আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ জুলাই ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলা গানের কিংবদন্তি শিল্পী এন্ড্রু কিশোরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (০৬ জুলাই)। তিনি প্লেব্যাক সম্রাট হিসেবেও সমাদৃত। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সুরের জাদুতে সংগীতপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখে ২০২০ সালের ৬ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান প্লেব্যাক সম্রাট খ্যাত এন্ড্রু কিশোর।

মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, প্রেম-বিরহ সব অনুভূতির গানই তার কণ্ঠে পেয়েছে অনন্য মাত্রা। তার শত শত কালজয়ী গান এখনো মানুষের মুখে মুখে। এরমধ্যে আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস দম ফুরাইলে ঠুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, কারে দেখাব মনের দুঃখ গো বা তুমি আমার জীবন-আমি তোমার জীবন, আমি চিরকাল প্রেমের কাঙাল, এক জনমের ভালবেসে ভরবে না মন সহ অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান আজও তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এন্ড্রু কিশোরকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পর ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ধরা পড়ে ক্যান্সার। সেখানে তিনি কয়েক মাস চিকিৎসা নেন। পরে চিকিৎসকরা হাল ছেড়ে দিলে তাকে নিজের ইচ্ছেতেই ২০২০ সালের ২০ জুন রাজশাহীতে আনা হয়।

এরপর তিনি মহানগরীর মহিষবাথানে বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় বসবাস শুরু করেন। ৬ জুলাই সন্ধ্যায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

১৫ জুলাই রাজশাহী সার্কিট হাউস সংলগ্ন খ্রিস্টান কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বরে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রাজশাহীতে জন্ম নেওয়া কিশোর সেখানেই বেড়ে ওঠেন। পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এন্ড্রু কিশোরের বাবা ক্ষীতিশ চন্দ্র বাড়ৈ এবং মাতা মিনু বাড়ৈ রাজশাহী মহানগরীর বুলনপুর মিশন গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। মায়ের কাছেই তার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তার মা ছিলেন সংগীত অনুরাগী, তার প্রিয় শিল্পী ছিলেন কিশোর কুমার। প্রিয় শিল্পীর নামানুসারে সন্তানের নাম রাখেন কিশোর। মায়ের স্বপ্নপূরণ করতেই সংগীতাঙ্গনে পা রাখেন এন্ড্রু কিশোর।

আব্দুল আজিজ বাচ্চুর অধীনে প্রাথমিকভাবে সংগীতে পাঠ গ্রহণ শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, আধুনিক, লোকসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের শিল্পী হিসেবে রাজশাহী বেতারে তালিকাভুক্ত হন।

এন্ড্রু কিশোর চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত মেইল ট্রেন চলচ্চিত্রের অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ গানের মধ্য দিয়ে। তার রেকর্ডকৃত দ্বিতীয় গান বাদল রহমান পরিচালিত এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী চলচ্চিত্রের ধুম ধাড়াক্কা। তবে এ জে মিন্টু পরিচালিত ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রতিজ্ঞা চলচ্চিত্রের এক চোর যায় চলে গানটি গেয়ে শ্রোতাপ্রিয়তা লাভ করেন।

বড় ভালো লোক ছিল (১৯৮২) চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন এন্ড্রু কিশোর। মহিউদ্দিন পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে সৈয়দ শামসুল হকের লেখা হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। এ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ১৯৮৪ সালে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের কথা ও সুরে নয়নের আলো চলচ্চিত্রের তিনটি গানে কণ্ঠ দেন। গানগুলো হলো—‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিনআমার বুকের মধ্যে খানে। এমন অসংখ্য চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই শিল্পী, যা এখনো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

বাংলা গানের কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পী প্লেব্যাক সম্রাট নামেও পরিচিত। বাংলা চলচ্চিত্রের গানে তাকে বলা যেতে পারে এক মহাসমুদ্র। যেখানে তিনি সাঁতার কেটেছেন কয়েক দশক ধরে।

আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই কণ্ঠশিল্পী দীর্ঘ ১০ মাস ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ করে মৃত্যুবরণ করেন।  তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরও রয়েছে, পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমার ছোঁয়াতে খুঁজে পেয়েছি, সবাইতো ভালোবাসা চায়, বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে, তুমি আমার জীবন আমি তোমার জীবন, ভালো আছি ভালো থেকো, তুমি মোর জীবনের ভাবনা, চোখ যে মনের কথা বলে ইত্যাদি।

