আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

পদ্মা সেতুর আদলে মঞ্চ: প্রস্তুতিতে বিশাল কর্মযজ্ঞ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের বাকি আর মাত্র দুই দিন। প্রতীক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলবাসী। শনিবার(২৫ জুন) জনসভায় যোগদানের জন্য দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ রয়েছে অধীর অপেক্ষায়। শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের বাংলাবাজার ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ঘাটে পদ্মানদীর পাড়ে আয়োজন করা হচ্ছে এই জনসভা। প্রায় দশ লক্ষাধিক মানুষের জন্য ১৫ একর জায়গাজুড়ে চলছে জনসভার প্রস্তুতি। নারীদের জন্য থাকছে আলাদা বসার ব্যবস্থা। ভিআইপি অতিথি, বিদেশি অতিথি এবং কূটনীতিকদের জন্য তৈরি হচ্ছে আলাদা জোন। স্মরণকালের সেরা জনসভার জন্য অপেক্ষা করছে দেশবাসী।

জনসভার স্থান ঘুরে জানা গেছে, জনসভাকে ঘিরে চলছে ব্যাপক আয়োজন। মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে ঠিক পদ্মা সেতুর মতো। মঞ্চের সামনে পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকছে বিশাল এক নৌকা। দূর থেকে দেখলে মনে হবে পদ্মা সেতুর পাশ দিয়ে চলছে বড় এক নৌকা। জনসভায় আসা মানুষের কাছে দূর থেকে জীবন্ত মনে হবে দৃশ্যটি। ১১টি পিলারের ওপর ১০ টি স্প্যান বসিয়ে তৈরি করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ব্যতিক্রমী এই মঞ্চ।

জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,দশ লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণের জন্য প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে চলছে প্রস্তুতি। প্রস্তুতির ৯০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত পুরো কাজও শেষ হবে। জনসভার জন্য তৈরি করা হয়েছে ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য একটি বিশাল মঞ্চ।

দশ লক্ষাধিক মানুষের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী ৫শত টয়লেট,  ভিআইপিদের জন্য থাকছে ২২টি আলাদা টয়লেট। রয়েছে পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা। সুপেয় পানির জন্য থাকছে অসংখ্য পানির ট্যাপ। নারীদের জন্য আলাদা বসার জায়গা, তিনটি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল, সভাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরবর্তী স্থানের দর্শকদের জন্য থাকছে ২৬টি এলইডি মনিটর, ৫০০ মাইকসহ অত্যাধুনিক সাউন্ডসিস্টেম।

জনসভার মঞ্চ তৈরির দায়িত্বে থাকা ক্যানভাস বাংলাদেশ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের উন্নয়নকর্মী কবির হোসেন জানান, দৃষ্টিনন্দন এবং ইউনিক এই মঞ্চ তৈরির কাজ শেষের পথে। আমাদের কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে মঞ্চটি তৈরির কাজ করছে। মঞ্চের সামনে পানি থাকবে। পানির ওপর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নৌকা ভাসতে থাকবে। আসলে পুরো মঞ্চটি পদ্মাসেতুর আদলে করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসভাস্থলের তিন বর্গ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে আলোকসজ্জার কাজ চলমান রয়েছে। বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়েছে ইতোমধ্যেই। পুরো এলাকার নিরাপত্তার জন্য রয়েছে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসভাস্থলে আগত জনসাধারণের জন্য বিশ শয্যার ১টি এবং ১০ শয্যার ২টি ভ্রাম্যমান চিকিৎসাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।

শুক্রবারের মধ্যে জনসভাস্থলের পুরো কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন জনসভাস্থল নির্মাণ কাজের দায়িত্বে থাকা পিয়ারু সরদার অ্যান্ড সন্স এর ব্যবস্থাপক মো. মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, আমাদের আর ১০ ভাগ কাজ বাকি। খুব দ্রুতই কাজ শেষ করা হবে। স্মরণকালের সেরা একটি জনসভা হবে এটি। সেই ভাবেই সব প্রস্তুত করা হচ্ছে। 

ফায়ার সার্ভিস ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, জনসভাস্থল এবং নৌপথে আমাদের শতাধিক ফায়ারম্যান নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে। এছাড়া নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে আমাদের ফায়ারম্যান।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মানুষের স্বপ্নের এই পদ্মা সেতুকে ঘিরে অপেক্ষার শেষ নেই। আগামী শনিবার সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে পদ্মাপাড়ে ব্যপক প্রস্তুতি চলছে। আর মানুষের মনে বইছে উৎসবের আমেজ।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন,পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী এই জনসভায় কমপক্ষে দশ লাখ লোকের সমাগম হবে। অনুষ্ঠানে আসা এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য আমরা সকল ধরনের সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। পানি থেকে শুরু করে চিকিৎসাসহ সকল ব্যবস্থা থাকছে। জনসভাস্থলে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্রে সকল ধরনের ব্যবস্থা থাকবে। আর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা তো থাকছেই।  


