আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

রাজশাহী মহানগর ট্রাফিক পুলিশের মাসিক স্লিপ বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী প্রতিনিধি

Image

মাসোহারার স্লিপ বাণিজ্যে মেতে উঠেছেন রাজশাহী মহানগর ট্রাফিক পুলিশ। এদিকে সার্জেন্টরা আছেন ক্যাশিয়ারের ভূমিকায়; মামলা নয়, ব্যতিব্যস্ত নিজেদের পকেট ভরায়। ট্রাফিক বিভাগে আধুনিক পদ্ধতি করা হচ্ছে, সাথে সাথে অনিয়মের পদ্ধতিও যাচ্ছে বদলে। রাজশাহী মহানগর ট্রাফিকের বিরুদ্ধে এমন-ই ডিজিটাল অনিয়ম আর ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র বলছে, যখন যে টিআই ওয়ানের দ্বায়িত্ব পান, তখন তারা পোয়াবারো। প্রতিমাসে টিআই ওয়ানের (এডমিন) মাসিক নিজস্ব আয় ১০ লাখ টাকা সাথে রয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তাদের কমিশন। ফলে লোভনীয় পদে বসতে চলে বড় রকমের দেনদরবারও।

প্রত্যেক এডমিন তার নিজস্ব পছন্দের মানুষ দিয়ে চালান তাদের অনিয়ম দুর্নীতি আর ঘুষ বাণিজ্য। এরই মধ্যে নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত না হলেও নিজেদের পকেট ভরতে ব্যস্ত সময় পার করেন ট্রাফিকের একটি সিন্ডিকেট।

গাড়ি মালিক ও শ্রমিক সমিতিসহ শহরে চলাচল করা সব ধরনের যানবাহন থেকেই উঠানো হচ্ছে মাসোহারা। নগরীর ট্রাফিক বিভাগ গাড়ির মালিক ও শ্রমিকরা হয়রানি থেকে বাঁচতে ও জরিমানার ভয়ে নিজ থেকেই যোগাযোগ করেন ট্রাফিক অফিসের দ্বায়িত্বে নিয়োজিত দুর্নীতিবাজ কর্তা ব্যক্তিদের সাথে।

এদিকে মাসোহারার স্লিপ বাণিজ্য রমরমা'র সাথে যোগ হয়েছে "ভুয়া কেস স্লিপ"। বর্তমান টিআই ওয়ানের দ্বায়িত্বে আছেন প্রবীণ কুমার পাল। মুলহোতা অঘোষিত ক্যাশিয়ারের দ্বায়িত্ব পালন করছেন পরিদর্শক আলিম সরকার। যোগদানের ১০ দিনের মাথায় বালু মহলের ট্রাক মালিক, বাস সমিতি, সিএনজি, অটোরিকশা, ট্রান্সপোর্টসহ নগরীতে চলাচলকৃত সব ধরনের মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।

সচেতন নগরবাসী বলছেন, মাসোহারার কারণে সরকার বিপুল পরিমানে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফিটনেসবিহীন গাড়ী চলাচল করায় সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা, প্রতিনিয়ত ঘটছে প্রাণহানি। নগরজুড়ে অনুমোদনহীন গাড়ির ছড়াছড়ি থাকলেও ট্রাফিক পুলিশ পড়ে আছে মোটরসাইকেল আর অটোরিকশার পেছনে।

জানা যায়, জনসাধারণ ও সরকারকে দেখানোর জন্য কিছু মামলা দিয়ে রাজস্ব আয় দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তারা ব্যস্ত আছেন মাসোহারা নিয়ে।

