আজঃ শুক্রবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ঐতিহ্য হারাতে বসেছে শুটকির বন্দর তিস্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯৫জন দেখেছেন

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

কালের আবর্তে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা নদীর তীর ঘেঁষা শুটকির বন্দর তিস্তা। নেই আগের মত হাঁকডাক ক্রেতাশূন্য মোকামে একপ্রকার অলস সময় পার করছেন পাইকাররা। বংশপরম্পরায় ধরে যারা এই ব্যবসা চালিয়ে আসছেন তাদের অবস্থাও এখন শোচনীয়।

এই শুটকি বন্দরটি গড়ে উঠেছিল প্রায় আড়াই শত বছর আগে ব্রিটিশ আমলে। সেই সময়ে চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বড় বড় নৌকা বিভিন্ন জাতের শুটকি নিয়ে ভিড়ত এই বন্দরে। আর আসাম, পশ্চিমবঙ্গসহ অবিভক্ত বাংলার বিভিন্ন শহরে চলে যেত এই শুটকি। সেই সময় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের আনাগোনায় মুখরিত থাকত এই বন্দরটি। বন্দরটিকে ঘিরেও তাই গড়ে উঠেছিল অন্যান্য ব্যবসা।

শুটকি ব্যবসায়ী রমজান আলী(৫৭) জানান এই শুটকি বন্দরটি তিনি ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছেন। তার বাপ দাদারা এখানেই ব্যবসা করতেন। তখন এখানে অনেক বড় বড় পাইকার আসত, বিভিন্ন জাতের শুটকি কেনাবেচা হত। সেগুলো দেশে এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে চলে যেত। বর্তমানে সৈয়দপুরের শুঁটকি বন্দর হওয়াতে আগের মতো কেনাবেচা এখনো হয় না। ব্যবসার অবস্থা ভালো না থাকায় অনেকেই পেশার পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় চলে গেছেন।

আরেক ব্যবসায়ী শফিক মিয়া (৪৫) জানান, বর্তমানে এই বন্দরে নেই তেমন বেঁচা কেনা, তাই বাপ-দাদার ব্যবসা টিকিয়ে রাখাটাই এখন তার কাছে কষ্টসাধ্য হয়েছে পড়েছে। ব্যবসার পুঁজিও নেই তেমনটা।

তিস্তা শুটকি বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দিলীপ রায়(৬৩) বলেন, সরকার যদি এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য স্বল্প সুদে বা সুদমুক্ত ঋণ দিত তাহলে আমরা হয়তো পূর্বপুরুষের ব্যবসাটি টিকিয়ে রাখতে পারতাম।

সময়ের সাথে সাথে বন্দরটিও যেন হারিয়েছে তার যৌবন। নেই আগের মত চাহিদা, অনেকে আবার পুঁজি খুইয়ে চলে গেছে অন্যত্র, করেছেন পেশার পরিবর্তন। যারা বর্তমানে হাতেগোনা কয়একজন এই ব্যবসা করছেন তারাও নেই ভালো। পুঁজির অভাবে তাদের ব্যবসা দিন দিন ছোট হয়েই চলেছে। সরকারের একটু সহযোগিতায় আবারও হয়তো ফেরানো যাবে প্রাচীন এই ব্যবসার প্রাণ। এমনটাই দাবি শুটকির ব্যবসার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের।


আরও খবর
মাছের পরিবর্তে জালে উঠলো লাখ টাকা

বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১




ডেঙ্গুতে আরও ১৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩১ জন ও ঢাকার বাইরে ৩২ জন ভর্তি হয়েছে। বুধবার (১০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৯ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৫৩৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১১২ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫ হাজার ৬৫ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৪ হাজার ৩২০ জন। এছাড়া, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৯৬ জন।


আরও খবর
আরও ১০৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ জন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




