আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর সঠিক পরিকল্পনায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা সম্ভব হয়েছে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
মামুন হোসাইন, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

Image

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিবুর রহমান এমপি বলেছেন, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গোটা পৃথিবীতে রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশের সুনাম রয়েছে। এই সুনামকে সমুন্নত রেখে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সঠিক পরিকল্পনায় দক্ষতার সাথে সর্বনিন্ম কম ক্ষয়ক্ষতির মধ্যদিয়ে রেমাল মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

বুধবার (২৯ মে) দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভোলার উপকূলীয় এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় টিবি স্কুল মাঠে চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আজ আমি সাতক্ষীরা থেকে বাগেরহাট, বাগেরহাট থেকে খুলনা, খুলনা থেকে বরগুনা, পটুয়াখালী হয়ে ভোলা জেলার সব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দেখেছি। আমি দেখেছি, রেমালের আঘাতে আমাদের উপকূলের রেড়িবাধঁগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাগর পাড়ের মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘর বাড়ি হারিয়ে হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে খেয়ে না খেয়ে কষ্ট করছে। সর্বত্র বিশুদ্ধ পানির অভাব বিরাজ করছে। দূর্গত মানুষের বিরাজমান এসব সমস্যা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ইতিমধ্যে রেমালের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারণের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে সকল মন্ত্রণালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দূর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভার মধ্যদিয়ে সকল মন্ত্রণালয়কে সমন্বয় করে ঐক্যবদ্ধভাবে সমস্যা সমাধানে কাজ করা হবে।

ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল ইসলাম, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার মাহিদুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নওরীন হক অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



বিমানবন্দরে লাগেজের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিলেই লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিদেশ থেকে আসা কোনো যাত্রী নিজের লাগেজ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিলে বা ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আনলে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে এবং তার লাগেজে থাকা পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। এ ছাড়া নিষিদ্ধ পণ্য বহন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

কাস্টমসের নতুন আইন-২০২৩ অনুসারে এমন বিধান রাখা হয়েছে; যা আগামী ৬ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে।

গত ৩০ মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কাস্টমস আইনের ১৫৪ ধারায় বলা আছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কাস্টমসের কাছে তার লাগেজ সম্পর্কে তথ্য দিতে হবে। যাত্রী বা ক্রু লাগেজে রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে কাস্টমস কর্মকর্তার কাছে লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা দিতে পারবেন ও কাস্টমস কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। লাগেজ তল্লাশির আগে যাত্রী যদি রক্ষিত পণ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন এবং তল্লাশিকালে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাস্টমস কর্মকর্তা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। এ ছাড়া, সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে।

এর আগে, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতীয় সংসদে কাস্টমস আইন-২০২৩ পাস হয়। পুরোনো আইনে ২২৩টি ধারা ছিল। নতুন আইনে ২৬৯টি ধারা রয়েছে। রাজস্ব সংগ্রহ ও বাণিজ্য সহজীকরণের লক্ষ্যে বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার (ডব্লিউসিও) অনুমোদিত আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কনভেনশন অনুযায়ী এবং আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা, যেমন- অনুমোদিত অর্থনৈতিক অপারেটর (এইও), পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি (এমআরএ), ইলেকট্রনিক ঘোষণা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পোস্ট ক্লিয়ারেন্স অডিট (পিসিএ) ইত্যাদি নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কাস্টমস আইন ১৯৬৯ অনুযায়ী, পণ্যের ক্ষেত্রে অসত্য তথ্য দিলে বা কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার অথবা ব্যর্থ হলে, সেক্ষেত্রে যাত্রীকে ওই পণ্য-মূল্যের অনধিক তিনগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডের বিধান ছিল।


আরও খবর



অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন পি কে হালদার

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ১৪ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। প্যারোলে (অন্তর্বর্তী জামিন) মুক্তি পাচ্ছেন তার ভাই এবং এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রাণেশ হালদারও।