সূত্রমতে, মহানগর ট্রাফিক পুলিশের অঘোষিত ক্যাশিয়ারের অন্যান্য দ্বায়িত্বে আছেন, কনস্টেবল সাদ্দাম, মাহাবুব হাসান ও আজাহার। এদের মুলহোতা পরিদর্শক আলিম সরকার। অপরদিকে টিআই-১ এর অঘোষিত ক্যাশিয়ার আরো একজন পাবলিক বিভিন্ন স্থান থেকে মাসোহারা নেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অনুসদ্ধানে জানা যায়, সিএনজি, ট্রাক, বাস, মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর থেকে মোটা অংকের টাকা তোলেন নগরীর ট্রাফিক বিভাগ। মাসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা উঠানো হয় বিভিন্ন খাত থেকে। এদিকে দূরপাল্লার বাস কাউন্টার, দিনের বেলায় নগরীতে চলাচল করা ইট-বালু বহনকারী ট্রাক মালিকদের কাছ থেকেও নেওয়া হয় মাসিক চাঁদা। শুধুমাত্র ব্যাটারি চালিত রিক্সা ও অটোরিকশায় মাসিক চাঁদা আদায় করেন ৩ লাখ টাকা যা ভাগ বাটোয়ারা হয় অফিসের প্রসিকিউশন সেকশনসহ অন্যান্য দপ্তরে। প্রতিটি অটোরিকশা থেকে মাসিক নেওয়া হয় ৩ শত টাকা। নগরী চলাচলকারী অবৈধ ভুটভুটি, নছিমন করিমন আটক করে আদায় করা টাকা অফিসের কর্মরত কনস্টেবল সাদ্দাম ও আজাহারসহ অন্যান্যরা ভাগ করে নেন। এছাড়াও অফিসে বেলাল ও মাহমুদ হাসান নামের কনস্টেবল প্রতিনিয়ত আটক ট্রাক, বাস, সিএনজিসহ বিভিন্ন ছোট বড় যানবাহনের দেনদরবার করে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেন। আর এদের দেনদরবারে সহযোগিতা করেন প্রসিকিউশন শাখার সার্জেন্ট নুরে আলম সিদ্দিক।

তবে ট্রাফিক বিভাগে নতুন নিয়মে সরাসরি টাকা জমা দেওয়া হয় ব্যাংকে। এতে কিছুটা অনিয়ম বন্ধ হলেও নকল কেস স্লিপে চলে বাণিজ্য। এখনো ডিজিটাল মেশিনে মামলা না নিয়ে মেন্যুয়ালি নকল বা জব্দ তালিকা মুলে গাড়ি ধরা হয়। অনেক সময় নকল (বৈধ নয় এমন) কেস স্লিপ ব্যবহার করা হচ্ছে। গাড়ি জব্দের কেস স্লিপের অপব্যবহার বেশি করা হচ্ছে। আরএমপি ট্রাফিক বিভাগে দীর্ঘদিন যাবৎ উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন অনির্বাণ চাকমা। ট্রাফিসের ডিসি মাসোহারার একটা বড় অংশ পান বলেও জানিয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই বিভাগের কয়েকজন। ৫ বছর ধরে তিনি এই বিভাগের দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তার নির্দেশ ছাড়া ট্রাফিক বিভাগে কারো কিছু করার থাকেনা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাইসমিলের ট্রাক মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয় মাসোহারা। এই মাসোহারা উঠানোর দ্বায়িত্বে আছেন সার্জেন্ট শহিদ, ড্রাম ট্রাকের দ্বায়িত্বে সার্জেন্ট সাদ্দাম এবং টান্সপোর্ট থেকে মাসোহারা নেওয়ার দ্বায়িত্বে আছেন নওশাদ। এভাবেই বিভিন্ন রকমের পরিবহন থেকে মাসোহারা তোলেন সার্জেন্ট সাবিহা, সাধন, ইমরান, মনিরসহ অনেকেই। রাজশাহীতে অবস্থিত প্রতিটি মাইক্রোবাস থেকে নেওয়া হয় মাসোহারা। ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার, হাইএস, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে নেওয়া হয় মাসোহারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টি আই (ওয়ান) প্রবীণ কুমার পাল বলেন, একমাসের জন্য দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমাকে। এ সময়ের মধ্যে শহর চিনতেই লেগে যাবে। ভালো কাজ করতে চাই আমি। এখন ট্রাফিক বিভাগ চলে আমাদের ডিসি স্যারের তত্ত্বাবধানে। তিনি সকল বিষয় জানেন ও দেখেন। আমি এখনো কারো সঙ্গে যোগাযোগ করিনি। কেউ যদি যোগাযোগ করেন, তা আমি জানি না। আমার এক মাসে কোনো অনিয়ম করার সুযোগ নাই। এখন থেকে প্রতি মাসে একজন করে এডমিনের দ্বায়িত্ব পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আরএমপির মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রফিকুল ইসলাম'র মুঠোফোন কল দিয়ে নগরীর ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য বিষয়টি শোনার পরে তিনি বলেন, আমি এখন মিটিং এ আছি এ বিষয়ে পরে কথা হবে বলে লাইনটি কেটে দেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) অনির্বাণ চাকমা বলেন, ভুয়া কেস স্লিপের ব্যবহারের বিষয়টি সঠিক নয়। এরকম প্রমাণ থাকলে অফিসে নিয়ে আসবেন, আমি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিবো। মাসোহারা বন্ধে প্রতিমাসে একজন করে দ্বায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যাতে কেউ বেশি সময় এডমিনের দ্বায়িত্ব পালন করে সুবিধা নিতে না পারেন। আমার অফিস শতভাগ পরিষ্কার আছে। বাহিরে টুকটাক কিছু থাকলে তা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হামলায় ১৭ ইয়েমেনি যোদ্ধা নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধের পর থেকে অস্থিতিশীল লোহিত সাগর। গাজায় ইসরায়েলি হামলার জবাবে এ নৌপথে হামলা চালিয়ে আসছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। গোষ্ঠীটিকে মোকাবিলায় একের পর এক হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য।

হুতিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ হামলায় তাদের ১৭ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। নিহত এসব যোদ্ধার রাজধানী সানায় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার হুতিদের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের বোমা হামলায় নিহত সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর যোদ্ধাদের মরদেহ রাজধানী আজ সানায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি নিহতদের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তাদের সামরিক বাহিনী হুতিদের লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরীসহ বাণিজ্যিক জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতিকালে এ হামলা চালানো হয় বলে দাবি মার্কিনিদের।

উল্লেখ্য, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য হুতিদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। লোহিত সাগরে জাহাজে হামলার জবাবে এ জোট গোষ্ঠীটির ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।

হুতিদের দাবি, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে তারা ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে। দেশটিতে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারাও হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।


আরও খবর



সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্ধারিত দিন রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় আগারগাঁওয় নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত ৪৮ জনের মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে, এতে স্বতন্ত্র ও ১৪ দলেরও সদস্য রয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমার সময় মনোনীত ৪৮ জন প্রার্থীর পাশাপাশি তাদের প্রস্তাবক ও সমর্থকরাও ছিলেন।

তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি আমরা।

এসময় সংসদের হুইপ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মিয়ানমার আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে: র‍্যাব মহাপরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, মিয়ানমার যা করছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই করছে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। রোহিঙ্গা আটক হওয়া থেকে শুরু করে তারা পায়ে পাড়া দিচ্ছে, আমরা তো কাজ করি আমরা জানি। আমি বহুবার কক্সবাজার গিয়েছি, বর্ডারে গিয়েছি, আমি সব ঘুরে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়চেতা এবং তাঁর যে প্রজ্ঞা, উনি কোনো দিন যুদ্ধে জড়াবেন না। কারণ, এখন যুদ্ধে যাওয়া মানে আমার দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া। মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তারা এখন চাচ্ছে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধাতে পারলে তারা সেভ হবে। কারণ, ওর দেশে এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, ওর দেশের আরাকান আর্মি তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে এখন সমানে ভূমি দখল করছে। সেনাবাহিনী-আরাকান দ্বন্দ্ব এখন বলতে গেলে শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গভর্নমেন্ট বাঁচার জন্য উসকানি দিচ্ছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদক এখন বিভিন্ন দেশ থেকে এয়ারেও আসছে, জলপথেও আসছে। বেশির ভাগ মাদক মিয়ানমার থেকে আসছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার। কিছুদিন পর আপনারা জানবেনআমরা যে জাল ফেলে রেখেছি, সবচেয়ে যে বড় গ্যাং স্টার, তাকে আমরা জালের মধ্যে ফেলেছি। আমরা কিছু করতে পারব।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, বর্তমান জেনারেশনের যে চ্যালেঞ্জ, এর মধ্যে একটি হলো মাদক আরেকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। নেশা বলতে আমরা শুধু মাদককে বুঝি, তা কিন্তু না। আপনি আপনার সাধারণ জীবন যাপনের বাইরে যেকোনো কাজে যখন আসক্ত হয়ে গেলেন সেটাই নেশা। এখন মাদক, জুয়া, বিভিন্ন রকম অনলাইন গেম খেলা, সারা দিন ফেসবুক টেপা এগুলো নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে শুধু বই খাতা দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম আর শিক্ষকেরা পাহারা দেবে, তা সম্ভব না। বাচ্চাদের শুরুতেই আপনাদের তৈরি করতে হবে। মাটি যখন নরম থাকে, তখন আপনি তাঁকে যেকোনো আকার দিতে পারবেন। আর মাটি যখন শক্ত হয়ে যাবে, তখন আকার চেঞ্জ করতে গেলে সেটি ভেঙে যাবে। একটা বাচ্চাকে যদি শৈশব ও কৈশোর থেকে না শেখান পরবর্তীকালে ইউনিভার্সিটি, কলেজে গিয়ে কিন্তু কিছুই শিখবে না। অতএব, অভিভাবকদের মূল ভূমিকা রয়েছে, তারপর শিক্ষকদের, আর তাঁকে নিজের থেকে তো চেষ্টা করতেই হবে।

