আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

নটর‌ ডেমের ছা‌ত্র নিহতের ঘটনায় ডিএস‌সি‌সির তদন্ত ক‌মি‌টি

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ১১৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নটর ডেম কলেজের প্রথম ব‌র্ষের ছাত্র নাঈম হাসানের মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা দ‌ক্ষিণ সিটি কর‌পো‌রেশ‌ন (ডিএস‌সি‌সি)। সংস্থাটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর সিতওয়াত নাঈমকে আহ্বায়ক এবং মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) আনিছুর রহমানকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটি সাত কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। এছাড়াও এ দুর্ঘটনা কীভাবে সংগঠিত হলো তা সবিস্তারে উত্থাপন ও দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো যায়, সেজন্য সুপারিশ করবে এ কমিটি।

এর আগে বুধবার (২৪ ন‌ভেম্বর) সকাল সা‌ড়ে এগা‌রোটার দিকে ক‌লেজ থে‌কে কামরাঙ্গীর চ‌রে যাওয়ার প‌থে গু‌লিস্তান সি‌নেমা হ‌লের সাম‌নে ঢাকা দ‌ক্ষিণ সিটি কর‌পো‌রেশ‌নের এক‌টি ময়লার গা‌ড়ি নটরডেমছাত্র নাঈম হাসানকে ধাক্কা ‌দেয়। মারাত্মক আহত অবস্থায় তা‌কে ঢাকা মে‌ডিক্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে নেওয়ার পর সে মারা যায়।

এরপর নাঈম হাসা‌নের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর খবর ছ‌ড়ি‌য়ে পড়‌লে নটর‌ ডেম ক‌লেজ থে‌কে তার সহপাঠীরা বেলা তিনটার দি‌কে নাঈম হত্যার ‌বিচার চেয়ে প্রথ‌মে ঢাকা দ‌ক্ষিণ সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের দি‌কে যায়। প‌থে পু‌লি‌শের বাধার মু‌খে প‌ড়ে তারা জি‌পি‌ওর সাম‌নে জি‌রো প‌য়ে‌ন্টে অবস্থান নেয়। এসময় আ‌শপা‌শের এলাকায় সব ধর‌ণের যান চলাচল বন্ধ হ‌য়ে যায়।

এদি‌কে ক‌লে‌জছা‌ত্র নাঈমের দুর্ঘটনাজ‌নিত মৃত্যুর কার‌ণে ঢাকা দ‌ক্ষিণ সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের মেয়র ব্যা‌রিস্টার ফজ‌লে নূর তাপস গভীর শোক ও তার প‌রিবা‌রের প্রতি সম‌বেদনা জা‌নি‌য়ে‌ছেন। এ ছাড়াও দ‌ক্ষি‌ণের মেয়র নিহত নাঈম হাসানের জানাজায় অংশ নেবেন ব‌লেও জা‌নি‌য়ে‌ছেন।


আরও খবর



টঙ্গী ব্রিজ বন্ধ, রেলপথে বেড়েছে যাত্রীর চাপ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনের টঙ্গী ব্রিজের পলেস্তরা খসে পড়েছে গত মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর)। ঝুঁকি এড়াতে বিআরটি প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা বুধবার (১০ নভেম্বর) রাত থেকে ঢাকা অভিমুখী লেনটি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে সড়কটিতে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ঢাকামুখী যানবাহনগুলো বিকল্প পথে রাজধানীতে প্রবেশ করায় সড়কের টঙ্গী ব্রিজ এলাকায় যানজট অসহনীয় হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় সড়কপথের যাত্রীরা রাজধানীতে প্রবেশের জন্য ট্রেন ব্যবহার করায় রেলপথে বেড়েছে যাত্রীর চাপ।