পূর্বাচলে ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাণিজ্যমেলা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) হবে ২০২২ সালের বাণিজ্যমেলা। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে মেলা শুরুর অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের মেলায় চলাচলের সুবিধার্থে কুড়িল ফ্লইওভার থেকে মেলাপ্রাঙ্গণে বিআরসিটিসির বাস চলবে। আর ডিসেম্বরের মধ্যেই পূর্বাচলের রাস্তা সংস্কার করে চলাচলের জন্য উপযোগী করা হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আগামী ১ জানুয়ারি রাজধানীর পূর্বাচলে স্থাপিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইপিবিকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এক্সিবিশন সেন্টারটির প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ করেছি। অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। মেলাপ্রাঙ্গণ প্রস্তুত। ইপিবি মেলার লেআউটসহ অন্যান্য কাজ করবে।

কুড়িল থেকে মেলাকেন্দ্রে চলবে বিআরটিসির বাস:

বাণিজ্যমেলাকে কেন্দ্র করে কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে পূর্বাচলের মেলাকেন্দ্রে বিআরটিসির বাস চলাচল করবে। মাসব্যাপী এই রুটে বিআরটিসির ৩০টি বাস চলাচলের জন্য চিঠি দিয়েছে ইপিবি। এসব বাসের ন্যূনতম একটা ভাড়া থাকবে। এতে সহজেই কুড়িল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে মেলাকেন্দ্রে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

ডিসেম্বরের মধ্যে সড়ক সংস্কার:

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে যাওয়ার পথে সড়কের দুর্দশা নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্বাচলের ১০ কিলোমিটার সড়কে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

মেলায় থাকবে প্রায় তিনশ স্টল:

এবারের বাণিজ্যমেলায় প্রায় তিনশ স্টল থাকবে। ভেতরে এবং বাইরে মিলে এসব স্টল থাকবে। তবে মেলাকেন্দ্রের ভেতরে থাকা জায়গার মধ্যে অধিকাংশই মানুষের চলাচলের জন্য ফাঁকা রাখা হবে। আর কেন্দ্রের বাইরে ডানপাশে স্টল বসলেও, আরেকদিক সৌন্দের্যের জন্য ফাঁকা রাখা হবে।

মেলায় থাকবে পার্কিং ব্যবস্থা:

নতুন মেলাকেন্দ্রে বৃহৎ পরিসরে পার্কিং সুবিধা রয়েছে। তবে মেলার শৃঙ্খলার স্বার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কেন্দ্রের পাশেই রাজউকের পানির প্ল্যান্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানেই এক হাজার গাড়ি পার্কিং হবে। জানা গেছে, দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

যেসব সুবিধা রয়েছে এক্সিবিশন সেন্টারে:

রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। যার মধ্যে চীনের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকারের ২৩১ কোটি টাকা ও ইপিবি নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছে।

এক্সিবিশন সেন্টারে তৈরি করা ফ্লোরের আয়তন ৩৩ হাজার বর্গমিটার, বিল্ডিংয়ের ফ্লোরের আয়তন ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার, এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এক্সিবিশন হলে ৮০০টি বুথ রয়েছে, প্রতিটি বুথের আয়তন ৯ দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ের মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, যেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ আছে।

এছাড়াও রয়েছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি মিটিং রুম, ৫০০ আসনবিশিষ্ট ক্যাফেটেরিয়া, শিশুদের খেলার স্পেস, নামাজের কক্ষ, অফিস রুম দুটি, মেডিকেল রুম, ডরমিটরি-গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেটসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।

নিউজ ট্যাগ: বাণিজ্যমেলা

আরও খবর
আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




দায়িত্ব নিয়েই পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৮ ঘণ্টার মাথায় পদত্যাগ করলেন ম্যাগদালিনা অ্যান্ডারসন। বুধবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জোটসঙ্গী গ্রিন পার্টির সমর্থন প্রত্যাহার ও পার্লামেন্টে বাজেট অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে একটি বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছিলেন এ সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতা। কিন্তু প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান হয়ে যায়। এরপর ম্যাগদালিনার ওপর সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় জোটসঙ্গী গ্রিন পার্টি । এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন অ্যান্ডারসন।