বর্তমান সময়ের ক্যাডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন আমাদের চিন্তা হচ্ছে, আমরা তো শেষ পর্যায়ে। এখন বাংলাদেশে যে কজন রয়েছি, ইলেকশন যারা করলাম। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, আইজিপি, আমি নিজে, ডিজি এনএসআই, স্বরাষ্ট্রসচিব আমরা সব কিন্তু বলতে গেলে অবসরপ্রাপ্ত লোক। আমাদের এক্সটেনশন করে রেখেছে। আমাদের ছাড়েনি এ জন্য যে ইলেকশন করে দেওয়ার জন্য। কারণ, অভিজ্ঞ লোকের অভাব রয়েছে। এখনকার প্রত্যেকটা ক্যাডারের মধ্যে পেশাদারির ঘাটতি রয়েছে। যেমন লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়েছে, তেমন পেশাদারিতে ঘাটতি রয়েছে, ডিসিপ্লিনেও ঘাটতি রয়েছে। এটাকে যদি আমরা ওভারকাম করতে না পারি, তাহলে কী করতে হবে? নিশ্চয়ই আমাদের এখন থেকে চেষ্টা করতে হবে। না হলে এই যে যুবসমাজ, নতুন প্রজন্মএগুলো যদি মিস গাইডেড হয়ে যায়, তাহলে এই দেশের অস্তিত্ব কে ধরে রাখবে?

এর আগে র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০২৩ সালে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১০৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

র‍্যাব-৬, খুলনার অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাহবুবুল আলম (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), জেলা শিক্ষা অফিসার সেলিম তালুকদার, এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কে এম মাহবুব, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক জাহিদুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর



রমজান সামনে রেখে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আসন্ন রমজান উপলক্ষ্যে বরিশালে আরেক দফায় বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। মাছ-মাংসের দামও আকাশচুম্বী। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একইভাবে ৮০ টাকা কেজি দরের মসুর ডাল ১১০ টাকা, ৭৮ টাকার খেসারি ডাল ১১০ টাকা, ৭৫ টাকার ছোলা বুট ১০০ টাকা, ১৯০ টাকার রসুন ২০০ টাকা, ১৬০ টাকার আদা ২২০ টাকা, ১৩৫ টাকার এলসি চিনি ১৪৫ টাকা, মুগ ডাল ১৬০ টাকা, চিড়া ৭০ টাকা, আখের গুড় প্রতি কেজি ১২০ টাকা এবং সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়।

নগরীর আলেকান্দার মুদি দোকানি জহুর কাজী বলেন, রমজান উপলক্ষে সব মালের দাম বাড়তি। পাইকরি বাজার থেকে তারা যে দামে পণ্য কেনেন তার চেয়ে সামান্য লাভে বিক্রি করেন। দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।

