আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পোলট্রি খাতে অতিরিক্ত কর: মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী অর্থবছর থেকে পোলট্রি খাতের করমুক্ত আয়সীমা কমানো হতে পারে। বর্তমানে বার্ষিক আয়ের প্রথম ২০ লাখ টাকার জন্য পোলট্রি খাতের বিনিয়োগকারীদের কোনো কর দিতে হয় না। ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার (পরের ১০ লাখ টাকা) ওপর ৫ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ হারে কর বসে; কিন্তু আগামী বাজেটে পোলট্রি খাতের বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা দুশ্চিন্তার খবর আসতে পারে। করপোরেট খাতকে যখন করছাড়, কর মওকুফসহ অন্যান্য নীতি সহায়তা দেয়া হচ্ছে, পোলট্রি ও মাছ চাষের উদ্যোক্তাদের কাঁধে তখন ২০২২-২৩ অর্থবছরে অতিরিক্ত করের বোঝা চাপতে চলেছে। প্রথমে মহামারির ধক্কায় লোকসান গুনেছে দেশের পোলট্রি শিল্প। তারপর বেড়েছে উৎপাদন খরচ। এবার মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে নতুন কর ব্যবস্থার ধাক্কা আসছে খাতটির ওপর। আগামী অর্থবছর থেকে পোলট্রি খাতের করমুক্ত আয়ের সীমা অর্ধেক হয়ে ১০ লাখ টাকায় নেমে আসছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম ১০ লাখের পর দ্বিতীয় ১০ লাখ টাকা আয়ের ওপর ৫ শতাংশ কর দিতে হবে পোলট্রি খামার মালিকদের। আর ২০ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয়ের ওপর কর দিতে হবে ১০ শতাংশ। ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে, বর্তমানে এ পরিমাণ আয়ের ওপর করের হার ১০ শতাংশ।

আগামী অর্থবছর থেকে মাছ ও পোলট্রি হ্যাচারির পাশাপাশি মাছ চাষ ও পোলট্রি খামারকে একক ট্যাক্স স্ল্যাবের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমানে মাছ ও পোলট্রি হ্যাচারি এবং মাছ চাষের জন্য একই ধরনের করকাঠামো কার্যকর রয়েছে। কর ফাঁকির সুযোগ বন্ধ করে কর সংগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে হাতে নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তারই অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য সংগ্রামরত খাতটির অবস্থা আরো খারাপ হবে। ফিডের মূল্য ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি মূল্য বৃদ্ধি অবস্থাকে আরো খারাপের দিকে নিয়ে যাবে আশঙ্কা তাদের। পোলট্রি খামারিরা এখন লোকসান দিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন। প্রতি কেজি মুরগির উৎপাদন খরচ বেড়ে ১২২ টাকা হলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ১২০ টাকায়। এই পরিস্থিতিতে তাদের ওপর আরো কর আরোপের যে পদক্ষেপ সরকার নিয়েছে, তা খুবই হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেন, তাদের অস্তিত্বই যখন ঝুঁকির মধ্যে আছে, তখন সরকার কী করে বাড়তি কর আরোপ করে? ফিড তৈরির কাঁচামালের দাম ৬৫ শতাংশ বাড়লেও আগে থেকেই মহামারির ধাক্কায় জর্জরিত খামারিদের ওপর আমরা এই দামের ২৯ শতাংশের বেশি চাপাতে পারিনি। নতুন ট্যাক্স স্ল্যাব তাদের টিকে থাকার লড়াই আরো কঠিন করে তুলবে এবং শিল্পটির প্রবৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করবে। চড়া উৎপাদন খরচের কারণে লোকসান দিয়ে টিকতে না পেরে অনেক পোলট্রি খামারিই এরই মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। খাদ্য তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহূত সয়াবিনের আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রক শুল্ক আরোপ করা হলে একে বিলাসবহুল পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এতে আরো বাড়বে তাদের ভোগান্তি।

এক বছর আগে মুনাফা করে এখন লোকসান গুনলেও কর কর্মকর্তারা তা মানতে নারাজ বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা। তারা বলেন, কৃষিভিত্তিক শিল্পের সবাই-ই যেকোনো মুহূর্তে ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে, তাদের আগের হিসাবের রেকর্ড যা-ই হোক না কেন। কিন্তু আমরা কর কর্মকর্তাদের এই বিষয়টা মানাতেই পারছি না। সয়াবিন আমদানির ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রক শুল্ক আরোপের ফলে প্রতি কেজি মুরগির উৎপাদন খরচ ৫ টাকা করে বেড়ে যাবে।

