আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

পাত্র পছন্দ হয়নি, ডেকে নিয়ে গলায় ছুরি চালালেন কনে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ১৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাত্র অপছন্দ ছিল পাত্রীর। অপছন্দের পাত্রকে বিয়ে নারাজ। বাড়িতে জানানোর পরেও পাত্রীর সেই কথা শুনতে চাননি পরিবারের কোনো সদস্য। তাই হবু বরের গলায় ছুরি চালিয়ে তাকে গুরুতরভাবে জখম করেছেন এক তরুণী।

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমের চোডাভরম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

অভিযুক্ত পাত্রীর নাম পুষ্পা। এ ঘটনায় খুনের চেষ্টার অভিযোগ স্বীকার করেছেন ওই পুষ্পা।

পাত্র রামু নাইডু কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের (সিএসআইআর) একজন বিজ্ঞানী।

জানা যায়, রামু নাইডুর সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করেছিল পরিবার। অনেক ছেলে দেখার পর রামুকেই পাত্র হিসেবে বেশি নিয়েছিল পুষ্পার পরিবার। কিন্তু প্রথম থেকে সেই বিয়েতে রাজি ছিলেন না পুষ্পা। পাত্রকে নিয়ে নিজের অপছন্দের কথা পরিবারকে জানালেও অবশ্য তাতে কোনও কাজ হয়নি। অগত্যা পুষ্পার অসম্মতিতেই সম্বন্ধ পাকা করে ফেলে তার পরিবার। বিয়ের দিনক্ষণও ঠিক হয়ে যায়। সামনের মাসেই তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। তাই বিয়ের জন্য কেনাকাটা এবং অন্যান্য তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল।

হবু বর এবং দু'পক্ষের পরিবার বিয়ে নিয়ে অনেক পরিকল্পনা সেরে ফেললেও কোনোভাবে এই বিয়ে থেকে নিজেকে বাঁচাতে চাইছিলেন হবু কনে। তারপরে হবু বরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে পরিকল্পনা করে বসে কনে। এজন্য পাত্রকে একটি সারপ্রাইজ ডেটের জন্য ডাকে পাত্রী। তারপরে ছুরি বের করে হবু বরের গলায় চালিয়ে দেয় পুষ্পা।

এ ঘটনায় যুবকের গলায় গুরুতর ক্ষত তৈরি হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এখনও ওই যুবক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর পরেই পুলিশ পুষ্পাকে গ্রেফতার করে। পুলিশি জেরায় পুষ্পা স্বীকার করেছে পাত্র পছন্দ না হওয়ার কারণেই সে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

স্থানীয় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এস গৌতমী বলেন, পুষ্পার বিরুদ্ধে আগে অপরাধমূলক কোনো কাজের অভিযোগ থানায় নেই।

 

 


আরও খবর



ফতুল্লায় সহপাঠীদের ছুরিকাঘাতে দশম শ্রেণির ছাত্র খুন

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দ্রুব স্কুলছাত্র হলেও সে কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সহপাঠীদের ছুরিকাঘাতে দ্রুব নামে দশম শ্রেণির এক ছাত্র খুন হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লার ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দ্রুব (১৫) ফতুল্লার ইসদাইর এলাকার মাদব চন্দ্রের ছেলে। স্কুলছাত্র হলেও তারা কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুব, ইয়াসিন, পিয়াস, রিপন, অন্তরসহ কয়েকজন ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তারা এক সাথে চলাফেরা করে। স্কুল ছুটির পর প্রত্যেকেই স্কুলে সামনে চায়ের দোকানে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দেয়। মঙ্গলবার রাতে আড্ডা দেয়ার সময় তাদের সাথে দুটো মেয়েকে দেখা গিয়েছিল। নারী সংক্রান্ত কোনো বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

তাদের মধ্যে ইয়াসিন জানান, পিয়াস তাকেসহ কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুবকে ডেকে স্কুলের কাছে অন্ধকারে নিয়ে যায়। এরপর দ্রুবকে পিয়াস ছুরিকাঘাত করে অন্যরা মারধর করেন।

