আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে স্বরূপকাঠি উপজেলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image

বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে পিরোজপুরের  স্বরূপকাঠি ( নেছারাবাদ) উপজেলা। সারাদেশে আশ্রয়ণ- ২ প্রকল্পের আওতায় সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে গ্রাম বাংলার প্রান্তিক ভূমিহীন পরিবারকে ২ শতাংশ করে খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানপূর্বক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে একক গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষে রেজিষ্ট্রেশনের কাজ চলছে। আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের সুপেয় খাবার পানি ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থাসহ সম্ভাব্য সকল সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীন ছিন্নমূল মানুষকে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের আওতায় এনেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্যান্য উপজেলার মত পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলায়ও ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা করা হয়। এই তালিকায় সংযোজন-বিয়োজন উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির তত্ত্বাবধানে একটি চলমান প্রক্রিয়া। ক শ্রেণির এই তালিকা উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি কর্তৃক দফায় দফায় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্দেশনা অনুযায়ী নেছারাবাদ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে গত ১২ই মার্চ তারিখে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, শিক্ষক ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তালিকা অনুযায়ী ক শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫৯৭ পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রকল্পের ১ম, ২য় ও ৩য় পর্যায়ে যথাক্রমে ১২০, ২০৪ ও ১৭৩ টি এই মোট ৪৯৭টি গৃহ তৈরী করে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে সনদপত্র ও দলিলসহ হস্তান্তরের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়েছে। চতুর্থ পর্যায়ে বরাদ্দ পাওয়া ১০০টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণাধীন ঘরগুলোতে তালিকাভুক্ত ১০০টি ক শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে নেছারাবাদ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের এ প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের নির্দেশনা ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে একক গৃহ নির্মাণ ও পরিকল্পনা সংক্রান্ত ম্যানুয়েল অনুসারে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। গৃহসমূহ নির্মাণ কার্যক্রম পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আমীনুল ইসলাম, নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হক, নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মানষ কুমার দাস সহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিয়মিত পরিদর্শন করে চলছেন।

চতুর্থ পর্যায়ে অনুমোদিত সেমিপাকা ঘরগুলোর প্রাক্কলিত ব্যয় ২ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫ শত টাকা। চতুর্থ পর্যায়ের বরাদ্দ প্রাপ্ত ১০০টি গৃহ আগামী ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে নেছারাবাদ উপজেলা ক শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হবে। পরবর্তীতে নদী ভাঙনের ফলে, দূরারোগ্য ব্যাধিতে চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হলে, বিভিন্ন দুর্যোগে এবং পরিবার বিভাজনের ফলে বসবাসের পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: স্বরূপকাঠি

আরও খবর



দুপুরের মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের ছয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেওয়া আবহাওয়ার সবশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ বুধবার সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। দিন ও রাতে প্রায় এক থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গতকাল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রংপুরে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় রেকর্ড করা হয় ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সোমবার ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে ঢাকার তাপমাত্রা বেড়েছে ৭ ডিগ্রির বেশি।


আরও খবর



কোন দেশে কবে ঈদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহার দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। ইতোমধ্যে সৌদি আরবে এই মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশটিতে মুসলিমদের দ্বিতীয় বড় উৎসবের তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশে এখনো চাঁদ দেখা যায়নি। এ ছাড়া বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতের মতো দেশের চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকের তোড়জোড় শুরু করেছে।

জিলহজ মাসের দশম দিনে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় এদিন কুরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আর মুসলমান মাত্রই কোন দেশে কোন দিন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে সেটা নিয়ে আগ্রহ কাজ করে। এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশটির আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশটিতে আজ জিলহজ মাসের প্রথম দিন। এর মানে হলো সৌদি আরবে আগামী ১৬ জুন রোববার ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে এবং ১৫ জুন হবে আরাফার দিন।

ওমান, আমিরাতে চাঁদ দেখা যায়নি: সৌদি আরবে জিলহজের চাঁদ দেখা গেলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে চাঁদ দেখা যায়নি। তাই এই দুই দেশে শনিবার থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে এবং সৌদি আরবের পরের দিন ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তার মানে হলো এই দুই দেশে আগামী ১৭ জুন ঈদ হবে।

বাংলাদেশে ঈদ কবে: বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা কবে উদযাপিত হবে, আজ শুক্রবার জানা যাবে। এই বছরের ঈদের তারিখ নির্ধারণ ও হিজরি ১৪৪৫ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনার জন্য আজকে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরবের পরের দিন ঈদ উদযাপিত হয়ে থাকে।

অন্যান্য দেশে ঈদ কবে: গতকাল বৃহস্পতিবার কাতার, কুয়েত, জর্ডান, সিরিয়া, ইরাক এবং যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব দেশে চাঁদ দেখা গেছে, এমন খবর গণমাধ্যমে আসেনি। যদি গতকাল চাঁদ দেখা যেত তাহলে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামী ১৬ জুন দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হতো। তবে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী ১৭ জুন দেশগুলোতে ঈদ উদযাপন করবেন মুসলিম নাগরিকরা।

এদিকে ভারত, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, জাপান, হংকং, ব্রুনাইসহ অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশে আজ শুক্রবার জিলহজের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। এসব দেশে আজ চাঁদ দেখা গেলে ১৭ জুন ঈদ উদযাপিত হবে। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায় তাহলে ১৮ জুন ঈদ উদযাপন করা হবে।


