আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নতুন কী আছে আইফোন ১৫ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

টেক দুনিয়ার জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাজারে আসছে অ্যাপলের আইফোন ১৫। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর ৪০টি দেশ ও অঞ্চলে পাওয়া যাবে আইফোন ১৫ সিরিজের মোবাইল ফোন। তবে এর প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। এতে ক্যামেরাসহ বেশ কিছু ফিচারে এসেছে পরিবর্তন। আইফোন ১৫ ছাড়াও নতুন সিরিজে থাকছে ১৫ প্লাস, ১৫ প্রো ও ১৫ প্রো ম্যাক্স।

ডিসপ্লে ও ডিজাইন

বরাবরের মতো এবারও আইফোন ১৫ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে আছে বড় ওলেড ডিসপ্লে। ফোনের ওপরের দিকে ডায়নামিক আইল্যান্ড নামে একটি বার যুক্ত করা হয়েছে। বারটিতে সামনের ক্যামেরা, সেন্সর, অ্যাপ ডেটা ও বিভিন্ন টাস্কের তথ্য পাওয়া যাবে। আইফোন ১৫ প্রোতে থাকছে ৬.১ ইঞ্চির ডিসপ্লে, অন্যদিকে ১৫ প্রো ম্যাক্সে ডিসপ্লে থাকছে ৬.৭ ইঞ্চি। আকারে পরিবর্তন না এলেও, ফোনের পাশগুলো আরও পাতলা হয়েছে। নতুন ফোনে মসৃণ স্টিলের পরিবর্তে টাইটেনিয়াম ব্যবহার করা হয়েছে। মজবুত ও স্থায়িত্বের সঙ্গে পাতলা হওয়ায় টাইটেনিয়াম আইফোন ব্যবহারে নিয়ে আসবে নতুনত্ব। মোবাইল ফোনগুলো যাতে সহজে মেরামত করা যায়, সেদিকে এবার জোর দেওয়া হয়েছে।

এ১৭ প্রো চিপ

গত বছরের এ১৬ বায়োনিক চিপের পরিবর্তে এবারের ফোনগুলো এ১৭ চিপ দিয়ে তৈরি। আকৃতিতে মাত্র ১৩ ন্যানোমিটার; ১৯ কোটি ট্রানজিস্টর, ৬-কোর সিপিইউ, ১৬-কোর নিউরাল ইঞ্জিন এবং ৬-কোরের উন্নত জিপিইউর সমন্বয়ে গঠিত চিপটি।

ক্যামেরা

বরাবরের মতো তিনটি ক্যামেরাই থাকছে আইফোন ১৫ প্রো ও ১৫ প্রো ম্যাক্সে। তবে ১৫ প্রো ম্যাক্সে অ্যাপল চিরাচরিত টেলিফটো ক্যামেরার পরিবর্তে পেরিস্কোপ ক্যামেরা ব্যবহার করেছে। এ ছাড়া উন্নত স্ট্যাবিলাইজার ছবি ও ভিডিও ধারণ আরও মসৃণ করে তুলবে। ১৪ প্রো ও ১৪ প্রো ম্যাক্সের মতোই এবারের প্রো সংস্করণের ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল। নতুন ফোনে তুলনামূলক বড় সেন্সর যুক্ত করা হয়েছে। আইফোন ১৫ সিরিজের সব ফোনে পোর্ট্রেট মুডের ছবি হবে আরও রঙিন। পোর্ট্রেট মুড ক্লিক না করলেও আইওএস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশদসহ ছবি তুলে নিতে পারবে। নতুন ফোনে থ্রিডি ভিডিও ধারণ করে ভিশন প্রো ভিআর সেটের মাধ্যমে দেখা যাবে। প্রথমবারের মতো আইফোনে থাকছে একাডেমি কালার ইনকোডিং সিস্টেম

অ্যাকশন বাটন

দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল, নতুন আইফোনে ক্ল্যাসিক মিউট সুইচের পরিবর্তে অ্যাকশন বাটন যুক্ত করা হবে। অ্যাকশন বাটনের অনেক সুবিধা আছে। যেমন এখনো ফোন মিউট করতে বাটনটি ক্লিক করা যাবে। এর বাইরে ভয়েস মেমো রেকর্ড, ক্যামেরা খোলা এবং শর্টকাটের মতো জিনিসগুলোর কাজ করা যাবে এই বাটন দিয়ে।