ইসদাই রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান জানান, শুনেছি বিষয়টি মেয়ে সংক্রান্ত। তারা স্কুলে পড়লেও তাদের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ লোকমুখে শোনা যাচ্ছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রিজাউল হক দিপু জানান, স্থানীয় লোকজন তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন করতে পারব এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজ ট্যাগ: কিশোর গ্যাংয়

আরও খবর



২ বিমানের ধাক্কা : প্রধান প্রকৌশলীসহ বরখাস্ত ৫

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে (উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের স্থান) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি উড়োজাহাজের সংঘর্ষের ঘটনায় সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলামসহ ৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১১ মে) বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও ড. আবু সালেহ মোস্তফা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বরখাস্ত হওয়া অপর চারজন হলেন- বিমানের প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহাউল ইসলাম, সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে আগে থেকেই বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাখা ছিলো।এরপর আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হ্যাঙ্গারের দিকে নেওয়া হয়। হ্যাঙ্গারের ভেতরে প্রবেশ করানোর সময় ৭৩৭ উড়োজাহাজের সামনের অংশের সঙ্গে ভেতরে থাকা ৭৭৭ উড়োজাহাজের পেছনে অংশের সংঘর্ষ বাঁধে। এতে দুই উড়োজাহাজই ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এ ঘটনায় বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) আলী নাসেরকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং বিমানের চিফ অব সেফটির নেতৃত্বে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়।

আজ বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই পাঁচ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (১৯৭৯) প্রবিধানমালার ৫৫ ধারা লঙ্ঘনের জন্য তাদের দায়ী করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে ভেড়া পালন বেশ লাভজনক। ভেড়া ঘাস খেতে খুব পছন্দ করে এবং দলগতভাবে ঘুরে বেড়ায়। তাই এটি পালন করা খুব সহজ। এদের প্রজনন ক্ষমতাও বেশি। এটি ১৫ মাসে ২ বার বাচ্চা দেয়। তাই ভেড়া পালন শুরু করলে কয়েক বছরের মধ্যে খামারের আকার বড় হয়ে উঠে। অন্যদিকে এটি পালন করে লাভবান হওয়া যায়। ভেড়া শুধু ঘাস খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। তবে কিছু দানাদার খাদ্য সরবরাহ করলে ভালো উৎপাদন পাওয়া যায়। ভেড়া পশম ও মাংসের জন্য পালন করা হয়। আমাদের দেশে ভেড়ার তেমন কোনো ভালো জাত নেই। বাংলাদেশের ভেড়া মোটা পশম উৎপাদন করে। তাই এরা পশমের জন্য জনপ্রিয় নয়। আমাদের দেশে ভেড়া মাংসের জন্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে।

ভেড়া খাবারের জন্য সারাদিন মাঠে ঘুরে বেড়ায়। এদের বাসস্থান প্রয়োজন হয়। বাসস্থানের প্রয়োজন বিশেষ করে রাতে ভেড়ার বিশ্রাম নেওয়ার জন্য। তাছাড়া বন্য প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্যও বাস স্থানের দরকার। ঝড় ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার জন্য ও বেশি উৎপাদনক্ষম ভেড়ার দুগ্ধ দোহন করার জন্য বাসস্থানের প্রয়োজন। অন্যদিকে গর্ভবতী, প্রসূতি ও বাচ্চা ভেড়ার পরিচর্যার জন্যও বাসস্থান জরুরি।

ভেড়া পালনের জন্য তিন ধরনের ঘর ব্যবহার করা হয়। যেমন,- উন্মুক্ত, আধা উন্মুক্ত ও আবদ্ধ ঘর। আবহাওয়া ও জলবায়ুর কথা চিন্তা করে রাতে আশ্রয়ের জন্য ভেড়ার ঘর তৈরি করা হয়। ভেড়ার ঘরের মেঝে ভূমি সমতলে বা মাচার তৈরি হয়ে থাকে। যেসব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয় সেখানে এ ধরনের ঘর উপযোগী। একটি নির্দিষ্ট জায়গার চারিদিকে বেড়া দিয়ে উন্মুক্ত ঘর তৈরি করা হয়। এধরনের ঘরে কোনো ছাদ থাকে না। সারাদিন বাইরে খাওয়ার পর রাতে ভেড়ার পাল এখানে আশ্রয় নেয়। এখানে মেঝেতে খড় ব্যবহার করা হয়। উন্মুক্ত ঘরের নির্দিষ্ট স্থানের এক কোনে কিছু জায়গা যখন ছাদসহ তৈরি করা হয় তখন তাকে আধা উন্মুক্ত ঘর বলে। যেসব এলাকায় মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হয় সেখানে আধা, উন্মুক্ত ঘর ব্যবহার করা যেতে পারে।

