আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সাধারণ সম্পাদক পদে ডিপজলের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদি নির্বাচনে সম্পাদক পদ ফেরত পেলেন অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সোমবার (২৭ মে) চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। আর এই আদেশের ফলে সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই ডিপজলের।

এর আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে গত ১৫ মে পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুন আক্তার হাইকোর্টে রিট করেন।

তার রিটের প্রেক্ষিতে, গত ২০ মে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে স্থগিতাদেশ দেন আদালত। এই স্থগিতাদেশের বিপরীতে গতকাল রোববার (২৬ মে) নির্বাচিত প্রার্থী মনোয়ার হোসেনে ডিপজল তার আইনজীবীর মাধ্যমে চেম্বার আদালতে আপিল করেন।

গতকাল রোববার এবং আজ সোমবার আপিল শুনানি শেষে চেম্বার আদালত সাধারণ সম্পাদক পদে স্থগিতাদেশ তুলে নেন। এতে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা নেই। ডিপজলের আইনজীবীর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে আদালতের রায় পেয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতা ডিপজল। তিনি বলেন, আমি বরাবরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ মামলার শুরুতেই বলেছিলাম, আমি আইনি প্রক্রিয়াই তা মোকাবিলা করব। আমি মাননীয় আদালতের কাছ থেকে সুবিচার পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, সত্য প্রতিষ্ঠায় আল্লাহর সাহায্য চিরন্তন।

নিপুন আক্তার পুনরায় আপিল করতে পারে, এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে ডিপজল বলেন, করতেই পারে। সমস্যা নেই। আইনিভাবেই তা মোকাবিলা করব। আমি এবং আমার প্যানেলের প্রার্থীরা স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। এ নির্বাচন ইন্ডাস্ট্রির সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়েছে। কাজেই আমরা আত্মবিশ্বাসী, সত্যের জয় হবেই। আইনি প্রক্রিয়াও এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং হবে।

গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন অভিনেতা মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। নির্বাচনে সভাপতি মিশা সওদাগর মোট ভোট পান ২৬৫টি। অন্যদিকে মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ডিপজল পান ২২৫ ভোট। ১৬ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হন নিপুন আক্তার (২০৯)।

সহ-সভাপতি পদে ২৩১ ও ২৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয় মাসুম পারভেজ রুবেল ও ডি এ তায়েব। এছাড়াও সহ-সাধারণ সম্পাদক আরমান ২৩৭, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী ২৫৫, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলেকজান্ডার বো ২৯৬, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর ২৪৫, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন ২৩৫ এবং কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী কমল ২৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মিশা-ডিপজল পরিষদ থেকে নির্বাচিত হয় ৯ জন। তারা হলেন সুচরিতা (২২৮), রোজিনা (২৪৩), আলীরাজ (২৩৯), সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন (২১৮), শাহনূর (২৪৫), নানা শাহ (২১০), রত্না কবির (২৬৩) ও চুন্নু (২৪৮)। কলি-নিপুন পরিষদ থেকে রিয়ানা পারভিন পলি (২২০) ও সনি রহমান (২৩০)।


আরও খবর



প্রতিবাদের মুখে সিসিকের নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
এস এ শফি, সিলেট

Image

নাগরিকদের প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখে সিলেট নগরের পুরাতন ২৭টি ওয়ার্ডে নির্ধারণ করা নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।

গতকাল (শুক্রবার) রাতে নগর ভবনের সভাকক্ষে জরুরি সাধারণ সভা শেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরি সভাপতিত্বে ও কাউন্সিলরবৃন্দের সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিসিক মেয়র সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

এসময় মেয়র জানান, সকল হোল্ডিংয়ের অ্যাসেসমেন্ট রি-এসেসমেন্ট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে রি-অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে নতুন গৃহকর নির্ধারণ করা হবে। এর আগে একইসাথে ৪২টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং সমূহে নতুন করে রি-এসেসমেন্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরি বলেন, পুরোনো ২৭ ওয়ার্ডের পাশাপাশি একই সাথে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের অ্যাসেসমেন্ট শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় অব্যাহত থাকবে।

বকেয়া প্রদানের জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানান মেয়র। এইসময় তিনি বলেন কাউন্সিলরদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নাগরিকবৃন্দের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ২৭টি ওয়ার্ডের হোল্ডিং ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট রি-এসেসমেন্ট বাতিল করে হোল্ডিংসমূহে নতুন করে রি-এসেসমেন্ট ও একই সাথে নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৫ টি ওয়ার্ডের অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মেয়র আরও বলেন, এর আগে আমি সম্মানিত নাগরিকবৃন্দের কাছে বারবার বলেছিলাম, জনগণের জন্য অকল্যাণ হয় এমন কোনও সিদ্ধান্ত আমি নিবো না। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব তাদের মতামতকে মূল্যায়ন করার।

নগরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সিসিক মেয়র মেয়র বলেন, নগরবাসীকে সাথে নগরীর কল্যাণে নিয়ে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। জনগণের প্রতিষ্ঠানে জনমত প্রাধান্য পাবে।

এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরি, প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, সচিবসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, পঞ্চবার্ষিক কর পুনর্মূল্যায়নের পর গত ৩০ এপ্রিল থেকে সিসিক সিটি করপোরেশন নতুন নির্ধারিত বার্ষিক গৃহকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) অনুযায়ী ভবনমালিকদের হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের নোটিশ দেওয়া শুরু করে।

