আজঃ শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

পৌর মেয়র আব্বাসকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ নিয়ে কটূক্তি ও বিতর্কিত বক্তব্য দেয়ায় কাটাখালি পৌরসভার মেয়র এবং পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আব্বাস আলীকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরি বৈঠকে আব্বাসকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজদার রহমান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আব্বাস আলীকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একইসঙ্গে কেন দলীয় সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে এ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব পাওয়ার পর আব্বাসের ব্যাপারে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য জেলা কমিটিতে সুপারিশ পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণকে কেন্দ্র করে কটূক্তি এবং সেটি নির্মাণে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য দেন নৌকা প্রতীকে দুই বারের নির্বাচিত মেয়র আব্বাস আলী। এরপর তার ফাঁস হওয়া অডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সোমবার রাত থেকে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ইসলামের দৃষ্টিতে পাপ সে জন্য রাজশাহী সিটি গেটে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল না বসানোর নির্দেশ দেন এই মেয়র; যা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে রাজশাহীজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মেয়র আব্বাস।

তবে এ ঘটনায় মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগরীর পৃথক তিন থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে দল থেকে বহিষ্কার এবং মেয়র পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।


আরও খবর



করোনা: দেশে বেড়েছে শনাক্তের সংখ্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের সবাই পুরুষ। এ সময়ে ঢাকায় ১ জন, চট্টগ্রামে ২ জন এবং রাজশাহীতে ১ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারো মৃত্যু হয়নি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯২৬ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৩৪ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭২ হাজার ৭৩৫ জনে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার তার আগের ২৪ ঘণ্টায়ও ৪ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল অধিদফতর। ওই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ২২৩ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৮৭৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৭০০টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৯টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৮২ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের সবাই পুরুষ। এ সময়ে ঢাকায় ১ জন, চট্টগ্রামে ২ জন এবং রাজশাহীতে ১ জন মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কারো মৃত্যু হয়নি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর
আরও ১০৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ জন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পা মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এটুকু দাবি করতে পারি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যেকোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমানতালে পা মিলিয়ে চলতে পারে। সেই সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীসহ সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমানতালে পা মিলিয়ে চলার সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে।

রোববার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২১ উপলক্ষে স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা/তাদের উত্তরাধিকারদের সংবর্ধনা প্রদান এবং ২০২০-২০২১ সালের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, এটুকু দাবি করতে পারি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যেকোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমানতালে পা মিলিয়ে চলতে পারে। সেই সক্ষমতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে অর্জন করেছি, সেটা ধরে রেখে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সেটা মাথায় রাখতে হবে।

সশস্ত্র বাহিনীসহ সব প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন সরকার করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক যারা। তারা যদি শিক্ষা, দীক্ষা, প্রশিক্ষণে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন না হয়, তাহলে বাংলাদেশের মর্যাদাও কখনও উন্নত হবে না। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণ, যাদের জন্য জাতির পিতা সারাজীবন ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন, তাদের ভাগ্য আমাদের পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমরা আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের এ কর্মসূচিগুলো শহর কেন্দ্রিক নয়, একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত। তৃণমূলের মানুষ যাতে সুফল পায়, সেই পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।

