আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

নওগাঁয় নদ-নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে চার উপজেলার হাজারো লোক পানিবন্দি

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ফয়সাল আহম্মেদ, নওগাঁ প্রতিনিধি

Image

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নওগাঁর মান্দা, আত্রাই, রাণীনগর ও মহাদেবপুরে ১২টি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত তিন হাজার পরিবার। তলিয়ে গেছে চার হাজার বিঘা জমির আউশ ও আমন ধানের ক্ষেতসহ ফসলের জমি। ভেঁসে গেছে ৪০/৫০ পুকুরের মাছ। রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় তিনটি রাস্তার যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে পথযাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডে ও সংশ্লিষ্টদের গাফলিতে এই ক্ষয়ক্ষতির মুখে পরেছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই নদের পানি মান্দায় বিপৎসীমার ১২০ সেন্টিমিটার, আত্রাইয়ে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মান্দায় ৮টি, রাণীনগরে ১টি আত্রাইয়ে ২টি ও মহাদেবপুরে ১টি স্থান ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পরেছেন। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ। বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ মূল বাঁধের বেশকিছু এলাকা চরম ঝঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।

এ অবস্থায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ টিকিয়ে রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বস্তায় বালু ভরে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে মেরামতের কাজ করছেন স্থানীয়রা।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, ইতিমধ্যে বন্যা কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বস্তায় বালু ভর্তি করে মেরামতের কাজ চলছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বক্ষনিক তদারকি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান, গত রোববার সকাল থেকে আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করে। ভেঙ্গে যাওয়া অংশগুলো আমরা স্ব স্ব উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে জিওব্যাগের মাধ্যমে মেরামতের চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে আরও কয়েকদিন পানি বাড়তে পারে। নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আরও খবর



বাড়তে পারে তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ফের বাড়তে পারে অতি প্রয়োজনীয় তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে; আর গ্যাসের দাম উৎপাদন পর্যায়ে বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ তার দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে দাম সমন্বয় করতে চাই। বিদ্যুতের গ্রাহক পর্যায়ে দাম সামান্য পরিমাণে বাড়তে পারে। যারা বড় গ্রাহক তাদের দাম তুলনামূলক বেশি বাড়তে পারে। আমরা স্বাবলম্বী গ্রাহকদের ভর্তুকি দিতে চাই না।

নসরুল হামিদ আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়ে গেছে ডলারের রেট। আগে ডলার ৭৮ টাকায় পাওয়া যেত। এখন প্রায় ১২০ টাকার মতো হয়ে গেছে। এক ডলারে প্রায় ৪০ টাকার মতো বেশি খরচ হচ্ছে। এতে বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম অপরিবর্তিত থাকলেও ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দাম সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মার্চ থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে জ্বালানি তেলের দাম। নতুন দর প্রথম সপ্তাহ থেকেই কার্যকর করা হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে দাম বাড়বে, আর কমে গেলে কমে আসবে।

বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী সমন্বয় করা হলে দাম বাড়বে, না-কি কমে আসবে? এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তেল আমদানির কর্মাশিয়াল এনভয়েজ অনুযায়ী ডিউটি ধরা হলে দাম কিছুটা বেড়ে যাবে। আর যদি পরিমাণ ভিত্তিক ডিউটি বিবেচনা করা হয় তাহলে দাম না বাড়ালেও চলে।

গত বছরের ৩০ জানুয়ারি সর্বশেষ গ্রাহক পর্যায়ে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এর তিন সপ্তাহ আগে ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি দাম গড়ে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

অন্যদিকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম বাড়ায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। আর গণশুনানির মধ্যদিয়ে ২০২২ সালের জুন মাসে গ্যাসের দাম বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।


আরও খবর



তানজিদের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে খুলনার টার্গেট ১৯৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম ফিরেছিলেন ১ রানে। তবে হাল ধরেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান। আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে সতীর্থ, টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা করতালিতে বরণ করে নিলেন তাকে। কেউ পিঠ চাপড়ে দিলেন তো কেউ বুকে টেনে নিলেন। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে খুলনা টাইগার্সের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে যে সেঞ্চুরি তুলে নেন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী এই ওপেনারের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটিই প্রথম শতক।

বিপিএলের দশম আসরে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। এমনিতে বেশ শান্ত মেজাজের, তবে ব্যাট হাতে ঠিক তার বিপরীত তানজিদ। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংকেই শেষ কথা মানেন এই তরুণ।

যার একটা ঝলক আজ দেখলেন তিনি। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম তানজিদ মাতান দারুণ সব চার-ছক্কায়। সেই ঝড় থামে ১১৬ রানে। ৬৫ বলের ইনিংসটি সমান ৮টি করে চার ও ছক্কার সাহায্যে।

অথচ কদিন আগে ডাউন ফর্মের কারণে একাদশের বাইরে থাকতে হয় তাকে। তবে চট্টগ্রামে পর্বে ফিরে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। আজকের শতকের আগে ৭০, ১৩ ও ৪১ রানের তিনটি ইনিংস খেলেন তানজিদ।

