আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রূপপুরের মালামাল নিয়ে মোংলায় ভিড়লো বিদেশি জাহাজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মোংলা থেকে নূর আলম (বাচ্চু),

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে সরাসরি রাশিয়া থেকে ছেড়ে আসা বিদেশি জাহাজ এমভি আনকা সান বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। বিভিন্ন ধরনের মেশিনারি পণ্য নিয়ে আসা এ জাহাজটি শনিবার (৬ মে) দুপুর ১২টায় বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে ভিড়ে।

বিদেশি এ জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লাইন্সের খুলনার ম্যানেজার (অপারেশন) সাধন কুমার চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ভয়ংকর মাদক আইসের সবচেয়ে বড় চালান জব্দ

তিনি বলেন, ২ এপ্রিল রাশিয়ার নভোরোসিয়েস্ক বন্দর থেকে ১৬২২ দশমিক ৯০৪ টন মেশিনারি পণ্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে বিদেশি জাহাজ এমভি আনকা সান। এরপর শনিবার দুপুর ১২টায় মোংলা বন্দরের ৮নম্বর জেটিতে ভিড়ে রাশিয়ান পতাকাবাহী এ জাহাজটি। এরপর দুপুর থেকেই জাহাজ থেকে ৬৩০ প্যাকেজে আসা বিভিন্ন মেশিনারি পণ্য খালাসের কাজ শুরু হয়। খালাস শেষে এ পণ্য সড়ক পথে নেওয়া হবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটিতে।

২৫ এপ্রিল রূপপুরের মালামাল নিয়ে রাশিয়া থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরে এসেছিল এমভি ইয়ামাল অরলান। এর আগে এসেছিল এমভি ড্রাগনবল ও এমভি কামিল্লা। এরও আগে আরেকবার এসেছিল আনকা সান।

আরও পড়ুন: সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেলো ২ শ্রমিকের

রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে ভারত হয়ে মোংলা বন্দরে আসে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিভিন্ন ধরনের মালামালের কয়েকটি চালান। অন্যদিকে সম্প্রতিকালে সাতটি জাহাজ কোম্পানির ৬৯টি জাহাজে রূপপুরের পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ফলে নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা জাহাজগুলো রাশিয়া থেকে রূপপুরের পণ্য নিয়ে সরাসরি মোংলা বন্দরে আসছে।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজগুলো রাশিয়া থেকে পণ্য নিয়ে ভারতের হলদিয়া বন্দরে খালাস করছে, পরে তা বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট চুক্তির আওতায় সেখান থেকে সে পণ্য আসছে মোংলা বন্দরে। আবার কোনো কোনো পণ্য হলদিয়া বন্দর থেকে সড়ক পথেও আসছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

নিউজ ট্যাগ: বিদেশি জাহাজ

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্ধারিত দিন রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় আগারগাঁওয় নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৮ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে, এতে স্বতন্ত্র ও ১৪ দলেরও সদস্য রয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমার সময় মনোনীত ৪৮ জন প্রার্থীর পাশাপাশি তাদের প্রস্তাবক ও সমর্থকরাও ছিলেন।

তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি আমরা।

এসময় সংসদের হুইপ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রথম ইনিংসে সাড়ে ৪’শ ছোঁয়া রান ভারতের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

রাজকোট টেস্টে সেঞ্চুরি করেছেন রোহিত শর্মা ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আলো কেড়েছেন অভিষিক্ত সরফরাজ খান। ভালো ব্যাটিং করেছেন আরেক অভিষিক্ত উইকেটরক্ষক ব্যাটার ধ্রুব জুরেল। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৪৫ রান তুলেছে ভারত।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকরা ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। চতুর্থ উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে ২০৪ রানের জুটি গড়ে ওই বিপদ সামলান অধিনায়ক রোহিত শর্মা। স্লিপে শুরুতে জীবন পাওয়া রোহিত ১৩১ রানের দারুণ ইনিংস খেলে ফেরেন।

এরপর উইকেটে এসে সরফরাজ সাবলীল খেলতে শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে ক্ষুরধার ব্যাটিংয়ে ২৫ বছরের তরুণ ব্যাটার হার্টলি, রেহান, রুটদের স্পিনে সুযোগ পেলেই চড়াও হন। ৪৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা সরফরাজের ইনিংসের ইতি পড়ে জাদেজার ভুলে ৬২ রানে রান আউটে।

তখন ৯৯ রানে ক্রিজে রবীন্দ্র জাদেজা। শেষ পর্যন্ত তিনি ১১২ রান করে দ্বিতীয় দিন আউট হন। পরে ধ্রুব জুরেল ১০৪ বলে ৪৬ এবং অশ্বিন ৮৯ বলে ৩৭ রান করেন। জাসপ্রিত বুমরাহর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। ইংল্যান্ডের হয়ে মার্ক উড ৪ উইকেট নিয়েছেন। ২ উইকেট পেয়েছেন রেহান আহমেদ।


আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




‘মির্জা ফখরুল সাজানো নাটকের পুনরাবৃত্তিতে মেতেছেন’

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মির্জা ফখরুল সাহেব কারাগার থেকে বের হয়ে একই সাজানো নাটকের পুনরাবৃত্তিতে মেতেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা তার বিবৃতি পড়ে দেখলাম, তারা (বিএনপি) ঘুরে দাঁড়াবে। কোথা থেকে কোথায় ঘুরবেন সেটা আমাদের জানা নেই। তাদের আন্দোলনের চৌকস কথার ফুলঝড়ি আমরা অনেক শুনেছি। বিএনপির নেতারা জনগণের কাছে নিজেদের খাটো করছেন। তাদের আন্দোলন করার মতো অবজেক্টিভ পজিশন বাংলাদেশে নাই।

