আজঃ রবিবার ০১ অক্টোবর ২০২৩
শিরোনাম

রাবির ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নয় কেন?

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে আগামীকাল ২৯ মে থেকে৷ এতে ৩৯৩০টি আসনের বিপরীতে তিনটি ইউনিটে চূড়ান্ত পর্যায়ে আবেদন করেছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫৭৪ জন শিক্ষার্থী।

রাবি'র এই ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাজশাহীতে প্রতিবারের ন্যায় এবারও কমপক্ষে তিন লক্ষ মানুষের আগমন ঘটতে যাচ্ছে। তবে, ছোট্ট শহর রাজশাহীতে হঠাৎ করে এতো মানুষের আগমনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় নানাবিদ সংকট। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী-অভিভাবকের আবাসন নিয়ে পড়তে হয় মহা সংকটে। সেই সাথে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও আছে নানা ভোগান্তি। ইতোমধ্যেই, মহানগরের বেশির ভাগ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেস এবং আবাসিক হলগুলোতে তীব্র আবাসন সংকটের। গাদাগাদি করেও থাকার সুযোগ হয় না অনেকের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

এমতাবস্থায়, প্রশ্ন উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে আয়োজন করতে বাঁধা কোথায়?

গত বছর ভর্তি পরীক্ষার আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থী-অভিভাবকগণের ভোগান্তি এড়াতে বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চিন্তাভাবনা আছে। তবে, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

জানা গেছে, ক্যাম্পাসের বাইরে পরীক্ষা নিতে রাজি নন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপকগণের একটি বড় অংশ। তবে গুঞ্জন আছে, রাজশাহী মহানগরের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের একটি প্রচ্ছন্ন চাপও আছে যেন পরীক্ষা রাবি ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি প্রশ্নফাঁসের শঙ্কা, জনবল সংকট, একক ভর্তি পরীক্ষার প্রজ্ঞাপনের কারণেই বিভাগীয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না

তাঁরা বলছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এযাবৎকালে প্রশ্নফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বেশ কিছু জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেলেও, ক্যাম্পাসেই ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র থাকায় প্রশ্নের নিরাপত্তা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। ঢাবি'র মতো বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা আয়োজন করতে গেলে প্রশ্নফাঁসের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায় অনুযায়ী একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় গত ১৫ এপ্রিল। তবে, তারও আগে থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, যেহেতু সামনের বছরগুলোতে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না, তাই আলাদা করে শুধু একটি শিক্ষাবর্ষের জন্য বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত থেকে অনেকটাই সরে আসে রাবি প্রশাসন।

তবে প্রশাসনের এমন দাবি মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কিছু শিক্ষক। এদের মধ্যে একজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীন খান। এবিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যদি বিভাগীয় শহরে সফলভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারে, তবে রাবি কেন পারবে না? প্রশ্নফাঁস এড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বিধান করবে;  এবং  আমি মনে করি এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় লোকবল রয়েছে। বিশ্বিবদ্যালয় প্রশাসন চাইলেই শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি নিরসন করতে পারতো।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী বলেন, বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে; তবে আমাদের বুঝতে হবে যেই বলয়ের মধ্যে আমরা ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করে থাকি, সেটা যেন দুর্বল না হয়ে যায়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় অধিকাংশ শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রচ্ছন্ন চাপকেই বেশি দায়ি করছেন। তারা বলছেন, বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা না হাওয়ার পেছনে প্রশাসনের উপর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের চাপকেই বেশি দায়ি বলে মনে করছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে চাঙ্গা হয়ে উঠে রাজশাহী মহানগরীর হোটেল-মোটেল, পরিবাহন ও ম্যাস মালিকদের ব্যবসা-বাণিজ্য। জানা গেছে, শুধু এই সময়টুকুতেই হোটেলগুলো সবচেয়ে বেশি আয় করে থাকে। আবাসন সংকটকে কাজে লাগিয়ে হোটেলে রুম ভাড়া তিন থেকে চার গুণ বাড়িয়ে দেন হোটেল মালিকরা। ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে হলে এই আয় অনেকটাই কমে যাবে। গুঞ্জন আছে, মহানগরের আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা ও ব্যবসায়ীদের একটি প্রচ্ছন্ন চাপও আছে বিভাগীয় শহরে যেন পরীক্ষা না হয়।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, গত দুবছর ধরে দেখছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সমন্বয় সভা হয় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে। অথচ এটা হওয়ার কথা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান; ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয় স্বাধীনভাবে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিকে পুঁজি করে একটা বড় বাণিজ্য হয় রাজশাহী শহরেএটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকট রয়েছে। এছাড়া, আগামীতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে তাও বলা যাচ্ছে না।

ইতোমধ্যেই আপনারা জেনে গেছেন, রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায় অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়েছে। এসব বাস্তবতায় এ বছর বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।


আরও খবর



দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন কাজ : কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ। দ্রব্যের দাম মূলত চাহিদা ও জোগানের ওপর নির্ভর করে। তারপরও আমরা দ্রব্যমূল্য ভ্যানওয়ালা, রিকশাওয়ালা, দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। এ জন্য আমরা একটি পদক্ষেপ নিয়েছি, সফল হব কি না নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। তবে কিছুটা হলেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছি।

আজ শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার সৃষ্টিসংঘ মাঠে শওকত মোমেন শাহজাহান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। 

