আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

অর্থ আত্মসাৎ-পাচার : ডেসটিনির এক মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলার রায় বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঘোষণা করা হবে। বেলা ১১টার দিকে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে সব আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড আশা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অন্যদিকে আসামিপক্ষ বলছে, দুদক অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। তাই আসামিরা রায়ে খালাস পাবেন।

দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ সালাম জাগো নিউজকে বলেন, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় বৃহস্পতিবার হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণে আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। যে ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ১২ বছরের কারাদণ্ড। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

এর আগে রোববার (২৭ মার্চ) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নাম সর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না জাপা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আর কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগতভাবে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এর অংশ হিসেবে আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে দলটি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নানা কৌশলের মাধ্যমে এই নীতিই ধরে রেখেছে দলটি। কখনো প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কখনো প্রার্থী নিজেই নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সর্বোপরি জাপার সমর্থন অদৃশ্য সুতোর টানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর দিকেই গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় নির্বাচনে জাপার এই আচরণ রাজনৈতিক কৌশল বলেও অনেকে মনে করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টি এখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে মনযোগ দিয়েছে। যেসব জেলা বা মহানগরে সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে সেখানে কীভাবে দলকে

এগিয়ে নেওয়া যায় সেই কর্মকৌশল নিয়েই এগোচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কীভাবে সব আসনে প্রার্থী দেওয়া যায় তার কৌশল নিয়েও কাজ শুরু করেছেন তারা। এমন প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে আর সময় ব্যয় করতে চায় না হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রতিষ্ঠিত দলটি।

জাপার নেতৃবৃন্দ জানান, রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ-৬, কুমিল্লা-৫, সিলেট-৩ ও ঢাকা-১৪ উপনির্বাচনে দলের গঠনতন্ত্র মেনে মনোনয়ন দেয় জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বোর্ড। পরবর্তীকালে প্রার্থীরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই প্রার্থিতা থেকে সরে যান। এ নিয়ে পরবর্তী সময় দলীয় তদন্ত কমিটি হতে দেখা গেছে। আবার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দলকে না জানিয়ে প্রার্থিতা থেকে সরে যাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বহিষ্কারেরও ঘটনা ঘটেছে জাপায়।

কুসিক নির্বাচনে জাতীয় পার্টি প্রার্থী দেবে কিনা জানতে চাইলে পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এক শব্দে বলেন, না। দলের একজন অতিরিক্ত মহাসচিব বলেন, প্রার্থী দিয়েই বা লাভ কী। নির্বাচন তো আর সুষ্ঠু হবে না। হয়তো জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে দুই বা আড়াই হাজার ভোট দেবে। এতে তো দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতিহীনতা জাতীয় পার্টিকে জনপ্রিয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে; যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে প্রমাণ হবে। তাই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আর কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগতভাবে জাতীয় পার্টি প্রার্থী দেবে না।

দলটির আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, প্রার্থিতা থেকে সরে যাওয়া, এটি কেন্দ্রেরই সিদ্ধান্ত। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কোথাও কোথাও প্রার্থীরা সরকারদলীয় প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা খসিয়ে নিয়েছে। কখনো কখনো টাকা খসিয়েছেন জাপার কেন্দ্রীয় নেতারাও। আর বহিষ্কার করার বিষয়টা আইওয়াশ মাত্র; এটা রাজনৈতিক কৌশলও।

জাপার প্রার্থিতা থেকে সরে যাওয়ার কৌশল শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। অভিযোগ আছে, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে টাকার বিনিময়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে যান মহাজোট থেকে মনোনয়ন পাওয়া জাপার প্রার্থী মোহাম্মদ নোমান। ওই সময় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদ ইসলাম পাপুলের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে নোমানকে দল থেকে বহিষ্কার করে জাপা। ওই নির্বাচনে পাপুল এমপি হন। বর্তমানে তিনি কুয়েতে মানব ও অর্থপাচারের দায়ে দন্ডিত হয়ে জেল খাটছেন। তার সংসদ সদস্যপদও বাতিল হয়েছে। পাপুলের শূন্য আসনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নূর উদ্দিন চৌধুরী। সেখানে জাপার প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ ফায়িজ উল্ল্যাহ। অভিযোগ আছে, এই উপনির্বাচনেও জাপার প্রার্থীকে সরিয়ে নিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চেষ্টা করেন। তবে জাপার প্রার্থী তার প্রস্তাবে রাজি হননি।

