আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতে উৎসাহিত করেছেন মোদী’

প্রকাশিত:রবিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

জি-২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানোয় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ব্যাপক সম্মানিত করেছে ভারত।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইর সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্মেলনের পুরোটা সময় প্রধানমন্ত্রীকে অন্যান্য বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দেখা করতে উৎসাহিত করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

তিনি বলেন, আমরা খুবই গর্বিত। প্রধানমন্ত্রীও (শেখ হাসিনা) বলেছেন, অতিথি দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমাদের সম্মানিত করা হয়েছে এবং আমরা ভারতের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। গ্লোবাল সাউথের সমস্যাগুলো উত্থাপন করার জন্য আমাদের সম্মান ও বিশেষ অধিকার দিয়েছে তারা।

এ কে মোমেন আরও বলেন, বাংলাদেশ বিশেষভাবে গ্লোবাল সাউথের সমস্যাগুলো উত্থাপন করে আসছে। জলবায়ু পরিবর্তনে আমরা নেতা, আমরা নারীর ক্ষমতায়নে নেতা, আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়গুলো জি-২০ নেতৃত্বের সামনে উন্মোচন করেছেন।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিতে গত শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে পৌঁছান শেখ হাসিনা। ওইদিনই নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় তার।

সেদিন দুই দেশের মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্ট সংক্রান্ত একটি সমঝোতাও রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জি-২০

আরও খবর



ইতালি গেলেন বিমান বাহিনী প্রধান

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান, বিবিপি, বিইউপি, এনএসডব্লিউসি, এফএডব্লিউসি, পিএসসি তিনজন সফরসঙ্গীসহ এক সরকারি সফরে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, রবিবার ইতালির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান ইতালির সামরিক সরঞ্জামাদি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এস.পি.এ এর আমন্ত্রণে ১৯-২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ ইতালি সফর করবেন। সফরকালে তিনি রোমে অবস্থিত লিওনার্দো সদর দপ্তরসহ, ইলেকট্রনিক্স ডিভিশন, ইউএভি প্রোডাকশন ফ্যাসিলিটিজ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। এছাড়াও বিমান বাহিনী প্রধান লিওনার্দো এস.পি.এ এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

বিমান বাহিনী প্রধান উক্ত সরকারি সফর শেষে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।


আরও খবর



চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে শেরপুরে ইউএনও’র অভিযান

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

Image

বগুড়ার শেরপুরে চালের দাম স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন জিহাদীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে চার প্রতিষ্ঠানকে দণ্ডিত করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে সাতটা পর্যন্ত চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত করেন।

উপজেলার চার মিল মালিককে নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত সময় চাউল মজুদ রাখায়, বেশি মূল্যে চাউল বিক্রি করায়, প্লাস্টিক বস্তায় চাউল সংরক্ষণ করায় এবং লাইসেন্স নবায়ন না থাকার অপরাধে চার জনকে মোট ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এর মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় এবং প্লাস্টিক ব্যাগে চাল মজুদ রাখায় মোকলেস অটো রাইস মিলের ১ লাখ, শাহ সুলতান অটো রাইস মিল ২০ হাজার এবং ভাই ভাই অটো রাইস মিলকে ৫০ হাজার ও আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সুমন জিহাদী।

এ সময় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মামুন ই কাইউম ও শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রেজাউল করিম এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সুমন জিহাদি জানান জেলা প্রশাসক এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় চালের বাজার স্থিতিশীল, মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এবং নিয়ন্ত্রণে  রাখতে বিভিন্ন মিলে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কৃষি বিপণন আইন ২০১৮, ১৯৫৬ এর ৩ ধারা এবং পাটজাত মোড়ক আইন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রতিষ্ঠান গুলোতে জরিমানা আদায় করা হয়। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



কারো সঙ্গে আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না : কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে সমস্যা সেটা আন্তর্জাতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে। তাদের সঙ্গে যুদ্ধের কোনো কারণ নেই। মিয়ানমার নয় শুধু, কারো সঙ্গে আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এর আগে তিনি সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন ফরম বিক্রির বুথ পরিদর্শন করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা একে অন্যের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত না। তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট এসে সীমান্তে গড়াচ্ছে। ছিটকে এসে পড়ছে আমাদের সীমান্তে। একজন নারী ও পুরুষ মারা গেছে। এসব ব্যাপারে আমাদের ফরেন মিনিস্ট্রি মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকেছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের সংঘাতের সঙ্গে সেন্টমার্টিন বা বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক আছে, সেটা আমি মনে করছি না। এই সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাদের ৫৪টির মতো এথনিক কমিউনিটি আছে। এই এথনিক কমিউনিটিগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গা দখলে নিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত। আমাদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ নেই।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, আগামী শনিবার আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের আমাদের দলের প্রার্থী বাছাই একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। এখন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ চলছে। সময় তিনদিন। কেউ চাইলে ফরমটি পূরণ করে সঙ্গে সঙ্গে জমা দিতে পারবেন। আমরা আশা করছি নির্বাচন কমিশন এর ভেতরেই দিন ঘোষণা করবে। তারপর আমরা আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করব।

উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রতীক থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামনে উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন রয়েছে। পৌরসভা নির্বাচনও আছে। এসব নির্বাচনে প্রতীক থাকছে কি থাকছে না এই ব্যাপারে আমাদের ওয়ার্কিং কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের বর্ধিত সভায় যারা থাকবে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হবে। এটা মৌলিক একটি সিদ্ধান্ত। তাই এই ব্যাপারে সবার মতামত নিয়ে আমাদের নেত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্বাদে ঘ্রাণে অনন্য গুঠিয়ার সন্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সেই ষাটের দশকের কথা। নদীয়ায় আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়ে প্রথম পরিচয় হয়েছিল সাদা ধবধবে এক ধরনের মিষ্টান্নের সাথে। কিছুটা নরম, আকৃতিগত দিক থেকে এবড়ো-থেবড়ো। সেই মিষ্টান্নে মন ভরছিল না সতীশ চন্দ্র দাসের। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামের নিজ এলাকায় ফিরে এসে নদীয়ার মিষ্টান্ন আর নিজের মিষ্টি তৈরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করেন সন্দেশ। নামকরণ করা হয় গুঠিয়ার সন্দেশ। দূর থেকে দেখতে শিউলি ফুলের মত। নতুন এই মিষ্টান্ন বাজারজাতকরণে তিনি সাথে নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী বন্ধু বাদশা হাওলাদারকে। তারা দুইজনে নতুনভাবে উৎপন্ন সন্দেশ বিক্রি করে সারাফেলে দেন।

সতীশ ও বাদশা দুইজনের কেহই এখন আর বেঁচে নেই। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ মিষ্টান্ন গুঠিয়ার সন্দেশ বরিশাল অঞ্চলে বিখ্যাত হয়ে গেছে। গুঠিয়ার গ্রাম্য হাটের জৌলুস কমেছে, পাশের বিশাল খালটি তার নাব্যতা হারিয়েছে। কিন্তু সন্দেশের বাজার আজও জমজমাট। প্রতিদিন দেশ ও দেশের বাহিরের ভোজনরসিকরা এই মিষ্টান্নের স্বাদ পেতে ছুটে আসেন গুঠিয়ায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজার পেলে সেখানেও বাজিমাত করবে গুঠিয়ার সন্দেশ। যদিও বাঙালির খাদ্যপণ্যের তালিকায় সন্দেশ নতুন নয়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৬২ সালের দিকে গুঠিয়ার সন্দেশের পথচলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সন্দেশ সাধারণত নরম ও লঘুপাকের হয় কিন্তু গুঠিয়ার সন্দেশ ঠিক তার উল্টো, কড়াপাকের। এজন্য গুঠিয়ার সন্দেশ হয় কিছুটা শক্ত ও শুস্ক। অন্যসব জায়গায় ক্ষীর সন্দেশ, সরপুরি, সাদা সন্দেশ, গুড়ের সন্দেশ, পোড়া সন্দেশের মত হরেক নামে সন্দেশ পেলেও গুঠিয়ার সন্দেশ প্রধানত এক পল্লার ও দুই পল্লার। দুই পল্লার সন্দেশকে ডাকা হয় জোড়া সন্দেশ নামে।

গুঠিয়া বাজারে এখন মাত্র সাতটি সন্দেশের দোকান চালু রয়েছে। এরমধ্যে মাহিয়া মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী টিটুল হাওলাদার জানান, প্রতিদিন যত মানুষ এই বাজারে মিষ্টান্ন নিতে আসেন তার আশি ভাগই সন্দেশ নিতে আসেন। সন্দেশ শুধু নিজে খান এমন না, স্বজনদের জন্যও নিয়ে যান। দেশের বাইরেও অনেকে নিয়ে যান।

এই দোকানের কর্মচারী মিন্টু হাওলাদার বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশ তৈরিতে কোনো ধরনের ভেজাল দ্রব্য দেওয়ার সুযোগ নেই। আমরা গুণগত মান ঠিক রেখেই সন্দেশ বিক্রি করি। তিনি আরও বলেন, গুঠিয়ার সন্দেশের চাহিদা দেশ ও দেশের বাইরে অনেক। কিন্তু দুধ ও চিনির দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে আর আগের দামে সন্দেশ বিক্রি করতে পারছি না। তার উপর আয়কর অফিস আমাদের ওপর বিনা কারণেই বাড়তি কর ধার্য করছেন।