এই মুহূর্তে তারা কলকাতার প্রেসিডেন্সি কারাগারে বন্দি। সূত্র জানিয়েছে, আজ বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যার দিকে তারা ছাড়া পেতে পারেন।

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য মানবিক কারণে পি কে হালদার ও প্রাণেশ হালদারের পক্ষে গত সোমবার (৩ জুন) ১৫ দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ মান্না। এর বিরোধিতা করে মাত্র চারদিনের প্যারোলের দাবি জানান ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার ফের তার শুনানি ছিল।

এদিন দুপক্ষের আইনজীবীদের কথা শোনার পর কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ ইডি কোর্ট-১র বিচারক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় তাদের দুই ভাইকে ১৪ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেন।

এ প্রসঙ্গে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, আদালত জানিয়ে দিয়েছেন, অভিযুক্তরা প্যারোলে মুক্তি পেলেও কলকাতা পুলিশ কমিশনারেট এবং বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেটের এখতিয়ারের বাইরে বেরোতে পারবেন না। তারা সারাক্ষণ জেল কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকবেন। ১৪ দিনের প্যারোলের মেয়াদ শেষে আগামী ১৮ জুন আদালতে এসে তাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে।

পি কে হালদারের মা প্রয়াত লীলাবতী হালদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন রোগে ভোগার পর গত ২৮ মে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় লীলাবতী দেবীর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আপাতত লীলাবতীর মরদেহ সংরকক্ষণ করা রয়েছে কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডে।

কিন্তু তার দুই সন্তান এই মামলার অন্যতম দুই অভিযুক্ত পি কে হালদার এবং প্রাণেশ কুমার হালদার কারাগারে বন্দি থাকায় এখন পর্যন্ত মায়ের সৎকার সম্ভব হয়নি। ফলে হিন্দু ধর্মমতে প্রয়াত মায়ের অন্ত্যেক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতের কাছে অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন অভিযুক্তদের আইনজীবী।


আরও খবর



ইরানের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার ‘বিধ্বস্ত’

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

রোববার পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের জোলফা শহরে প্রেসিডেন্ট রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়।

হেলিকপ্টারে থাকা রাইসির কয়েকজন সঙ্গী নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। হেলিকপ্টারের অনুসন্ধানে এরই মধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে। কয়েকটি উদ্ধারকারী দল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ ওয়াহিদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন যে বিভিন্ন উদ্ধারকারী দল ঘটনার স্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে কুয়াশা এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

তিনি নিশ্চিত করেছেন যে দুর্ঘটনার আগে হেলিকপ্টারটির সাথে রেডিও যোগাযোগ হয়েছিল। এর বেশি কিছু তিনি জানাতে পারেননি।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA) বলেছে, প্রেসিডেন্টের হেলিকপ্টারটি বন ও পাহাড়ি অঞ্চল ডিজমার সুরক্ষিত এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদ সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের বহরে তিনটি হেলিকপ্টার ছিল। তার মধ্যে দুটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। একটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রাদেশিক প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ মোহাম্মদ আলী আলে-হাশেম ও প্রেসিডেন্ট রাইসি একই হেলিকপ্টারে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত শনিবার (১৮ মে) রাইসি আজারবাইজান সফরে যান। সেখানে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সাথে একটি বাঁধ উদ্বোধন করেন। রোববার (১৯ মে) সেখান থেকেই ফিরছিলেন রাইসি।


আরও খবর



কাশ্মীরের বনাঞ্চলে দাবানল, বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক ল্যান্ডমাইন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজৌরির বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক ল্যান্ডমাইন বলে গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে।

জানা গেছে, পাহাড়ি অঞ্চলে ড্রোন ব্যবহার করে আগুনের সঠিক অবস্থান এবং গতিবিধি অনুমান করে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন ভারতীয় দমকল কর্মীরা।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গরমের কারণে নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন মানকোট জঙ্গলে প্রথমের আগুনের সূত্রপাত হয়। কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই আগুন আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। কারণ, এই সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে সেখানে প্রচুর সংখ্যক ল্যান্ডমাইন বিছানো ছিল। আগুনের কারণে সেই ল্যান্ডমাইনগুলোতে ক্রমাগত বিস্ফোরণ ঘটছে। কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে আগুন দেখা যাচ্ছে।

