আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

রাবি শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

ঘুমের মধ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু ঘটেছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএসই বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত প্রামাণিক। 

ওই শিক্ষার্থীর নাম ফরহাদ হোসেন রনি। তার বাসা কুমিল্লা জেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি মাদার বখ্শ হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রনি পিতামাতার একমাত্র সন্তান ছিলেন৷ তার পিতা স্কুলের শিক্ষকতা করেন। গত আগস্ট মাসে তার স্নাতক শেষ হওয়ার পর থেকে ঢাকায় মিরপুর-১ এ একটি মেসে থেকে চাকুরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি।

বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত প্রামাণিক বলেন, রনির মৃত্যুর বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা ফোনে কল করে জানিয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ এখনো অস্পষ্ট। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকিটা রিপোর্ট থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

রনির মৃত্যুর বিষয়ে সহপাঠী মামুন বলেন, আগের রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিন্তু সকাল হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি৷ তার রুমমেট কয়েকবার ডাকলেও কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। দুপুরবেলা ডাক দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এভাবে সন্ধ্যা বেলায় মেসের কয়েকজনকে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে৷

তিনি আরো বলেন, কী কারণে মৃত্যু হয়েছে, সেটা এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে জানা যাবে। তবে ধারণা করা হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক করে ঘুমের মধ্যে মারা গিয়েছে৷ রনির মা-বাবা হসপিটালে এসেছেন৷ রিপোর্ট পেলে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।


আরও খবর



জাবিতে আন্দোলন অব্যাহত, আজও প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ধর্ষণের ঘটনায় দ্বিতীয় দিনের মতো নতুন প্রশাসনিক ভবন প্রতীকি অবরোধ করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা সহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। পরে বেলা ১১টার দিকে অবরোধ তুলে নিয়ে আগামীকাল আবারও কঠোর পদক্ষেপের হুশিয়ারি দেন তারা।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- অছাত্রদের বের করে গণরুম বিলুপ্ত করা; নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করা; যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তিসহ ক্যাম্পাসে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা; ধর্ষণের ঘটনায় প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষের অপরাধ তদন্ত করা এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত চলাকালে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া; মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে 'নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের' ব্যানারে অবরোধ লেখা সম্বলিত ব্যানার ও প্লাকার্ড ঝুলিয়ে দেন তারা। এতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম সহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তা-ব্যক্তিদের কাওকে দেখা যায়নি।

অবরোধ চলাকালে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন,'সন্ত্রাস ও মাদক কারবারের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। অছাত্রদের বের করে দেয়ার জন্য সিন্ডকেটে নেয়া সিদ্ধান্তের পাঁচ কর্মদিবস পার হয়ে গেলেও আমরা কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখিনি। অছাত্রদের বের না করে বরং প্রশাসন নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হয়রানি করছে। নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিশ্চিত সহ তাকে সহায়তাকারী প্রক্টরের পদত্যাগ নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দাবি না মানা হলে কঠোর আন্দোলনে যাবো। প্রশাসন দায় এড়িয়ে যেতে পারবেনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মাদকমুক্ত করতে হবে, যারা অছাত্র রয়েছেন, তাদের সরিয়ে দিতে হবে। প্রশাসন আমাদের বলেছিল, পাঁচ কর্মদিবসে অছাত্রদের বের করে দেবে। কিন্তু তারা সেটা পারেনি। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ঢাকায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এখানে হল প্রশাসন যদি কাজ করে, তাহলে কিন্তু সমাধান হয়। কিন্তু তারা কেউ কাজ করছেন না।

প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে যে ঘটনাগুলো কলুষিত করেছে, কলঙ্কিত করেছে, সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে, সে সম্মান উদ্ধারে উপাচার্যের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। র‍্যাবের ব্রিফিং থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের পর দিন যে পাশবিক ঘটনাগুলো ঘটছিল, তা এই অছাত্ররা করছিল। প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে, তারা এসব ঘটনার দায় এড়াতে পারে না।

