আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি পিকে হালদারসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের মামলায় এই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার (১০ নভেম্বর) কমিশন থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।

জানা গেছে, শিগগিরই উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন আদালতে চার্জশিট জমা দেবেন। অনুমোদিত চার্জশিটে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশটিতে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

চার্জশিটে প্রশান্ত কুমার হালদার ছাড়া অন্যান্য আসামিরা হলেন- প্রশান্ত কুমার হালদারের মা লীলাবতী হালদার, অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গমোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে মামলা হয়।


আরও খবর



দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

এক লাখ মামলার জালে সরকার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারের মাথার ওপর বছরের পর বছর ঝুলছে প্রায় এক লাখ (৯৪ হাজার ১৫০) মামলা। এসব মামলায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বিষয়ের সঙ্গে রাষ্ট্রের কয়েক হাজার কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত। রাষ্ট্রপক্ষের সক্রিয় উদ্যোগের অভাবে মামলাগুলো সহজেই নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এতে সুযোগ নিচ্ছে অনেক স্বার্থান্বেষী মহল। শুধু তাই নয়, অর্থসংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তারাও বিরোধী পক্ষকে সহযোগিতা করছেন-এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

এসব চক্র ভেঙে মামলা পরিচালনার যাবতীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসাবে ইতোমধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয়ের কমিটি কাজ শুরু করেছে। কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সব মামলার তথ্য একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার নির্দেশ দিয়েছেন। এটি তৈরির প্রাথমিক কাজ চলছে। এতে প্রত্যেকটি মামলার প্রথমে থেকে সর্বশেষ সব তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট মামলা নিয়ে আইন কর্মকর্তারা আপডেট থাকবেন। ফলে কেউ তথ্য গোপন করে আদালতকে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

সূত্র জানায়, সরকারের সব মন্ত্রণালয়-বিভাগ এবং ৬৪টি জেলার মামলা সম্পর্কিত সব তথ্য এখন মন্ত্রিপরিষদের হাতে। এর আগে সরকারি মামলা নিয়ে এত বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ৮ সচিবের উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠক সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৯৪ হাজার ১৫০টি অনিষ্পন্ন মামলার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার মামলাকে অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ মামলা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি মানদণ্ড ঠিক করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তালিকায় রয়েছে-আইন, অধ্যাদেশ, রাষ্ট্রপতির আদেশ, বিধি, প্রবিধি এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র ও নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ। আরও আছে-ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থানগত গুরুত্ব বিবেচনার সরকারি সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা। জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প, কেপিআই সংক্রান্ত মামলা। গণমাধ্যমে বহুল আলোচিত মামলাগুলোকেও অতি গুরুত্বপূর্ণ তালিকার মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে ক্রয়, ইজারা, লিজ, নিলাম, ক্ষতিপূরণ, বকেয়া ও আর্থিক দাবি সংক্রান্ত মামলাগুলো সাধারণ তালিকায় থাকছে। তবে এগুলোর মধ্যে বিপুল আর্থিক মূল্য আছে-এমন মামলাকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রাখা হচ্ছে। এছাড়া চাকরি সংক্রান্ত ব্যক্তিগত প্রতিকার, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর বিষয়ক মামলাগুলোকেও সাধারণ তালিকায় রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৬ হাজার ৭৩টি মামলার বেড়াজালে আছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। অন্যদিকে মাত্র ২টি মামলা নিয়ে সর্বনিম্নে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। আর এক হাজারের বেশি মামলা আছে এমন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের মামলা ১১ হাজার ৪০৫টি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১১ হাজার ৩৮৬টি, জননিরাপত্তা বিভাগের ৫ হাজার ৩৮টি, অর্থ বিভাগের পাঁচ হাজার ১০টি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ হাজার ৬০৩টি। এর বাইরেও হাজারের বেশি মামলা থাকা দপ্তরগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশন, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এতদিন সরকার সংশ্লিষ্ট মামলা ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় কোনো উদ্যোগ ছিল না। মন্ত্রণালয়গুলো নিজস্ব উদ্যোগে মামলা পরিচালনা করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মামলা সংক্রান্ত জ্ঞানের অভাব, অবহেলা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মামলার বিপক্ষ পার্টির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে কেউ কেউ সরকারকে মামলায় হারিয়ে দেওয়ার মতো কাজ করছেন বলে অভিযোগ আছে। তাই মামলা সংক্রান্ত অব্যবস্থাপনা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অনুবিভাগ। অন্যদিকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট অফিসার ঠিক করে দেওয়া হবে। যিনি ওই মন্ত্রণালয়ের মামলা সংক্রান্ত সব কাজে সহযোগিতা করবেন। অন্যদিকে সলিসিটর উইংয়ে একেকজন অফিসারকে কয়েকটি করে জেলার দায়িত্ব দেওয়া হবে। যাতে মাঠ প্রশাসন থেকে আসা মামলার বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হয়। অভিযোগ আছে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তথ্য সলিসিটর উইং থেকে উধাও হয়ে যায়।

