আজঃ সোমবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
শিরোনাম

‘পার্টি অফিসে বোমা রাখা বিএনপির সন্ত্রাসী পরিকল্পনারই প্রমাণ’

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক


Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পার্টি অফিসের ভেতরে বোমা রেখে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া বিএনপির সন্ত্রাসী পরিকল্পনারই প্রমাণ। ঢাকায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নয়, সন্ত্রাসী কার্যকলাপই তাদের উদ্দেশ্য ছিল।

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। বিশেষ করে পুলিশের ওপর যখন হামলা হয়, রাস্তাঘাট বন্ধ করে বেআইনিভাবে যখন সমাবেশ করা হয়, তখন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকার বাধ্য হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে বারবার বলেছি, আপনারা যাতে বড় সমাবেশ করতে পারেন, সেজন্য সরকার সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করবে। কিন্তু না, তারা দেশে বিশৃঙ্খলা করার জন্য নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে। এটি সম্পূর্ণ বেআইনী।

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ সবাই করতে পারে এবং সরকার যদি সহায়তা না করতো, তাহলে বিএনপির পক্ষে কখনও দেশের নয়টি জায়গায় বড় সমাবেশ করা সম্ভব হতো না। দেশের সব কয়টি বিভাগীয় শহরে তারা সমাবেশ করেছে, সরকার তাদের নিরাপত্তা দিয়েছে, সেখানে টুঁ শব্দটুকু হয়নি। যেখানে একটু হয়েছে, সেখানে তারা নিজেরা নিজেরা চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি, মারামারি করেছে। অথচ বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, আমাদের সমাবেশ করতে দেওয়া হতো না।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস তারা সবাই ২০১৩-১৪-১৫ সালে পাঁচ শ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা, ৩ হাজার মানুষকে আগুনে দগ্ধ করা, সাড়ে তিন হাজার গাড়ি পোড়ানো, লঞ্চ-ট্রেন পোড়ানোর হুকুম দাতা হিসেবে আসামী। তারা আদালতকেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হাজিরা পর্যন্ত দেয়নি। আর গত ৭ তারিখ নয়াপল্টনে যে ঘটনা ঘটলো, পুলিশের ওপর হামলা করা হলো, বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে ১৫টি তাজা বোমা পাওয়া গেলো। চট্রগ্রাম ঢাকাসহ সারা দেশে যে গাড়িতে আগুন দেয়া এবং ভাঙচুর। এগুলোর হুকুম দাতাও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব ও মির্জা আব্বাস। তাদের নেতৃতত্বে এগুলো হয়েছে। আর তাজা বোমা নিয়ে যখন কেউ পার্টি অফিসে বসে থাকে, তখন তারা সবাই অপরাধী। এসব কারণে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

ড. হাছান বলেন, এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, বিশেষ করে নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে- এটি তারেক রহমানের নির্দেশ। পুলিশের সাথে প্রথম দুটি বৈঠকে বিএনপিই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের প্রস্তাব দিয়েছিল। তারেক রহমানের নির্দেশে তারা বিগড়ে বসে। তার মত একজন আসামীর নেতৃত্বে যখন দল পরিচালিত হয়, সেই দল সন্ত্রাসীর মতই আচরণ করবে।

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বার্তার প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ৭ তারিখের ঘটনা নিয়ে তদন্তের কথা বলেছেন। অবশ্যই তদন্ত হবে। পুলিশ বিএনপি অফিসে বোমা পেয়েছে। কারা বোমা রেখেছিল, কারা বোমা বানিয়েছিল, বানানোর টাকা কারা দিয়েছিল, পুলিশের ওপর কিভাবে হামলা করেছিল- এগুলো তদন্তে বেরিয়ে আসবে। পুলিশের কোনো ভুল থাকলে সেটাও তদন্তে বেরিয়ে আসবে।


আরও খবর
ঢাকায় বেলজিয়ামের রানি

সোমবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