আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রোববার থেকে দেশে আসতে পারে বৃষ্টি

প্রকাশিত:শনিবার ২১ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এর প্রভাবে রোববার (২২ অক্টোবর) থেকেই বাংলাদেশে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

শনিবার দুপুরে এক সামুদ্রিক আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে সতর্কবার্তায়।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে রোববারের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এরপর এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল পরিবর্তন করতে পারে। এটি খুবই ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর রোববার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্ব পাশে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সোমবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

পরবর্তী পাঁচদিনে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩




জয়পুরহাটে চাষ হচ্ছে বেগুনী ফুলকপি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুজন কুমার মন্ডল, জয়পুরহাট

Image

জয়পুরহাট জেলায় প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সবজি বেগুনী ফুলকপির বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছে এক কৃষক। সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের কৃষক আমেদ আলী বেগুনী ফুলকপির চাষ করে বাম্পার ফলনের পাশাপাশি লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ।

অন্যান্য ফুলকপির মতোই এ বেগুনী জাতের ফুলকপির চাষ পদ্ধতি। স্বল্প সময়ের ফসল হিসেবে নতুন জাতের এ ফুলকপি চাষে আমেদ আলীর সফলতা দেখে এলাকায় এখন অনেকেই এই বেগুনি ফুলকপি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, কৃষক আমেদ আলী জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা হলেও বেগুনী ফুলকপি চাষ করে এলাকায় তাক লাগিয়েছেন।

আমেদ আলী জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১৫ শতাংশ জমিতে বেগুনি ফুলকপির চাষ করছেন। গত বছরের মতো এবারও বেগুনী ফুলকপি চাষে তিনি সফলতার পাশাপাশি দাম ভালো পেয়ে খুশি বলেও জানান তিনি । বর্তমান বাজারে অন্য কপির চেয়ে বেগুনী ফুল কপির চাহিদা বেশি প্রতি পিস বেগুনী ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: জয়পুরহাট

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফিলিপাইনে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৬৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিপাইনে ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে দেশটির সোনার খনি সমৃদ্ধ একটি গ্রামে ভূমিধস আঘাত হানে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাভাও দে ওরো প্রদেশে ওই বিপর্যয়ের পর এখনও পর্যন্ত ৫১ জন নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সেখানে আর কারও বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সেখানে সর্বশেষ তিন বছর বয়সী এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভূমিধসের ৬০ ঘণ্টা পর ওই শিশুকে উদ্ধারের ঘটনাকে অলৌকিক বলে দাবি করেন উদ্ধারকর্মীরা। দাভাও দে ওরো প্রদেশের দুর্যোগ সংস্থার কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি বলেন, সে সময় ওই শিশুটিকে উদ্ধারের ঘটনা উদ্ধারকারীদের মনে আশা জুগিয়েছে।

তবে এখন আর কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা খুবই ক্ষীণ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রয়ারি) মিন্দানাও দ্বীপের দাভাও দে ওরো প্রদেশের খনিসমৃদ্ধ গ্রাম মাসারোয় ভয়াবহ ভূমিধস ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত ৩১ জন আহত হন। এখনও অনেকেরই কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ভূমিধসের সময় খনি শ্রমিকদের পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত তিনটি বাস ও জিপ গাড়ি কাদায় আটকে যায়। বাসগুলোতে থাকা ২৮ শ্রমিকের মধ্যে ৮ জন বেরিয়ে আসতে পারেন। তাছাড়া এ দুর্ঘটনায় গ্রামটির অনেক বাড়িঘরও ধ্বংস হয়েছে।

প্রাদেশিক কর্মকর্তা ম্যাকাপিলি জানান, ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে ভূমিধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটিকে নো বিল্ড জোন বা স্থাপনা তৈরি করা যাবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার পর এলাকাবাসীকে এই স্থান ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা আবারও সেখানে ফিরে আসেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিপাইনের এই অঞ্চলে ভূমিকম্প, ভূমিধস ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা বেড়ে গেছে। ভবিষ্যতে ভূমিধসের আশঙ্কায় মাসারা ও আশপাশের চারটি গ্রামের শত শত পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে জরুরি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ।


