আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

পিরোজপুরে নির্দোষ ব্যক্তির ছবি দিয়ে সংবাদ প্রচার: বিপাকে পরিবার

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৬২০জন দেখেছেন

Image

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

পিরোজপুরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্দোষ ব্যক্তির ছবি দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে স্থানীয় কিছু পত্রিকা।

জানা যায় পিরোজপুর সদর উপজেলার কুমিরমারা গ্রামের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ফকিরের দ্বিতীয় পুত্র পিরোজপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক  মো. মমিনুল ইসলাম রাজার ছবি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সংবাদ প্রচার করেছে দৈনিক গ্রামের সমাজ, আজকের সময়সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা। তারা তাদের পত্রিকার ওয়েবসাইটে পিরোজপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির সময় যুবক গ্রেফতার শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করে। কে এম সাঈদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এই সংবাদটি শেয়ার করে। বিষয়টি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ভুক্তভোগির বড় ভাই আমিনুল ইসলামের নজরে পড়লে তিনি কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন গ্রেফতারকৃত জুয়েল রানার ছবি এটি নয়। তিনিও বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

এদিকে মমিনুলের ছবি প্রকাশিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তার পরিবার। তার পিতার দাবি- তিনি ও তার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তার নির্দোষ ছেলেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখে অপরাধী বানানোর উদ্দেশ্যে এ হীন কাজ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও পিরোজপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান সভাপতি জহিরুল হক টিটু বলেন, এমন কাজ অবশ্যই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, কোনো পেশাদার সাংবাদিক নিশ্চিত না হয়ে নির্দোষ ব্যাক্তির ছবি ব্যবহার করে ক্রাইম নিউজ করবেন এটা বেমানান।

তিনি বিষয়টিকে অপ-সাংবাদিকতা বলে অভিহিত করেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে এদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

উল্লেখ্য পিরজপুর জেলার কাউখালী থানাধীন বেকুটিয়া ফেরী ঘাট এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে টাকা নেয়ার সময় পুলিশ রফিকুল ইসলাম জুয়েলকে চ্যালেঞ্জ করে। পরবর্তীতে কাউখালি থানায় তার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা হয় ও পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির ছবির স্থলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মুমিনুল এর ছবি ব্যবহার করে স্থানীয় দুই তিনটি পত্রিকার ওয়েবসাইটে খবর প্রকাশ করে।

দৈনিক গ্রামের সমাজের সংবাদ পাবলিশের দ্বায়িত্বে থাকা আবির হাসানকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করলে তিনি উল্টো যা ইচ্ছে তাই কথা বলেন। অপরদিকে আজকের সময় এর সম্পাদক অনুপ কুমার ও প্রকাশক কে এম সাঈদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদেরকে কেউ চেনে না বলে জানান স্থানীয় লোকজন। তবে কেএম সাঈদ তার ফেসবুক আইডি থেকে সংবাদটি প্রকাশ করেন।


আরও খবর



মানিকগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দালালদের খপ্পরে সেবা প্রার্থীরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে স্বাভাবিক নিয়মে পাসপোর্ট পাওয়া যেন সোনার হরিণ। সবকিছু ঠিক থাকার পরও অফিস কর্তাদের নানা টালবাহানায় ভুক্তভোগীরা দালালদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। দালাল ছাড়া নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। এছাড়া দালালদের মাধ্যমে করানো প্রতিটি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। যা পরবর্তী সময়ে অফিসটিতে কাজ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস কার্যালয়ে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

জানা যায়, দালালরা প্রতিটি ই-পাসপোর্ট থেকে নির্ধারিত ১ হাজার টাকা অফিস কর্তাদের ঘুষ দিয়ে থাকেন। ফলে সেবা গ্রহীতা অফিসে আবেদন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ছবি তোলা ও পাসপোর্ট ডেলিভারি পর্যন্ত সব কাজ হয়রানি ছাড়াই করতে পারেন। এছাড়া ছোটখাটো কোন ভুল থাকলেও সেগুলোতে ছাড় দেওয়া হয়। তবে বড় ধরনের কোন ভুল থাকলে নির্ধারিত এক হাজার টাকার বাইরে আরো টাকা দিতে হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় অভিযান হলে দালালরা অফিস স্টাফদের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সব কাজ করেন। পছন্দের সেবাপ্রার্থী পাসপোর্ট অফিসের গেটে দিয়ে ভেতরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে তার নাম, চেহারার ধরন, জামা কাপড়ের রঙসহ সব বিবরণ মোবাইলে  কর্মকর্তাদের  জানিয়ে  দেন দালালরা। প্রশাসনের নজরদারি কমে গেলে বা সেবাপ্রার্থীর জরুরি প্রয়োজনে তখন দালালেরা নিজেরাও অফিসে যাতায়াত করে থাকেন।

সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের গোলড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, আমার আগের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনলাইনে আবেদন করি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম। দালাল দিয়ে কাজ না করায় অফিসের গেট থেকে শুরু করে পদে পদে হয়রানির শিকার হয়েছি। আমার ভোটার আইডি কার্ড থাকলেও স্মার্ট কার্ড না থাকায়  নতুন পাসপোর্ট দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন কর্মকর্তারা। অনেক হয়রানির পর ফিঙ্গার ও ছবি তোলার সুযোগ পাই। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও আমার পাসপোর্ট এখনো হাতে পায়নি। পাসপোর্ট পেতে কয়েক মাস দেরি হবে বলেও তারা জানায়। পরে বাধ্য হয়ে অফিস থেকে বের হয়ে দালালের শরনাপন্ন হই। দালাল অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে মাত্র একদিন পর পাসপোর্ট ডেলিভারি করিয়ে দেয়।

সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ এলাকার এখলাস মিয়া বলেন, মেয়েকে বিদেশ পাঠানোর জন্য পাসপোর্ট করতে হচ্ছে। নিজেরা এলে হয়রানি হয়। তাই এলাকার একজন দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করিয়েছি। নরমাল পাসপোর্টের জন্য দালালকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা দিয়েছি। দালাল পাসপোর্ট অফিসের লোকদের ফোন করে সব বলে দেওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দালাল বলেন, অনেক সময় হয়রানি ও ভোগান্তি পোহাতে হয়। ফলে সেবা গ্রহীতারা আমাদের কাছে আসেন। পাসপোর্টের মেয়াদ, সাধারণ ও জরুরি অনুয়ায়ী ব্যাংক ড্রাফট ও পাসপোর্ট অফিস খরচ রাখি। সব ঠিক থাকলে পাসপোর্ট অফিসে এক হাজার টাকা দিতে হয়। অফিসের বড় কর্তা ৫০০ টাকা রাখেন আর বাকি ৫০০ টাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নির্ধারিত হারে ভাগ হয়ে যায়। তবে বড় কর্তা আমাদের হাত দিয়ে টাকা লেনদেন করেন না। আমরা অফিস স্টাফদের টাকা দেই। আর  বিশ্বস্ত অফিস স্টাফরা বড় কর্তাকে টাকা দেন। আর কোনো পাসপোর্ট সংক্রান্ত ঝামেলা থাকলে সেগুলো কনটাক্ট অনুয়ায়ী টাকার অংক বেড়ে যায়। ব্যাংক ড্রাফট ও অফিস খরচের পর কিছু টাকা আমাদের থাকে। আমাদের চেয়ে অফিস কর্তাদের বেশি লাভ।

তিনি আরো বলেন, প্রতিজন দালাল দিনে ৩/৪ টি পাসপোর্টের কাজ পান। এমন দিনও আছে যেদিন অনেকেই কাজ পান না। তবে প্রতিদিন প্রায় প্রতি পাসপোর্ট থেকেই অফিসের লোকজন টাকা পেয়ে থাকেন।

এসব বিষয়ে জানতে মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নাহিদ নেওয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এমনকি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতেও তিনি রাজি হননি।

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল  লতিফ বলেন, দালাল চক্রটি বন্ধ করতে বিভিন্ন সময় অভিযান চালানো হয়েছে। দ্রুত এ চক্রটি বন্ধ করতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যদি এসব কার্যক্রমের সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসের কেউ জড়িত থাকেন তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ইউক্রেনের প্রথম প্রেসিডেন্ট ক্রাভচুক মারা গেছেন

