আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

রামগড়ে শ্যালকের হাতে দুলাভাই খুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খাগড়াছড়ির রামগড়ে দুলাভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্যালকের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) মধ্যরাতে রামগড়ের শ্মশানটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দীপক ঘোষ মুন্না (৩৮) রামগড় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শ্মশানটিলা এলাকার রাখাল ঘোষের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। দুই পুত্র সন্তানের জনক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শ্যালক সাগর ত্রিপুরা (২৫) ও তার এক সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে মদ্যপ অবস্থায় সাগর ত্রিপুরা ও তার কয়েকজন বন্ধু দুলাভাই দীপক ঘোষ মুন্নাকে মারার জন্য তার বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। দীপক ঘোষ মুন্না বাড়ির সামনে আসলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে  মুন্না গুরুতর আহত হন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক পল্লীচিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালের দিকে দীপক ঘোষ মুন্নার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামগড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মুন্নার বাবা রাখাল ঘোষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার ছেলে এবং পুত্রবধূর সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছিল। দুজন আলাদা থাকছেন। তার পুত্রবধূ কনিকা গার্মেন্টসে চাকরির সুবাধে চট্টগ্রাম থাকেন। কয়েকবার চেষ্টা করেও কনিকাকে বাড়িতে আনা যায়নি। এ নিয়ে সালিস বৈঠকে দুজনের ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় শ্যালক সাগর ত্রিপুরার সঙ্গে মুন্নার বাকবিতণ্ডা হয়। এরই জের ধরে ক্ষুব্ধ হয়ে সাগর ত্রিপুরা মুন্নাকে হত্যা করেন।

রামগড় থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। 


আরও খবর



অবশেষে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

অবশেষে সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। দলের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীও বৈঠকে উপস্থিত আছেন।

এর আগে গত ৪ জুলাই এ বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করা হয়। এর কারণ হিসেবে তখন ওবায়দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার কথা জানা যায়।

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় কর্মসূচি নিয়ে প্রজ্ঞাপন বাতিল করাসহ তিন দফা দাবিতে ১ জুলাই থেকে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একযোগে এই সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করে আসছেন। কর্মসূচির কারণে তালা ঝুলছে শ্রেণিকক্ষ ও অফিসে। এ কারণে ক্লাসপরীক্ষা হচ্ছে না। প্রশাসনিক ভবনেও কোনো কাজ হচ্ছে না।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে ফের শাহবাগ অবরোধ করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। রোববার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।

এর আগে গতকাল শাহবাগ মোড় সমাবেশ থেকে আজ সারাদেশে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম। সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহাল সহ চার দফা দাবিতে সরাদেশে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে গতকাল নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামীকাল বাংলা ব্লকেড শুধু শাহবাগ নয়। রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মতিঝিল, নীলক্ষেত, চানখারপোল, কাটাবন সহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আমরা অবস্থান করবো। আন্দোলন সফল করতে আপনারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে আসুন। যারা ঢাকার বাহিরে বিভিন্ন জেলায় আছেন তারা মহাসড়ক অবরোধ করবেন।

হরতালের হুশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আমারা দুই তিন দিন রাস্তা অবরোধ করে ঘরে ফিরে যাবো সরকারের এই ধারণা ভুল। আমরা এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি। প্রয়োজনে আমরা সারাদেশে হরতাল কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।

এদিকে আজ দুপুর দুইটা থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর ব্যানারে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামতে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর তিনটার আগেই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে হাজারো শিক্ষার্থীর জনসমাগম হয়ে যায়। ঠিক তিনটায় শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন শাহবাগের উদ্দেশ্যে। শুধু ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেই শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিলে কোটা না মেধা, মেধা মেধা; কোটা প্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক; আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই; আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম; হাইকোর্ট না রাজপথ,রাজপথ রাজপথ; দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ ইত্যাদি স্লোগান দেন ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে।

শিক্ষার্থীদের চারদফা দাবিগুলো হলো:

১. ২০১৮ সালে ঘোষতি সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরপিত্র বহাল রাখা।

২. ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দেওয়া এবং সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা।

৩. সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া।

৪. দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলান্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা:

ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে কোটা বিরোধী আন্দোলনে আসছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিনই হল পাড়া এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা একযোগে এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছে। আন্দোলনে অংশ নিতে সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থীদের করা একটি ব্যানার ছিড়ে ফেলেছে হল ছাত্রলীগের কর্মীরা। কিন্তু আবারো শিক্ষার্থীরা চাঁদা তুলে ব্যানার বানিয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছেস বলে জানিয়েছেন সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থীরা।

নারী শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য:

কোটাবিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। প্রতিদিনই নারী শিক্ষার্থীরা তাদের হল থেকে আলাদা করে বড় একটি মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন। মিছিলের প্রথম সারিতেই মেয়েরা অবস্থান নেয় প্রতিদিন। শাহবাগেও কোটাবিরোধী স্লোগান, বিদ্রোহী গান, কবিতা আবৃত্তিতেও মেয়েদের অংশগ্রহন উল্লেখযোগ্য। আন্দোলনের নেতৃস্থানীয়রা বলেন, মেয়েদের হলগুলো থেকে প্রথম দুইদিন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কম ছিলো। তারা ভয়ে শুরুতে আসতোনা। কিন্তু এখন মেয়েদের সবগুলো হল থেকেই উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ হচ্ছে আন্দোলনে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




আমার জীবনে কোনো পুরুষ নেই, বহুদিন ধরেই সিঙ্গেল: সুস্মিতা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

সুস্মিতার সঙ্গে ডেট করছেন, বিয়েও করবেন। গত বছর ললিত মোদীর এমন দাবির পরই ভারতজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। যদিও পরে নাম না উল্লেখ করেই সেই খবর নসাৎ করে দেন খোদ সুস্মিতা নিজেই।

ললিতের সঙ্গে প্রেম অস্বীকার করে প্রাক্তন রোমান শলের হাত ধরেই ঘুরতে দেখা গিয়েছিল বিশ্বসুন্দরীকে। এরপরই সকলে ধরেই নিয়েছিলেন, সুস্মিতার জীবনে পুরোনো প্রেমই আবার নতুন করে ফিরেছে।

তবে তেমন কিছুও নাকি ঘটেনি এই বাঙালি সুন্দরীর জীবনে। অভিনেত্রীর দাবি, গত ২ বছর ধরেই সিঙ্গেল তিনি। সম্প্রতি রিয়া চক্রবর্তীর শো চ্যাপ্টার ২-এর প্রথম পর্বে হাজির হয়ে নিজেরর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সুস্মিতা।

যেখানে নিজের প্রেমজীবন নিয়ে সুস্মিতা বলেন, আমার জীবনে কোনো পুরুষ নেই। বহুদিন ধরেই আমি সিঙ্গেল। সেটাও প্রায় দুই বছর হয়ে গেল। ২০২১ সাল থেকে...আমি কোনও সম্পর্কে নেই। আমার জীবনে কিছু অবিশ্বাস্যরকম চমৎকার মানুষ আছেন যারা আমার বন্ধু। তারা সকলেই এক মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন কখন আমি ওদের ফোন করে বলব- দেখো, আমি গাড়ি বের করছি, পেছনের সিটে বসো। আমরা গাড়ি চালিয়ে গোয়ায় ঘুরতে যাব।

উপস্থাপক রিয়া সুস্মিতাকে প্রশ্ন করেন, কারো প্রতি কি কোনও ভালোলাগা আছে? উত্তরে সুস্মিতা বলেন, এই মুহূর্তে আমি কারও প্রতি আগ্রহী নই। বিরতি নেওয়ার মূল কারণ আমি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে ছিলাম। আর সেটা ছিল অনেকটা লম্বা সময়।

এর আগে রোমান শলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সুস্মিতা সেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তারা একে অপরের থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গেই দেখা যায় দুজনকে। সে বিষয়ে সুস্মিতার ভাষ্য, আমরা বন্ধু হিসেবে শুরু করেছিলাম, বন্ধুই রয়েছি! সম্পর্ক অনেক আগেই শেষ... ভালোবাসা রয়ে গেছে!