আরও খবর
বিশ্ববাজারে আবারো কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মমতাকে মিমির ‘ইস্তফা’ পত্র, ছেড়ে দিতে চান রাজনীতিও

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী তার নিজ নির্বাচনী আসন যাদবপুরের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে তিনি সাংসদ পদ ছাড়ার কথা জানান। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে নিজেই তা ঘোষণা করেছেন। মিমি জানান, তিনি লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান না।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় মমতা যখন বক্তৃতা করছেন, তখনই তার ঘরে ঢুকে গিয়েছিলেন মিমি। কিছু ক্ষণ পর ওই ঘরে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা শেষ হলে তিনি নিজের ঘরে যান। তার পর মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়।

সেখান থেকে বেরিয়ে মিমি জানান, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী এখনও সেই ইস্তফা গ্রহণ করেননি। মিমি এ-ও জানান, মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা গ্রহণ করলে তিনি লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে ইস্তফাপত্র দিয়ে আসবেন।

সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রকের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি ইস্তফা দেন। এর পর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপার্সন পদও মিমি ছেড়ে দিয়েছেন। তার পর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আর কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন, আর সাংসদ থাকতেই চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পুলিশ বক্সে মাদকের আসর

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর আঞ্চলিক সড়কে পথচারীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে জেলা পরিষদের অর্থায়নে মরিচাডাঙ্গায় একটি পুলিশ বক্স নির্মাণকাজ শুরু হলেও গত ৬ বছরেও শেষ হয়নি। ঢালাই করা একটি ঘর নির্মাণ করা হলেও সেখানে এখন নিয়মিতই বসে মাদকের আসর।

সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের মরিচাডাঙ্গায় পুলিশ বক্সটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত পুলিশদের থাকার সুবিধার্থে এ ঘরটি নির্মাণের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় জেলা পরিষদ। এই উন্নয়ন প্রকল্পের দাতা ছিলেন জেলা পরিষদের সাবেক সংরক্ষিত সদস্য ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হালিমা খাতুন।

পুলিশ বক্সটি পরির্দশনকালে দেখা যায়, ইট দিয়ে ঘেরা একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘরটিতে ছাদ থাকলেও পলেস্তারা করা হয়নি এখনও। নেই দরজা কিংবা জানালাও। দীর্ঘদিন ঘরটি পরিত্যক্ত থাকায়, দেয়ালগুলোয় মাকড়সা জাল বুনেছে। ইটের ফাঁকে পরজীবী উদ্ভিদ বেরিয়ে দুইপার্শ্বের গোটা দেয়াল ছেয়ে গেছে। পড়ে রয়েছে সিগারেটের ব্যবহৃত প্যাকেটসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের পরিত্যক্ত অংশ।

এসময় পথচারীরা বলেন, এই সড়কটিতে ডাকাতের উপদ্রব থাকায় যাতায়াতকারীদের কথা ভেবে পুলিশ বক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয় জেলা পরিষদ। দুই লাখ টাকা গচ্চা গেলো ঠিকই, কাজের কাজ হয়নি কিছুই।

আরেক পথচারী জানান, এই সড়কটির অনেক এলাকাজুড়ে মানুষের বসতি নাই। ফলত রাতের বেলায় সড়কটি পথচারীদের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয়। ফলে পুলিশ বক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ করে, এখানে পুলিশি পাহারা জোরদার করা হোক। তাহলে পথচারীরা নির্বিঘ্নে পথ চলতে পারবে।

পথচারীদের অনেকেই জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর সড়কে একটি পুলিশ বক্স থাকা খুবই প্রয়োজন। প্রায়ই দিনের বেলায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। সড়কটিতে পুলিশ বক্স থাকলে দুর্বৃত্তরা এধরনের কাজ করতে পারতো না।