বিআরটি প্রকল্পের (সেতু বিভাগের) পরিচালক মহিরুল ইসলাম বলেন, শনিবার (১৩ নভেম্বর) থেকে ব্রিজটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। চলাচল উপযোগী করতে প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বাজারের পাশে ব্রিজের কিছু অংশের ঢালাই খসে পড়ে। সেখানে লোহার পাটাতন ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ঝুঁকি থাকায় ব্রিজের ওপর দিয়ে বুধবার রাত থেকে যানবাহন চালাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুরোনো ব্রিজটি ভেঙে নতুন ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু হবে। বিআরটি প্রকল্পের প্রকৌশলীরা ইতোমধ্যে ব্রিজটি পরিদর্শন করে ওইসব মতামত দিয়েছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, ব্রিজের আনুমানিক পাঁচ ফুট দীর্ঘ ও তিন ফুট প্রশস্ত হয়ে পলেস্তরা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। ব্রিজের ওপর থেকে নিচে ড্রেন, পানি সব দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাঁশ ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে যানবাহন বন্ধ থাকলেও সাধারণ হাজার হাজার মানুষ পায়ে হেঁটে ব্রিজের ওপর দিয়েই চলাচল করছে।

গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকার রাইসুল ইসলাম পলাশ ঢাকার সিঙ্গার কোম্পানির একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, সর্বদা সড়কপথেই যাতায়াত করতেন। অনিশ্চয়তা থাকায় শনিবার থেকে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন থেকে ট্রেনে যাতায়াত করছেন। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার জাকির হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে সড়কপথে যাতায়াত করতেন। কিন্তু সড়কের সমস্যার কারণে বৃহস্পতিবার থেকে রেলপথে যাতায়াত করছেন।

বিমানবন্দর রেলস্টেশনের মাস্টার হালিমুজ্জামান বলেন, অন্যান্য সময়ের চেয়ে গত তিন দিন ধরে রেলপথে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেড়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন বলেন, এমনিতেই এক লেন তার ওপর গাড়ির চাপ। আমরা উত্তরবঙ্গের গাড়িগুলো সরাসরি টঙ্গী বাজার বেইলি ব্রিজ দিয়ে ঢাকায় নিচ্ছি। আর ঢাকার গাড়িগুলো কামারপাড়া সড়ক দিয়ে গাজীপুরে প্রবেশ করছে। ফলে ইউটার্নে কিছুটা সময় লাগলেও এতে কিছুটা সুফল পাচ্ছি আমরা। যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যরাও সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছেন। তবে সাধারণ মানুষ যাতে দুর্ভোগে না পড়েন সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত-বাহরাইনের প্রথম নৌ মহড়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইসরায়েলের যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে আরব আমিরাত এবং বাহরাইন। উপসাগরীয় কোনো দেশের নৌবাহিনী, আমেরিকান নৌবাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত ইসরায়েলি রণতরীর সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়ার ঘটনা এই প্রথম। মাত্র ৩ বছর আগেও বিষয়টা ছিল অচিন্তনীয়।

লোহিত সাগরে পাঁচ দিনের এই নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইসরায়েল এবং আমেরিকার রণতরীগুলো। এই মহড়া শুরু হয়েছে গত বুধবার (১০ নভেম্বর) এবং জাহাজের মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে জাহাজে ওঠা, অনুসন্ধান চালানো এবং তা জব্দ করার কৌশল এই মহড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড বলছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নৌবাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আরব আমিরাত এবং বাহরাইন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অ্যাব্রাহাম চুক্তি নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এই যৌথ মহড়ায় দেশগুলো অংশ নিচ্ছে। ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক, সামরিক এবং গোয়েন্দা যোগাযোগের ব্যাপারে ব্যাপকভিত্তিতে আলাপ আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে ইরান বিষয়ে এই দেশগুলোর একই ধরনের উদ্বেগের পটভূমিতে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান নিজে বাহরাইনে গেছেন এবং অক্টোবর মাসে ইউএই-র বিমান বাহিনীর অধিনায়ক প্রথমবারের মতো এধরনের একটি সফরে ইসরায়েল গেছেন।

