আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পুলিশ সদস্যদের জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে। জনস্বার্থে বিভিন্ন মামলা নিষ্পত্তিতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

রোববার (২৮ মে) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি আইজিপির মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের কাজ যাতে আরও জনবান্ধব হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের কারণে সাইবার ক্রাইম বাড়ছে। সাইবার ক্রাইম মোকাবিলায় পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে প্রযুক্তিজ্ঞানে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।

আরও পড়ুন: সৌদি পৌঁছেছেন ২৪ হাজার হজযাত্রী

রাষ্ট্রপতি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এ তৎপরতা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন। সাক্ষাৎকালে পুলিশ মহাপরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন: শান্তিপূর্ণ পরিবেশ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির সহায়ক: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বডুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




এক দিনেই সব অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করেন বেনজীর ও পরিবার?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

অবৈধ সম্পদের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান শুরু করতেই এক দিনের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে নিজেদের অ্যাকাউন্টের সব টাকা তুলে নেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানরা।

এ ব্যাপারে হাইকোর্টে দাখিলের জন্য প্রস্তুত করা দুদকের অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যরা এক দিনেই তাদের প্রায় সব অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করেন। তাদের নামে মোট ১১৬টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে। এসব অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

এর মধ্যে অনেক অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। ৫ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য- উপাত্তসহ মোট ৪২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন হাতে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য গত ১৮ এপ্রিল তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ১৯ ও ২০ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে ২১ এপ্রিল।

এদিকে এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বেনজীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু এবং দুই মাসের মধ্যে অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের দিনই বেনজীর আহমেদ-ও তার স্ত্রী-সন্তানরা বিভিন্ন ব্যাংকে তাদের ১১৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে অন্তত ৪০টি অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ধশত কোটি টাকা উত্তোলন করেন।

এর মধ্যে কমিউনিটি ব্যাংক করপোরেট শাখায় বেনজীর আহমেদ তার অ্যাকাউন্ট (নম্বর-১০১৬০০০৮২০১) থেকে ৩ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৮১২ টাকা তুলেছেন। তার স্ত্রী জিশান মির্জা একই শাখার অ্যাকাউন্ট (নম্বর- ১০৩০৫৭৩৯২০১) থেকে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৫ হাজার ১৪ টাকা উঠিয়ে নেন। তাদের মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর তুলে নেন ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৮৮৬ টাকা।

এরপর দুদকের অনুসন্ধানকারী দল বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের অর্থসম্পদের তথ্য চেয়ে ২৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজউক, বিভিন্ন ভূমি অফিস, সাব- রেজিস্ট্রি অফিসসহ ৪৬টি দপ্তরে চিঠি পাঠায়। এরপর ২৯ ও ৩০ এপ্রিল বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানরা তাদের সব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন ও বিদেশে পাঠান।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ২৯ এপ্রিল সোনালী ব্যাংক লোকাল অফিস থেকে বেনজীর আহমেদ ০০০২৬০২০০৫৬৫৮ অ্যাকাউন্ট থেকে বহির্গামী লেনদেন নিষ্পত্তির (আউটওয়ার্ড ক্লিয়ারিং) মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা পাচার করেন। এ ছাড়া ৩০ এপ্রিল সোনালী ব্যাংকের একই শাখা থেকে নগদ আরও ১৪ লাখ টাকা ওঠানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জিশান মির্জা এবং তাদের মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর, তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীর ও নাবালিকা মেয়ে যাইরা যারীন বিনতে বেনজীরের মালিকানায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, রিসোর্ট, বাংলোসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ রয়েছে। তাদের নামে চলতি, সঞ্চয়ী, স্থায়ী আমানত, বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে ১১৬টি। এসব অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

অনুসন্ধান শুরুর পর দ্রুততম সময়ে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা ওঠানো হয়েছে। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত পূর্ণ ও আংশিক মালিকানাধীন কয়েকটি কোম্পানি পাওয়া গেছে। যেগুলোতে কোটি কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে। একাধিক ব্রোকারেজ হাউসে তাদের নামে বেশ কয়েকটি বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট ও তাতে অনেক লেনদেন পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে আরও বলা হয়, দলিলে উল্লেখ করা মূল্য অনুযায়ী বেনজীর আহমেদের ৯ কোটি ২৫ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৫ টাকা, তার স্ত্রী জিশান মির্জার ২১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৩ টাকা, মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীরের ৮ কোটি ১০ লাখ ৮৯ হাজার ৬৯৬ টাকা ও তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরের ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