পরিত্যক্ত পুলিশ বক্সের কথা জানেন না উল্লেখ করে গোমস্তাপুর থানার ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ জানান, ওই সড়কটিতে নিয়মিত পুলিশ গাড়ি নিয়ে টহল দেয়। এছাড়া অপ্রীতিকর কোন খবর পেলেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

জেলা পরিষদের সাবেক সংরক্ষিত আসনের সদস্য প্রকল্পদাতা হালিমা খাতুন বলেন, সড়কটিতে দিনদুপুরে ডাকাতি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটে। পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ নিয়ে রাস্তার পাশে একটি পুলিশ বক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গোমস্তাপুর থানা পুলিশের নজরদারিতে ওই পুলিশ বক্সটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। পরে টাকার অভাবে কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়নি। যদিও আরও দুই লাখ টাকা চেয়ে জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পুলিশ বক্সটির নির্মাণকাজ শেষ করার জন্য বলেছিলাম। পরে তারাও আর উদ্যোগ নেয়নি, কাজও শেষ হয়নি।

হালিমা খাতুন আরও বলেন, পুলিশ বক্সটি নির্মাণকাজ শেষ করা খুবই প্রয়োজন। সম্প্রতি এক নারীর কাছ থেকে দুপুরে টাকা নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা। পুলিশ সেখানে থাকলে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা এই সুযোগ পেতো না।

রাস্তার পাশের এই পুলিশ বক্সটির নির্মাণকাজ শেষ করে জায়গাটিতে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি কামনা করেন জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য হালিমা।

সচেতন মহলের অভিযোগ, লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে জেলা পরিষদ অনেক উন্নয়ন কাজ শুরু করেন। কিছু কিছু নির্মাণ কাজ টাকার সংকটের  কারণে সম্পন্ন হয় না। পরে ওই কাজের বিপরীতে যে টাকা খরচ হয় তা মানুষের জন্য উপকারে আসেনা। এসব ক্ষেত্রে নতুন বরাদ্দ দিয়ে অসম্পন্ন কাজটি সম্পন্ন করতে হবে নইলে রাষ্ট্রের মোটা অংকের টাকা গচ্চা যাবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারি দুই লাখ টাকা খরচ করে যেহেতু রাস্তার পাশে পুলিশ বক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। গত ৬ বছর ধরে এই কাজটি সম্পন্ন হয়নি। সংশ্লিষ্টদের উচিত আবারও নতুন করে বরাদ্দ দিয়ে যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে ঘরটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল, তা সম্পন্ন করা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আফাজ উদ্দিন পুলিশ বক্সটি নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার সময় এখানে কর্মরত ছিলেন না উল্লেখ করে বলেন, আমরা সেখানে লোক পাঠাবো। যদি নতুন বরাদ্দ দিয়ে পুলিশ বক্সের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সেটাই করবো।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবনে তালা, অবরুদ্ধ উপাচার্য

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভা‌বিপ্রবি) ভাইস চ্যান্সেলরসহ শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল, শেখ রাসেল হল, মান্নান হল এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৭ জানুয়া‌রি) বিকেলে প্রথমে শেখ রাসেল হল, সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু হল এবং রাত সাড়ে ৮টায় মান্নন হলে তালা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে নেওয়ায় তারা প্রশাসনিক ভবনেও তালা লাগিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলে খাদ্য, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও ইন্টারনেট সেবাসহ ১৪ দফা দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের হলে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নেই। নেই কোনো ইন্টারনেট ব্যবস্থা। আবাসিক শিক্ষার্থীদের বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হয়। এ কারণে তারা এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কয়েক দফা মিটিং করার পরও এর কোনো সমাধান হয়নি। তাই তারা এই দুই হলে তালা দিয়েছেন। দুই হলের মোট ১৪ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।

এদিকে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তিন হলের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনেও তালা দিয়ে ভিসির কার্যালয়ের সামনে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রেস প্রকাশনা অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. আজিজুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি দাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান হবে।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু হলে ৪০০ জন, শেখ রাসেল হলে ৫৫০ জন এবং মান্নান হলে ৫০০জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।


আরও খবর