ব্রেকআপের পরে আঘাত পাওয়ার বিষয়ে সুস্মিতা বলেন, তিনি সম্পর্ক ভাঙলেও সেটা নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রভাবিত করতে দেন না। সুস্মিতার কথায়, সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজের অনেকটা দিয়ে দেন। ভালোবাসা, যত্ন, এনার্জি থেকে শুরু করে সেই ব্যক্তিকে নিজের বাড়িতেও নিয়ে যান, তার সন্তানদের জীবনেও প্রবেশ করতে দেন। তবে যখন বুঝতে পারেন সম্পর্কটি তার জন্য বিষাক্ত হয়ে উঠছে, তখন কোনও অনুশোচনা এবং অপরাধবোধ ছাড়াই সেখান থেকে দূরে চলে যান।

অভিনেত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, তার পৃথিবী বিশ্বাসের চারপাশে তৈরি, তাই বিশ্বাসঘাতকতা নিতে পারেন না। সুস্মিতার কথায়, সততা শ্রদ্ধার সমান। যদি কেউ তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে সেই নকল আবেগ তিনি ধরে রাখতে চান না। তার জীবনের সবটা জুড়ে আছে, মেয়েদের জন্য কী ভালো হতে পারে, সেটাই।


আরও খবর
বিমানসেবিকার উপর রেগে আগুন সারা আলি!

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




ইরানে চলছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা, কে এগিয়ে?

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

শেষ হয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এখন চলছে ভোট গণনা। এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছেন সংস্কারপন্থি নেতা মাসুদ পাজেশকিয়ান। তার পরেই রয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অনুগত সাঈদ জালিলি।

ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৮ জুন) থেকে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি ভোট গণনা হয়েছে। তার মধ্যে সংস্কারপন্থি মাসুদ পাজেশকিয়ান পেয়েছেন ৫৯ লাখ ৫৫ হাজার ভোট। অন্যদিকে, কট্টোরপন্থি নেতা সাঈদ জালিলি পেয়েছেন ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ভোট।

একাধিক নির্বাচনী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ, যা দেশটির ধর্মীয় নেতাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য শহরের ভোটকেন্দ্রগুলো খালি ছিল। ইরানের আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, এই নির্বাচন রানঅফে গড়ানোর সম্ভাবনা খুব বেশি।

দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে কেউ যদি সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে চান তাহলে তাকে মোট ভোটের ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি ভোট পেতে হয়। কোনো প্রার্থী এই সংখ্যায় পৌঁছাতে না পারলে নির্বাচন সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া দুই প্রার্থীর রানঅফে গড়াবে। এই রানঅফে যে প্রার্থী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনিই চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।

রয়টার্স বলছে, যদিও এই নির্বাচন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নীতিতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না, তবে এর ফলাফল ১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা ইরানের ৮৫ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরাধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে।

চলতি বছরের ২০ মে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এরপর দেশটিতে আগাম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ইরানের সংবিধানের অভিভাবক পরিষদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী ৮০ জনের আবেদন পর্যালোচনা করার পর সংবিধানের ১১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ছয় জনকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে।

এরপর এই ছয় প্রার্থী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চালান ও টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেন। তবে এরমধ্যে ৬ জন প্রার্থীর দুইজন অন্যদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন। ফলে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকেন চার প্রার্থী। তারা হলেন মাসুদ পেজেশকিয়ান, সাইদ জলিলি, মোস্তফা পুরমোহাম্মাদি, ও মোহাম্মদ বাকের কলিবফ।


আরও খবর



আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল কর্মসূচি

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল কর্মসূচি পালন করবেন আন্দোলনকারীরা। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আজ পুলিশ ও ছাত্রলীগের যৌথ হামলা এবং গুলিবর্ষণে শহীদ ভাইদের জন্য বুধবার দুপুর ২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জেলায় জেলায় গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল পালন করুন। ঢাকায় অবস্থানরত সবাই রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সময়মতো চলে আসবেন।

প্রসঙ্গত, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারা দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।

গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা প্রসঙ্গে কথা বলার সময় মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে? প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষিপ্ত হন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারা ধরে নিয়েছেন রাজাকারের নাতিপুতি তাদেরকেই বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রোববার মধ্যরাত থেকে আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

সোমবারও দুপুর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ। বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। রাত ১০টার পর আন্দোলনকারীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং সারা দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে তাদের সমর্থনে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