গত চার দশকে পোলট্রি শিল্প বিকশিত হয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার খাতে পরিণত হয়েছে। দেশের মাংসের চাহিদার ৪০ শতাংশেরও বেশি মেটাচ্ছিল খাতটি। করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের আগে পোলট্রি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১২-১৫ শতাংশ; কিন্তু মহামারির ধাক্কায় এই খাতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক অবস্থায় চলে গেছে বলে জানান শিল্পসংশ্লিষ্টরা। মহামারির ধাক্কা থেকে পুনরুদ্ধারের যে চেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছেন, তা ব্যাহত হচ্ছে ক্রমবর্ধমান ফিড খরচের জন্য এমনিটই জানান তারা।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুড়িগ্রামে ভটভটির ধাক্কায় নিহত ২

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ভূরুঙ্গামারী-সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কে ভটভটির ধাক্কায় বৃদ্ধসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৪টার দিকে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কোম্পানি মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা গ্রামের মৃত নাদু তেলির ছেলে আলহাজ্ব আইজুদ্দিন (৮০) ও ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে রুবেল মিয়া (১৭)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে আইজুদ্দিন নামের ওই বয়স্ক ব্যক্তি ভূরুঙ্গামারী-সোনাহাট স্থলবন্দর গামী সড়কের একপাশ থেকে অপর-পাশে পার হওয়ার সময় ভূরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা একটি তিন চাকার ভটভটির সাথে ধাক্কা লাগে। এসময় তিনি মারাত্মক ভাবে আহত হন। এ ঘটনায় ভটভটিতে থাকা চালকের ছেলে রুবেল মিয়া ভটভটি থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান। ভটভটির চাকায় তার দুপা থেতলে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী সদর হাসপাতালে পাঠান। আহতদের অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যার দিকে তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়। পৃথক পৃথক এ্যাম্বুলেন্সে রংপুর যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে তাদের মৃত্যু হয়।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বাতাস ঢাকায়

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা রোববার সকালে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকার শীর্ষে উঠে আসে। ১০০ শহরের মধ্যে ঢাকার বাতাস আজ সবচেয়ে বেশি অস্বাস্থ্যকর। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৮ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা ঢাকার বায়ুর মানের স্কোর হচ্ছে ৩৯৪। এর অর্থ দাঁড়ায় এখানকার বায়ু আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরটির স্কোর হচ্ছে ২৪৪ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও খুবই অস্বাস্থ্যকর। এদিকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের মুম্বাই। শহরটির দূষণ স্কোর ২৩৩ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও খুবই অস্বাস্থ্যকর

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হচ্ছে শুক্রবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। এবার অংশ নিচ্ছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। ইতোমধ্যে সামিয়ানা টাঙানোর কাজ সমাপ্ত হয়েছে। মুসল্লিদের ভিড়ও বাড়ছে। তিন দিনের ইজতেমা ঘিরে টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর ধর্মীয় বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। পরবর্তী তিন দিন দেশ বিদেশের মাওলানারা বয়ান করবেন। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমা। জানা গেছে, সন্ধ্যায় দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে সাদের তিন ছেলেসহ ১৪ জনের একটি জামাত ইজতেমায় এসে পৌঁছেছে।

ইজতেমায় অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা আসছেন। এবারও ইজতেমা স্থলের আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

এদিকে বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) মাওলানা সাদকে ইজতেমায় আসার অনুমতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার অনুসারী বাংলাদেশ মুসল্লি পরিষদ। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা কোনো প্রকার ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করলে তার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সরেজমিন দেখা গেছে, ইজতেমা ময়দানের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষের পথে। প্রথম পর্বের মুসল্লিদের ফেলে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। ময়দানের পশ্চিম পাশে তুরাগ নদের পূর্বপাড়ে নামাজের মিম্বর ও উত্তর-পশ্চিম কোণে বিদেশি মেহমানদের জন্য নির্ধারিত কামরার পাশে বয়ানমঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও শামিয়ানা টানানো, বিদ্যুৎ ও মাইক সংযোগের জন্য তার টানানোসহ তাশকিল কামরা, জুড়নেওয়ালি জামাতের কামরা, তুরাগ নদের পশ্চিমপাড়ে বধিরদের বয়ান শোনার জন্য পৃথক কামরা তৈরি করা হয়েছে।

