আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পাথরঘাটায় মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার পাথরঘাটায় মাছের ঘের থেকে মো. দুলাল হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পাথরঘাটা থানা পুলিশ ।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ধান ক্ষেতের পাশে স্থানীয় সেলিম পহলানের মাছের ঘের থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

দুলাল একই এলাকার আ. মালেকের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানা (ওসি তদন্ত) সাইফুজ্জামান।

দুলালের মা কহিনুর বেগম ও বোন হাফিজা বলেন, দুলালের খুবই সহজ সরল। জমি নিয়ে বিরোধের কারণে চাচা সেলিম, ছালেক ও ইউনুস খুন করেছে। আমরা এর বিচার চাই।

দুলালের চাচা সেলিম মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের সাথে জমি নিয়ে কোন বিরোধ নেই এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমাদের বাড়ির মধেই দুলাল বাড়ি করেছে। তিনি আরও বলেন, দুলালের বোন জামাই বাবুলকে চার লাখ টাকা দিয়ে বিদেশ পাঠিয়েছ এ নিয়ে দুলাল খুব টেনশনে ছিলো।

এই ঘটনায় পাথরঘাটা থানা (ওসি তদন্ত) সাইফুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুলালের পরিবারের অভিযোগ অভিযোগ চাচা সেলিম, ছালেক ও ইউনুসের সাথে জমি জমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তারাই দুলালকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করেছে। আমরা তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায়ন হবে।


আরও খবর



শাকিরা বললেন ‘নারীরা আর কাঁদবে না’

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শাকিরা নতুন বছরে নারীদের উদ্দেশে নতুন চমক নিয়ে আসছেন। তিনি তার নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করতে যাচ্ছেন আগামী মার্চ মাসে। লাস মুজেরেস ইয়া নো লোরান শিরোনামের গানটিতে উঠে আসবে দুঃখী এক নারীর জীবনের গল্প।

লাস মুজেরেস ইয়া নো লোরান এর ইংরেজি অর্থ উইমেন নো লংগার ক্রাই অর্থাৎ নারীরা আর কাঁদবে না। নারীর জীবনের প্রত্যয়, সংগ্রাম আর দুঃখগাঁথা জীবনের বাঁক এখানে স্পষ্ট বোঝা যাবে।

জানা গেছে, লাস মুজেরেস ইয়া নো লোরান শাকিরার ১২তম একক অ্যালবাম। এতে আছে মোট ১৬টি মিউজিক ট্র্যাক। যার মধ্যে একটি রিমিক্স গানের পাশাপাশি থাকছে আটটি মৌলিক গান। এ ছাড়া এতে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ের আলোচিত সাতটি একক গানের মিউজিক সেশনস ভলিউম

এই অ্যালবামের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শাকিরা। এই অ্যালবামের মধ্য দিয়ে তিনি শুরু করতে যাচ্ছেন তার নতুন অধ্যায়।

শাকিরার ভাষ্য, এই অ্যালবামের প্রতিটি গান লেখার সময় অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ভাবতে হয়েছে নিজেকে ভেঙেচুরে। গানগুলোতে কণ্ঠ দেয়ার সময় চোখের পানি পরিণত হয়েছে শক্তিতে। যাতে আমার গানের থিম আমি সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারি। বলতে পারি, নারীরা আর কাঁদবে না।

শাকিরা দুইবার গ্র্যামি পুরস্কার, সাতবার ল্যাটিন গ্র্যামি পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন। বিএমআই-এর তথ্যানুসারে, তিনি কলম্বিয়ার সর্বকালের সবচেয়ে বেশি অ্যালবাম বিক্রিত শিল্পী, এবং সেই সাথে তিনি ব্যবসায়িকভাবে সফল দ্বিতীয় ল্যাটিন অ্যামেরিকান নারী শিল্পী, যার অ্যালবাম বিশ্বব্যাপী পাঁচ কোটি কপি বিক্রি হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শাকিরা

আরও খবর
আজ গোয়াতে চার হাত এক হবে রাকুল-জ্যাকির!

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জয়ার ইরান জয়

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ন্যাটো কেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গেল সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্র্যান্ট শ্যাপস। বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে চীন, রাশিয়া, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের জন্য ব্রিটেনকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এদিকে ডাবলিনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাডকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সাক্ষাৎতে তারা দুদেশের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার বিশাল সম্ভাবন নিয়ে কথা বলেন।    

আয়ারল্যান্ড ও ব্রিটেন উভয়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তাহলে, কেন একটি দেশ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ও অন্যটি কথিত শত্রুর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে? এ প্রশ্নের একমাত্র সম্ভাব্য উত্তর হলো আইরিশ সরকার মনে করে না যে এই জাতীয় সংঘাত ঘটতে চলেছে। তাহলে কে মনে করে?