ইউএসবি-সি

এ বছর আইফোনের চার্জার নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছে। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গড়ে তুলতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবার আইফোনকে ইউএসবি-সি চার্জার ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে। ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটি নতুন ফোনে ইউএসবি-সি টাইপের চার্জার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। এর আগে আইফোন ২০১২ সালে এ ধরনের হালকা চার্জার ব্যবহার করে। আইফোন ১৫তে ইউএসবি-সি চার্জার থাকলেও গতি বাড়াতে প্রো সংস্করণে ইউএসবি-৩-এর গতিসীমা ১০ জিবিপিএস করা হয়েছে।

ওয়াই-ফাই, ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট-সেবা

প্রো সংস্করণে ওয়াই-ফাই-৬-এর পরিবর্তে থাকছে আরও উন্নত ওয়াই-ফাই-৬ই। নতুন প্রযুক্তি উচ্চ ব্যান্ডউইডথ ও দ্রুতগতির নিশ্চয়তা দেবে। পরবর্তী প্রজন্মের ওয়াইডব্যান্ড চিপ ফাইন্ড মাই অ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ফোন এবং বন্ধু খোঁজা সহজ করে দেবে। রাস্তায় চলার সহযোগী হিসেবে অ্যাপল ইমারজেন্সি এসওএস তৈরি করছে। আইফোন ১৫ সিরিজের যেকোনো ফোন কিনলে এর সঙ্গে দুই বছরের ফ্রি স্যাটেলাইট সেবাও পাওয়া যাবে।


আরও খবর



ঘুমের মধ্যে দম আটকে যাওয়া কীসের লক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে রাতে একটু ঘুমাতে গেলেন, কিন্তু দম আটকে যাওয়ার কারণে আচমকাই জেগে উঠতে হয়। এই সমস্যা অনেকের হয়ে থাকে। কিংবা রাতে লম্বা ঘুম দেয়ার পর বিকেল নামতেই ঝিমুনি। এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে হেলাফেলা করা যাবে না। এগুলো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ। স্লিপ অ্যাপনিয়ার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিস্তারিত বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে স্লিপ অ্যাপনিয়া নিয়ে।

স্লিপ অ্যাপনিয়া: স্লিপ অ্যাপনিয়ায় হচ্ছে ঘুমানোর সময় শ্বাসনালি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। শ্বাসনালি যতক্ষণ বন্ধ থাকে, রোগী নিশ্বাস নিতে পারেন না। এতে বাইরে থেকে বাতাসের মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। এতে মস্তিষ্ক, হার্ট বা অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিনের পর দিন কিছু সময়ের জন্য অক্সিজেনের ঘাটতির ফলে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। যার প্রভাবে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সচল রাখতে অক্সিজেন খাদ্যের মতো কাজ করে। যখন অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্ক সিগন্যাল দিয়ে রোগীকে জাগিয়ে তোলে, যেন তিনি নিশ্বাস নেন এবং তখন সংকুচিত শ্বাসনালি খুলে যায়। এভাবে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বার বার জেগে ওঠেন। বার বার ঘুম ভাঙার কারণে তারা ক্লান্ত থাকেন, ফলে দিনের বেলায় ঝিমুতে থাকেন।

লক্ষণ: জাতীয় নাক কান গলা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্লিপ অ্যাপনিয়ার এমন কিছু লক্ষণের কথা জানিয়েছেন।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক নাক ডাকেন। দেখা যায়, তারা কখনো খুব জোড়ে ডাকছেন, আবার থেমে যাচ্ছে, তারপর আবার ভিন্ন স্বরে নাক ডাকছেন।

প্রায় সময় ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। বিশেষ করে চিত হয়ে ঘুমানোর সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে জেগে ওঠেন এবং কিছু সময়ের জন্য হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।

অনেক সময় ঘুমানোর পরও ক্লান্ত লাগে, কাজ করতে গিয়ে বা গাড়ি চালাতে গিয়ে হুট করে ঘুমিয়ে পড়েন।

মেজাজ খিটখিটে থাকে। কারও সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না, অবসাদগ্রস্ত লাগে। কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না।