আরও খবর



সৌদি পৌঁছেছেন ৭২৪১৫ জন হজযাত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

পবিত্র হজ পালন করতে সৌদি আরব (৯ জুন রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত) পৌঁছেছেন ৭২ হাজার ৪১৫ জন হজযাত্রী। মোট ১৮৫টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে পৌঁছান। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৫০ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৬৭ হাজার ৮৬৫ জন।

রোববার (৯ জুন) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।

হেল্পডেস্কের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত মোট ১৮৫টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৭টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৬২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। গতকাল পর্যন্ত মোট ফ্লাইটের ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, আর মোট হজযাত্রীদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ সৌদি পৌঁছেছেন। এদিকে হজ পালন করেতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১২ জন মারা গেছেন। সর্বশেষ ৬ জুন মক্কায় শেখ আরিফুল ইসলাম (৫৭) নামে একজন মারা গেছেন।

এর আগে, গত ৯ মে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট ৪১৫ জন হজযাত্রী নিয়ে সৌদির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মাধ্যমেই চলতি বছরের হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। হজের শেষ ফ্লাইট যাবে ১২ জুন।

এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গাইডসহ হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন ৮৫ হাজার ২৫২ জন। এর মধ্যে সরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৪ হাজার ৫৬২ জন। আর বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৮০ হাজার ৬৯৫ জন। প্রতি প্রতি ৪৪ জনে একজন করে গাইড হিসেবে ১ হাজার ৮৯৯ জন হজযাত্রীদের সঙ্গে যাবেন। হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী এজেন্সির সংখ্যা ২৫৯টি। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ২০ জুন আর শেষ ফিরতি ফ্লাইট ২২ জুলাই। সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জুন।


আরও খবর



গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের গাজায় আবারও হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৩৮ জন। বুধবার অবরুদ্ধ উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, উত্তর গাজায় অবশিষ্ট থাকা দুইটি হাসপাতালও দখলে নিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। হাসপাতাল দুইটিতে দুই শতাধিক রোগী আটকা পড়েছেন।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন। দেশগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতেই তাদের এই উদ্যোগ। তবে দেশ তিনটির এমন পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল।

কিছুদিন ধরেই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য আয়ারল্যান্ড, স্পেন, স্লোভেনিয়া ও মাল্টা। সমন্বিতভাবে এই ঘোষণা দেওয়ার ইঙ্গিত দেয় তারা। দেশগুলোর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান অপরিহার্য।

গত ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েলি হামলায় মোট ৩৫ হাজার ৭০৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৮০ হাজার।


আরও খবর



সমুদ্রে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা, তীরে ফিরেছেন জেলেরা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

সমুদ্রে মৎস্য প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাছ শিকারের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই গভীর সমুদ্রে সকল ধরনের মাছ শিকার বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে নোয়াখালীর হাতিয়ায় তীরে ফিরেছেন জেলেরা।

হাতিয়ার সূর্যমূখী ঘাটের মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জবিয়ল হক বলেন, হাতিয়ার ৪০টি ঘাটের প্রায় ৫ শতাধিক বড় বড় ফিশিং ট্রলার গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ শিকার করে। নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব ট্রলার রাতেই ঘাটে ফিরে এসেছে। ইতোমধ্যে ট্রলার শনিবার ও রোববার ঘাটে ফিরে এসেছে। এ বছর ইলিশ মৌসুমের প্রথমে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলেরা। ৬৫ দিন সবাইকে তীরে থাকতে হবে। অনেকে বেকার সময় পার করবেন।’

সূর্যমূখী ঘাটের কয়েকজন জেলের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, রাত ১২টার পর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। তাই আর সাগরে যাবেন না। আগামী কয়েক দিন জাল বোনার শ্রমিক হিসাবে ঘাটে থেকে উপার্জন করতে হবে। ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর তারা আবার সাগরে যাবেন।

জেলেরা আক্ষেপ করে জানান, ইলিশ মৌসুমে ৬৫ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা তাদের জন্য আর্থিক বড় ক্ষতির কারণ হয়েছে।

এ বিষয়ে হাতিয়া ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদ উদ্দিন বলেন, হাতিয়াতে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করার মতো ট্রলার রয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক। এসব ট্রলারে ২০ জন করে হলেও ১০ হাজার জেলে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন। এতে ১০ হাজার জেলে সবাই বেকার হয়ে পড়েছেন। তাদের পরিবার নিয়ে চলা অনেকটা কঠিন হবে। আবার এসব জেলের অনেকের নিবন্ধন না থাকায় সরকারি সুবিধাও পাবেন না।’

যদিও জেলেদের আগেই সতর্ক করা হয়েছে দাবি করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহাদ হাসান বলেন, হাতিয়ার অনেক ট্রলার গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ শিকার করে। এই ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ থাকবে যা আগেই জেলেদের অবহিত করা হয়েছে। গত কয়েক দিন ঘাটে গিয়ে জেলে ও ট্রলার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, হাতিয়ায় প্রায় ১ লাখ ব্যক্তি জেলে পেশার সঙ্গে জড়িত। এদের মধ্যে নিবন্ধিত জেলে সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার।


আরও খবর