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক পারভীন জলী বলেন, আমরা যে পাঁচটি দাবিতে মাঠে নেমেছি, কোন শিক্ষার্থী কি বলতে পারবে যে আমরা কোন ভূল কথা বলেছি। তারপরও আমরা রাস্তায় দাড়িয়েছি। আমরা দাবি জানিয়েছি মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করতে। এমন আর একটি বিশ্ববিদ্যালয় দেখান যেখানে পচিশশো মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী হলে আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং তার প্রমাণ থাকা সত্বেও দেড় ধরে তাকে সাময়িক বহিস্কার পর্যন্ত করা হয়নি। নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর জনি এতো শক্তি কোথায় পায়?তিনি শক্তি পান উপাচার্যের কাছে, প্রক্টরের কাছে, ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের কাছে। নয়তো এত প্রমাণ থাকা সত্বেও কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো না?

এর আগে, গতকাল সোমবার সকালে একই দাবিতে প্রশাসনিক ভবন প্রতীকি অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় আন্দোলনকারীরা নির্ধারিত পাঁচ কর্মদিবস পার হলেও প্রশাসন থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়ায় লাগাতার কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন।


আরও খবর



ট্রান্সকম গ্রুপের দুই পরিচালকসহ শীর্ষ ৫ কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান ট্রান্সকম গ্রুপের দুই পরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন- পিবিআই।

গ্রেপ্তার পাঁচ কর্মকর্তা হলেন- প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা ফখরুজ্জামান ভুইয়া, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) কামরুল হাসান, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল মামুন, ম্যানেজার আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক এবং সহকারি কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক।

পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের এক মেয়ে শাযরেহ হক বাদী হয়ে আজ গুলশান থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রুপটির পাঁচজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ট্রান্সকম গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল এবং অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তর করার অভিযোগ এনে শাযরেহ হক এই মামলা করেছেন।

দেশের অন্যতম বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ট্রান্সকম গ্রুপ। গ্রুপটির অধীনে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, ট্রান্সকম বেভারেজেস, ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন, ট্রান্সকম কনজিউমার প্রোডাক্টস, ট্রান্সকম ফুডস, ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস, ট্রান্সক্রাফট, মিডিয়াস্টার অন্যতম।


আরও খবর



আমাদের সকল সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে চাই : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, আমরা সকল সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে চাই। রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মাল্টিপারপাস হল রুমে পার্বত্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমান এনডিসির সভাপতিত্বে  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী অপু, যুগ্মসচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে আগত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন সংস্থা থেকে আগত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায় আছেন যারা সংস্কৃতিমনস্ক সৃজনশীল কাজের প্রতি অনুরাগী। এই মেলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চিত্র ফুটে ওঠেছে। তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাতেঁ বোনা পণ্য, বিভিন্ন মৌসুমী ফল, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার যা মেলার আকর্ষণকে অধিকতর বাড়িয়ে তুলেছে। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের  উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর প্রচার ও বিপণনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার চিত্র ফুটে ওঠেছে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, এ মেলাকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটেছে। পার্বত্য অঞ্চলের সাথে সমতলের যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, দৃষ্টিভঙ্গির ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। সকল সংস্কৃতির মাঝে যদি আমরা ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানুষের কথা ভাবে, দেশের শান্তির কথা ভাবে বলেই পার্বত্য অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সংঘাত বন্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি সম্প্রীতি ও উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করার লক্ষ্যে যার যার অবস্থান থেকে উন্নয়ন কাজে অংশ নিলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে আর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা সত্যিকারভাবে বাস্তবায়ন হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মশিউর রহমান বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবন-সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ, ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ক তথ্য সমতলের মানুষের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেয়ার উদ্দেশে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার যে ঐতিহ্যবাহী সমৃদ্ধ সংস্কৃতি রয়েছে তা সমতল মানুষের কাছে তুলে ধরাই ছিল আমাদের ক্ষুদ্র এ প্রচেষ্টা।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে সাথে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত উন্নত বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এবারের পার্বত্য মেলায় এবার ৯৭টি স্টল অংশ নেয়। চারদিনব্যাপী এ মেলায় প্রচুর দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের সমাগম ঘটেছে। রাজধানীতে পাহাড়ি পণ্যসামগ্রী পেয়ে সমতলের ক্রেতারা বেজায় খুশি। কেনাকাটার ধুম আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঝনঝনানিতে শেষ হলো পার্বত্য মেলার এবারের আসর।