বিএনপিকে আন্দোলনের কথা না ভেবে এখন থেকেই পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আন্দোলনের বস্তুগত পরিস্থিতি খুঁজে পাওয়া যায় না। জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশে ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনের ইস্যু খুঁজে পাওয়া যায় না; বিএনপির সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া উচিত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে রক্তের দাগ, হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল বিএনপি। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত হত্যাকাণ্ড করেছে। যার মাস্টারমাইন্ড ছিল খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান। তাদের ওপর আরোপিত অভিযোগ তারা আরোপ করতে চায় আওয়ামী লীগের ওপর। তারা কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। ২১ আগস্ট সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। প্রাইম টার্গেট আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনা। যেখানে ২৩টি তাজা প্রাণ ঝড়ে গেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এমএস কিবরিয়া, আহসানাউল্লাহ মাস্টার, নাটোরের মমতাজ, সাংবাদিক মানিক শাহ, সামসুর রহমান, হুমায়ুন কবির বালু বিএনপির আমলে বিএনপি এসব হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল। এরপর মির্জা ফখরুল কোথা থেকে পেলেন, আমরা নাকি হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছি। এখন তিনি আমাদের ওপর উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজি, পারভিন জামান, এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার প্রমুখ।


আরও খবর



এক মাসে পোশাক থেকেই এলো ৫ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

অর্থনীতিতে সুখবর দিয়েই শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস। এ মাসে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে অন্তত তিনটি রেকর্ড হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের (৪.৯৭ বিলিয়ন) পোশাক রফতানি করেছে বাংলাদেশ। পোশাক রফতানির ইতিহাসে একক মাস হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ। রফতানিতে যে নেতিবাচক প্রবণতা ছিল, সেটা কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া একক মাস হিসেবে জানুয়ারিতে দেশে ২ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারির তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি পোশাক রফতানি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএর মুখপাত্র ও পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, একটি খুশির খবর হলোএকক মাস হিসেবে পোশাক রফতানিতে এই প্রথম ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছে এই খাত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিকটি হলোআমরা ধীরে ধীরে আমাদের পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে সক্ষম হচ্ছি এবং অত্যাধুনিক আইটেমগুলোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যা আয় বৃদ্ধিতে প্রতিফলিত হচ্ছে।

পোশাক বিক্রির মধ্যে দিয়ে পুরো রফতানি খাতে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। ইপিবির তথ্য বলছে, আগের সব রেকর্ড ভেঙে সদ্য বিদায়ী জানুয়ারিতে বাংলাদেশের মোট রফতানি ৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ১১ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি। এর আগে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রফতানি হয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বরে, যার পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-জানুয়ারি) এই সাত মাসে তৈরি পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২৮ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে পোশাক রফতানি করে আয় হয়েছিল ২৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ সাত মাসের হিসাবে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

ইপিবি বলছে, অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে নিটওয়্যার পোশাক রফতানি হয়েছে ১৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। অবশ্য ধীরে ধীরে বাংলাদেশের ওভেন পোশাক রফতানি কমে যাচ্ছে। এই সাত মাসে ওভেন পোশাক রফতানি হয়েছে ১২ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারের। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয় কমছে ২ দশমিক ২০  শতাংশ।

এদিকে সার্বিকভাবে পোশাক রফতানির ক্রয়াদেশ বাড়তে শুরু করেছে। তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে ক্রয়াদেশ বেড়েছে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এতে রফতানিকারকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রচলিত বাজারের ওপর অতি নির্ভরতাও কাটতে শুরু করেছে। রফতানিতে নতুন বাজারের হিস্যাও বাড়ছে। এতে তৈরি পোশাক শিল্পে লেগেছে নতুন এক রূপান্তরের ঢেউ। দেশের অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা রফতানিকারকদের।

এই খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় মুদ্রাস্ফীতি কমেছে। এ কারণে পোশাক রফতানির অর্ডার বাড়ছে। তারা বলছেন, আগামী মাসগুলোতে আরও বেশি অর্ডার পাবেন।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে গত তিন মাসে রফতানি আদেশ এসেছে ৬ হাজার ৭৭১টি।‌ গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ হাজার ৩৫২টি।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় মুদ্রাস্ফীতি কমেছে। এছাড়া নতুন বাজারের দিকে এগিয়ে চলছি। সার্বিকভাবে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের প্রতিযোগীদের তুলনায় অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা ভালো অবস্থানে আছি। আগামী দিনে অর্ডার আরও বাড়তে পারে।

এদিকে প্রবাসীরা জানুয়ারিতে দেশে গত সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় এই অর্থ ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স হিসেবে ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছিল। গত বছরের জুনে দেশে কোনও একক মাসে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

নিউজ ট্যাগ: পোশাক রফতানি

আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শিশু আয়ানের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় আহনাফকে সুন্নাতে খৎনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নাতে খৎনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয় আহনাফকে। যে কারণে তার জ্ঞান ফেরেনি।

আহনাফের বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। 

আরও পড়ুন>> সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ মুলোৎপাটনই আজকের দিনের অঙ্গীকার: ওবায়দুল কাদের

তিনি বলেন, আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

এদিকে ঘটনার পরই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে উধাও হয়ে যান অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মুক্তাদির। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা, বাতব্যথা, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর সাতারকুল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নাতে খৎনা করাতে গিয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যায়। টানা সাত দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল আয়ান।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