আরও খবর



‘গেম অব থ্রোনস’র নতুন সিজনে ফিরছে জন স্নো

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | ৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় হলিউড সিরিজ গেম অব থ্রোনস। এ সিরিজ দেখেনি এমন দর্শক খুবই কম পাওয়া যাবে। এবার আসছে গেম অব থ্রোনসের নতুন সিজন হাউজ অব দ্য ড্রাগন। এটি গেম অব থ্রোনস ভক্তদের জন্য সুখবর। ভক্তরা ভেবেই নিয়েছিলেন এ সিরিজটির নতুন সিজন আর হয়ত আসবে না। তবে সব জল্পনা কল্পনার অবসান হয়েছে। অগাস্ট মাসেই মুক্তি পাচ্ছে এ সিরিজের নতুন সিজন হাউজ অব দ্য ড্রাগন। এরইমধ্যে নির্মাতারা জানান, নতুন সিজনে ফিরে আসছে জন স্নো। গেম অব থ্রোনস এর সবচেয়ে জনপ্রিয় এ চরিত্রে অভিনয় করে কিট হ্যারিংটনও জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন।

এর আগে ২০২১ সালে মুক্তি পেয়েছিল হাউজ অব দ্য ড্রাগনর ট্রেলার। জর্জ আরআর মার্টিনের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে হিট ফ্যান্টাসি সিরিজ গেম অব থ্রোনসর একটি নতুন সিজন। এটি সিংহাসনের পতনের ২০০ বছর আগের গল্পকে তুলে ধরবে।


আরও খবর



ফ্রান্সে ভয়াবহ বন্যা, অরেঞ্জ এলার্ট জারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে দুর্যোগপূর্ণ অঞ্চলে অরেঞ্জ এলার্ট জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। টানা কয়েক ঘণ্টার শিলাবৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ১৫ হাজার মানুষ। দুর্ঘটনা এড়াতে এরইমধ্যে দেশটির দুর্যোগপূর্ণ অঞ্চলে অরেঞ্জ এলার্ট জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া দফতর। বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বাতিল করা হয়েছে বেশকিছু ফ্লাইটও।


আরও খবর



দেশ স্বাধীনের দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই কেটে গেছে লড়াই আর সংগ্রামে। হত্যা, ষড়যন্ত্র- সবই দেখেছে দলটি। এরই মধ্যে ৭৩ বছর পূর্ণ করল আওয়ামী লীগ নামক দলটি। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেওয়া দলটির ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ৭৪ বছরে পা দিল টানা তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থাকা দলটি। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ- ইতিহাসে এই তিনটি নাম একই সুত্রে গাঁথা।

পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে। পরবর্তী কালে দেশের অন্যতম প্রাচীন এই দল প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিনত হয়। প্রতিষ্ঠার শুরুতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শামসুল হক।

পকিস্তানের সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষনের বিরুদ্ধে সব আন্দোলন- সংগ্রামে অগ্রনী ভমিকা পালন করেছে দলটি। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও আওয়ামী লীগের ইতিহাস একসূত্রে গাঁথা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামারিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৪ এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক  সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন ও ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপোষহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সমগ্র জাতির জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধু সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহযোগিতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তারপর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে সংগঠনটিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন এবং দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। এরপর থেকে তিনি শক্ত হাতে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসে। মাঝে এক মেয়াদে ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দলের অনেক নেতাকর্মী হতাহত হন। ২০০১ ও ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আরেক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হয়ে আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় দলটি। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাধারন নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিনত করার লক্ষ্য নির্ধারন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মানবতার জননী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে যা মোটেও সহজ কাজ নয়। এসব একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারনে সম্ভব হচ্ছে।

সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশের ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে গ্রামীন নারী-শিশুসহ সাধারন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সংগে বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ঔষধ দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং গুনগত মনোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বর্তমানে প্রায় ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে, মহিলা ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে।

বিশে^র  বিভিন্ন দেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে মৌলিক চিকিৎসা চাহিদা পূরণ, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অসংক্রামক রোগসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে ব্যাপক উদ্যোগ, পুষ্টি উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসূচক সমূহের ব্যাপক অগ্রগতিতে স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাতে অভূতপূর্ব অর্জন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছে বহুদূর। 

দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, কৃষি দারিদ্রসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রপ্তানীমুখী শিল্পায়ন এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, রপ্তানী আয় বৃদ্ধি সহ নানা অর্থনৈতিক সূচক বৃদ্ধি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও পরিশ্রমের ফসল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঠিক পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনায় বৈশিক মহামারী কোভিড-১৯ এর করাল গ্রাস থেকে দেশের আপামর মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশাল অবকাশ রেখেছে। উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল কাঙ্খিত স্বপ্নের পদ্মাসেতু। এছাড়া চলমান রয়েছে, রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল সহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ।

১৯৮১ সালের ১৭ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুঃসাহসী সিদ্ধান্তের কারনেই আওয়ামী লীগ আজ দল হিসাবে অনেক বেশি শক্তিশালী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৮ বছরের অধিক সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বাংলাদেশে এর আগে কেউ এত বছর সরকার প্রধান হিসাবে দেশ পরিচালনা করতে পারেননি। এর বাইরে ১১ বছরেরও বেশি সময় তিনি ছিলেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় ৩০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি আজ আপনার নেতৃত্বে সামরিক শাসনের স্মৃতি পেছনে ফেলে দেশকে বিশে^র বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে। আপনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে, জাতি হিসাবে বাঙালীকে এবং দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে এক ভিন্ন উচ্চতায়।