স্বাধীনতার পরে দেশের উন্নয়নে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সরকার প্রধান। শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পরে একটাই লক্ষ্য ছিল দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে যে গৌরব পেয়েছিলাম, যে গৌরব বাংলাদেশ হারিয়েছিল পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে, সেই গৌরব ফিরিয়ে এনে জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়ন করব। আজ আমরা সেই আদর্শকে ধরে রেখে উন্নয়নশীল দেশে নিয়ে আসতে পেরেছি।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে দেশের প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ প্রতিটি স্তরের মানুষ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফলে একদিকে দুর্যোগ ও দুর্বিপাক যেটাই আসুক না কেন, তা মোকাবিলা করার সক্ষমতা অর্জন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জানতেন সত্তরের নির্বাচনে জয়লাভের পরও পাকিস্তানিরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না। যদি না করে তাহলে আমাদের যুদ্ধ করতে হবে। সেটা করতে হলে মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ, অস্ত্র কোথা থেকে আসবে, শরণার্থীদের আশ্রয় কোথায় হবে। এসব পরিকল্পনা তিনি সুপরিকল্পিতভাবেই করে রেখেছিলেন। যদি ক্ষমতা হস্তান্তর করত, তাহলে হয়ত আমরা বিনা যুদ্ধেই স্বাধীনতা লাভ করতে পারতাম। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক শাসকরা সেটা চায়নি।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধটা ছিল জনযুদ্ধ। এতে দেশের প্রতিটি মানুষের অবদান রয়েছে। মা-বোনেরাও প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। যেহেতু গেরিলা যুদ্ধ হয়েছিল। তখন তারা যখন বিভিন্ন অপারেশনে আসতেন, তাদের আশ্রয় দেওয়া, অস্ত্র রাখাসহ সব রকমের সহযোগিতাও করেছে দেশের অভ্যন্তরে। ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী ও আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা সম্মিলিত আক্রমণের পরিকল্পনা নেয়। ৩ ডিসেম্বর যুক্ত হয় ভারতীয় মিত্র বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করার পর সেই ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছিল। সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা হলো দেশের মানুষ সবকিছু ছেড়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তারা যে অবদান রেখেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী দেশে এমন একটা সময় এসেছিলো যে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের পরিচয় দিতেই ভয় পেতেন। মনগড়া ইতিহাস চাপিয়ে দেওয়া চেষ্টা করা হয়েছিল। নিজেদের বিজয় গাঁথা ইতিহাস পৃথিবীর কোনো দেশেই বিকৃত করা হয় না। সেই ধরনের জঘন্য কাজ এখানে হয়েছিল।

তিনি বলেন, একটি আদর্শের জন্য আমার বাবা, মা, ভাই ও দেশের লাখ লাখ মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন। তাদের এ রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। আমরা ব্যর্থ হতে দেব না। তাই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসা হয় বলে জানান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করেছে। এক সময় পরিচয় দিতে লজ্জা পেত। সরকারে আসার পর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করি। কারণ তারা সম্মানিত। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। পরিবার-পরিজন ছেড়ে দিয়ে বাংলার মানুষকে মুক্ত করার জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তাই সম্মান দেওয়া আমাদের কর্তব্য বলে আমি মনে করি।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাদের চিকিৎসার বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের ছেলে-মেয়েদের চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ কোটার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ছেলে-মেয়ে, পরিবার-পরিজন যেন চাকরিতে নিয়োগ পায়, সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিয়েছি। পঁচাত্তরের পর তাদের যে সম্মান হারিয়ে গিয়েছিল তা আবার যেন ফিরে আসে আমরা তার ব্যবস্থা নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, যে যেখানেই থাকুক, যে যে দলের থাকুক না কেন মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধাই। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই তারা সম্মান পাবেন। আমরা সেই পদক্ষেপটা নিয়েছি।

দেশের উন্নয়নের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধান বলেন, জাতির পিতা তার জীবনটা উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা সন্তান হিসেবে বাবাকে কতটুকু পেয়েছি? একটানা দুটি বছরও তিনি আমাদের সঙ্গে থাকতে পারেননি। বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। তার সঙ্গে দেখা হয়েছে জেল গেটে। একই সঙ্গে আমাদের আওয়ামী লীগের অগণিত কর্মীরাও তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। এ দেশের মানুষ নিজেদের সবকিছু ঢেলে দিয়ে সমর্থন জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে। কাজেই সব মানুষের প্রচেষ্টায় অর্জিত স্বাধীনতা কখনওই ব্যর্থ হতে পারে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। বিশ্বে যে মর্যাদায় নিয়ে এসেছি তা ধরে রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আমি এটুকুই চাই, আমাদের দেশের এ অগ্রযাত্রা কোনোভাবে যাতে ব্যাহত না হয়। বাংলাদেশ যেন সারাবিশ্বে মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। প্রতিটি বাঙালি পৃথিবীর যেখানেই যাবে গর্ব করে বলতে পারবে আমরা বিজয়ী, উন্নত জাতি। আমরা নিজেদের দেশকে গড়ে তুলেছি। সেটুকুই আমাদের আকাঙ্ক্ষা ও কামনা।