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে দেশটির স্বাধীনতার ঘোষক লিওনিড ক্রাভচুক মঙ্গলবার মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ৮৮। মঙ্গলবার রাতে এক বক্তৃতায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্রাভচুকের অবদান স্মরণ করেন। তিনি ক্রাভচুককে একজন সফল রাজনীতিবিদ ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, এমন একজন ব্যক্তি যিনি জানেন কীভাবে চতুর শব্দগুলি খুঁজে বের করতে হয় এবং সেগুলি বলতে হয় যাতে সব ইউক্রেনীয়রা সেটা শুনতে পারে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার পর ইউক্রেনের ক্ষয়িষ্ণু বছরগুলোতে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ক্রাভচুক ইউক্রেনের নেতৃত্ব দেন এবং ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। প্রেসিডেন্ট হিসাবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে একটি চুক্তিতে ইউক্রেনের সোভিয়েত পারমাণবিক অস্ত্রাগার হস্তান্তর করতে সম্মত হন। তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্টানিস্লাভ শুশকেভিচের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরে তার মৃত্যু হয়েছে, যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরে বেলারুশের প্রথম নেতা হিসাবে কাজ করেছিলেন। শুশকেভিচ বেলারুশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর একজন স্পষ্টবাদী সমালোচক, যিনি ১৯৯৪ সাল থেকে লোহার হাতে শাসন করেছেন এবং রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমর্থক।

ক্রাভচুক পশ্চিম ইউক্রেনীয় গ্রামাঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদের কেন্দ্র। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন অর্থনীতিবিদ, তিনি কমিউনিস্ট পার্টির শ্রেণিবিন্যাসে আরোহণ করেছিলেন, পরে ইউক্রেনীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান আদর্শবাদী হয়েছিলেন। তিনি ইউক্রেনীয় ভাষায় সাবলীল ছিলেন, যা সেই সময়ে কমিউনিস্ট পার্টির একজন আচারিকের জন্য একটি অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।

১৯৮৯ সালে পার্টি তাকে রুখ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে চূর্ণ করার জন্য অভিযুক্ত করে। তিনি শেষ পর্যন্ত মধ্যপন্থী কমিউনিস্ট এবং জাতীয়তাবাদী আইনপ্রণেতাদের মধ্যে একটি জোট গঠন করে দেশ পরিচালনা করেন।


আরও খবর



কোনো ষড়যন্ত্রই জাতিকে পিছিয়ে দিতে পারবে না : কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনকল্যাণমুখী সৎ-সাহসী ও দেশপ্রেমিক নেতা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে, কোনো ষড়যন্ত্রই জাতিকে পিছিয়ে দিতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পদ্মা সেতু তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।

বিবৃতিতে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সকল প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে সফলভাবে পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে বিএনপি মহাসচিব ও তাদের নেতারা দূরভিসন্ধিমূলক ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে। এমনকি বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তথাকথিত হত্যার হুমকির বয়ান তৈরি করছে বিএনপি।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেন, বিরোধী পক্ষকে দমন ও পীড়নের রাজনীতি আওয়ামী লীগ করে না। বরং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপির হাত ধরেই হত্যা-ক্যু- ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে নির্মূল করার অপরাজনীতি শুরু করা হয়।

এখনো এই চিহ্নিত মহল ক্রমাগতভাবে দেশের স্বার্থ ও জনকল্যাণ বিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দেশবিরোধী এই গোষ্ঠীর মুখোশ উন্মোচন ও জনগণকে সতর্ক করতে চেয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা একজন স্বপ্নবান মানুষ, যিনি বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মন্তরে বাংলার মানুষ শেখ হাসিনার মহিমান্বিত নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সততা, সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আজ তাঁকে বিশ্বসভায় এক অনন্য সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অভিষিক্ত করেছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

গত চার দশকে বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন, তা একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাঁর বিবৃতিতে আরো বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন- অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে, আগামীতেও এগিয়ে যাবে। কোন প্রকার ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার অগ্রগতির এই গতিধারা থামাতে পারবে না।


আরও খবর



১১ দেশে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে: ডব্লিউএইচও

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছেবিশ্বের ১১ দেশে প্রায় ৮০ জন মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এবং আরও আক্রান্তের তথ্য পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংস্থাটি সতর্ক করেছে। খবর বিবিসির।

