আজঃ শনিবার ২২ জুন ২০২৪
শিরোনাম

পরীক্ষা-ভীতি থাকবে না, শিক্ষা হবে আনন্দময় : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষানীতিতে পরীক্ষার ভীতি দূর করে শিক্ষাকে আনন্দময় করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষা হবে আনন্দময়। পরীক্ষার ভীতিতে সারাক্ষণ পড়া, শুধুই মুখস্থ করা, শুধুই পরীক্ষায় ভালো নম্বরের জন্য পড়া তা নয়। আমরা পড়ব, শিখব, আনন্দের সঙ্গে শিখব, যা শিখব তা অনুধাবন করব। তা আত্মস্থ করব, তা আবার প্রয়োগ করতে শিখব।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার ভীতি থাকবে না। কারণ, আমি তো মুখস্থ করে কোনো কিছু লিখে দিয়ে শুধু নম্বর পাওয়ার জন্য শিখছি না। আমি শিখছি জ্ঞান অর্জনের জন্য, দক্ষ হওয়ার জন্য।

বাংলাদেশ ডিজিটাল রূপান্তরের এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অশিক্ষা থাকবে না। মানুষ তার সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে শেখ হাসিনার একটি অঙ্গীকার। যার অর্থ হচ্ছে একুশ শতকের সোনার বাংলা, একটি বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা। যার চালিকাশক্তি হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি। একটি দেশ তখনই ডিজিটাল দেশ হিসেবে গণ্য হবে, যখন এটি পরিণত হবে ই-স্টেটে। অর্থাৎ যখন রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্ম তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয় ও ব্যবহারে ঘটবে। যার মূল নিয়ামক হচ্ছে কানেক্টিভিটি। এই সার্থক ডিজিটাল সংযুক্তির মাধ্যমে গড়ে উঠছে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান প্রমুখ।

তিন দিনব্যাপী মেলা চলবে আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলায় বিটিসিএল, বিটিআরসি এবং বিভিন্ন টেলিকম প্রতিষ্ঠানসহ শতাধিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।


আরও খবর



সু চির জন্মদিন পালন করায় গ্রেপ্তার ২২

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির জন্মদিন পালন করার 'অপরাধে' জান্তা পুলিশ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই নারী নেত্রীর জন্মদিন ছিল বুধবার।

জান্তাপন্থি হিসেবে পরিচিত একটি টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে ঐ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী সু চি নিজের চুলে ফুল পরে থাকেন। তার ভক্তরা চুলে তার আদলেই ফুল পরে বুধবার তার জন্মদিন উদযাপন করেন। এই নেত্রীকে তিন বছরের বেশি সময় ধরে বন্দি করে রেখেছে দেশটির জান্তা সরকার।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সু চির নেতৃত্বাধীন দলের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী।

বুধবার ছিল সু চির ৭৯তম জন্মবার্ষিকী। শারীরিক নানা জটিলতায় তিনি এখন অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং মানবাধিকার সংগঠন থেকে জান্তা সরকারের কাছে সু চিকে ছেড়ে দেওয়ায় আহ্বান জানানো হলেও তারা সে আহ্বানে এখন পর্যন্ত সাড়া দেয়নি। সু চিকে তার পরিবার বা অন্য কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

অভ্যুত্থানের পর সু চিকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে মামলা করা হয় এবং ঐ সব মামলার কয়েকটিতে সু চিকে দোষী সাব্যস্ত করে মোট ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সামরিক আদালতে হওয়া ঐ বিচারকে প্রহসন বলেছে নানা মানবাধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, সু চিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই এটা করা হচ্ছে।


আরও খবর



‘রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় কোনো নাশকতা ছিল না’

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিসহ ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমবারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইরানি সেনাবাহিনী। সেখানে কোনো নাশকতা বা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার এ তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। খবর তাসনিমের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর গত সোমবার দুর্ঘটনাস্থলে যায় তদন্তকারী দলের সদস্যরা। বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে এ তদন্তকারী দল গঠিত হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হেলিকপ্টারটি পুরো পথ ধরে তার পূর্বনির্ধারিত পথেই ছিল এবং ফ্লাইট রুট থেকে বিচ্যুত হয়নি। দুর্ঘটনার দেড় মিনিট আগেই বিধ্বস্ত হওয়া হেলিকপ্টারের পাইলট প্রেসিডেন্টের বহরে থাকা অন্য দুই হেলিকপ্টারের পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিধ্বস্ত হওয়া হেলিকপ্টারে বুলেট বা অনুরূপ কোনো জিনিসের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় একটি পর্বতে। এরপরই সেটিতে আগুন ধরে যায়।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কুয়াশা এবং নিম্ন তাপমাত্রার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছিল। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় ড্রোনের সহায়তায় বিধ্বস্ত হেলিপ্টারের ঘটনার সঠিক শনাক্ত হওয়া যায়। দুর্ঘটনার সময় ওয়াচটাওয়ার এবং ফ্লাইট ক্রুদের মধ্যে কথোপকথনে কোনো সন্দেহজনক কিছু শনাক্ত করা হয়নি বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার পর আরও বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। মৃত্যুর চারদিন পর বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হয়।

রাইসির মৃত্যুতে ইরান পাঁচদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করেছে। এখন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। ২৮ জুন ভোটের মধ্য দিয়ে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে।