এরপর নগরের প্রায় পৌনে এক লাখ ভবনমালিকের হোল্ডিং ট্যাক্স ৫ থেকে ৫০০ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ নিয়ে নগরজুড়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। এরপর থেকে প্রতিদিন নগরের বিভিন্ন সংগঠন হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে নিয়মিত আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন শুরু হয়।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যাকাণ্ড: ফের ৫ দিনের রিমান্ডে তিন আসামি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করার মামলায় তিন আসামির এবার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন- সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান।

আট দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আজ শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের আটদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিকের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৪ মে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তিন আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য তাদের দশদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি আটদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগের দিন ২৩ মে সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে অপহরণ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পর গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

এ ঘটনায় ২২ মে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

মামলার এজাহারে এমপির মেয়ে উল্লেখ করেন, ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর সংসদ সদস্য ভবনের বাসা থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। ১১ মে ৪টা ৪৫ মিনিটে বাবার সঙ্গে মোবাইলে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে বন্ধ পাই।

১৩ মে আমার বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ আসে। মেসেজে লেখা ছিল- আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি আছে। আমি অমিত শাহের কাছে যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। পরে ফোন দেবো।

এছাড়াও আরও কয়েকটি মেসেজ আসে। মেসেজগুলো বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, আমরা বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজখবর করতে থাকি। আমার বাবার কোনো সন্ধান না পেয়ে বাবার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস কলকাতার বরাহনগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। বাবাকে খোঁজাখুজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাবাকে অপহরণ করেছে। বাবাকে সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুজি করেও পাইনি।


আরও খবর



ভোটের আগের দিন বাগেরহাটের দুই ওসি প্রত্যাহার

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটে ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি স্বপন রায় ও ফকিরহাট থানার ওসি আশরাফুল আলমকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন।

সোমবার (২০ মে) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষতির এক পত্রে এই আদেশ দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়, ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২৪ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট মডেল থানার ওসি আশরাফুল আলম এবং বাগেরহাট জেলার ডিবির ওসি স্বপন রায়কে খুলনা রেঞ্জে সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।

ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার স্থলে নতুন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দিতেও নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রীপরিষদ সচিব, মহাপুলিশ পরিদর্শক ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের ওই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার ও নির্বাচন কর্মকর্তাকেও।

এর আগে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি রাতের আঁধারে কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও এলাকা ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ ওয়াহিদুজ্জামান (বাবু)।

দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে শেখ ওয়াহিদুজ্জামান রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে শেখ ওয়াহিদুজ্জামান উল্লেখ করেন, শনিবার (১৮ মে) গভীর রাতে ফকিরহাট মডেল থানার ওসি আশরাফুল আলম ও জেলা ডিবির ওসি স্বপন রায় তাঁর একনিষ্ঠ তিন কর্মীর বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

দুই পুলিশ কর্মকর্তা মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রতিপক্ষ প্রার্থীর আনারস প্রতীকের পক্ষে কাজ করার অথবা বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এতে কর্মীদের পরিবারের সদস্য এবং নিজ নিজ এলাকার সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও নিরপেক্ষ ভোট প্রদানে প্রভাব পড়েছে বলে জানান অভিযোগকারী।

চিঠি পাওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান বলেন, ওই দুই ওসিকে প্রত্যাহার করে রেঞ্জ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর



বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকরা কেন ঢুকবে, প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পৃথিবীর কোন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকে অবাধে সাংবাদিকরা ঢুকতে পারে? এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে এখন ১৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসায় সরকার উদ্বিগ্ন কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, কে বলল আপনাকে ১৩ বিলিয়ন ডলার? নিউজে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন উত্তরে তিনি বলেন, কোন নিউজে বলছে আপনাকে? আমাদের কাছে হিসাব আছে। তখন সাংবাদিকরা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরই বলেছেন ব্যবহার করার মতো ১৩ বিলিয়ন ডলার আছে। তখন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করুন, কী কারণে এইটা এই পর্যায়ে এল তাও জিজ্ঞেস করুন? আমরা তো এটা জানি না, আমরা জানি ১৯ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার... এর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

সাংবাদিকদের তো বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকতে দেয় না, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করবে কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে? কোন দেশে? ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়নে নেমে আসায় অর্থনীতিবিদরা অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কয় বিলিয়ন ডলার নিয়ে আমরা স্বাধীনতার পর যাত্রা শুরু করেছি? ডলার ছিল আমাদের? বিএনপি কয় বিলিয়ন ডলার রেখে গেছে আমাদের জন্য? তিন বিলিয়ন প্লাস। তাহলে এখন ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার আছে এটা কি কম নাকি? এখন আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, রেমিট্যান্সও বাড়ছে, এই মুহূর্তের যে প্রবণতা... এইগুলা বাড়লে রিজার্ভও বাড়বে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।


আরও খবর



আ.লীগের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন যাচ্ছে কাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যোগ দিতে শনিবার চীন যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে এদিন দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে দেশত্যাগ করবেন তারা।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, যুব মহিলা লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

সফরকালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আয়োজনে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যোগ দেবেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এছাড়াও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাদের।

সফর শেষে ৫ জুন দেশে ফিরবেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য তাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, চীন সফরের জন্য ইতোমধ্যেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

সফর কেন্দ্র করে ২১ মে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং ডিনার করেন আওয়ামী লীগের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এছাড়াও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন তারা। ২২ মে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে সফরের বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরেন তারা।

নিউজ ট্যাগ: আওয়ামী লীগ

আরও খবর