আরও খবর



বইমেলায় এবার ডা. সাবরিনাকে দুয়োধ্বনি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কয়েক দিন আগে আলোচিত-সমালোচিত মুশতাক আহমেদ ও তার স্ত্রী তিশাকে দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এবার আরেক আলোচিত ডা. সাবরিনা হুসেন মিষ্টিকেও ভুয়া ভুয়া বলে দুয়োধ্বনি দিলেন দর্শনার্থীরা।

সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডা. সাবরিনা বইয়ের স্টলে অনেকটাই মন খারাপ করে বসে আছেন। আর তার চারপাশে ক্রেতা-দর্শনার্থীরা ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করছেন।

এ সময় দর্শকদের বলতে শোনা যায়, এই সেই সাবরিনা যে করোনার সময় জনগণকে ঠকিয়েছে। তার বই কেউ কিনছে না। দেখতে একটু সুন্দর তাই সবাই দেখতে ভিড় করছে।

তিন বছর বন্দিনী জীবনের কথা নিয়ে বই লিখেছেন আলোচিত-সমালোচিত এই ডাক্তার। এরই সুবাদে বইমেলায় দেখা যায় তাকে। করোনাকালে ডা. সাবরিনা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্য টক অব দ্য কান্ট্রি ছিলেন।

গত শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বইমেলার নবম দিনে তিশার ভালোবাসা বইয়ের লেখক মুশতাক আহমেদকে ও তার স্ত্রী তিশাকে ভুয়া ভুয়া ছি ছি দুয়োধ্বনি দিয়ে বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য করেন মেলায় আসা শতাধিক দর্শনার্থী। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের গেট দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করেন।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই জাল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি তিন বছর কারাগারে ছিলেন।


আরও খবর



বাড়িঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে জান্তা সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বেসামরিক জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) অধীনে টানা কয়েক দিনের আক্রমণে গত বছরের ৬ নভেম্বর মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহরটি দখল করেছিল জাতিগত সেনাবাহিনী এবং পিপলস ডিফেন্স ফোর্স গ্রুপ (পিডিএফ)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বড় আক্রমণের মাধ্যমে কাওলিন পুনর্দখল করে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী।

পুনর্দখলের পর শহরটির প্রায় ৮০ ভাগ বাড়িঘর ধ্বংস করে দিয়েছে জান্তা বাহিনী। ২৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার বাসিন্দা সংঘর্ষের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ড্রোন ক্যামেরায় তোলা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শহরের প্রায় সব বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কাওলিনভিত্তিক পিডিএফ অনুসারে, শহরের আটটি ওয়ার্ডই অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছে। জান্তা সৈন্যরা উপকণ্ঠের অন্তত ১০টি গ্রাম আগুনে সম্পূর্ণ ভষ্ম করে দিয়েছে।

কাওলিন রেভোলিউশন গ্রুপের একজন সদস্য সোমবার বলেন, আজ কোনো সংঘর্ষ ছিল না। তারপরও জান্তা সৈন্যরা ভোর ৫টা থেকে ইন বোকে কোনের লগিং সাইটে অগ্নিসংযোগ করছে।’

বহুতল ভবনগুলোতে জান্তা সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের নজরদারিতে বাধা সৃষ্টি করে এমন সব অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

শহরের উপকণ্ঠে কিয়াউকটান গ্রামের কাছে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। এতে মান্দালে-শ্বেবো সড়কে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অবরুদ্ধ মাইটকিনা-ইন্দাও-কাইউকটান সড়কেও যানবাহন আটকা পড়ে আছে।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