আরও জানা গেছে, মামলার তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়াটিও অনেক কঠিন ছিল। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে আইন অনুবিভাগকে অগুরুত্বপূর্ণ করে রাখা হয়েছে। এই জায়গায় কাজ করা বেশির ভাগ অফিসারই ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন না। অনেকে মামলা সংক্রান্ত কাজের প্রক্রিয়াও বোঝেন না। এ কারণে তথ্য পেতে সমস্যা হয়েছে। অবশেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন অনুবিভাগ তালিকা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক হাজার ৯৯৭টি মামলাকে চিহ্নিত করে বিশেষ উদ্যোগের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। গত বছর আগস্টে এ সংক্রান্ত উদ্যোগ প্রথম নেওয়া হয়েছিল। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে তখন আর এগোয়নি।

জানা গেছে, পুরোনো অনেক মামলায় নতুন দায়িত্ব নেওয়া অফিসারদের বিব্রত হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি পক্ষের সঠিক উদ্যোগের অভাবে মন্ত্রণালয়ের সচিবদের আদালত অবমাননার মুখে পড়তে হয়। এগুলোর মূল কারণ মামলা সংক্রান্ত তথ্য ঠিকভাবে আদালতে না যাওয়া। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এই উদ্যোগটিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে মামলার হালনাগাদ তথ্য জানা থাকলে এসব ঘটনা ঘটবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকে কমিটির বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন না। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয়নি। সরকারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলা নিষ্পত্তির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে এই অফিসের প্রতিনিধি না থাকায় বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের প্রতিনিধি। তিনি বা তার অফিসের কোনো প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত থাকলে মামলা সংক্রান্ত কার্যক্রম নিষ্পত্তি বেগবান হতো।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলায় সরকার পক্ষে যারা আইনজীবী থাকেন তারা সামান্য সম্মানী পান। অন্যদিকে সরকারের বিপক্ষ পার্টি বিপুল টাকা বিনিয়োগ করেন। ফলে অনেক মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী, অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিসের কেউ কেউ ম্যানেজ হয়ে যান। ফলে জনস্বার্থ রক্ষা পায় না। তাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ উদ্যোগটি সফল হলে এ ধরনের চাতুরতা ধরা পড়বে। অন্যদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবীদের সম্মানী বাড়ানোর বিষয়েও মত দেন বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

নিউজ ট্যাগ: মামলার রায়

আরও খবর



বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে এখন সবচেয়ে কম। দাম কমার জন্য ধন্যবাদ দেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে। ১৮ নভেম্বর সিএনএন অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

সিএনএন বলছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মাস দেড়েক ধরে বাড়ছিল। এতে উৎপাদনকারীরা বিপুল মুনাফা করছিল। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল ভোক্তারা। এ নিয়ে সৃষ্ট অস্থিরতার পর এখন জ্বালানি তেলের দাম কমছে।

ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ও ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দর গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে এখন সবচেয়ে কম। জ্বালানি তেলের দর ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

জ্বালানিবিষয়ক পরামর্শ প্রতিষ্ঠান রিস্ট্যাড এনার্জির তেল বাজারপ্রধান বিজোরনার টনহাউজেনের ভাষ্য, এখন জ্বালানি তেলের দাম কমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এই দুই দেশের সংরক্ষিত (রিজার্ভ) তেল বাজারে ছেড়ে দেওয়ায় দাম কমাতে সহায়তা করছে।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, দিন কয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি ঝিং পিংয়ের মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সরবরাহের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন তারা। হোয়াইট হাউস থেকে নেওয়া উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সমন্বিত পদক্ষেপের পর লাখো ব্যারেল তেল বাজারে আসে।