জানা গেছে, ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫, সিলেট-৩ ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে প্রার্থিতা থেকে সরে যাওয়া কৌশল ছিল জাতীয় পার্টির। কারণ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা স্থানীয় বা জাতীয় প্রোগ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে এখনো আসা-যাওয়া করেন। কুমিল্লা সিটি নির্বাচন ১৫ জুন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৬ মে। জাতীয় পার্টি থেকে এখন পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কেউ দলীয়ভাবে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন এমন কোনো খবর এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।


আরও খবর



মোংলায় এতিম শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১জন আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ মে ২০২২ | ১১৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোংলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোংলায় ১৪ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২২মে) রাতে উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোনের ৯০ ব্যারাকের পাকখালী আবাসন প্রকল্পে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদার (৫২) কে আটক করেছে মোংলা থানা পুলিশ। আটক নাসির হাওলাদার চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোন পাকখালি আবাসন প্রকল্পের মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদার ধর্ষনের শিকার শিশুটির দূর সম্পর্কের ফুফু হয়। শিশুটির বাবা আনুমানিক ৪বছর আগে মৃত্যু বরন করে। অভাবের তারনায় মা সৌদি প্রবাসি হয়ে যান।

থানার মামলা সুত্রে জানা যায়, শিশুটির মায়ের নিকটতম কোন আত্মীয় স্বজনদের সাথে যোগাযোগ না থাকায় শিশুটিসহ তার আরেক বোনকে আশ্রয়ী হিসেবে রাখে অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদার। এবং তাদের খরচ বাবদ সৌদি থেকে মাসিক টাকাও পাঠান শিশু দুটির মা। শিশুটি তার বাসায় আসার পর থেকেই অসহায়ত্বের সুযোগে নাসির হাওলাদার শিশুটিকে বিভিন্ন রকম কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে।

শিশুটি তার এই কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন ভয় ভীতিসহ হুমকি দিয়ে দেয় অভিযুক্ত নাসির হাওলাদার। এমতাবস্থায় রবিবার (২২ মে) রাত আনুমানিক রাত ৮টার দিকে শিশুটি শারীরিকভাবে অসুস্থ্যবোধ করলে চাঁদপাই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মাকোড়ঢোন ৯০ ব্যারাকের পাকখালি আবাসন প্রকল্পে বসবাসকারী জনৈক আনন্দ সরকারের রুমের পাশে অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদারের চায়ের দোকানের ভিতরে থাকা তার শয়নকক্ষে শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ে।

এমতাবস্থায় দোকানে কেউ না থাকায় রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদার তার কামনা চরিতার্ধ করার জন্য ঘুমন্ত শিশুটির শরিরের উপর উঠে। হঠাৎ শিশুটির ঘুম ভেঙ্গে গেলে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি ও হাত দিয়ে শিশুটির মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত মোঃ নাসির হাওলাদার। এবং এ ঘটনার বিষয়ে কাউকে না বলার জন্য বিভিন্ন প্রকার হুমকি ও ভয়ভীতি দেয়। পরবর্তীতে ধর্ষণের শিকার হওয়া শিশু ঘটনাটি ঐ আবাসনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার খাঁ কে জানায়।

মোংলা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র ঘোষ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত নাসির হাওলাদারকে আটক করেছে। এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ মঙ্গলবার (২৪ মে) গ্রেফতারকৃত ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি নাসির হাওলাদারকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



সরকারি কর্মচারীদের ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান না করা পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের অন্তবর্তীকালীন ৬০ শতাংশ বেতন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি।

শনিবার (২১ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. ছালজার রহমান। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল প্রদানের পর বিগত সাত বছরে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ব্যয়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমিত আয়ের সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় নতুন জাতীয় বেতন স্কেল প্রদান অত্যাবশ্যক।