ওষুধ খেয়েও রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

করণীয়: প্রাথমিক পর্যায়ের স্লিপ অ্যাপনিয়া ধরা পড়লে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘদিনেও চিকিৎসা না করলে সমস্যা জটিল আকার নিতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে; যার প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যা খুব বেশি হলে চিকিৎসক রোগীকে কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার বা সি প্যাপ নামে একটি যন্ত্রের সাহায্য নিতে বলেন। এই যন্ত্রটি অনেকটা বক্সের মতো এবং এর সঙ্গে মোটা পাইপের সংযোগ দিয়ে একটি মাস্ক বসানো থাকে। রোগীকে প্রতিবার ঘুমের সময় এই মাস্কটি পরতে হয়। এই যন্ত্রটি মূলত ঘুমের মধ্যে রোগীর শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং অক্সিজেনের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখে। ফলে শরীরের অঙ্গগুলোকে আর অক্সিজেনের ঘাটতিতে ভুগতে হয় না। এতে অনেক জটিল রোগের নিরাময় সম্ভব হয়।

তবে যারা সি-প্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না, তাদেরকে বিকল্প চিকিৎসা নিতে হয়। যেমন, গলার টনসিল বা নাকের পেশি বড় হয়ে গেলে তা অপারেশন করা। ম্যান্ডিবুলার অ্যাডভান্সমেন্ট ডিভাইস-ম্যাড ব্যবহার। এটি মুখের নীচের চোয়ালকে সামনে এগিয়ে রাখতে দাঁতের চারপাশে বসানো এক ধরনের যন্ত্র, যা শ্বাসনালি খোলা রাখতে সাহায্য করে।

লেজার অপারেশনের মাধ্যমে শ্বাসনালীর পরিধি বড় করাও একটি প্রক্রিয়া। এছাড়া জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলেও স্লিপ অ্যাপনিয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। যেমন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ও মদপান পরিহার, কাত হয়ে ঘুমানো।

নিউজ ট্যাগ: স্লিপ অ্যাপনিয়া

আরও খবর



সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।

এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার (৫ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।


আরও খবর



৫২ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে পাকিস্তান। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতরের তথ্যানুসারে, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর। আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনো মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

এ অঞ্চলের বাসিন্দা এবং রেস্টুরেন্ট মালিক ওয়াজিদ আলী (৩২) বলেন, লোকজন পারতপক্ষে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে গত বেশ কয়েক দিন ধরে রেস্টুরেন্টে মানুষজন আসছে না। আমরা অলস সময় পার করছি।

মোহেঞ্জোদারোর স্থানীয় চিকিৎসক মুশতাক আহমেদ বলেন, অতি গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে লোকজন খুব বেশি প্রয়োজন না থাকলে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড ৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৭ সালের দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।


আরও খবর



বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে জাবি শিক্ষার্থীসহ নিহত ৩

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রংপুর প্রতিনিধি

Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পাঁচজন।

শনিবার (৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার খলেয়া গঞ্জিপুর চেয়ারম্যান মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জাবির ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞানবিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ ও বেগম রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোছা. আজমুদা আক্তার (রুমু)। তিনি উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেরভেরী গ্রামের বাসিন্দা।

অন্য দুজন হলেন- কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউএনও কার্যালয়ের আনসার সদস্য ও তারাগঞ্জ উপজেলার বসুনিয়া হাজীপাড়া গ্রামের মেহেরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের গণেশের বাজার এলাকার দিবা রানী সরকার। তারা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি মাসুমুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, নীলফামারীর জলঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি বাস এবং রংপুরের পাগলাপীর থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি অটোরিকশা খলেয়া গঞ্জিপুরের চেয়ারম্যান মোড় এলাকায় আসলে দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা মেহেরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় বাসের হেলপারসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হলে তাদের রংপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে পাঠায় স্থানীয়রা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই দিবা রানী সরকার ও রিমু আক্তারের মৃত্যু হয়।

ওসি মাসুমুর রহমান বলেন, বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাই। হাসপাতালে পাঠানোর পথে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নীলফামারীতে অতিরিক্ত গবাদী পশুর সংখ্যা এক লাখ ৩৩ হাজার ৯২টি