ধারণা করা হচ্ছে, বৈশ্বিক সংঘাতের সম্ভাবনা দেখছে সামরিক জোট ন্যাটো। গত সপ্তাহে তারা ঘোষণা দেয়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য মহড়া শুরু করবে। অর্থাৎ একটি বিশ্বব্যাপী সংঘাত হতে পারে, যা সম্ভবত পারমাণবিক যুদ্ধে বাড়বে ও বিশ্বকে ধ্বংস করবে। গভীরভাবে দেখলে এর আরও প্রমাণ পাওয়া যায়।

গ্র্যান্ট শ্যাপসের ওই বক্তব্য অনুযায়ী, সক্রিয় ও রিজার্ভসহ ওই দেশগুলোতে মোট ৮২ লাখ সেনা রয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন সেনাবাহিনী বর্তমানে ভয়াবহ নিয়োগ সংকটের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে দেশটির সেনা সদস্যের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি। যদি যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শ্যাপসের কালো তালিকাভুক্ত চারটি দেশকে গ্রহণ করার চেষ্টা করে তবে প্রতিটি ব্রিটিশ বা আমেরিকান সৈন্যের জন্য আটটি শত্রু সেনা থাকবে।   

আরও পড়ুন>> মেক্সিকোতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৯

এদিকে চলতি মাসের শুরুর দিকে ঘোষণা করা হয়, নাবিকের ঘাটতির কারণে লোহিত সাগরে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী পাঠানো যাবে না। আমেরিকার মতো, ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী নিয়োগ সংকটের কারণে কর্মীদের চরম ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে।

বাস্তবতা হলো ইউক্রেনের অবনতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় এসব ষড়যন্ত্র করা যেতে পারে। জোটটি ভলোদিমির জেলেনস্কির পক্ষে তার সব শক্তি নিক্ষেপ করেছে। একই সঙ্গে এটিও স্পষ্ট যে, যুদ্ধটি তাদের পক্ষে ভালো যাচ্ছে না।

স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো দাবি, সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইউক্রেনের ছাড় দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি কিয়েভের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, এই জোট পশ্চিমা বিশ্বকে সামগ্রিক বৈশ্বিক যুদ্ধ ও সম্ভাব্য পারমাণবিক ধ্বংসের জন্য প্রস্তুত করায় জড়িত বলে মনে হচ্ছে।

স্লোভাকিয়া ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) উভয়েরই সদস্য। ২০২৩ সালে প্রকাশিত ব্রাতিস্লাভা-ভিত্তিক গ্লোবসেক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের প্রতিবেদন অনুসারে স্লোভাকিয়া হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম রাশিয়াপন্থী দেশ। 


আরও খবর
সাত দশক পর পাকিস্তানে প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়াকে ‘জুলফিকার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জিআই অনুমোদন পেল আরও ৪ পণ্য

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আরও চারটি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। পণ্য চারটি হলো- রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর, মৌলভীবাজারের আগর আতর ও মুক্তাগাছার মন্ডা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

২০০৩ সালে বাংলাদেশে এ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে একে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নামে অভিহিত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের ফলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন, ২০১৩ পাস হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা, ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়। ২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য।

সেগুলো হলো- বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারীভোগ, বাংলাদেশ কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

সম্প্রতি অনুমোদিত তিনটি পণ্য টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার অনুমোদনের কপি ও জার্নাল গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। এতে জিআই পণ্যের সংখ্যা হয় ২৪টি। আজ ৪টি জিআই পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হওয়ায় মোট অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৮টি।

এছাড়া আরও দুটি পণ্য জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেগুলো হলো- জামালপুরের নকশিকাঁথা এবং যশোরের খেজুর গুড়। আগামী সপ্তাহে এই দুটি পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


আরও খবর



মেক্সিকোয় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ আর্জেন্টাইন পর্যটক নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মেক্সিকোয় সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ আর্জেন্টাইন পর্যটক নিহত হয়েছেন। রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় কুইনতানা রু রাজ্যের ইউকাটান উপদ্বীপের জনপ্রিয় উপকূলরেখা বরাবর পর্যটকবাহী গাড়ির সাথে একটি ভ্যানের সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ম্যাক্সিকান ভ্যানচালকও নিহত হয়েছেন।

