আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

অপরাজেয় বাংলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর দেশজুড়ে মুক্তিযুদ্ধ ও যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি ভাস্কর্য। এসব ভাস্কর্য বহন করে দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংগ্রামী ইতিহাস। এর মধ্যে একটি অপরাজেয় বাংলা। স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সুতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত ভাস্কর্যটির নাম অপরাজেয় বাংলা। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য। ভাস্কর্যটি বিষয়বস্তু তিনজন দণ্ডায়মান মুক্তিযোদ্ধা। এটি নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ। অপরাজেয় বাংলা নামকরণটি করেন মুক্তিযাদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী। ১৯৭২ সালে কলা ভবনের সামনে ভাস্কর্যটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। কাজ শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। আর ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।

৬ ফুট বেদীর উপর নির্মিত ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট। এতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয়। সর্বস্তরের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণের প্রতীক অপরাজেয় বাংলা 

১৯৭২-৭৩ সালে ডাকসুর ভিপি ছিলেন মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং জিএস ছিলেন মাহবুব জামান। এসময় ডাকসুর উদ্যোগে অপরাজেয় বাংলার কাজে হাত দেওয়া হয়। এর তিনটি মূর্তির একটির ডান হাতে দৃঢ় প্রত্যয়ে রাইফেলের বেল্ট ধরা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি। চোখমুখ স্বাধীনতার চেতনায় উদ্দীপ্ত। এর মডেল ছিলেন আর্ট কলেজের ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা বদরুল আলম বেনু। থ্রি নট থ্রি রাইফেল হাতে সাবলীল ভঙ্গিতে দাঁড়ানো অপর মূর্তির মডেল ছিলেন সৈয়দ হামিদ মকসুদ ফজলে। আর নারীমূর্তির মডেল ছিলেন হাসিনা আহমেদ। ১৯৭৫ সালের পর অনেকদিন অপরাজেয় বাংলার নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল।

১৯৭৯ সালের ১৯ জানুয়ারি পূর্ণোদ্যমে অপরাজেয় বাংলার নির্মাণ কাজ ফের শুরু হয়। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় এ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করা হয়। তবে অপরাজেয় বাংলার কাছে ভাস্করের নাম খচিত কোনো শিলালিপি নেই। স্বাধীনতার এ প্রতীক তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন গুণী শিল্পী ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের বেদীতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। কালক্রমে ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনের অন্যতম পরিচায়ক হয়ে উঠেছে।

নিউজ ট্যাগ: অপরাজেয় বাংলা

আরও খবর
অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪

খুলনা মুক্ত দিবস আজ

রবিবার ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩




বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

Image

দুদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদার করতে এবং স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেন, আপনি (শেখ হাসিনা) ঐতিহাসিক পঞ্চম মেয়াদে যাত্রা শুরু করেছেন। আপনার নেতৃত্বে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের উন্নয়ন চোখে পড়ার মতো। এ অবস্থায় ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদার এবং এলডিসি মর্যাদা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি আমি আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, আমাদের অংশীদারিত্ব এক গভীর অভিন্ন ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা মানুষে-মানুষে দৃঢ় বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অধিকার ও স্বাধীনতার অগ্রগতির পাশাপাশি রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, এই মূল্যবোধগুলো কমনওয়েলথ পরিবারের মূল ভিত্তি এবং এটি একটি গতিশীল গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন করে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ আকর্ষণ করে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, আমি অভিবাসন বিষয়ে সহযোগিতাকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় আলোচ্যসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছি। আপনি সদয়ভাবে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদেরকে ফেরত পাঠানোর একটি টেকসই ও সুশৃঙ্খল উপায়কে সমর্থন করেছেন। আমি আশা করছি, পারস্পরিক সহযোগিতার বৃহত্তর আলোচ্যসূচির অংশ হিসেবে প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হয়েছে।


আরও খবর



পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে পশ্চিমাদের সতর্ক করলেন পুতিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কিয়েভে সেনা পাঠানোর দুঃসাহস দেখালে তার জন্য দুঃখজনক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে পশ্চিমাদের সতর্ক করে দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। তবে ইউরোপের নেতারা ম্যাক্রোঁনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে প্রতিক্রিয়া দেখে প্রতীয়মান হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এক ভাষণে ভ্লাদিমি পুতিন বলেন, তারা ইউক্রেনে পশ্চিমা সামরিক কন্টিনজেন্ট পাঠানোর সম্ভাবনা ঘোষণা করেছে। এর আগে রাশিয়ার সীমানায় সেনা পাঠানোর পরিণতি আমরা স্মরণ করি। কিন্তু এবার সম্ভাব্য হস্তক্ষেপকারীদের পরিণতি হবে আরও দুঃখজনক।

তিনি বলেন, তাদের বুঝতে হবে আমাদেরও অস্ত্র আছে যা তাদের ভূখণ্ডে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এসব পারমাণবিক সংঘাতের সত্যিকারের ঝুঁকি তৈরি করে। তারা (পশ্চিমারা) কি এটা বোঝে না, প্রশ্ন রাখেন পুতিন।