সিএনএন বলছে, সংরক্ষিত (রিজার্ভ) তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে চীন যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, তার কিছু লক্ষণ বৃহস্পতিবারই দেখা যায়।

রিস্ট্যাড এনার্জির তেল বাজারপ্রধান বিজোরনার বলেন, আগামী মাসে ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল অনলাইনে আসার ব্যাপারে আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এটা যুক্তরাষ্ট্র ও চীন থেকে আসতে পারে। কিংবা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার বৃহত্তর সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমেও আসতে পারে।

তবে রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ের বিষয়টি দীর্ঘসময়ের ক্ষেত্রে সামগ্রিক চিত্র পরিবর্তন করবে না বলে মনে করেন বিজোরনার।

নিউজ ট্যাগ: জ্বালানি তেল

আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




শিক্ষার্থীদের হাফ পাশ: সরকার-বাসমালিকদের বৈঠক ‘বিফল’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহণে হাফ পাশ (অর্ধেক ভাড়া) চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও বাস মালিক সমিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত সভা কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বাস মালিকরা হাফ পাশ চালু করতে রাজি না হওয়ায় সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বনানীতে বিআরটিএর প্রধান দপ্তরে শুরু হয় সভা। বৈঠক শেষে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে বাস মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেহেতু সরকার বেসরকারি বাসে ভর্তুকি দেয় না সেহেতু ভাড়া কম নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ যানজটের কারণে ট্রিপের সংখ্যা কমেছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই হাফ ভাড়া নিলে লোকসান গুনতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহণ ভাড়ায় কত ছাড় হলে ক্ষতি নেই, সাত দিনের মধ্যে নিজেরা আলোচনা করে যৌক্তিক প্রস্তাব দিতে মালিকপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে বিআরটিএ। মালিকপক্ষরাও নিজেরা আলোচনা করে সাত দিনের মধ্যে সরকারের কাছে একটি প্রস্তাব দেবেন বলে জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে সচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা মহানগরে শিক্ষার্থীরা বাসে হাফ ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাদের এই দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার শিক্ষার্থীদের এ দাবির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই আজকে আমরা বৈঠকে অংশীজনদের নিয়ে বসেছি। বেসরকারি বাসে অর্ধেক ভাড়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আমরা চাপিয়ে দিতে পারি না।কারণ বাসে কত শতাংশ ভাড়া ছাড় দিতে হবে আমরা আজ সেই সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বাস মালিকরা ধর্মঘট ডাকতে পারেন। তাতে জনদুর্ভোগ বাড়বে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে সরে আসার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ভাড়ার আনুষ্ঠানিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রস্তাব করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে, তারাও তাদের একটি প্রস্তাব আমাদের কাছে দেবেন। সব পক্ষ দ্রুত প্রস্তাব জমা দেবে।

সভায় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব, আইজিপি, পরিবহণ মালিক সমিতির প্রতিনিধি, শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

৬ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩১০তম (অধিবর্ষে ৩১১তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫৫ দিন বাকি রয়েছে। জেনে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি, জাতীয় দিবস সমূহ এবং এই দিনে কোন কোন বিশিষ্টজন জন্মগ্রহণ ও মৃত্যু বরণ করেছেন।


ঘটনাবলি

    ১৭৬৩ - নবাব মীর কাশিমের কাছ থেকে ব্রিটিশরা পাটনা ছিনিয়ে নেয়।

    ১৮১৩ - মেক্সিকোর স্বাধীনতা ঘোষিত হয়।

    ১৮৬০ - আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    ১৮৮৪ - ডমিনিকান রিপাবলিক সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯১৭ - লেলিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়।

    ১৯৫২ - প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ হয়।

    ১৯৬২ - দক্ষিণ আফ্রিকাকে জাতিসংঘ থেকে বহিস্কার করা হয়।

    ১৯৭৫ - আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি, দেশটির ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    ১৯৮৫ - আলী হাসান মুইনি তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    ১৯৮৮ - চীনের জুনান প্রদেশে ভূমিকম্পে প্রায় ১ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

    ১৯৯০ - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নওয়াজ শরিফ শপথ গ্রহণ করেন।