ডব্লিউএইচও কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে জানিয়েছেআরও ৫০টি সম্ভাব্য সংক্রমণের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এর আগে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে প্রথমে ইতালি, সুইডেন, স্পেন, পর্তুগাল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়াতেও শনাক্ত হয়েছে এ রোগ।

বিবিসি জানিয়েছে, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাঙ্কিপক্স সচরাচর বেশি দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার তথ্য অনুসারে, মাঙ্কিপক্স একটি বিরল ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা সাধারণত তেমন মারাত্মক নয়, এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ রোগ থেকে সেরে ওঠে।

ব্রিটিশ স্বাস্থ্য দপ্তর আরও জানিয়েছে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। এবং মানুষের মধ্যে এ রোগের ব্যাপক সংক্রমণের ঝুঁকি খুব কম বলেই জানা গেছে।

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধের জন্য নির্দিষ্ট কোনো টিকা নেই। তবে, বিবিসি বলছেগুটিবসন্তের টিকা নেওয়া থাকলে, তা মাঙ্কিপক্স থেকে ৮০ শতাংশ সুরক্ষা দেয়, কেননা দুটি ভাইরাস অনেকটা একই ধরনের।

সাধারণত যেভাবে ছড়ায়

বিজ্ঞানীদের মতে, মাঙ্কিপক্স গুটিবসন্ত (স্মলপক্স) ভাইরাসের পরিবারভুক্ত ও ছোঁয়াচে। আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের দেহে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেনবিরল এ ভাইরাস প্রাণীদেহ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়েছে।

সাধারণত মাঙ্কিপক্স ভাইরাস সাধারণ ফ্লু বা ঠান্ডাজনিত অসুখের মতো অসুস্থতা ও লিম্ফ নোডের (শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার একটি অঙ্গ) ফোলা দিয়ে শুরু হয়ে ফুসকুড়ি ও ফোসকার মতো ক্রমে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি প্রধানত মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইন ফরেস্ট অঞ্চলে শনাক্তের তথ্য এত দিন ছিল। কিন্তু, এখন ইউরোপ ও আমেরিকা থেকে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের খবর সামনে আসছে।

কতটা বিপজ্জনক মাঙ্কিপক্স, উপসর্গ কী কী?

মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের প্রধান উপসর্গগুলো হলোজ্বর, মাথাব্যথা, পিঠে ও ঘাড়ে ব্যথা, খিঁচুনি, অবসাদ এবং সারা গায়ে ছোপ ছোপ দাগ।

বেশির ভাগ সংক্রমণ দুই থেকে চার সপ্তাহ স্থায়ী হয়। সাধারণত, এ ভাইরাসের সংক্রমণে জ্বর, ফুসকুড়ি ও লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

বিজ্ঞানীদের দাবিজীবিত বা মৃত বন্য প্রাণীর মাংস খেলে এ রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

শরীরের তরল, ঘা, খোলা ক্ষত স্থানের সংস্পর্শে এলে বা দীর্ঘস্থায়ী যোগাযোগের পরে শ্বাস-প্রশ্বাস থেকে নির্গত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণার মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়াতে পারে। রোগের সময়কাল সাধারণত ছয় থেকে ১৩ দিন। তবে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের লক্ষণগুলো সংক্রমণের পাঁচ থেকে ২১ দিনের মধ্যেও দেখা দিতে পারে। মাঙ্কিপক্সের লক্ষণগুলো হালকা বা গুরুতর হতে পারে এবং সাধারণত ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই চলে যায়। মাঙ্কিপক্সের ফলে ত্বকে সৃষ্টি হওয়া ক্ষতে খুব চুলকানি বা যন্ত্রণা হতে পারে।

যৌনসম্পর্ক থেকেও ছড়ানোর শঙ্কা!