আরও খবর
সেনেগালে নৌকাডুবিতে অন্তত ২০ অভিবাসীর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কাল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শুরু হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা এবং আনন্দমুখর পরিবেশে প্রতিবারের ন্যায় এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৪ শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্ মাঠে সুশৃঙ্খল ও নয়নাভিরাম বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করবেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট এবং পতাকাবাহীদলের মনোমুগ্ধকর প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন। এর পর পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) এর স্টল পরিদর্শন এবং পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কল্যাণ প্যারেডে অংশগ্রহণ করবেন।

ছয় দিনব্যাপী এ পুলিশ সপ্তাহ চলবে ৩ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত। এবারের পুলিশ সপ্তাহ ২০২৪ এর মূল প্রতিপাদ্য- স্মার্ট পুলিশ, স্মার্ট দেশ; শান্তি প্রগতির বাংলাদেশ

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে বিগত ২০২৩ সালে অসীম সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ, মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা প্রদর্শন, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের জন্য ৪০০ জন বিপিএম ও পিপিএম পদক পাচ্ছেন।

পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অসীম সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) , ৬০ জনকে ‌রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা প্রদর্শন, কর্তব্য নিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম-সেবা) এবং ২১০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পদক প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদেরকে পদক প্রদান করবেন।

এদিকে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ পৃথক বাণী দেবেন।

বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীকে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনীতে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রমে এসেছে গতিশীলতা এবং কর্মচাঞ্চল্য। পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির সংযোজন, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশেষায়িত নতুন নতুন ইউনিট গঠনসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতার চ্যানেলগুলোতে এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

এ ছাড়া পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্মেলন, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মেলন, ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীবর্গের সম্মেলন, আইজি’ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড, অস্ত্র/মাদক উদ্ধার প্রভৃতি পুরস্কার বিতরণ, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে কর্মরত পুলিশ অফিসারদের পুনর্মিলনী, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সমাবেশ, ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে আইজিপির সম্মেলন এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ইত্যাদি।

আগামী ৩ মার্চ ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহের নানা আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।


আরও খবর



স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যাওয়ার আভাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসময়ে প্রতি আউন্সের দর উঠতে পারে ৩০০০ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের বিশ্লেষকরা এ পূর্বাভাস দিয়েছেন। দেশটির প্রভাবশালী বাণিজ্যিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে আউন্সপ্রতি স্বর্ণ বেচাকেনা হচ্ছে ২০১৬ ডলারে। চলতি বছর নিরাপদ আশ্রয় ধাতুটির মূল্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ২০২৫ সাল নাগাদ সর্বকালের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল স্বর্ণের দাম। গত ৩ ডিসেম্বর লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্সের দর দাঁড়ায় ২১৫২ ডলারে। সর্বকালে যা ছিল সর্বোচ্চ। মানে এর আগে কখনও মূল্যবান ধাতুটির এত মূল্য দেখেননি বিশ্ববাসী। 

আসছে ১ থেকে দেড় বছরের মধ্যে সেই নজিরও চুরমার হয়ে যেতে পারে। সিটির উত্তর আমেরিকাভিত্তিক পণ্য গবেষণার প্রধান আকাশ দোশি বলেন, এসময়ে স্বর্ণের দাম বাড়বে ৫০ শতাংশ। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য তিনটি অনুঘটকের যেকোনো একটি বিদ্যমান থাকলেই হবে।

তিনি বলেন, প্রথমত; বিশ্বজুড়ে বৃহৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ব্যাপক হারে স্বর্ণ কেনা বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি চড়া থাকতে পারে। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক মন্দা গভীর হতে পারে। পরবর্তী ১২ থেকে ১৮ মাসে এর মধ্যে যেকোনো একটি বিরাজ করলেই স্বর্ণের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ ছাড়িয়ে যাবে।


আরও খবর



ইজতেমায় ফের তিন মুসল্লির মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা দশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় ফের আরও তিন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিন সকাল পর্যন্ত একজন পুলিশ সদস্যসহ ১০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে ইজতেমা ময়দানে সাতজন, ময়দানে আসার পথে একজন পুলিশ সদস্যসহ তিনজন রয়েছেন। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তিনজন মারা যান।

নিহত তিন মুসল্লি হলেন- শেরপুর জেলা সদরের জুগনিবাগ গ্রামের মৃত সমশের আলীর ছেলে নওশের আলী (৬৫), ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জের  সামানদার গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে আ. কাদের (৫৫) ও নেত্রকোনা সদরের কালিয়াঝুড়ি এলাকার হোসেন আহম্মদের ছেলে স্বাধীন (৪৫)।

এর আগে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মারা যাওয়া চার মুসল্লি হলেন- নেত্রকোনা থানার কুমারী বাজার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আবদুস সাত্তার (৭০), একই জেলার বুড়িঝুড়ি গ্রামের স্বল্পদুগিয়া গ্রামের আব্দুস ছোবাহানের ছেলে এখলাস মিয়া (৬৮), ভোলা জেলার ভোল্লা গ্রামের নজির আহমেদের ছেলে শাহ আলম (৬০), জামালপুর জেলার তুলশীপুর এলাকার পাকুল্লা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মতিউর রহমান (৬০)।

ময়দানে আসার সময় মারা যাওয়া তিনজন হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬০), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ইজতেমায় আসার পথে বাসচাপায় নিহত পুলিশ সদস্য হাসান উজ্জামান (৩০)।

তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান এই মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জাহাঙ্গীর আলম মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন।


আরও খবর