আরও খবর



দেশীয় পশু দিয়েই কোরবানি হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বার্ষিক গবেষণা পরিকল্পনা কর্মশালা -২০২৪ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এবার দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানি হবে বাংলাদেশে। এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রহমান এমপি আরো বলেন, লক্ষ্যমাত্রা থেকে অধিক প্রস্তুতি আছে আমাদের চোরা চালানের মাধ্যমে যারা দেশে পশু আনছে তারা অবৈধ বলে বিবেচিত হবে।

রোববার (০৯ জুন) দুপুরে বিএলআরআই সম্মেলন কক্ষে (৪র্থ তলা) বার্ষিক গবেষণা পরিকল্পনা কর্মশালা শুরু হয়ে বিকেলে শেষ হয়। কর্মশালায় বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব, জনাব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, রাতের অন্ধকারে অনেক কিছুই দেশে ঢুকে, সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী তাদের চেষ্টা তারা করছেন।  রাষ্ট্র কোনোভাবেই কোরবানির জন্য কাউকে পশু আমদানি করার বৈধতা দেয়নি। চোরাচালানের মাধ্যমে যারা দেশে পশু আনছে তারা অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। দেশে কোরবানিতে পশুর চাহিদা আছে ১ কোটি ৭ লক্ষ যেখানে আমাদের প্রস্তুতি আছে ১ কোটি ৩০ লক্ষ পশু, যা চাহিদা অনুযায়ী অনেক বেশি।

মন্ত্রী কর্মশালায় বক্তব্যে আরো বলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ দেশের সম্পদ, তাদের গবেষণার কারণে দেশের প্রান্তিক খামারি ও কৃষি খাতের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

বিশেষ অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব,  জনাব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই দুর্যোগ মুহূর্তে প্রাণিসম্পদ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রাণি গবেষণা ইনস্টিটিউট। আমাদের ইতিমধ্যে রয়েছে ৩টি জাতীয় স্বীকৃত গবেষণাগার, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য BSLII+ জাতীয় রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, পিপিআর-এর জন্য সার্ক রিজিওনাল ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, অ্যান্টি-মাইক্রোবিইয়াল রেজিস্ট্যান্স গবেষণার জন্য ন্যাশনাল রেফারেন্স গবেষণাগার রয়েছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের বিএলআরআই এর উল্লেখযোগ্য অর্জন রয়েছে, এর মধ্যে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্যাকেজ, ইউরিয়া-মলাসেস স্ট্র (ইউএমএস), ঘাস সংরক্ষণে সাইলেজ প্রযুক্তি, উচ্চ ফলনশীল ঘাসের জাত বিএলআরআই নেপিয়ার- ১, ২, ৩ ও ৪ উদ্ভাবন, পিপিআর ভ্যাকসিন সিড, গোটপক্স ভ্যাকসিন সিড, বিএলআরআই এফএমডি ট্রাইভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন সিড (ও, এ, এশিয়া-১), শুভ্রা ও স্বর্ণা (লেয়ার স্ট্রেইন), ছাগল ও গরু হৃষ্টপুষ্টকরণের জন্য পিলেট ও TMR তৈরি, এফএমডি এবং পিপিআর নিয়ন্ত্রণ মডেল ইত্যাদি কৃষক পর্যায়ে বেশ জনপ্রিয় এবং মাংস, দুধ এবং ডিম উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রধানগণ ও উর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাবৃন্দ।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় রেমাল: চট্টগ্রাম বন্দরে অ্যালার্ট-৪ জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি করা হয়েছে। এর ফলে জেটিতে থাকা সব জাহাজের লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

জেটির বড় জাহাজগুলোকে সার্বক্ষণিক ইঞ্জিন চালু রাখাসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জাহাজশূন্য থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর জেটি। ক্রেনসহ সব হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট প্যাক করা হচ্ছে যাতে বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বন্দর থেকে ডেলিভারি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। বহির্নোঙরে লাইটারিং কার্যক্রমও বন্ধ।

আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্ক সংকেতের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর চ্যানেল, জাহাজ, জেটি, ইয়ার্ড, শেড, হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।

তিনি জানান, শনিবার বন্দরের সব বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্ক সংকেতের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিভাগের করণীয় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা এখন আগের চেয়ে কঠিন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে বাড়ছে নতুন নতুন হুমকি। ফলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

বুধবার (২৯ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস-২০২৪’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক অঞ্চলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে, সেজন্য তাদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমরা অন্যতম বৃহৎ নারী শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছি। বর্তমানে ৩ হাজার ৩৮ জন নারী শান্তিরক্ষী অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে জাতিসংঘের শান্তি মিশন সম্পন্ন করেছেন। এখন দাবি আসছে, আরও নারী শান্তিরক্ষী পাঠানোর।

সরকারপ্রধান বলেন, বিশ্বে চলমান যুদ্ধ আজ শান্তিতে বিঘ্নিত করছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গাজায় ইসরাইলের হামলায় হাজার হাজার নিরীহ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা ইত্যাদি মানবজাতির জন্য এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও বলেন, এসব অস্ত্র প্রতিযোগিতা প্রতিনিয়ত যত বৃদ্ধি পাচ্ছে, মানুষের জীবনও তত বেশি দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে নারী-শিশু, তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধে যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে, এই অর্থ যদি ক্ষুধার্ত মানুষের আহারের ব্যবস্থায়, শিক্ষায় ব্যবহার করা হতো, চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো তাহলে মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হতো, মানুষ সুন্দরভাবে বাঁচতে পারত।


আরও খবর