আজ ১৭৮.৪৬ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসে একবারই তানজিদ স্নায়ু চাপে ভুগেছেন বলে মনে হয়েছে। ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে জেসন হোল্ডারের বল ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ঠেলে ১ রান নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি।

পরের বলে অবশ্য আসে সেই মুহূর্ত। সিঙ্গেল নিয়ে তানজিদ পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। রানটা সম্পূর্ণ করে বুনো উদযাপনই করেন তানজিদ।

তানজিদের সেঞ্চুরি আর টম ব্রুসের অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় সংগ্রহ পেয়েছে চট্টগ্রাম। আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে তাদের ইনিংস থামে ১৯২ রানে। প্লে-অফের লড়াইয়ে ভালোভাবে টিকে থাকতে আজ জয় প্রয়োজন চট্টগ্রামের।


আরও খবর



শেরপুরে অগ্নিকাণ্ডে দাদি-নাতির মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুর সদরের এক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে এক শিশু ও এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই বাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া আগুনে চারটি গরুও পুড়ে মারা গেছে।

সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের পয়েস্তিরচরে আজ মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ফিরোজা বেগম (৭০) ও তাঁর নাতি শরিফ (৭)। নিহত ফিরোজা বেগম ওই গ্রামের মো. আমান উল্লাহ মন্টুর স্ত্রী ও শরিফ একই বাড়ির হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়িতে ভোরে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এ সময় একটি গোয়ালঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭ বছরের শিশু শরিফের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় আশঙ্কাজনক অবস্থায় শরিফের দাদি ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চারটি গরুও পুড়ে মারা গেছে।

এতে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বলেন, কী কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা তদন্ত করে জানানো হবে।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ দাফনের অনুরোধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



বাগেরহাটে ৭৫ জন নারী উদ্যোক্তার মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটে ৭৫ জন নারী ইকমার্স উদ্যোক্তার মাঝে বিনামূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে হার পাওয়ার প্রকল্পের উদ্যোগে ইকমার্সে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারীদের মাঝে এই ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হার পাওয়ার প্রকল্পের উপ -প্রকল্প পরিচালক নিলুফা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো:আব্দুল জব্বার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাশেদুজ্জামান, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার, জেলা প্রোগ্রামার মো: শরিফুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসি আশরাফি জেমস, ষাট গম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন শীর্ষক হার পাওয়ার প্রকল্পের আওতায় জেলার বাগেরহাট সদর, মোংলা ও মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৭৫ জন নারী ইকমার্স উদ্যোক্তাকে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর তাদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। 

নারীদের প্রযুক্তি জ্ঞানের মাধ্যেমে দক্ষ করে গড়ে তুলে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধানিয়েছেন বলে তারা উল্লেখ করেন।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর



আমেরিকার রপ্তানি করা চালে মিলল ক্যানসারের উপাদান!

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাল রপ্তানি করে আমেরিকা। এর মধ্যে রয়েছে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশ হাইতি। দেশটির আমদানিকৃত চালের বেশির ভাগই আসে আমেরিকা থেকে। এবার সেই চালে অতিরিক্ত মাত্রায় আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়ামসহ বিভিন্ন ভারী ধাতু পাওয়া গেছে। এসব উপাদান ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি এসব চাল পরীক্ষা করে এই তথ্য জানান। গবেষণা থেকে তাঁরা জানতে পারেন, হাইতির মাটিতে উৎপাদিত চালের তুলনায় আমেরিকা থেকে আমদানি করা চালে আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়ামের ঘনত্ব গড়ে প্রায় দ্বিগুণ। কিছু আমদানি করা চালে এসব উপাদানের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মাত্রাও অতিক্রম করেছে।

গবেষণার বরাতে রয়টার্স বলছে, আমদানি করা প্রায় সব চালেই পাওয়া এসব উপাদান শিশুদের জন্য মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) সুপারিশ করা মাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। গবেষণায় অন্যান্য আমদানিকারক দেশে বিষাক্ত পদার্থের মাত্রা মূল্যায়ন করা হয়নি। এ ব্যাপারে এফডিএর কাছে জানতে চায় রয়টার্স। কিন্তু কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়ামসহ বিভিন্ন ভারী ধাতু মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া এগুলো খাবার ও পানিতে মিশে যায়। এ কারণে এসব উপাদান ক্যানসার ও বিভিন্ন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

মেক্সিকো ও জাপানের পাশাপাশি হাইতিও আমেরিকার চালের শীর্ষ ক্রেতাদের মধ্যে একটি। পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে দরিদ্র ক্যারিবীয় দেশটিতে চালের স্থানীয় দামের চেয়ে আমদানি করা চালের দাম কম। এ কারণে তারা বেশি আমদানি করে থাকে।

গবেষণায় বলা হয়, কম দামের কারণে আশির দশকে আমেরিকা থেকে চাল আমদানি শুরু করে হাইতি। দেশটি বাইরে থেকে ৯০ শতাংশ চাল আমদানি করে। এর বেশির ভাগই আসে আমেরিকা থেকে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এই উদ্যোগে ভর্তুকি দিয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