যেসব অঞ্চলে প্রচুর ঝড়-বৃষ্টি হয়, সেখানে এ ঘর বেশি উপযোগী। আবদ্ধ ঘরের পুরা অংশেই ছাদ থাকে। ঘরের পাশ দিয়ে প্রচুর আলো বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা থাকে। আবদ্ধ ঘরের মেঝে পাকা ও আধা পাকা হয়ে থাকে। ভেড়াকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য এবং এদের থেকে বেশি উৎপাদন পেতে হলে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। নিয়মিত ব্রাশ দিয়ে ভেড়ার পশম পরিষ্কার করতে হবে। এতে পশমের ময়লা বেরিয়ে আসবে। ভেড়ার দেহে মাঝে মধ্যে পরজীবীনাশক প্রয়োগ করতে হবে। ভেড়ার পশম কাটার আগে গোসল করাতে হবে।

ভেড়া যে কোনো ধরনের খাদ্য খেতে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। এটি গরু, মহিষ ও ছাগলের মতোই জাবরকাটা প্রাণী। ভেড়ার খাদ্যের শ্রেণিবিন্যাস গরু ছাগলের মতোই। এদের খাদ্য তালিকায় আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ দানাদার খাদ্যের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। গর্ভবতী ভেড়ির তুলনায় প্রসূতির খাদ্য তালিকায় অধিক পরিমাণে দানাদার খাদ্য প্রদান করা হয়। বাচ্চা প্রসবের একমাস পূর্ব থেকে ভেড়ির খাদ্য তালিকায় দৈনিক ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম হারে দানাদার খাদ্য যোগ করতে হয়। ভেড়াকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখতে হবে। সব বয়সের ভেড়াকে নিয়মিত কৃমিনাশক খাওয়াতে হবে ও সময় মতো টিকা প্রদান করতে হবে। ভেড়া বাদলা, তড়কা, ম্যাস্টাইটিস, খুরা রোগ, চর্মরোগ, কৃমি ইত্যাদিতে বেশি আক্রান্ত হয়। রোগাক্রান্ত ভেড়াকে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ভেড়া পালন

আরও খবর



ইসরায়েলির মিসাইল হামলায় সিরিয়ায় তিনজন নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে ইসরায়েলের সারফেস টু সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনজন নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২০ মে) রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সানা একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। সামরিক সূত্র জানায়, মিসাইলগুলো ইসরায়েল অধিকৃত গোলান এলাকা থেকে ছোড়া হয়েছে এবং সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত করা হয়েছে। 

সিরিয়ান অবসারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, ৩ জন সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও ৪ জন বিমান ক্রু এ হামলায় আহত হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, হামলাটি সিরিয়ার বিমানবন্দরের খুব কাছে ইরানি গোলাবারুদের ডিপোগুলোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে এবং সেখানে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।

এর আগে সর্বশেষ ১৩ মে ইসরায়েল সিরিয়ায় হামলা চালায় যেখানে ৫ জন নিহত হয়। যদিও ইসরায়েল তাদের হামলার বিষয়ে খুব কম মন্তব্য করে কিন্তু তারা এ পর্যন্ত সিরিয়ায় চালানো শত শত হামলার কথা স্বীকার করেছে।