সলিদারিদাদ পৌরসভার নাগরিক সুরক্ষা সচিব জর্জ ভাজকুয়েজ ওরোপেগ বলেছেন, আর্জেন্টাইনরা ছুটিতে ছিলেন।

এদিকে, ওই দুর্ঘটনায় আরও দুজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাদের হেলিকপ্টারে করে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তারা কোন দেশের তা জানাননি ভাজকুয়েজ ওরোপেগ। তার ধারণা, বৃষ্টি ভেজা সড়ক এবং দ্রুত গতির কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

কুইনতানা রু রাজ্যের এর্টনি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, ইতোমধ্যে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।


আরও খবর
সাত দশক পর পাকিস্তানে প্রথম নারী মুখ্যমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাশিয়াকে ‘জুলফিকার’ ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে ইরান

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিষাক্ত মাশরুম চেনার উপায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে সাধারণত কৌটাজাত মাশরুমের পাশাপাশি দেশীয়ভাবে প্রস্তুত প্যাকেটজাত মাশরুমও পাওয়া যায়। বাজার থেকে কেনার আগে এসব মাশরুম আসলেই খাওয়ার যোগ্য কিনা তা বোঝার জন্য রয়েছে কয়েকটি উপায়।

খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বিষাক্ত মাশরুম চেনার কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

পুরানো মাশরুম: বলার অপেক্ষাই রাখে না, পঁচা বা পুরানো মাশরুম কেউ কিনতে যাবে। তবে কিছু বিষয় দেখতে হবে যেমন- মাশরুম হতে হবে তাজা, মোটামুটি শক্ত এবং বিশেষ করে থাকবে আস্ত। কোনো পোকা কিংবা প্রাণীর কামড়ে দেওয়া মাশরুম কেনা যাবে না।

ছাতার মতো মাশরুম: মাশরুম কথাটা শুনলেই সবার মনে প্রথমেই ভেসে উঠে ব্যাঙের ছাতা হিসেবে পরিচিত মাশরুমের কথা। তবে এই মাশরুম খাওয়া যায় না, বিষাক্ত। ছাতার মতো আকৃতির পাশাপাশি এর কাণ্ডে থাকে একটি সাদা রিং। পৃথিবীর সবচাইতে বিষাক্ত মাশরুম সম্ভবত আমানিটাস মাশরুম। এই মাশরুমগুলো পুরানো হলে বাদামি রং ধারণ করে।

মোরেল মাশরুম: এই মাশরুমের উপরের অংশটি হয় কুঁচকানো এবং লম্বাটে। তবে মাশরুম পুরানো হলে বা শুকিয়ে গেলেও উপরের অংশ কুঁচকে যায়। তাই আসল মোরেল মাশরুম চেনা একটু কঠিন। মাশরুমের উপরের অংশ যদি এলোমেলোভাবে চুপসে থাকে এবং তা দেখতে যদি আলগা টুপির মতো মনে হয় তবে ওই মাশরুম খাওয়া যাবে না।

আরও উপায়: মিষ্টি গন্ধযুক্ত মাশরুম, জ্যাক ও ল্যানটার্ন বা কমলা রংয়ের মাশরুম এবং হালকা বাদামি রংয়ের মাশরুম খাওয়ার যোগ্য নয়।

বাজার থেকে খোলা মাশরুম কেনার জন্য কিংবা প্রকৃতি থেকে তা সংগ্রহের জন্য এবিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি। তাই অভিজ্ঞতা না থাকলে কৌটাজাত মাশরুম কেনাই নিরাপদ। আর কৌটার মাশরুম কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিতে হবে। অনেক সময় কৌটাজাত মাশরুম সবটাই ব্যবহার করা হয়; বাড়তি মাশরুমগুলো ফ্রিজারে রেখে দেওয়া হয়।

তবে ফ্রিজে রাখা বাড়তি মাশরুমের গায়ে যদি পিচ্ছিল পানীয় ভাব দেখা দেয় এবং কালচে রং ধরা শুরু করে তবে অবশ্যই সেগুলো ফেলে দিতে হবে। এরকম দেখা দিলে সহজেই বুঝে নিতে হবে মাশরুমগুলো নষ্ট হতে শুরু করেছে।


আরও খবর