এক সংবাদসম্মেলনে ম্যাগদালিনা জানান, সাংবিধানিক একটি চর্চা রয়েছে, জোট সরকারের একটি দল যখন জোট ছাড়ে তখন সরকার পদত্যাগ করে। আমি এমন কোনো সরকারের নেতৃত্ব দিতে চাই না যার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পার্লামেন্টে শরিক দলের সমর্থন নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরব।

এদিকে গ্রিন পার্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পার্লামেন্টে বাজেট প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর ম্যাগদালিনার ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করা সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে বাজেট ইস্যুতে পার্লামেন্ট থেকে ওয়াক আউট করলেও পরবর্তীতে ম্যাগদালিনার আস্থা ভোটে গ্রিন পার্টি সমর্থন জানাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে বামপন্থি দলটি।

এর আগে বুধবার দিনের প্রথমভাগে সুইডিশ আইনের জটিল মারপ্যাঁচে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। এতে দেশটির শতবছরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়েন তিনি।

সুইডেনের নিয়ম অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী হতে কারও তার পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ার দরকার নেই, শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তার বিরোধিতা না করলেই হলো। 


আরও খবর
ভারতে ধরা পড়ল ওমিক্রন

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




ওমিক্রন: দেশের সব প্রবেশপথে সতর্কবার্তা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগী সবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের কাজটি আরও বেগবান হবে

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ায় দেশের সব প্রবেশপথে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও পরিচালক (রোগ-নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

রোববার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ তথ্য জানান।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং এটি প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে দেশের সব পোর্ট অব এন্ট্রিতে (স্থল, সমুদ্র, বিমান ও রেলওয়ে) সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কারিগরি ও পরামর্শক কমিটি বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া এ সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বৈঠক করছে। দেশের সবার জন্য মঙ্গলজনক হয় এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগী সবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের কাজটি আরও বেগবান হবে।

অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো কারণ নেই। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি (নিয়মিত মাস্ক পরিধান, সাবান পানি নিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা) মেনে চলতেই হবে।


আরও খবর
দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1

এএসপি হলেন ২২ পুলিশ কর্মকর্তা

বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1




বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের স্মারকলিপি পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ১৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দেওয়া স্মারকলিপিটি পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ফজলুর রহমান, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আজম  খান, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, তৈমূর আলম খন্দকার, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, রুহুল কুদ্দুস কাজল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে তাকে স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিটি গ্রহণ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, স্মারকলিপি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত ও মতামতের জন্য আলোচনা ও সময়ের প্রয়োজন। আমি একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, যখন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হয়, তখন কিন্তু উনার পরিবারের যে আবেদনসেটা মানবিক দিক বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখেছেন। তখন কিন্তু কোনও দাবি তুলতে হয়নি, প্রধানমন্ত্রী নিজেই করেছেন। সে ক্ষেত্রে মানবিকতার কমতি আমাদের নেই। আমরা মানবিকতা দেখাতে জানি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মানবিকতা দেখাতে জানেন।

আইনমন্ত্রী বিএনপি নেতাদের বলেন, ৪০১ ধারার আলোচনায় আমি এখন যেতে চাই না। আমাদের স্বাভাবিক আইনে মতপার্থক্য থাকবে। আমারও আপনাদের সঙ্গে আইনের বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। আপনারা যে ৪০১ ধারা, উপধারার কথা বলেছেন, সেখানে আপনারা বলেছেনকোথাও বিদেশ যাওয়া যাবে না, কথাটি বলা নেই। সেখানে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে বলা না থাকলেও একটা কথা বলা আছে। সেটা হলো, শর্তযুক্ত বা শর্তমুক্ত। সেখানে দুটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। আমি সে আইনের দিকে যাবো না। আপনারা যে স্মারকলিপি দিয়েছেন, সেটা আমি অবশ্যই পর্যালোচনা করবো। তবে সিদ্ধান্ত ও মতামতের ব্যাপারে আলোচনার প্রয়োজন আছে, সেটা আমরা করবো।

উল্লেখ্য, শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন জানিয়ে তাকে বিদেশ পাঠাতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে বিএনপি।



আরও খবর