আরও খবর



ঈদে চাই জায়নামাজ, আতর, তসবি ও নতুন টুপি

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদের বাকি আর মাত্র দুই দিন। ঈদের কেনাকাটার শেষ পর্যায়ে সবাই কমবেশি ভিড় করেন আতর, টুপি, জায়নামাজ ও তসবির দোকানগুলোতে। ঈদের দিনটিতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সবসময় নিজেকে রাখতে চান পরিপাটি। মূলত ঈদের নামাজকে ঘিরেই এই কেনাবেচার ধুম পড়ে, যা চলে চাঁদরাত পর্যন্ত। নতুন কেনা ভাঁজ ভাঙা পাঞ্জাবিতে আতরের সুবাস, নতুন টুপি আর হাতে জায়নামাজবাঙালি মুসলমানদের চিরচেনা রূপ ঈদগাহে যাওয়ার। কেউ কেউ হাতে রাখেন তসবি।

আতর: এই সময়ে বিভিন্ন রকমের আতরের সুবাসের মধ্যে বড়রা কড়া গন্ধের খোঁজ করলেও তরুণেরা নিচ্ছেন হালকা সুবাসের আতর। বাজারে দেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি ছাড়াও ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের আতর পাওয়া যায়। জান্নাতুল নাঈম, জান্নাতুল ফেরদাউস, শাইখা, হাজরে আসওয়াদ, সুলতান, উদ, কিং হোয়াইট, আল-ফারেজ, কুল ওয়াটার, হুগো বস, গুচি, রামান্স, সিলভার, মশক আম্বার ইত্যাদি নামের আতরের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। সাধারণত আতর বিক্রি হয় তোলা হিসাবে। তবে অল্প পরিমাণই সবাই কিনে থাকেন। আতরের ছোট বোতলের দাম ১০০ থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা ছাড়াও বিত্তবান ক্রেতারা ২ হাজার থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকার আতরও কিনে থাকেন।

টুপি: ঈদে চাই নতুন টুপি। বাজারে দেশি টুপির পাশাপাশি বাহারি ডিজাইন এবং আকৃতির চীনা, আফগান, দুবাই, মালয়েশিয়া, তুুর্কী, ভারতীয় ও পাকিস্তানি টুপিও পাওয়া যাচ্ছে। দেশি বিভিন্ন টুপির দাম ৪০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বিদেশি টুপিগুলো ৩৫০-২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বিদেশি টুপিগুলোতে দেখা যাচ্ছে জরি-সুতার ভরাট কাজ এবং ছোট্ট পুঁতি বসানো প্যাঁচের নকশার মতো নান্দনিক সব ছোঁয়া।

জায়নামাজ: মূলত জায়নামাজের দাম নির্ধারণ হয় এর বুনন, কোমলতা ও নকশার ওপর। বাজারে দেশি জায়নামাজ ছাড়াও তুরস্ক, পাকিস্তান, ভারত বেলজিয়াম, চীন ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের তৈরি জায়নামাজ পাওয়া যাচ্ছে। দেশি জায়নামাজ ১৫০-৫০০ টাকা, বেলজিয়ামের ৮০০-৫০০০ টাকা, পাকিস্তানি ৬০০-১২০০ টাকা, তুরস্কের ৫০০-৩০০০ টাকা, তুর্কি মখমলেরগুলো ৩০০-১০০০ টাকা, মধ্যপ্রাচ্যেরগুলো ৮০০-২০০০ টাকা এবং চীন ও ভারতের জায়নামাজ ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

তসবি: প্লাস্টিকের পুঁতি ও সাধারণ পাথরের তসবি তুলনামূলক বেশি পরিচিত এবং দামও কম। এ ছাড়া  চন্দন কাঠ, জয়তুন কাঠ, হাতির হাড়, দাঁত, হরিণের শিং, দামি পাথর ও ক্রিস্টালের তৈরি তসবিও পাওয়া যায়। যেগুলোর দাম ৫০ থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

কোথায় পাবেন: রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, গুলিস্তান, ফার্মগেট, পল্টন, মতিঝিল, শান্তিনগর, মালিবাগ, চকবাজার, বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণের গেট-সংলগ্ন ফুটপাতের দোকানগুলো, চকবাজার, লালবাগ, রামপুরা, উত্তরা, বনানী, এবং মিরপুর।  


আরও খবর
আজকের রাশিফল!

বুধবার ২৫ মে ২০২২