নগরীর সাগরদী বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ইসলাম ব্রাদার্সের মো. সাদী জানান, রমজানকে সামনে রেখে ডালজাতীয় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। ভারতীয় পিঁয়াজ না আসায় দেশীয় পিঁয়াজের বাজারও চড়া। তিনি বলেন, ডলার সংকটের কারণে বড় আমদানিকারকরা নিত্যপণ্য আমদানি করতে পারছেন না। যে পণ্য মজুদ আছে তার চেয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশি। এ কারণে বাজার দর বাড়তি। রমজানের আগে কোনো পণ্যের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে ধারণা করছেন তারা।

নিত্যপণ্যের পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি আড়াই শ টাকা এবং গরুর মাংস সাড়ে ৭শ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি চিংড়ি ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পোয়া মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০, বেলে মাছ ৬০০ থেকে ৮০০, দেশীয় রুই-কাতলা ৪০০, নদীর পাঙ্গাস ৮০০ থেকে ৮৫০, কোরাল ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। নগরীর পোর্ট রোড বাজারে ১ কেজি সাইজের একটি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টাকায়। রপ্তানিযোগ্য এলসি সাইজ প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে। রমজানে মাছের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন নগরীর পোর্ট রোড বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আবদুল হালিম।

রমজান মাস শুরু না হতেই বগুড়ায় খেজুরের দাম বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। রমজান শুরু হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা। এদিকে আমদানিকারক ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুল্ক ও করহার বৃদ্ধি, টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি এবং অন্যান্য জটিলতার কারণে এ বছর খেজুরের দাম বেড়েছে। ক্রেতারা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে খেজুরের বাজারে অস্থিরতা বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বগুড়ায় খেজুরের বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে তিউনেশিয়ার খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকা। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকায়। মাশরুপ খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকায়। গত বছর দাবাস খেজুর বিক্রি হয়েছিল ৩৫০ টাকা কেজি। কিন্তু এ বছর দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। এ ছাড়াও ফরিদা খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকা, রেজিস ৩৫০ টাকা, জাহেদি ২৪০ টাকা, খালাস ৩৬০ টাকা, ব্লাকবড়ি ৬৫০ টাকা ও ইরাকি ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে ইরাকি খেজুর প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ছিল ১০০ টাকা। দুবাইয়ের ইরাকি জাহেদি জাতের খেজুর ১০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা, যা গত বছর ছিল ১ হাজার ৪০০ টাকা। দাবাস ও লুলু জাতের খেজুর ১০ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ টাকা, যা গত বছর ছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা।


আরও খবর



উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ গ্রহণের আহ্বান গণপূর্ত মন্ত্রীর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ অধিকহারে গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জোন এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রামের অধীনে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বেগবান, জনমুখী, সফল ও সার্থক করে তোলে। তাদের পরামর্শ গ্রহণ ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাদের সম্পৃক্তি স্বচ্ছতা  ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে বিদ্যমান সকল আইন-কানুন, বিধি-বিধান যথাযথ ভাবে মেনে চলতে হবে।

চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও জাতীয় গ্রহণ কর্তৃপক্ষসহ  সকল দপ্তর সংস্থার কাজে সমন্বয় সাধনের উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

পরিবেশ সুরক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন জলাশয় ভরাট করে উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনো কর্মকান্ডে পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। বিশেষ করে সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পে সকল দপ্তর সংস্থায় পরিকল্পনা বৃত্তের অন্তর্ভুক্ত করার উপর তিনি জোর দেন। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বে তিনি প্রকল্পের সামাজিক ও পরিবেশগত প্রভাব পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে প্রকল্পের সম্ভাব্য সমস্যা সমূহ পর্যালোচনা এবং তার সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে পূর্ব প্রস্তুতি  গ্রহণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল লতিফ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ তোফায়েল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানসহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগের যে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে তার বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য গৃহায়ন  ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার পূর্বাহ্নে চট্টগ্রাম পৌঁছেন।

বিকেলে সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে তিনি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এছাড়াও তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এসব বিষয়ে কথা বলেন। 


আরও খবর