নিরপেক্ষ প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞ দিয়ে এসব জমির মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এসব সম্পদের মূল্য বহুগুণ বাড়বে। এ ছাড়া দলিলে বেনজীর আহমেদের নামে বান্দরবানে ২৫ একর জমি, মুন্সীগঞ্জে ১৪ কাঠার দুটি প্লট, তার স্ত্রী জিশান মির্জার নামে উত্তরায় বিলাসবহুল ৭ তলা বাড়ি, আদাবরে পিসিকালচার হাউজিংয়ে ৬টি ফ্ল্যাটের কোনো মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।

এসব সম্পত্তি লিজ ও অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দেখানো হয়েছে। এসব সম্পত্তিরও মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। এসব অর্থসম্পদ আদালতের নির্দেশে ক্রোক ও ফ্রিজ করা হয়েছে। সেগুলোতে রিসিভার নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের আয়কর নথি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তাদের নামে-বেনামে ও বিদেশে থাকা অর্থসম্পদেরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের দুই দফা তলব করা হলেও তারা হাজির হননি। ছোট মেয়ে যাইরা যারীন নাবালক হওয়ায় তাকে তলব ও সম্পদের নোটিশ পাঠানো হয়নি। প্রতিবেদনের ফরোয়ার্ডিংয়ে উল্লেখ করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর ৪৪২৫/২০২৪ সংশ্লেষে ২৩ এপ্রিলের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে, অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য পাঠানো হলো।

প্রতিবেদনটি দিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক (মানি 'লন্ডারিং) মো. আনোয়ার হোসেন। বর্তমানে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন আগামী রবিবার অথবা সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে বেনজীর আহমেদ গত ৪ মে সপরিবারে দেশ ছাড়েন। তিনি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত র‌্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন।


আরও খবর



সর্বজনীন পেনশন: আজ চালু হচ্ছে প্রত্যয় স্কিম

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সর্বজনীন পেনশন প্রত্যয় স্কিম চালু হচ্ছে আজ সোমবার (১ জুলাই)। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ব্যাংক এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৪০০ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রত্যয় প্রযোজ্য হবে।

প্রত্যয় পেনশন স্কিম অনুযায়ী, কর্মচারীদের মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটা কম তা কাটা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা দেবে। সেই অর্থ জমা হবে পেনশন কর্তৃপক্ষের তহবিলে। ৩০ বছর ধরে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা মানদণ্ড ধরলে, একজন কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে জমা হবে ৯ লাখ আর সংশ্লিষ্ট সংস্থা জমা করবে আরও ৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মোট চাঁদা হবে ১৮ লাখ টাকা। যদি তিনি ৭৫ বছর বয়সে মারা যান, তাহলে ১৫ বছরে পেনশন পাবেন ১ কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা, যা তার নিজ জমার ১২ দশমিক ৪৭ গুণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ সব রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও সরকারি ব্যাংক; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ বীমা করপোরেশনসহ সব করপোরেশন, পেট্রোবাংলা, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বিএসটিআইসহ প্রায় ৪০০ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রত্যয় প্রযোজ্য হবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়েলসহ সরকারের হাতে ৫০ শতাংশের বেশি শেয়ারের মালিকানা রয়েছে, এমন কোম্পানিগুলোতে নতুন যোগ দেয়া কর্মীরাও আর বিদ্যমান নিয়মে পেনশন পাবেন না।

সরকার বলছে, এই পেনশনের সুবিধা আজীবন মিলবে, এমনকি এর অঙ্ক বৃদ্ধির সম্ভাবনাও আছে। পেনশন কর্মসূচি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত হওয়ায় শতভাগ ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ এবং আয়করমুক্ত। এ কর্মসূচিতে নিবন্ধিত কর্মচারীরা পেনশন পাওয়ার উপযুক্ত হওয়ার পরের মাস থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে মাসিক পেনশনের অর্থ পেয়ে যাবেন। পেনশন পেতে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো দফতরে যাওয়ার বা কোনো ধরনের প্রমাণ দেখানোরও প্রয়োজন হবে না।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) এবারই প্রথম ঘোষণা করা হলো শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি। এর আগে ২০১৮ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যার মেয়াদ ছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত।

রোববার (১৪ জুলাই) ওপূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ধামরাই বরাত সেন্টারে সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করা হয়। এতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বর্তমান ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা সভাপতি এবং ধামরাই থানার এস.আই. আতাউল্লাহ খান বাবু সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়। নবগঠিত এই কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকবে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, আমি সকালে জেনেছি এবং কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। তার আগে অবগত ছিলাম না। যেহেতু এটা শিক্ষার্থীদের সংগঠন, সেহেতু এখানে আমাদের কোনো ভূমিকা বা মন্তব্য করার কিছু নেই।