বুধবার থেকেই দেশি ও বিদেশি মেহমানরা আসতে শুরু করেছেন। আজকের মধ্যেই দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লি ময়দানে এসে তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান নেবেন বলে জানিয়েছেন দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরুব্বি প্রকৌশলী শাহ মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ।

অন্যদিকে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমাও ভালোভাবে পরিচালিত হবে বলে গাজীপুর জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশনের মেয়র, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী র‌্যাব, পুলিশ, সিটিএসবি, ডিএসবিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। এদিকে ইজতেমা চলাকালে ট্রাফিক ও যাতায়াত ব্যবস্থা আগের মতোই বলবৎ থাকবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীর এই ময়দানে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা হয়ে আসছে। তবে তাবলীগ জামায়াতের নেতাদের বিভেদের কারণে ২০১৭ সাল থেকে দুই পর্বে হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা।


আরও খবর



মিয়ানমারের ৩৩০ জনকে হস্তান্তর করল বিজিবি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

আরাকান আর্মির আক্রমণের মুখে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যসহ (বিজিপি) ৩৩০ জনকে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) কাছে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার নাগরিকদের বিজিপির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে স্পিডবোটযোগে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুলিশ কর্নেল মিউ থুরা নাঙয়ের নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিজিপি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের ইনানী নৌ-বাহিনী জেটিঘাটে এসে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, চারজন বিজিপি পরিবারের সদস্য, একজন সেনা সদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য এবং ৪ জন বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ৩৩০ জন মিয়ানমারের নাগরিককে সেদেশের বিজিপির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়ে উপস্থিত ছিলেন।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু, ঘুমধুম ও বাইশফাঁড়ী সীমান্তের বিপরীতে বিজিপির তুমব্রু রাইট ও লেফট ক্যাম্পে আক্রমণ করে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী এবং টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও শাহপরীরদ্বীপ সীমান্তের বিপরীতে ওপারে কাইচিং রং, মইদু, গদুদ্ধজ্য ও মংডু এলাকায়ও গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফলে মিয়ানমারের বিজিপি, সেনা, পুলিশ, ইমিগ্রেশন ও বেসামরিক সদস্যরা প্রাণভয়ে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে অস্ত্রসহ বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অবশেষে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

Image

টাঙ্গাইল শাড়ি নিজেদের দাবি করেছে ভারতের একটি মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত এই শিল্পকর্মকে নিজেদের দাবির প্রতিবাদ উঠেছে সব মহলে। এর মধ্যেই টাঙ্গাইল শাড়ির পেটেন্ট (জিআই স্বত্ব বা ভৌগলিক নির্দেশক) পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এ আবেদন করা হয়। বিকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম। 

কায়ছারুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি যেকোনো বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার। আমরা গত ৩ মাস ধরে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করেছিলাম। আজ আবেদন করেছি।

সম্প্রতি ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে করা একটি পোস্টে উল্লেখ দাবি হয়- টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত, একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস। এর মিহি গঠন, বৈচিত্র্যময় রং এবং সূক্ষ্ম জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। টাঙ্গাইলের প্রতিটি শাড়ি ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সৌন্দর্য্যরে মেলবন্ধনে দক্ষ কারুকার্যের নিদর্শন।

এরপর থেকে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। মানববন্ধন করেছেন টাঙ্গাইলের মানুষ।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, শাড়িটির ইতিহাস, সংশ্লিষ্টদের জীবন জীবিকার তথ্য, আড়াইশ বছরের ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহ করে কাগজপত্র তৈরি করে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই টাঙ্গাইল শাড়ি নামে জিআই স্বীকৃতি পাব।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পরে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন-এর গঠনতন্ত্র  অনুযায়ী আপিল করব। ভারতের টাঙ্গাইল শাড়ি অব বেঙ্গল নামে যে জিআই পণ্যটি পেয়েছে, এটি বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমরা পুরোপুরো আশাবাদী টাঙ্গাইল শাড়ি চূড়ান্ত বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি নিয়ে আসতে পারব।

নিউজ ট্যাগ: টাঙ্গাইল

আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