১৯৮৭ সালে আহমাদ ইউসুফ, আনোয়ার হোসেন বুলু, ডলি জহুর, দিদারুল আলম বাদল, শামসুল ইসলাম নান্টুর সঙ্গে টিভি নাটক, বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য প্রযোজনার জন্য প্রবাহ নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এন্ড্রু কিশোর। ব্যক্তিগত জীবনে লিপিকা এন্ড্রু ইতির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এন্ড্রু কিশোর। এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। প্রথম সন্তানের নাম সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়জনের নাম সপ্তক। দুজনেই এখন বিদেশে পড়াশোনা করছেন।


আরও খবর



সিন্ডিকেটে আটকে আছে হাওড় অঞ্চলের কৃষকের হাসি

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

চলতি বছর কিশোরগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এরইমধ্যে হাওড়ে শতভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। উঁচু এলাকার ধান কাটাও শেষের পথে। তবে বাজারে দাম কম থাকায় বাম্পার ফলনেও খুশি হতে পারছে না কৃষক। ভেজা ধান বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পান না বলে অভিযোগ কৃষকদের। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, ন্যায্যমূল্যে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির পরামর্শ দেয়া হচ্ছে কৃষকদের।

জানা গেছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ভালোয় ভালোয় শেষ হচ্ছে ধান কাটা। এরইমধ্যে জেলার প্রধান প্রধান হাওড়ের ৯৫ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। আর উজানের ধান কাটা হয়েছে ৮৫ ভাগ। ধান কাটার পর দ্রুত নেয়া হচ্ছে বাড়িতে।

হাওড়ের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত করিমগঞ্জের চামড়া বন্দর ঘাটে প্রতিদিন আসছে ধানবোঝাই শত শত নৌকা। তবে ফলন ভালো হলেও, দাম নিয়ে হতাশ খাদ্যশস্যে উদ্বৃত্ত হাওড় জেলা কিশোরগঞ্জের কৃষকরা। দাম না পেলেও উৎপাদন খরচ মেটাতে জমির পাশেই কম দামে ভেজা ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেক কৃষক।

চামড়া বন্দরে নরসুন্দা নদী তীরের বাজারে ভেজা ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে সাড়ে ৮০০ টাকায়। শ্রমিক ও পরিবহন খরচ মেটাতে অনেকেই জমির ধান কাটার পর কম দামে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা।

নিয়ামতপুর এলাকার কৃষক মানিক মিয়া জানান, জমিতে ধান লাগানো থেকে শুরু করে কাটা পর্যন্ত যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়, ধান বিক্রি করে তা দিয়ে পোষায় না। বর্তমানে ভেজা ধান সাড়ে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, তারা কখনও সরকারি খাদ্য গুদামে ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন না। কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার দাবি জানান তারা।

এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, ভেজা ধান কেনার পর তাদের শুকাতে হচ্ছে। তাই বর্তমানে ধানের দাম কম। এছাড়া মিল মালিকরা এখনও ধান কেনা শুরু না করায় কৃষকরা বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন না।

কৃষি বিভাগ বলছে, ভালো দাম না পাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবে কৃষকরা যাতে ভালো দামে ধান বিক্রি করতে পারেন সে জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, এবার হাওড়ে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যাতে তারা কম দামে ধান বিক্রি না করে, নির্ধারিত তাপমাত্রায় শুকিয়ে সরকারি খাদ্য গুদামে বিক্রির সুযোগ নেন। কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় ১ লাখ ৬৭ হাজার; ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৩৮৭ মেট্রিক টন চাল।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকরা কেন ঢুকবে, প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পৃথিবীর কোন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংকে অবাধে সাংবাদিকরা ঢুকতে পারে? এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে এখন ১৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসায় সরকার উদ্বিগ্ন কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, কে বলল আপনাকে ১৩ বিলিয়ন ডলার? নিউজে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন উত্তরে তিনি বলেন, কোন নিউজে বলছে আপনাকে? আমাদের কাছে হিসাব আছে। তখন সাংবাদিকরা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরই বলেছেন ব্যবহার করার মতো ১৩ বিলিয়ন ডলার আছে। তখন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করুন, কী কারণে এইটা এই পর্যায়ে এল তাও জিজ্ঞেস করুন? আমরা তো এটা জানি না, আমরা জানি ১৯ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার... এর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

সাংবাদিকদের তো বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকতে দেয় না, তাহলে গভর্নরকে জিজ্ঞেস করবে কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে? কোন দেশে? ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব তথ্য ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয় জানবেন, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?