এর আগে সকালে সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




২০২২ সালের শুরুতে আসতে পারে ওমিক্রন প্রতিরোধক টিকা

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বর্তমান টিকা দিয়ে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনকে প্রতিহত করা যেতে পারে। আর যদি তা না হয়, তাহলে নতুন বছরের শুরুর দিকে টিকার নতুন সংস্করণ পাওয়া যাবে

দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া ও ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। এই নতুন ধরনকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশে এই ধরনে আক্রান্ত হওয়ার পর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। আর নতুন এ ধরন প্রতিহত করতে আশার বার্তা নিয়ে এলো মর্ডানা।

২০২২ সালের শুরুর দিকে ওমিক্রন প্রতিরোধে টিকা নিয়ে আসতে পারে মডার্না।

মডার্নার প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা পল বার্টন বলেন, বর্তমান টিকা দিয়ে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনকে প্রতিহত করা যেতে পারে। আর যদি তা না হয়, তাহলে নতুন বছরের শুরুর দিকে টিকার নতুন সংস্করণ পাওয়া যাবে।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্টন আরও বলেন, পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের জন্য আমাদের সক্ষমতা সম্পর্কে জানা উচিত। যদি আমাদের একটি নতুন ব্র্যান্ডের টিকা তৈরি করতে হয়, তাহলে আমি মনে করি ২০২২ সালের আগেই টিকার একটি বিরাট সংখ্যা পাওয়া যাবে। মডার্নার টিকা সম্পর্কে উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হচ্ছে আমরা খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে পারি।

বার্টন বলেন, একজন ব্যক্তি কত দিন আগে টিকা নিয়েছিলেন তাঁর ওপর নির্ভর করে এখনো সুরক্ষিত থাকা উচিত। আপাতত সর্বজনীন পরামর্শ হলো বর্তমান করোনা টিকাগুলোর যেকোনো একটি গ্রহণ করা। যদি মানুষ সুরক্ষিত থাকতে চায় এবং টিকা না নিয়ে থাকেন তাহলে দ্রুত টিকা নিয়ে নিন। এটি একটি মারাত্মক ভাইরাস। কিন্তু আমি মনে করি এটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের অস্ত্রাগারে এখন অনেক সরঞ্জাম রয়েছে।

২০২১ সালের প্রথম দিক থেকে নতুন ধরনগুলো নিয়ে মডার্নার উদ্বেগ ছিল এবং এ নিয়ে ব্যাপক কৌশলে অগ্রসর হয়েছে তারা। কোম্পানিটি বলছে, কোম্পানি বারবার ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রোগীদের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় অগ্রসর করার ক্ষমতা প্রদর্শন করে যাচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: করোনা ওমিক্রন

আরও খবর
আরও ১০৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ জন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




‘২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য’

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৮ নভেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সামিটের মধ্য দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাজার তৈরি হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ঠিক করেছি। করোনায় এক লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। আমাদের মাথাপিছু আয় ২৫৫৪ মার্কিন ডলার।

শেখ হাসিনা বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন মাথায় রেখে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আমরা বিনিয়োগের জন্য ১১টি খাত চিহ্নিত করেছি। আমি আশা করি, এ সম্মেলনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা এ সব খাতের সম্ভাবনা সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবে।

এতে বাংলাদেশি পণ্যের নতুন বাজার তৈরি হবে। দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির যে কাঙ্খিত লক্ষ্য তাও অর্জন হবে বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, রাজধানীর রেডিসন হোটেলে শুরু হওয়া এই সম্মেলন শেষ হবে সোমবার (২৯ নভেম্বর)। এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনা ৩ নারী শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রংপুরের তারাগঞ্জে ট্রাকচাপায় তিন নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ঘোনিরামপুর এলাকায় ব্রাদার্স কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আহতদের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকযোগে করে তিনজন নারী বাড়ি ফিরছিলেন। তারা উপজেলার ব্রাদার্স কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।

তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুন্নবী প্রধান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


আরও খবর
উত্তরে বৃষ্টির মতো ঝরছে ঘনকুয়াশা

বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১