আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁয় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে গ্রীষ্ম মৌসুমের বেশ জনপ্রিয় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন রসালো জাতীয় ফল কাঁঠাল। যদিও পুরো পাকা পুক্ত কাঠাল হওয়ার সময় বাঁকী রয়েছে ২ মাস।

প্রবাদ আছে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল- জ্যৈষ্ঠ মাসে এ কথাটি আর কথার কথা থাকে না। গাছে কাঁঠাল দেখলে এ কথা সবাই বলতেই পারে। বর্তমানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে রসালো ফল কাঁঠাল। আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাড়ির পাশে, রাস্তার ধারে, জঙ্গলের ভেতরে থাকা গাছে ধরেছে প্রচুর পরিমানে কাঁঠাল। গাছের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত শোভা পাচ্ছে সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফল।

খাদ্য শষ্য ভান্ডার হিসেবে নওগাঁ জেলা বিখ্যাত হলেও এখানকার মানুষের অতি প্রিয় ফল ও তরকারি হিসেবে কাঁঠাল যুগ যুগ ধরে কদর পেয়ে আসছে। কাঁঠালের বিচি এখানকার মানুষের একটি ঐতিহ্যপূর্ণ তরকারি। বিশেষ করে কাঠালের বিচ দিয়ে শুটকি ভর্তা অত্যন্ত প্রিয় সকলের। বিভিন্ন ধরনের শাক ও কাঁঠালের বিচির সমন্বয়ে রান্না করা তরকারি এখানকার মানুষ তৃপ্তির সঙ্গে ভাত খেতে পারেন। তাছাড়া গবাদিপশুর জন্যও কাঁঠালের ছাল উন্নতমানের গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এক প্রকারের সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসাবে সরকারীভাবে নির্ধারিত। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরির জন্য সমাদৃত। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কান্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কান্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত।

বহুগুণ সমৃদ্ধ এ কাঁঠাল এখানকার হাট-বাজারে এখনও উঠতে শুরু করেনি। তবে জ্যৈষ্ঠের শেষ ও আষাঢ় মাসের শুরু থেকে এখানকার হাট-বাজারে কাঁঠাল কেনাবেচা শুরু হবে এমনটি ধারণা কাঁঠাল ব্যবসায়ীদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, এ উপজেলায় তেমন একটা কাঁঠালের বাগান নেই তবে দিন দিন বাড়ছে। তিনি আরো বলেন গত বছরের তুলনায় এ বছর উপজেলায় কাঁঠাল ভালো হয়েছে। দিন দিন উপজেলার মানুষের মাঝে কাঁঠালের চারা রোপনের আগ্রহ বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: কাঁঠাল নওগাঁ

আরও খবর
সাপাহারে আমের কেজি ২ টাকা

শুক্রবার ২০ মে ২০22




টেকনাফে ভুট্টো হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ৮

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের টেকনাফের আলোচিত নুরুল হক ভুট্টো হত্যাকাণ্ডে জড়িত আট আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা। কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল এন্ড মিডিয়া) মো. বিল্লাল উদ্দিন গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করন।

এর আগে গত সোমবার (১৬মে) টেকনাফের মৌলভীপাড়া গ্রামে দুর্বৃত্তরা পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে নুরুল হক ভুট্টোকে হত্যা করে। নিহত নুরুল টেকনাফের সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে।

ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার ভুট্টোর ভাই বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

 র‌্যাব-১৫ প্রাথমিক তদন্তপূর্বক আসামি গ্রেফতারের জন্য নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল মামলার এজাহারভুক্ত আসামি  টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া গ্রামের জাফর আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৯), মৌলভীপাড়া এলাকার মৃত ইউনুস আলমের ছেলে মো. শাকের (২২), একই এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রমজান আলী (২৮), রশিদ আহমেদের ছেলে  মো. আয়ুব (২২), মো. হাশেমের ছেলে নুর কালাম (২০), আবুল কালামের ছেলে ফরিদ আলম (২০), সাবরাং মন্ডল পাড়া এলাকার হাজী মৃত কবির আহমেদের পুত্র সৈয়দ আলম (৩৫), একই এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে ঈসমাইলকে (২৮ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা অনুসারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