বিজ্ঞানীরা এত দিন বলেছিলেন, ভাইরাসটি সহজে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে না। এ ছাড়া এর আগে মনে করা হতো শিশুদের মধ্যেই বেশি পরিমাণে ছড়ায় এ মাঙ্কিপক্স। কিন্তু, এখন দেখা যাচ্ছে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও ছড়াচ্ছে অসুখটি।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র-সিডিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছেযৌনসম্পর্কের সঙ্গে এ রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর যোগসূত্র থাকতে পারে। সিডিসি বলছেসমকামী ও উভকামী পুরুষ ও নারীর মধ্যে এ রোগের হার বেশি। মার্কিন স্বাস্থ্য দপ্তর খতিয়ে দেখছে কীভাবে বাড়ছে এ অসুখ।

এখন পর্যন্ত কারও মাঙ্কপক্সে মৃত্যু হয়নি। যাদের স্মলপক্সের টিকা নেওয়া আছে, তাদের ক্ষেত্রে এ রোগ মারাত্মক আকার নেবে না বলে ধারণা অনেকের।


আরও খবর



তারকা সন্তানদের ‘সেদ্ধ ডিম’ এর সঙ্গে তুলনা করলেন কঙ্গনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ নিয়ে বরাবরই সরব বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। স্বজনপ্রীতি নিয়ে নিজের অপছন্দের কথা একাধিকবার প্রকাশ করেছেন এই বলি কুইন। শুধু তাই নয়, বলিউড ছবিতে তারকা সন্তানদের সুযোগ দেওয়ার ফলে কীভাবে বহিরাগতদের বঞ্চিত করে সে সম্পর্কেও সোচ্চার হয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তারকা সন্তানদের নিয়ে আবারও বেফাঁস মন্তব্য করলেন কঙ্গনা। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত একাধিক দক্ষিণী সিনেমা বলিউডের হিন্দি ছবির বক্স অফিস কালেকশনকে ছাপিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, দক্ষিণী এই ছবিগুলির হিন্দি সংস্করণগুলোই গত দুই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউডের বেশিরভাগ সিনেমাকে হারিয়েছে। কিন্তু বলিউডের কেন এমন হাল? সেই কারণ খুঁজতে গিয়ে তারকা সন্তানদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন কঙ্গনা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, দর্শকের সঙ্গে তাদের (দক্ষিণী) ইন্ডাস্ট্রির যে যোগাযোগ তা বেশ শক্তিশালী। আমি ভক্তদের বলব না, এটি তার থেকেও অনেক বেশি। আমাদের ক্ষেত্রে যেটা হয়, তাদের (তারকাদের) বাচ্চারা পড়াশোনা শেষ করতে বিদেশে যায়। তারা ইংরেজিতে কথা বলে, শুধু হলিউডের ছবি দেখে। তারা শুধু ছুরি-কাঁটা দিয়ে খায় এবং কথা বলার ধরনও ভিন্ন হয়। সুতরাং, তারা কীভাবে সংযোগ করবে? দেখতেও কেমন অদ্ভূত, অনেকটা ডিম সেদ্ধর মতো দেখতে লাগে। তাদের সম্পূর্ণ চেহারা পরিবর্তিত হয়েছে, তাই মানুষ সংযোগ করতে পারে না। আমি কাউকে ট্রোল করতে চাই না।

অভিনেত্রী উদাহরণ হিসেবে বলেন যে গেল বছর মুক্তি প্রাপ্ত আল্লু অর্জুনের ছবি পুষ্পা: দ্য রাইজ এ আল্লু অর্জুনের চরিত্র পুষ্পার উদাহরণ দিয়ে বলেন, দেখো পুষ্পাকে কেমন আমাদের পরিচিত একজনের মতো লাগছে। প্রতিটি শ্রমিক তার সঙ্গে নিজের সংযোগ করতে পারবেন। বলুন তো আমাদের নায়কদের মধ্যে কাকে আজকের যুগে শ্রমিকের মতো দেখা যেতে পারে? ওরা করতে পারেন না। সুতরাং, তাদের সংস্কৃতি (দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের) এবং তাদের গ্রাউন্ডেড প্রকৃতি তাদের মূল্য পরিশোধ করছে। আশা করছি তারা পশ্চিম থেকে যেন অনুপ্রেরণা নিতে শুরু না করে। নিজেদের দেশের মানুষের সঙ্গে সংযোগ রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে নিজের নতুন ছবি ধাকড়-এর জন্য জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন কঙ্গনা। আগামী ২০মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।


আরও খবর