আরও পড়ুন>> শেখ হাসিনা শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রী: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে আসবে না অথচ সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। সারা পৃথিবীতে এভাবেই নির্বাচন হয়। 

আরও পড়ুন>> অভিযানের খবরে দাম কমল ডিম-পেঁয়াজ-আলুর

স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম, পৌর মেয়র আবু হানিফ আজাদ, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার, সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



অতৃপ্তি নিয়ে চলে গেলেন ভাষা সৈনিক দবিরুল ইসলামের স্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের প্রথম সভাপতি সাবেক এমএলএ, পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি (যুক্তফ্রন্ট) ও ভাষা সৈনিক মরহুম এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ দবিরুল ইসলামের স্ত্রী আবেদা খাতুন (হেনা) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে বার্ধ্যকজনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৭ বছর। রেখে গেছেন তিন সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী এবং আত্মীয় স্বজন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মরহুমার ছোট ছেলে মো. আহসান উল্লাহ (ফিলিপ)। তিনি বলেন, অসুস্থ্যতার কারণে মাকে গত ২৬ আগস্ট জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। তার জন্য সকলে দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

মরহুমার জানাযা ও দাফন কার্য সম্পন্ন হবে আগামীকাল রোববার ১০ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩ টায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামে পারিবারিক গোরস্থানে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে মরহুম এডভোকেট মুহাম্মদ দবিরুল ইসলামের স্ত্রী আবেদা খাতুন (হেনা) এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সাথে আমার স্বামীর অসম্ভব ভালো সম্পর্ক ছিল। আমি তা নিজেই দেখেছি। বিয়ের ১০ বছরের মাথায় স্বামীকে হাড়িয়ে কোলের শিশুদের নিয়ে করুন ও নিদারুন দিন পার করেছি! এতো আন্দোলন সংগ্রাম করেও এখনো রফিক, বরকত, সালাম, জব্বারের মতো ভাষা সৈনিক হিসেবে কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল না আমার স্বামী। মরার আগে যদি তার স্বীকৃতি দেখে যেতে পারতাম তাহলে মরেও শান্তি পেতাম। এই বুকভরা আশা, স্বপ্ন ও ইচ্ছা তার পুরণ হলো না। তার আগেই তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।


আরও খবর



তিন বিভাগে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস। এ ছাড়া দেশের ৩ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

আরও পড়ুন>> সমুদ্রের মাঝে ফ্রান্সের রহস্যে ভরা মঠ

আবহাওয়া অফিস বলছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ ভারতের পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এ ছাড়া আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৯ মিলিমিটার বা তারও বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

এ সময় সারা দেশে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অফিস।


আরও খবর
ঢাকাসহ ১৪ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

শুক্রবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩




আল হিলালে নেইমারকে নিয়ে বাড়ছে হতাশা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে নাভবাহোরের বিপক্ষে ১১ গোলে ড্র করেছে আল হিলাল। নেইমারের কোনো গোল ছিল না, ছিল না গোলে সহায়তাও। উলটো একটি হলুদকার্ড দেখেছেন ব্রাজিলিয়ান এ তারকা। বৃহস্পতিবার রাতে আল হিলালের হয়ে নিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন নেইমার।

অবস্থা সেই আগের দুই ম্যাচের মতোই। গোল পাননি, সতীর্থের কোনো গোলে সহায়তাও নেই। তার দলও জিততে পারেনি। এগিয়ে গিয়েও দামাকের মাঠ থেকে ১১ গোলের ড্র নিয়ে ফিরেছে আল হিলাল।

প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের ৯ মিনিটেই এগিয়ে যায় আল হিলাল। বাঁপ্রান্ত দিয়ে অসাধারণ এক দৌড়ে দামাকের রক্ষণ এলোমেলো করে দিয়ে বক্সের মধ্যে বল ফেলেন কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা সালেম আল দাওসারি। বক্সের মধ্যে সেই বল পেয়ে যান আল হিলালের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ম্যালকম। পরে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক আক্রমণ করে গেছে আল হিলাল। কিন্তু খেলার ধারার বিপরীতে গোল খেয়ে বসে তারাই। অসাধারণ এক ফ্রিকিক থেকে ৬৮ মিনিটে দামাককে সমতায় ফেরানো গোলটি করেন রোমনিয়ান ফুটবলার নিকোলা স্তানচিউ।


আরও খবর



হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ থেকে মো. মোশারক হোসেনকে (আরিফ বাপ্পি) অব্যাহতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এই বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সংগঠনের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মোশারফ হোসেনকে হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এদিকে গত শুক্রবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পীর ৩ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। মূহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ও ওয়াটসঅ্যাপে ভিডিওটি একে অপরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পী অজ্ঞাত এক যুবতীর সাথে ভিডিও কলে কথা বলছেন এবং তাকে উড়ো কিস করছেন। এতে ওই যুবতী নেচে নেচে উলঙ্গ হয়ে গোসল করছে। আর ওই যুবতীকে উলঙ্গ অবস্থা দেখে আরিফ বাপ্পী নিজেও নগ্নতায় জড়িয়ে পড়েন।

ভিডিওটি ভাইরাল হলে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয় সমালোচনা। পাশাপাশি ছাত্রলীগ পরিবারে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।

গত শুক্রবার রাতে মোশারফ হোসেন আরিফ বাপ্পী তার ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি এডিটিং বলে উল্লেখ করে একটি স্ট্যাটাস দেন।


আরও খবর