রিজার্ভ কমে ১৩ বিলিয়নে নেমে আসায় অর্থনীতিবিদরা অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন- এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কয় বিলিয়ন ডলার নিয়ে আমরা স্বাধীনতার পর যাত্রা শুরু করেছি? ডলার ছিল আমাদের? বিএনপি কয় বিলিয়ন ডলার রেখে গেছে আমাদের জন্য? তিন বিলিয়ন প্লাস। তাহলে এখন ১৯-২০ বিলিয়ন ডলার আছে এটা কি কম নাকি? এখন আমাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে, রেমিট্যান্সও বাড়ছে, এই মুহূর্তের যে প্রবণতা... এইগুলা বাড়লে রিজার্ভও বাড়বে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।


আরও খবর



সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় রেমাল, নজর রাখছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী দুই দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। পরবর্তীতে এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে রেমাল’। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বুধবারের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এখনও কোনো তথ্য না জানালেও আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরপর এটি ২৪ তারিখের পরে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি অর্জন করতে পারে। তবে, ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত এর গতিবিধি ও প্রভাব সম্পর্কে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাবে না। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। যা কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান। আরবিতে এর অর্থ বালি। এই নামে ফিলিস্তিনের গাজা থেকে ১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দূরে একটি শহরও রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। সুন্দরবনের কারণে সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিল দেশের উপকূল। এর আগে ২০০৯ সালের মে মাসেই সুন্দরবনে আঘাত হেনেছিল প্রলয়ঙ্করী আইলা।


আরও খবর
সারাদেশে বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




১৭ ঘণ্টা পর চালু হলো শাহ আমানত বিমানবন্দর

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১৭ ঘণ্টা পর চালু হয়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোমবার ভোর ৫টা থেকে বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু করা হয়। ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে রোববার দুপুর ১২টা থেকে আজ সোমবার ভোর ৫টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছিল ফ্লাইট ওঠানামা।

ইব্রাহিম খলিল বলেন, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সোমবার ভোর ৫টা থেকে যথারীতি নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করেছে। এয়ারফিল্ড ও রানওয়ের সব নেভিগেশন সাপোর্টসহ দৃঢ়ভাবে সক্রিয় রয়েছে।

এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রোববার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে ৮ ঘণ্টা ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে ভোর ৫টা পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




রাইসির শেষ বিদায়ে জনতার ঢল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ইরানি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিকে গতকাল দেশটির সর্বস্তরের মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় জানিয়েছেন। পরে ৬৩ বছর বয়সী এই নেতাকে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে সমাধিস্থ করা হয়। জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট রাইসি এ শহরেই জন্ম নিয়েছিলেন। শেষ বিদায় এবং দাফন অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রায় সব দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, আলজাজিরা, মেহর নিউজ।

খবরে বলা হয়, মৃত্যুর চার দিন পর শিয়াদের মূল সমাধি ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে রাইসিকে দাফন করা হয়েছে। মাজারটি অবস্থিত ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে, যা শিয়া ধর্মাবলম্বীদের একটি সৌধ হিসেবে পরিচিত। এই শহরেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইরানের এই অতিরক্ষণশীল নেতা। বিকালের এই দাফন উপলক্ষে মাজারের আশপাশের রাস্তাগুলো রাইসির বিশাল ছবি, কালো পতাকা ও শিয়াদের বিভিন্ন প্রতীক দিয়ে সাজানো হয়েছিল।

এদিকে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বাকি আটজনের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির আব্দুল্লাহিয়ানকে তেহরানের দক্ষিণাঞ্চল শাহর-রে শহরের শাহ আবদুল আজিম মাজারে দাফন করা হয়।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গতকাল সকালে দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশের বিরজান্দে নেওয়া হয় রাইসির মৃতদেহ। সেখানে তাঁকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর ব্যবস্থা করা হয়। রাইসিকে শেষ বিদায় জানাতে ভোররাত থেকেই মাশহাদে জড়ো হতে থাকেন লাখ লাখ মানুষ। শহরের রাস্তায় শোভা পায় রাইসির বড় বড় ছবি, কালো পতাকা এবং শিয়াদের নানা প্রতীক। একই সঙ্গে বহন করা হয় জাতীয় পতাকা ও রাইসির ছবি সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। ইরানিরা এ সময় অশ্রুসজল চোখে ও বেদনাসিক্ত হৃদয়ে রাইসিকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এরপর তারা জানাজায় অংশ নেন। এতে দেশটির লাখ লাখ মানুষ ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন দেশের নেতা, রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা। জানাজায় সিস্তান ও বেলুচেস্তান, সেমনান এবং ইয়াজদের মতো প্রদেশের মানুষও উপস্থিত ছিলেন। ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ ওয়াহিদিসহ দেশটির সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন। রাইসি পরিবারের সদস্যরাও জানাজায় অংশ নেন।


আরও খবর