ইরান যেভাবে তার শক্তি বৃদ্ধি করেছে

ইরানও সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে তাদের নিজস্ব নৌ মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকান এবং অন্যান্য পশ্চিমা নৌবাহিনীর উপস্থিতির ঘোর বিরোধিতা করছে ইরান।

শাহ-এর শাসনামলে ওই এলাকায় নৌ সামরিক শক্তিতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ ছিল ইরান। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর, ইরান, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীকে বহিষ্কারের জন্য প্রায়শই আহ্বান জানিয়েছে।

ইরান আরব দেশগুলোকে বলার চেষ্টা করেছে উপসাগরীয় এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্বাভাবিকভাবে ইরানের সাথেই জোটে তাদের অংশীদার হওয়া উচিত। কিন্তু ইরানের এই আহ্বানে তারা কর্ণপাত করেনি। ৬টি আরব রাষ্ট্রের প্রত্যেকেই আমেরিকাকে তাদের দেশে সামরিক ঘাঁটি তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে দিয়েছে।

সৌদি আরব, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান এবং তার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সম্পর্কে গভীরভাবে সন্দিহান।

ইরান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সফলভাবেই অগ্রাহ্য করে যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী বিকল্প মিলিশিয়া বাহিনীর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, তার ওপরেও তারা উদ্বেগের সাথে নজর রেখেছে।

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনে হামলা

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনের ওপর ৬ বছরের বেশি সময় ধরে চালানো বিমান হামলা ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীদের পরাজিত করতে পারেনি। লেবাননে হেযবোল্লাহ আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে।

ইরাক এবং সিরিয়াতে মিলিশিয়াদের অর্থ ও অস্ত্রের যোগান দিয়ে এবং সিরিয়াতে তাদের নিজস্ব বাহিনী পাঠিয়ে ইরান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ প্রশাসনের হাত শক্ত করে এই দুটি দেশে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।

ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভার আরও উন্নত করেছে এবং এসব ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম। রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌবাহিনীও দ্রুত তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদের নৌ অস্ত্র সম্ভারে যুক্ত করেছে দ্রুত আঘাত হানার এবং মাইন পাতার উপযোগী জাহাজ।

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর উদ্বেগের সাথে সহমত ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তারা ক্রমশই আরও বেশি উদ্বিগ্ন উঠছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালে তথাকথিত যৌথ সার্বিক কর্ম পরিকল্পনা (জেসিপিওএ) নামে যে পরমাণু চুক্তি হয়েছিল, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে ইরান সেই চুক্তির প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর।

ইসরায়েল সন্দেহ করে ইরান পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। যা ইরান অস্বীকার করে।

রহস্যজনক হামলা

ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে অঘোষিত একটা চাপা নৌ সংঘাতও চলেছে সাম্প্রতিক সময়ে। এমনকি লোহিত সাগর এবং ওমান উপসাগরেও জাহাজের ওপর রহস্যজনক হামলা হয়েছে। জুলাই মাসে ওমান উপকূলের অদূরে ইসরায়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী জাহাজের ওপর একটি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন হামলায় একজন ব্রিটিশ নিরাপত্তা রক্ষী ও একজন রোমানিয়ান নাবিকের মৃত্যুর জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। ইরান এই ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কার্যকলাপের নিন্দা জানানোর ব্যাপারে ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব। বিশেষ করে যুবরাজ মোহাম্ম বিন সালমান আল সাউদ ২০১৫ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌদি ইরানের সমালোচনায় আরও মুখর হয়েছে।

তবে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঘটা একটি ঘটনা রিয়াদে কৌশল পরিকল্পনাকারীদের সব হিসাব নিকাশ আমূল বদলে দেয়। সেদিন ভোরের আলো ফোটার আগে অন্ধকারের মধ্যেই সৌদি আরবের আবকেইক ও খুরাইশে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিশোধন স্থপনার ওপর এসে আঘাত হানে সুনির্দিষ্ট নিশানয় ছোঁড়া এক ঝাঁক ড্রোন ও মিসাইল। ওই একটা মাত্র হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন সাময়িকভাবে অর্ধেকে নেমে যায়।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়েছিল উত্তর দিক থেকে এবং পরে তদন্তে জানা যায় সীমান্তের অপর পাড়ে দক্ষিণ ইরাক থেকে ইরানের প্রক্সি মিলিশিয়ারা ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুঁড়েছিল।