তবে নতুন বেতন স্কেল প্রদান না করা পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদেরকে অন্তবর্তীকালীন ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে চিকিৎসা ভাতা ৪ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য নিরসনকল্পে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয় বহির্ভূত অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর-প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, স্টেনোগ্রাফার, কম্পিউটার অপারেটর, স্টোর কিপারসহ সমমানের-সমমর্যাদার কর্মচারীদের পদ- পদবি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বপদে দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা ও বেতনস্কেল প্রদান, ডিপ্লোমা নার্সদের ন্যায় সমশিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ডিপ্লোমা হেলথ টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও সমশিক্ষাগত যোগ্যতাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদাসহ বেতনস্কেলের দাবি জানান তারা।

এসব দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২৪ মে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক বিভাগ ও জেলাগুলোতে দাবির সমর্থনে কর্মচারী সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ১১ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানান বক্তরা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি মো. লুৎফর রহমান, কার্যকরী সভাপতি নূরুন্নবী, রায়হান চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর



ঈদে চিকেন নুডলস বল দিবে নতুনত্ব

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইফতারে মচমচে ও সুস্বাদু খাবার তো কিছু থাকেই। তবে সেসব খাবার যেন ঘরেই তৈরি করা হয়। কারণ বাইরের ভাজাপোড়া খাবার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। ইফতারে মুখরোচক খাবার হিসেবে রাখতে পারেন চিকেন নুডলস বল। এটি তৈরি করা বেশ সহজ। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক চিকেন নুডলস বল তৈরির রেসিপি-

পরিমাণমতো তেল, চিকেন কিমা- ১ কাপ, চামচ আদা বাটা- আধা চা চামচ, রসুন বাটা- আধা চা চামচ, লেবুর রস- এক চা চামচ, গোল মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ, নুডলস- ১ প্যাকেট, পেঁয়াজ কুচি- ২ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি- ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার- ২ টেবিল চামচ, চিনি- ১ চা চামচ, লবণ- স্বাদমতো, ডিম- একটি।

যেভাবে তৈরি করবেন: কড়াইতে তেল গরম হতে দিন। অন্য একটি পাত্রে চিকেন কিমা, আদা বাটা, রসুন বাটা, গোলমরিচের গুঁড়া ও লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। এরপর তাতে মেশান নুডলস, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, লবণ, কর্নফ্লাওয়ার, চিনি ও ডিম। সবকিছু ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। তেল গরম হলে মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট বল আকারে গড়ে তাতে ছাড়ুন। অল্প আঁচে সোনালি রং করে ভেজে তুলুন। এরপর পছন্দের সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

নিউজ ট্যাগ: নুডলস বল

আরও খবর



এনএসইউ’র ৩০ কোটি টাকা দামের গাড়ি বিক্রির নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের বিলাসবহুল ১০টি গাড়ি বিক্রয় করে সেই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিলে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। বিলাসবহুল এসব গাড়ির প্রায় প্রতিটির মূল্য তিন কোটি। শুধু একটি গাড়ির মূল্য এক কোটি ১০ লাখ টাকা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ থেকে মঙ্গলবার (১৭ মে) দেওয়া এক নির্দেশনায় বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৪৪ (১) অনুযায়ী প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সাধারণ তহবিল থাকবে এবং ৪৪ (৭) ধারা অনুযায়ী সাধারণ তহবিলের অর্থ উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যয় ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দ্যেশে ব্যয় করা যাবে না।

কিন্তু নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়ন খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয় না করে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ১২টি গাড়ি ক্রয় করে। যার মধ্যে ১০ টি বিলাসবহুল গাড়িই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ৪৬ (৬) ধারা অনুযায়ী সরকার ও কমিশন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃংখলা নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য যেরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করবে সেরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করতে পারবে এবং উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিয়েছে, ২০১৯ সালে জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কেনা ওই ১২টি গাড়ির মধ্যে ১০টি বিলাসবহুল গাড়ি খোলা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রয় করতে হবে। বিক্রয়কৃত এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৪৪ (১) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ তহবিলে জমা দিয়ে মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন-কে জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রেঞ্জ রোভার ভোগ পি ৪০০ ই, ২০১৯ মডেলের আরেকটি জীপ গাড়ি ক্রয় করে ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। এই গাড়ির দাম হচ্ছে দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা।


আরও খবর