আড়াই বছরেই দেউলিয়া হয়েছে শ্রীলংকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে অকল্পনীয় সব প্রতিশ্রুতি দেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। ভোটার টানতে বড় আকারে ট্যাক্স মওকুফের ঘোষণা দেন। মূল্য সংযোজন কর ১৫ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনাসহ অন্যান্য করে বড় ছাড় দেয়ার কথা জানান।  প্রচারাভিযানে দেয়া তার এসব প্রতিশ্রুতিকে স্টান্টবাজি হিসেবে অ্যাখা দিয়েছিলেন অনেকে। তত্কালীন অর্থমন্ত্রী মঙ্গলা সামারাবিরা গোতাবায়ার এমন ঘোষণাকে বিপজ্জনক হিসেবে মন্তব্য করেন। সতর্ক করে বলেন, এমন অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত শ্রীলংকাকে কেবল দেউলিয়াই করবে না, ভেনিজুয়েলা ও গ্রিসের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তার ওই ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে রূপ নিতে সময় লেগেছে মাত্র আড়াই বছর। রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতার মসনদে ভাঙন ধরেছে। ধারাবাহিক বিক্ষোভে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। টালমাটাল রাজাপাকসে পরিবারের শাসন।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য রাজাপাকসে পরিবার জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর যে প্রলোভন দেখিয়েছে, সেটি আজ দেশের জন্যই হিতে বিপরীত হয়ে দেখা দিয়েছে। ঋণে জর্জরিত দেশটির রাজস্ব কমে যাওয়ার অর্থ ছিল তাদের নগদ অর্থের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ধরনা দেয়ার পথ তৈরি হওয়া। এমন ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সে সময়কার নীতিনির্ধারকরা বুঝলেও রাজাপাকসে পরিবারের কাছে ক্ষমতায় আসাটাই ছিল মুখ্য।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দ্বীপরাষ্ট্রটির রাজনৈতিক ক্ষমতার অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে রাজাপাকসে পরিবার। পরের বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন মাহিন্দা রাজাপাকসে। ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। ২০২১ সালে তাদের আরেক ভাই বাসিল রাজাপাকসেকেও সরকারে আনা হয়। দায়িত্ব দেয়া হয় অর্থমন্ত্রীর। সরকারে আনা হয় পরিবারের অন্য সদস্যদেরও। এভাবে শ্রীলংকার রাজনীতি, সরকার ও ক্ষমতার মসনদে রাজাপাকসে পরিবারের অবস্থান শক্ত হয়ে ওঠে। এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবার হয়ে ওঠে তারা। তবে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতাশীল হয়ে ওঠার সেই দৌড় থমকে যায়। যার শুরুটাও রাজাপাকসে পরিবারের হাত ধরেই।

প্রতিশ্রুতি মতো নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ট্যাক্স কমিয়ে দেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। ফিরিয়ে আনেন প্রেসিডেন্সিয়াল ক্ষমতা। কর্তৃত্ববাদী শাসনক্ষমতায় পাকাপোক্ত হওয়ার বাসনা আরো জেঁকে বসে রাজাপাকসে ভাইদের মাঝে। ঋণ নিয়ে আগ্রাসীভাবে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেন তারা। তবে অব্যবস্থাপনা আর অবাধ দুর্নীতি দেশটিকে খাদের কিনারে টেনে আনে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে মুদ্রাস্ফীতি। প্রকট হতে থাকে জ্বালানির সংকট। বিদ্যুৎ ছাড়াই থাকতে হয় নাগরিকদের বেশির ভাগ সময়। অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে খাদ্যনিরাপত্তা। ফুরিয়ে আসে আমদানি সক্ষমতাও। বিপরীতে ঋণে জর্জরিত দেশ। নাগরিকদের খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে অনুদানের জন্য দাতা সংস্থা ও অন্য দেশের কাছে হাত পাততে হয় তাদের। মুদ্রাবাজার থেকে উচ্চসুদে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেয় শ্রীলংকা। এ ঋণ ও তার সুদ পরিশোধ করতে না পেরে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে সরকার।

শুধু এবারের নির্বাচনই নয়, শ্রীলংকার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজাপাকসে ভাইদের মধ্যেই ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। সেই অর্থে অর্থনৈতিক দুর্বলতার মধ্যেই ক্ষমতায় আসে রাজাপাকসে পরিবার। ক্ষমতায় আসার পর চীন থেকে বড় আকারে ঋণ নেয় সরকার। গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বড় বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এশিয়ার মধ্যে নিজেদের আরেক সিঙ্গাপুর বানানোর উচ্চাভিলাষ জেগে বসে রাজাপাকসে ভাইদের মাঝে। যদিও বেশির ভাগ প্রকল্পই শ্বেতহস্তীতে পরিণত হয়। কয়েক বছরের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয় ঋণের পরিমাণ। ২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে সন্ত্রাসী হামলা অর্থনীতির ওপর আরো চাপ তৈরি করে। পর্যটননির্ভর অর্থনীতির ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই টালমাটাল পরিস্থিতিতে ফেলে দেয় করোনা অতিমারী।