ইরানের স্পষ্ট বার্তা

ইরানের পক্ষে বার্তাটা ছিল স্পষ্ট: ইরান চাইলে সৌদি আরব এবং তার মিত্র দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধনে সক্ষম, যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পানি লবণ-মুক্ত করার স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রগুলো।

সৌদি আরব সেই হামলার জবাব দিতে মুখর হয়ে ওঠেনি, যেটা ছিল উল্লেখযোগ্য এবং সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ইরানি এবং সৌদি কর্মকর্তারা উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কথাবার্তা বলেছেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তেহরান আর রিয়াদ তাদের মধ্যে সহসা একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে।

এর অর্থ হলো ভবিষ্যতে কোনো সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দুই দেশই যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা স্বীকার করে নেওয়া। এছাড়াও তাদের মধ্যে বিভেদ সত্ত্বেও ওই অঞ্চলে একটা স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা মেনে নিয়ে একটা সমঝোতার পথ বের করার গুরুত্ব অনুধাবন করা। 


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১




খুলনায় চাঁদাবাজি মামলায় পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর 2০২1 | ১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনায় চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ জনের ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় তা‌দের প্রত্যেক‌কে ১২ হাজার টাকা জ‌রিমানা, অনাদা‌য়ে আরও ৬ মা‌সের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কনস্টেবল মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন (পলাতক), কনস্টেবল ফরহাদ আহ‌মেদ, কনস্টেবল মোস্তা‌ফিজুর রহমান (পলাতক), আরমান শিকদার জ‌নি ও বা‌য়ে‌জিত। কনস্টেবলরা খুলনা পু‌লিশ লাই‌নে কর্মরত ছি‌লেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনে শান্তি রানী বিশ্বাসের চায়ের দোকানে উল্লেখিত আসামিরা সাদা পোশাকে মো. শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাককে বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে আটক রাখে। এ সময় আসামি মেজবাউদ্দিন নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। দর-কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি দৌলতপুর থানাকে জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এদিকে চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন বাদী হয়ে তিনজন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দুজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বাবলু খান তাদের পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আইসিসি অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলেন না সাকিব আল হাসান। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি যে হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে দেখা গেছে সাকিবের স্থলে বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডারের ১ নম্বরে আছে আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবীর নাম।

অথচ দুবাইলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালেই নবীকে টপকে ১ নম্বর অলরাউন্ডার হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান।

সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে সাকিবকে দুইয়ে ঠেলে দিয়ে নবী এককভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন।

সাকিবের চেয়ে ৫ পয়েন্ট রেটিংয়ে এগিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছেন নবী (২৬৫)। ১৭৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের লিভিংস্টোন। চতুর্থ স্থানে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১৭৮)ও পঞ্চম স্থানে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১৭৩) রয়েছেন।

৬ষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছেন ওমানের জিসান মাকসুদ।  তার পরেই রয়েছেন নামিবিয়ার স্মিথ।শীর্ষ দশে উঠে এসেছেন মঈন আলী ও মিচেল মার্শ।

 

 

 

 

 

 


আরও খবর



ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সৌদি আরব

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ছয় দেশের নাগরিকদের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে সৌদি আরব।  কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।  ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, মিসর, ও ভারতের নাগরিকদের মধ্যে যারা করোনার টিকার পূর্ণ ডোজ নিয়েছেন তারা সৌদি ভ্রমণ করতে পারবেন।  তাদের ক্ষেত্রে এখন থেকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন করা লাগবে না।  ১ ডিসেম্বর থেকে এই নীতি কার্যকর হবে।  


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১