আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

রাঙ্গামাটিতে জেএসএস-ইউপিডিএফ সংঘর্ষ, হতাহতের আশঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ আগস্ট ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় আঞ্চলিক দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার  রাত ৮টার দিকে লংগদু উপজেলার দুর্গম কাট্টলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের ব্যাপারে প্রশাসনের কেউ নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ছোট কাট্টলী নামের এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বেশ কয়েতজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লংগদু থানার তদন্ত ওসি মো. সানজিদ আহম্মেদ জানান, মঙ্গলবার রাতে গোলাগুলির সংবাদ পেয়েছি। তবে ঘটনাস্থল এতোই দুর্গমে যে রাতে আমাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব ছিল না। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি টহল দল সেখানে যাচ্ছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানানো যাবে।


আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




একুশে ফেব্রুয়ারিতে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা-ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হবে। এ কারণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন সংগঠনসহ অনেকেই শ্রদ্ধা জানাবেন। এই সময়ের জন্য কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয় সে কারণেই পোশাক পরিহিত পুলিশের সঙ্গে সাদা পোশাকের পুলিশসহ সরকারের অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত আশপাশের কিছু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এ কারণে বিকল্প রাস্তা দিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণকে চলাচল করতে হবে। পাশাপাশি শহীদ মিনারে আগত ব্যক্তিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পলাশী মোড় থেকে দোয়েল চত্বর ও বইমেলার পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শহীদ মিনারের প্রত্যেকটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো থাকবে। যারাই আসবেন আর্চওয়ের ভেতর দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। শহীদ মিনারে চার স্তরে নিরারাপত্তাসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোতায়েন থাকবে বোম ডিসপোজাল, সোয়াত টিম, টহল দল, ড্রোন, সাইবার পেট্রোলিং।


আরও খবর



স্ত্রীসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নজমুলের রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা অঞ্চল) পরিচালক সৈয়দ নজমুল আহসান (৫৬) ও তার স্ত্রী নাহিদ বিনতে আলমের (৪৮) মারা গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত মদ্যপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে গতকাল বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যান সৈয়দ নজমুল আহসান।

এ বিষয়ে মিরপুর মডেল থানার ওসি মুন্সী সাব্বির আহমেদ বলেন, বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর-২ অফিসার্স কমপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-স্ত্রী উভয় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন নজমুল আহসানকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই সময়ে অসুস্থ স্ত্রী নাহিদ বিনতে আলমকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান।

তিনি জানান, সৈয়দ নজমুল আহসান পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক ছিলেন। এ দম্পতির দুই মেয়ে একজনের বয়স ১২, আরেক জনের বয়স ১৫। তাদের কী কারণে মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আরও খবর
বেইলি রোডে আগুনে নিহত বেড়ে ৪৫

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে : আরাফাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অনলাইনভিত্তিক গণমাধ্যমের জন্য বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণে নীতিমালা থাকা দরকার। এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এসময় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান খালেদা বেগমসহ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত দিনে যখন সামরিক শাসন ছিল ও সামরিক শাসন থেকে উদ্ভূত দল যখন এ দেশ শাসন করেছে এবং তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি ছিল সে সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যে বাস্তবতা ছিল, সে জায়গা থেকে এখন আমরা কতটুকু এগিয়েছি, কতটুকু উন্নয়ন হয়েছে, সংখ্যাগত এবং গুণগত দিক থেকে এ তুলনামূলক বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশনা বের করতে হবে।

মতবিনিময়কালে মোহাম্মদ আলী আরাফাত আরও বলেন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম দেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। এখন প্রযুক্তি অনেক অগ্রসর হয়ে গেছে। মানুষের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে অধিদপ্তরের কাজে নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করতে হবে।

ছাপাখানা প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন ১৯৭৩ প্রয়োজনবোধে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র, জাদুঘর ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর



বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহিনীর যৌথ মহড়া শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের অংশগ্রহণে এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৪ শীর্ষক যৌথ মহড়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ফটোসেশনে বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল মো. বদরুল আমিন অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের অংশগ্রহণে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ১০ দিনব্যাপী এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৪ শীর্ষক যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সোমবার ১০ দিনব্যাপী এ যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল মো. বদরুল আমিন।

এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৪ এ মূলত আপদকালীন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পরিবহন বিমানগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের অনুশীলন করা হবে। এ মহড়ায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০জে এবং প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের দুইটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান অংশগ্রহণ করছে। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমানকে উক্ত মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৪-এ বিমান বাহিনীর মোট ২৫০ জন সদস্য ও যুক্তরাষ্টের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের ৭৮ জন সদস্য অংশ নিবেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১২ জন প্যারাট্রুপারের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ৩০ জন (১১ জন ফ্রি ফলার ও ১৯ জন স্ট্যাটিক জাম্পার) ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী হতে ৪০ জন প্যারাট্রুপার উক্ত মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে।

মহড়ায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের মধ্যে আন্তঃসক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ বিনিময়, প্রশিক্ষণকালীন ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতির কার্য উপযোগিতা মূল্যায়ন এবং তার উন্নত ব্যবহারের পরামর্শ গ্রহণ, ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যে সকল যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবে তা নির্ণয়। এছাড়াও পরিবহন বিমানের উন্নত রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন কার্য পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করা হবে।


আরও খবর



ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হাছান মাহমুদের বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার (৭ ফেব্রুয়া‌রি) সন্ধ্যায় দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শে‌ষে সামা‌জিক যোগা‌যোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট করেছেন জয়শঙ্কর। যেখানে ড. হাছান মাহমুদকে স্বাগত জা‌নিয়ে তিনি লি‌খেছেন, আমাদের আজকের আলোচনা ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীকে শক্তিশালী করবে।

এর আগে দিল্লির সরদার প্যাটেল ভবনে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন এবং সে বিষয়ই সফরে প্রাধান্য পাচ্ছে।

মিয়ানমার ইস্যু নিয়ে এ সময় মন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের পূর্ণ অধিকারসহ তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে পুনর্বাসন এবং মিয়ানমারে চলমান পরিস্থিতি নিয়েও একযোগে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে রয়েছেন হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে দিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। সফরে বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশনে বক্তৃতা এবং একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে মন্ত্রীর।


আরও খবর