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীর ছয় উপজেলায় দুই লাখ ৭৬ হাজার ২০১টি গবাদী পশু আসন্ন কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে প্রস্তত করা হয়েছে। এর মধ্যে সদরে ৫১ হাজার ৭২৮, সৈয়দপুরে ৪০ হাজার ২৫৫, ডোমারে ৪২ হাজার ৮০৬টি, ডিমলায় ৪৩ হাজার ৫০১, জলঢাকায় ৫২ হাজার ২২৮ ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৪৫ হাজার ৬৮৩টি গবাদী পশু রয়েছে। জেলার ছয় উপজেলায় ৩০ হাজার ৯৭২ খামারীসহ কৃষকের বাড়ীতে এসব পশু লালন পালন করা হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এবার নীলফামারীতে গবাদী পশুর সংখ্যা দুই লাখ ৭৬ হাজার ২০১ টি। অপরদিকে, জেলায় কোরবানীর ঈদে পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ১০৯ টি। চাহিদার চেয়ে এবার এক লাখ ৩৩ হাজার ৯২টি পশু অতিরিক্ত (বেশী) রয়েছে।

সুত্র জানায়, খড়, ঘাস, খৈল, চালের কুড়া ও ভূষি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করছেন খামারীসহ কৃষকরা। প্রস্ততকৃত গবাদী পশু সর্বক্ষনিক দেখা শুনা করছেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, ওষুধের অপব্যবহার, রাশায়নিক খাবার বর্জনসহ খামারীদের নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। এছাড়াও কোরবানীর অনুপযোগি পশু ক্রয় বিক্রয় না করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি করে যাচাই টিম গঠন করা হয়েছে।

জেলা শহরের হাজি মহসিন সড়ক সংলগ্ন মোস্তাফিজার রহমান মুক্তি জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৩০টি গরু দেশীয় পদ্ধাতিতে খড়-ঘাস খাইয়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে। এবারে আমাদের দেশীয় গরু দিয়ে কোরবানীর হাট পরিপূর্ণ হবে। প্রচুর গরু রয়েছে কৃষক ও খামারীদের কাছে। আশা করি, এসব পশু ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে বেচাকেনা হবে।

রামনগর ইউনিয়নের বাহলীপাড়া গ্রামের মতিয়ার রহমান বলেন, এবার কোরবানীর জন্য দেশী জাতের ১২ টি গরু পালন করেছি। তবে খাদ্যের চড়া দাম (খড়, ঘাস, ভূষি) ও খামারে কাজের লোকের হাজিরা বেশী (প্রতিদিন ৭০০টাকা হাজিরা)। একটি গরুর পিছনে যে টাকা ব্যয় হয় তা পুশিয়ে নিতে কৃষক ও খামারীদের হিমশিম খেতে হবে।

ওই ইউনিয়নের গরু ব্যবসায়ী মো. অলিয়র রহমান, হামিকুল ইসলাম বলেন, গত বছর চেয়ে এবার গরুর দাম অনেক বেশী হবে। বাজারে এমনিতেই ৭০০ টাকা মাংসের কেজি। ফের খাওয়ার খরচ নিয়ে টানাটানি। তারপরেও গত বারের চেয়ে এবার দ্বিগুন দামে বিক্রিসহ প্রচুর গরু কেনা বেচা হবে। এতে কৃষক, খামারী, ব্যবসায়ী, ছোট ব্যবসায়ী (ফরিয়া দালাল) উভয় লাভবান হবে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী আব্দুল মালেক জানান, এবার সদরে প্রস্ততকৃত গবাদী পশুর সংখ্যা ৫১ হাজার ৭২৮টি। আশা করি, এই ঈদে গবাদী পশুর সংকট পড়বেনা। এতে খামারী ও ব্যবসায়ী উভয় লাভবান হবেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজুল হক বলেন, এবার কোরবানীর ঈদে দেশীয় পদ্ধাতিতে খৈইল, ঘাস ভূষি ও চালের কুড়া খাইয়ে গরু, ছাগল ও ভেড়া মোটাতাজা করা হয়েছে। জেলার ছয় উপজেলায় দুই লাখ ৭৬ হাজার ২০১টি গরু প্রস্তত করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায় একলাখ ৩৩ হাজার ৯২টি গবাদী পশু অতিরিক্ত রয়েছে। আশা করি ঈদুল আজহায় কোরবানীর পশুর ঘাটতি হবেনা।

নিউজ ট্যাগ: নীলফামারী

আরও খবর