকের এই স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহায়তা প্রদান করতে হবে। এছাড়া উপজেলা ও জেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলতে হবে। হেলথ কার্ড এবং স্বাস্থ্য বীমা প্রবর্তনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে আরো উন্নত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অটোমেশনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন।

বাজেট বাড়ানো এবং তার ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা করে এবং বাজেট সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। অর্থাভাবে ইমার্জেন্সি সেবা দেওয়া না গেলেও স্বায়ত্তশাসন দেয়া প্রয়োজন। সীমিত বাজেট থাকা সত্ত্বেও, অপচয় ও দুর্নীতি রোধ করে দক্ষতা বাড়িয়ে বাজেটের অর্থ সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব - এ ব্যাপারে সামগ্রিক কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আরও বেশি শক্তিশালী এবং গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতকে সুদৃঢ়করণ করে বাংলাদেশেই যেন সকল রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হয় তার ব্যবস্থা করতে হবে। সহজে যেন কেউ বিদেশে চিকিৎসা করার ব্যাপারে আগ্রহী না হয়, এ বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য কেউ যেন চিকিৎসা বঞ্চিত না হয় তার জন্য বিশেষ স্কিম চালু করা প্রয়োজন। এই বাজেটেই  এ সম্পর্কে নতুন নির্দেশনা আসলে ভালো হয়।

বারবার পাঁচবার নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, সমুদ্র বিজয়, মহাকাশ বিজয়, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল এর ফলাফল পুরো জাতির কাছে দৃশ্যমান। তবে মানুষের চোখের আড়ালে রয়ে গেছে স্বাস্থ্য খাতে মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছরে উন্নিতকরণ। মাতৃমৃত্যু - শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, MDG Award, Women Empowerment Award, South South Award সহ ১৬ টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার স্বাস্থ্যখাতে অর্জন করা গেছে, যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম সফলতা।  কমিনিটি ক্লিনিক "দ্যা শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ" হিসেবে জাতিসংঘে সমাদৃত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সহ ৫টি মেডিকেল স্থাপন করা হয়েছে, যাতে করে দেশের সকল রোগী দেশেই চিকিৎসা নিতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে লিভার, কিডনি, হৃদরোগ, ক্যান্সার, চক্ষু ও অন্যান্য সকল চিকিৎসা কম খরচে দেওয়া হয়। গ্রামাঞ্চলে ভিশন সেন্টার চক্ষু চিকিৎসায় অবদান রাখছে। কম খরচে মৌলিক চাহিদা পূরণ ও অসংক্রমুখ রোগ সমূহ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। পুষ্টি উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসূচক সমূহ ব্যাপক অগ্রগতি করা গেলে ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের পূর্বশর্ত স্মার্ট স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে হাসপাতালে কনসাল্টেন্ট নিয়োগ, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে পর্যাপ্ত কন্সাল্টেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত করা প্রয়োজন।

সুস্থ জাতি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার মূল চালিকাশক্তি। আগামী ২০২৪-২৫ বাজেটে মূল বাজেটের ১০% স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। যা চিকিৎসা সেবায়, স্বাস্থ্য শিক্ষায় ও গবেষণা উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে উপজেলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রদান করা সম্ভব হবে। দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে, স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বৃদ্ধির বিকল্প নাই।

লেখক: সদ্য সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়; ও সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন।


আরও খবর



গরমে চোখ ভালো রাখবে যে ৩ ভিটামিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

গরম রাতারাতি কমে যাবে না, বরং আরও কিছু মাস এরকম আবহাওয়াতেই আপনাকে থাকতে হবে। বাইরে রোদের ভয়, ঘরে ভ্যাপসা গরম। এমন অবস্থায় নিজের দিকে খেয়াল না দিলেই নয় যেন। গরমের নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর তো রাখবেনই, বিশেষ নজর রাখবেন চোখের দিকেও। আমাদের চোখের যত্নে আমরা অনেকটাই উদাসীন থাকি। কিন্তু এই অভ্যাস আমাদের চোখকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই গরমে খেতে হবে প্রয়োজনীয় ভিটামিনযুক্ত সব খাবার। যাতে চোখ ভালো রাখা সহজ হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ভিটামিন এ

ভিটামিন এ সম্ভবত চোখের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে পরিচিত পুষ্টি। এটি কর্নিয়া পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কর্নিয়া হলো চোখের বাইরের আবরণ। গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন এ হলো রোডোপসিনের একটি উপাদান, এটি চোখের একটি প্রোটিন যা কম আলোতেও দেখতে সাহায্য করে। তাপপ্রবাহের সময়, পানিশূন্যতা এবং অতিরিক্ত রোদের কারণে শুষ্ক চোখের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ভিটামিন এ চোখের টিস্যু বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রেটিনার সঠিক কার্যকারিতার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পিগমেন্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। আপনার খাবারের তালিকায় ভিটামিন এ-সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। এটি আপনার চোখকে লুব্রিকেটেড রাখতে এবং সামগ্রিক দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করবে।

২. ভিটামিন সি

এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, ভিটামিন সি-এর অক্সিডেন্ট সূর্যের ফ্রি র‌্যাডিক্যাল এবং অতিবেগুনী (UV) রশ্মির কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি ছানি এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা পালন করে। এই দুই সমস্যা অতিরিক্ত রোদে আরও বেড়ে যেতে পারে। তাপপ্রবাহের সময় বাইরে বের হলে ক্ষতিকারক UV রশ্মির সংস্পর্শ বৃদ্ধি পায়। ভিটামিন সি নিয়মিত গ্রহণ করলে তা আপনার চোখের রক্তনালীগুলোকে শক্তিশালী করতে এবং রেটিনাল কোষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করে। এটি রোদের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।

৩. ভিটামিন ই

ভিটামিন ই আরেকটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার চোখকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। এটি স্বাস্থ্যকর কোষের ঝিল্লি বজায় রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা তাপপ্রবাহের সময় বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। এসময় চোখে শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়ার প্রবণতা বেশি থাকে। অতিরিক্ত গরমে অশ্রু উৎপাদন কমে যেতে পারে, যার ফলে চোখ শুকিয়ে যায়। ভিটামিন ই টিয়ার ফিল্মের লিপিড স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে, যাতে চোখ আর্দ্র এবং আরামদায়ক থাকে। খাবারের তালিকায় ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন। এ জাতীয় খাবার আপনার চোখকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং জ্বালা হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।


আরও খবর