    ১৯৯১ - ফিলিপাইনে টাইফনে ৭ সহস্রাধিক লোকের মত্যু।

    ১৯৯৬ - বিল ক্লিনটন পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

    ১৯৯২ - তাতারস্তান এর সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯৯৪ - তাজিকিস্তান এর সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯৯৬ - বিল ক্লিনটন পুনরায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

 

জন্ম

    ১৪৯৪ - প্রথম সুলাইমান, উসমানীয় সাম্রাজ্যের দশম এবং সবচেয়ে দীর্ঘকালব্যাপী শাসনকারী সুলতান।

    ১৮১৪ - অ্যাডলফে সাক্স, বেলজীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি যন্ত্রপ্রকৌশলী ও স্যাক্সোফোনের উদ্ভাবক।

    ১৮৪১ - আরমান্ড ফালিয়েরেস, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৯ম রাষ্ট্রপতি।

    ১৮৫১ - চার্লস ডও, মার্কিন সাংবাদিক ও অর্থনীতিবিদ।

    ১৯২১ - জেমস জোনস, মার্কিন সৈনিক, সাংবাদিক ও লেখক।

    ১৯২৫ - মাইকেল বউকুয়েট, ফরাসি অভিনেতা।

    ১৯২৬ - হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

    ১৯৩১ - আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশী অভিনেতা।

    ১৯৩২ - ফ্রাঁসোয়া অ্যাংলার্ট, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বেলজীয় পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

    ১৯৩৪ - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় বাঙালি লেখক।

    ১৯৪৪ - আলী যাকের, বাংলাদেশী টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেতা।

    ১৯৪৭ - ক্যারোলিন সেয়মউর, ইংরেজ অভিনেত্রী।

    ১৯৫৫ - মারিয়া শ্রিভার, মার্কিন সাংবাদিক ও লেখক।

    ১৯৭২ - থান্ডি নিউটন, ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।

    ১৯৮৭ - আনা ইভানোভিচ, সার্বীয় টেনিস খেলোয়াড়।

    ১৯৮৮ এমা স্টোন, মার্কিন অভিনেত্রী।

    ১৯৯০ - আন্দ্রে হোর্স্ট শুর্লে, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

মৃত্যু

    ৬৪৪ - উমর ইবনুল খাত্তাব, খলিফা।

    ১৪৯২ - আন্টইনে বুস্নইস, তিনি ছিলেন ফরাসি সুরকার ও কবি।

    ১৯৪১ - মরিস লি ব্লাঞ্চ, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক।

    ১৯৬৪ - হান্স ভন ইউলার-ছেলপিন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সুইস প্রাণরসায়নবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

    ১৯৭০ - নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি লেখক।

    ১৯৮৫ - সঞ্জীব কুমার, একজন ভারতীয় অভিনেতা যিনি বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

    ১৯৯১ - জিন টিয়েরনেয়, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

    ২০০৭ - হিলডা ব্রাইড, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেত্রী।

    ২০১০ - সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়,প্রখ্যাত ব্যারিস্টার, ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী,পাঞ্জাবের রাজ্যপাল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

ছুটি ও অন্যান্য

    ডমিনিকান রিপাবলিক: সংবিধান দিবস (১৮৮৪)

    তাজিকিস্তান: সংবিধান দিবস (১৯৯৪)

    তাতারস্তান: সংবিধান দিবস (১৯৯২)


আরও খবর
শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১

১৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১




নতুন বছরের শুরুতেই বই পাবে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের নতুন বই পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। আজ শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট এলাকায় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি পাঠ্যবইয়ে ভুল নিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যিনি মামলা করেছেন তিনি হয়তো একগুচ্ছ শব্দের কথা বলেছেন যেগুলো শুদ্ধ করা উচিত ছিল। তবে যে শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো যে একেবারেই ভুল তা নয়। কিন্তু তার পরও যদি সংশোধনের সুযোগ থাকে অবশ্যই সেগুলো সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে অনেক চাপের মধ্যে আমাদের বইগুলো তৈরি করতে হয়। তার পরও আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি, যেন নতুন বইতে কোনো ভুলভ্রান্তি না থাকে। এর পরও যদি কোথাও বা কোনো জায়গায় অনিচ্ছাকৃত কোনো ভুল থেকে যায় তাহলে সেগুলো অবশ্যই সংশোধন করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈদয়া বদরুন নাহার চৌধুরী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনুস হোসেন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, বাবুরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী মাঝি, চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবুল কালাম চিশতি।



আরও খবর