কমিটির নবনির্বাচিত তথ্য বিষয়ক সম্পাদক গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব  বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক মেধাবী ছাত্র ও দেশ বায়োটেক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অনুজী বিজ্ঞানী তানভীর আহমেদ বলেন, গত এক যুগ ধরে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছি আমি। আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল ইকুপমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছি যার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য স্বনামধন্য হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিকেল ইকুপমেন্ট সরবরাহ সেবা নিশ্চিত করছি। শিক্ষাকালীন সময়ে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে আমার বেশ কিছু রিসার্চ পাবলিকেশন প্রকাশ করেছে যা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আধুনিক অনুজীব বিজ্ঞানের স্বাস্থ্য খাতে সঠিক ব্যবহার এবং অনুজীব বিজ্ঞান বিষয়ক সর্বাধুনিক যন্ত্রাদি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় ক্রমান্বয়ে যুক্ত করে যাচ্ছি। আমার এইসকল অর্জনের পিছনে পুরটা অবদান আমার শিক্ষাপীঠ গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের। আজ সাবেক ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে আমার প্রিয় সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি, যা আমার জন্য গর্ভের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে আমার পুরোটা দিয়ে এবং নিষ্ঠার সাথে অর্পিত এই দায়িত্ব পালন করবো।

তিন বছর মেয়াদি এই কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরিফুল হক তাপস ঠাকুর, মইনুল হোসেন ভূঁইয়া, আবুল বাশার রনি, আসিফ আল আজাদ, যুগ্ম-সম্পাদক শেখ সুমন ইসলাম আবুল, ভিপি শামিম হোসেন।

নতুন কমিটির সভাপতি জুয়েল রানা জানান, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যথাযথভাবে কাজ করতে হয়। তাই এলামনাই এসোসিয়েশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সাবেকদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নতির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে আমরা প্রতিশ্রুত।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে হু হু করে বাড়ছে যমুনার পানি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

সিরাজগঞ্জে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে চলেছে যমুনা নদীর পানি। এদিকে হু হু করে পানি বাড়ায় নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যা আতঙ্ক। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন স্থানে চলছে নদীভাঙন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শহররক্ষা বাঁধ পয়েন্টে ৪২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার (৩ জুলাই) সকালে যমুনার পানি বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের গেজ রিডার হাসান মামুন জানান, যমুনা নদীর শহররক্ষা বাঁধ পয়েন্ট ও কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে।

অস্বাভাবিকহারে পানি বৃদ্ধির ফলে যমুনা নদীর নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা আতঙ্ক। এদিকে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে জেলার শাহজাদপুর, কাজিপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে তিব্র নদীভাঙন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিনটি উপজেলায় অন্তত ১০টি কাঁচা-পাকা বসতভিটাসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে।


আরও খবর



কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দক্ষিণের জনপদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সারাদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ও কোটা সংস্কারের দাবিতে এখন উত্তাল হয়ে উঠছে দক্ষিণের জনপদ বরিশাল। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিন-রাত সমান তালে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক প্রতিরোধের মুখে অচল হয়ে আছে বরিশাল-ঢাকা ও কুয়াকাটা-বরিশাল মহাসড়ক। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দক্ষিণাঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বরিশালের সিংহ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বরিশালে কোটা নিয়ে প্রথম আন্দোলনে নামেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে অধ্যাবদি আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। এতে প্রতিদিন শহরে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এরপর অবরোধ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে যোগ দেয় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বেসরকারি অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক কলেজ, ইনফ্রা পলিটেকনিকসহ অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এদিকে বরিশালের বাইরে বিভাগের বাকি জেলাগুলোতে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি আন্দোলনের খবর পাওয়া গেছে। তবে লাগাতার কর্মসূচি পালন করতে দেখাযায়নি জেলাপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের।

বরিশালে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দিনেও রাজপথে আন্দোলনে সবর ছিলেন শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলা সকাল ১১ টায় সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে বরিশাল নগরের নতুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। এছাড়াও রুপাতলি বাস টার্মিনাল এলাকা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়কে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও জেলার বাইরে উজিরপুর উপজেলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন সাধারন শিক্ষার্থীরা। সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করলে সড়কের দুইপাশে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে। ভোগান্তিতে পরেন যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জনসাধারণের জান মালের নিরাপত্তায় কাজ করছেন পুলিশ সদস্যরা ।

এদিকে বুধবার বরিশাাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ও আবাসিক হল সমূহ বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেইসাথে বেলা ৩টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম সাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তবে এসব নির্দেশ উপেক্ষা করে আন্দোলনে সবর রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। হল বন্ধ থাকায় দুপুরে শুকনো খাবার খেয়ে আন্দোলনে সবর আছেন তারা।

এরআগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ববি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার শঙ্কার খবর ছড়িয়ে পরে। যে কারনে উপাচার্য, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সাথে হলগুলোতে রাত কাটিয়েছেন।

অপরদিকে এর আগে গত মঙ্গলবার সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। আন্দোলনকারীরাও তাদের ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস দখলে নিয়েছে। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।


আরও খবর