আরেক কারিগর শ্যামল চন্দ্র বলেন, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন সতীশ চন্দ্র দাস। তিনি যে পদ্ধতিতে সন্দেশ তৈরি করতেন আমরা এখনো সেভাবেই তৈরি করে থাকি। এজন্যই গুঠিয়ার সন্দেশের সাথে দেশের আর কোনো জায়গার সন্দেশ মিলবে না। আমরা খাঁটি দুধ ও চিনি ব্যবহার করি। তিনি আরও বলেন, খাঁটি পণ্য বিক্রি করায় সম্প্রতি ঢাকার চিন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করেছেন। সরকার আশ্বস্ত করেছে ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য তারা আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করবে। সেই সুযোগ পেলে গুঠিয়ার সন্দেশ নিঃসন্দেহে বিশ্ব বাজারও জয় করবে।

যেভাবে তৈরি হয় গুঠিয়ার সন্দেশ

সাধারণত সাত কেজি দুধে এক কেজি ছানা পাওয়া যায়। সেই ছানার সাথে পরিমাণ মত চিনি মিশিয়ে অল্প আগুনে উত্তপ্ত করে নিতে হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর পাকিয়ে অল্প আঁচে পাঁচ মিনিট রাখলেই কাঁচামাল তৈরি। দুধ থেকে ছানা তৈরির পর তা দিয়ে সন্দেশ তৈরি হয়। ছানা বেশি সময় রেখে দিলে ভালো সন্দেশ হয়না। এজন্য দুধ থেকে ছানা কাটার পর পরই তা একটি বড় লোহার কড়াইতে জ্বাল দেওয়া হয়। কাঁচা ছানার সাথে কিছু ময়দা মেশানো হয়। জ্বাল হওয়ার পর তা কিছুটা চিকন করা হয়। জ্বালের কম-বেশির ওপরেই সন্দেশের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে। পাকের পর তা চুলা থেকে নামিয়ে ছোট গোল্লা করে চ্যাপ্টা করা হয়। এরপর তার ওপরে মাঝখানে একটি পরিস্কার কিশমিশ দানা বসিয়ে দেওয়া হয়। এতে সন্দেশের সৌন্দর্য বাড়ে। সন্দেশ তৈরিতে পরিমাণমতো আঁচ ও পাকই হলো প্রধান কাজ। 

নিউজ ট্যাগ: গুঠিয়ার সন্দেশ

আরও খবর



ঘুমের ওষুধ না খেয়ে একটু বইটই পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পৃথিবীতে সব থেকে মধুর ভাষা বাংলা। এত চমৎকার ভাষা কোথাও আছে কি না জানি না। হয়তো এটি আমাদের মাতৃভাষা বলে এমনটা মনে হয়।

তিনি বলেন, পড়ার অভ্যাস সবার থাকা উচিত। ছোটবেলা থেকে বাবা-মা যদি শিখায় সেটি ভালো হয়। অনেকে ঘুমের জন্য ওষুধ খায়, প্রয়োজন নেই। বই পড়লেই ঘুম চলে আসে। বেশি মজাদার বই পড়লে আবার ঘুম আসবে না। এ জন্য আবার বই বাছাই করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন প্রকাশকদের শুধু কাগুজে প্রকাশক হলে চলবে না, ডিজিটাল প্রকাশক হতে হবে। তাহলে আমরা বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবো। বিদেশেও পৌঁছাতে পারবো। লেখার পাশাপাশি অডিও থাকবে, এমনটাই করা উচিত। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। অনুবাদ করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা ও সাহিত্য আছে, অনুবাদ না করলে আমরা কীভাবে জানবো? পাশাপাশি আমাদের বইগুলোও বাংলা থেকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করতে হবে।

বইমেলায় প্রাণ ফিরে পাওয়ার স্মৃতি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এখানে এলে ভালো লাগে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসার মজা নেই। ডানে ঘুরলে নিরাপত্তা, বামে ঘুরলে নিরাপত্তা। এ নিরাপত্তার বেড়াজালে স্বাধীনতাই হারিয়ে গেছে। এখানে স্কুল জীবন থেকে আসতাম। সে মজা এখন নিরাপত্তার কারণে তা পাই না।

এ বছর ১১টি বিভাগে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ দেওয়া হয়েছে। বক্তব্যের আগেই প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। বক্তব্যের পর মেলায় বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।


আরও খবর
দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