এদিকে গত তিন দিন ধরে উধমপুর জেলার ঘোর্ডি ব্লকের দয়া ধারের জঙ্গলে আগুন জ্বলছে। ক্রমাগত অগ্নিনির্বাপণের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বর্তমানে এই আগুন আরও তীব্র হয়েছে। দয়া ধর বন এলাকায় ময়ূরের আবাসস্থল, যা এই আগুনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গাছপালা পুড়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র ময়ূরই নয়, অন্যান্য বন্যপ্রাণী এবং সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রকেও প্রভাবিত করেছে।

ভারতজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেই এ দাবানল যেন মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের জন্য। আগুন নেভাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা।

মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভারতে সাধারণত বনাঞ্চলে দাবানল বেড়ে যায়। চলতি মাসে মেনধর উপজেলার নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন বনাঞ্চলে এটি চতুর্থ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পাকিস্তান অধিকৃত এলাকার বনাঞ্চলের আগুন ভারতীয় ভূখণ্ডে চলে এসেছে। পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য ল্যান্ডমাইন অকার্যকর করতে এ ধরনের আগুন লাগিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এবারের ঈদযাত্রায় কোনো পরিবহন বাড়তি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মুনিবুর রহমান।

বুধবার (১২ জুন) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ঈদে প্রতি বছরই বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়। এই অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুনিবুর রহমান বলেন, আপনারা জানেন যে, প্রতিটি বাস টার্মিনালে সার্ভিলেন্স টিম আছে। সার্ভিলেন্স টিম কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে হয়। সেখানে পুলিশের প্রতিনিধি, বিআরটিএ এর প্রতিনিধি, সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকে। ভাড়ার চার্ট অনুযায়ী তা আদায় হচ্ছে কি না, ভাড়া দুই থেকে তিন গুণ বেশি আদায় করা হচ্ছে কি না অথবা বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কি না এগুলো দেখভালের দায়িত্ব সার্ভিলেন্স টিমের।

এই কর্মকর্তা বলেন, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকে। যেখানে অযাচিতভাবে ভাড়া আদায় করা হয় এমন কোনো অভিযোগ এলে সেখানে কিন্তু কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বাড়তি ভাড়া নিয়ে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে সার্ভিলেন্স টিম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

লোকাল বাসগুলো যাত্রী নিয়ে ঈদের সময় ঢাকার বাইরে যায় এটা কীভাবে আপনারা ঠেকাবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক সময় তাদের আটকানো যায় না। কিন্তু আটকানো না গেলেও আমরা তাদের বিরুদ্ধে ভিডিও মামলা করতে পারব। পরে যেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আমরা যদি তাদের রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি শনাক্ত করতে পারি, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা গ্রহণ করার সেটা গ্রহণ করতে পারব।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঈদের এক থেকে দুই দিন আগে কিন্তু প্রেশারটা বাড়ে। তখন বেশির ভাগ শ্রমিক যায়। হয় সেটা একদিন অথবা দুই দিনে। ঢাকার আশেপাশে কিন্তু অনেক গার্মেন্টস শ্রমিক আছে। তারা বাড়ি যেতে চায়।

ঢাকার গাড়ি বাইরে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, যারা ট্রিপ নিয়ে ঢাকার বাইরে যায় তারা ফিরে আসার সময় ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের দিকে আসতে পারে না। তখন শ্রমিকরা লোকাল বাসগুলো জোর-জবরদস্তি করে দখল করে গ্রামে চলে যায়। আগাম যাত্রীরা যখন চলে যেতে পারে না তখন এই গ্যাপটা পূরণ করার জন্য ঢাকার লোকাল বাসগুলো বাইরে যায়।


আরও খবর