আওয়ামী লীগের সর্বমোট ২২ বছরের শাসনামলে দেশের আর্থ-সামাজিক  উন্নয়ন দেশ বিদেশে আলোচিত হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ২২২৭ মার্কিন ডলার এবং বৈদেশিক রিজাভ রেকর্ড পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে। কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে সাফল্য এসেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং জঙ্গি দমনে সাফল্য সারা বিশে^ আলোচিত। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকুক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই প্রত্যাশা কামনা করি।


আরও খবর
মেধাশূন্য ভবিষ্যতের দিকে ঝুঁকছে দেশ

মঙ্গলবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২




খোসা ছাড়িয়ে না কি খোসা-সহ? কী ভাবে শশা খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গরমে শরীর ভাল রাখতে মরসুমি ফলের জুড়ি মেলা ভার। আম, জাম, আনারস, তরমুজের মতো বিভিন্ন জলজাতীয় ফলে এই সময় বাজার ছেয়ে যায়। এই ফলগুলি সারা বছর বিশেষ মেলে না। গরম পড়তেই দেখা পাওয়া যায় এগুলির। সারা বছর শরীর ভাল রাখে কিন্তু শশা। প্রচুর পরিমাণে পানি সমৃদ্ধ এই ফল শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে।

শশা শরীর ভিতর থেকে আর্দ্র রাখে। ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অন্যান্য ভিটামিন সমৃদ্ধ শশা ঠান্ডা রাখতে দারুণ কাজ করে। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না শশার খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত না কি খোসা-সহ। পুষ্টিবিদরা বলছেন, শশা এমনই একটি উপকারী ফল যার খোসাও অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। বিশেষ করে কচি সবুজ শশা। কচি শশা খোসা-সহ খেলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়। খোসা ছাড়িয়ে ফেললে খোসার সঙ্গে অনেক পুষ্টিগুণও বাদ চলে যায়।

শশা হজম করতে দারুণ সাহায্য করে। শশাতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক কম, ফলে ওজন কমাতেও অত্যন্ত কার্যকরী শশা। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় শশা ক্যানসার, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। ক্যালোরি না থাকলেও শশাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেলস রয়েছে।

শশার খোসা ছাড়িয়ে ফেললে এই পুষ্টিকর উপাদানগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছবে না। তাই খোসা-সহ শশা শরীরের পক্ষে ভাল। তবে খোসা-সহ শশা খাওয়ার আগে ভাল করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নেওয়া প্রয়োজন। খোসায় অনেক সময় বিভিন্ন রাসায়নিক থাকে। সেগুলি পেটে গেলে সমস্যা হতে পারে।

 

নিউজ ট্যাগ: শশা

আরও খবর
বিফ সাসলিক তৈরির রেসিপি

সোমবার ২৭ জুন ২০২২




যে কারণে থাইল্যান্ডে ঈদ করবেন ফারিয়া

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ জুন 20২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে যাত্রা শুরু হয় এই অভিনেত্রীর। আরজে, মডেলিং, উপস্থাপনা হোক কিংবা সিনেমা যখন যেখানে কাজ করেছেন সেখানেই সাফল্য কুড়িয়েছেন দুহাত ভরে। সমানতালে কাজ করে চলেছেন এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলা। দুই বাংলার কাজ, শুটিং করতে গিয়ে ফারিয়াকে ঘুরতে হয় দেশ-বিদেশে। এই যেমন আসছে কোরবানির ঈদেও থাইল্যান্ড থাকতে হবে অভিনেত্রীকে।

২০১৯ সালে টলিউডে মুক্তি পাওয়া বিবাহ অভিযান সিনেমার সিক্যুয়েল বিবাহ অভিযান ২ এর শুটিংয়ের জন্য থাইল্যান্ডে যেতে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। যার কারণে দেশে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করা হবে না তার।

নুসরাত ফারিয়া বলেন, সিনেমাটির কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছে। আমি ইতোমধ্যে একবার থাইল্যান্ড ঘুরে এসেছি। আবার যেতে হচ্ছে। ঈদের মধ্যেও কাজ হবে সেখানে। সিনেমায় দ্বিতীয় কিস্তি পরিচালনা করছেন সায়ন্তন ঘোষাল। এ ছাড়া আগের সবাই অভিনয় করবেন এতে।

বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে নুসরাত ফারিয়া অভিনীত ৫টি সিনেমা-রকস্টার, বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক মুজিব: একটি জাতির রূপকার, অপারেশন সুন্দরবন, ভয় এবং পাতালঘর। এরমধ্যে কলকাতার রকস্টার আসছে ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা। এদিকে, ঈদে টেলিভিশনেও দেখা যাবে নুসরাত ফারিয়াকে। আইকনম্যান শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: নুসরাত ফারিয়া

আরও খবর