গত এপ্রিলে সরকারের অদূরদর্শী আরেক সিদ্ধান্ত শ্রীলংকার আর্থিক বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করে। সরকার হঠাৎ করে এ সময়ে রাসায়নিক সার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। মূলত ডলার সাশ্রয় করার জন্যই ওই উদ্যোগ নেয়। উদেশ্য ছিল সার আমদানি বন্ধ করে অর্গানিক কৃষিতে ঝোঁকা। তবে সেটি বুমেরাং হয়ে ওঠে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ধস নামে। রফতানি আয়ের অন্যতম উৎস চায়ের উৎপাদনেও ধস দেখা দেয়। এ খাত থেকে রফতানি আয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসে। বিপরীতে খাদ্যশস্যের উৎপাদনে ধস দেখা দেয়ায় বাধ্য হয়ে চালসহ খাদ্য আমদানি করতে হয় সরকারকে। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যপণ্যের ব্যয় বাড়তে থাকে। নিত্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকে নাগরিকরা। সবকিছু মিলিয়ে নাগরিকদের মাঝে ক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে। যার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় নাগরিকরা ফুঁসে ওঠে। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ। পদে টিকে থাকার শেষ চেষ্টা করেও পারলেন না মাহিন্দা রাজাপাকসে। পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে মাহিন্দা রাজাপাকসের পদত্যাগের মধ্যেই সহিংসতায় এক এমপিসহ অন্তত সাত শ্রীলংকান নিহত হয়েছে। এ অবস্থায় সহিংস এ উসকানির জন্য মাহিন্দা রাজাপাকসেকে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন দেশটির আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, তারকা ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন স্তরের নাগরিক। পাশাপাশি গোতাবায়ার পদত্যাগের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজাপাকসে পরিবারের দীর্ঘদিনের ক্ষমতা এবার খর্ব হতে চলেছে। গত দুই দশকের মধ্যে ১২ বছরই দ্বীপরাষ্ট্রটির শাসন করতে থাকা পরিবারের ডিক্টেটরশিপ এখন ধ্বংসের মুখে। যেকোনো সময় গোতাবায়াকেও ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হতে পারে। আর সেটি হলো দেশ ও দেশের বাইরে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে তাদের। মানবাধিকার লঙ্ঘন, যুদ্ধাপরাধ ও দুর্নীতির দায়ে বিচারের আওতায় আসতে হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার চেষ্টা করে যাবেন গোতাবায়া। যে কারণে অনেকটা কৌশলেই ভাই মাহিন্দাকে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে অনুরোধ করেন তিনি। উদ্দেশ্য চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।

সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী অসীম ক্ষমতা উপভোগ করছেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট। মন্ত্রিপরিষদ নিয়োগ থেকে শুরু করে তাদের বহিষ্কার ও অপসারণের ক্ষমতা রাখেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বিচারক নিয়োগ দিয়ে থাকেন এবং নিজে যেকোনো জবাবদিহিতার বাইরে থাকতে পারেন। নির্বাহী প্রেসিডেন্টের এমন অসীম ক্ষমতার মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বিরোধী দলগুলো। তারাও গোতাবায়ার পদত্যাগ দাবি করছে। চলতি সপ্তাহে গোতাবায়ার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন ইস্যুতে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকও ডেকেছেন সংসদের স্পিকার। ফলে শেষ পর্যন্ত রাজাপাকসে পরিবারের ক্ষমতায় টিকে থাকা এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলংকা

আরও খবর



ফের তালিবান হটানোর প্রস্তুতি আমেরিকা ও ব্রিটেনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানে তালিবান বিরোধী লড়াইয়ের নয়া নেতার সন্ধান পেয়েছে আমেরিকা ও ব্রিটেন। প্রাক্তন আফগান সরকারের সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সামি সাদাতের নেতৃত্বে দ্রুত প্রত্যাঘাত পর্ব শুরু হতে চলেছে বলে পশ্চিমী সামরিক সূত্রের দাবি।

চলতি মাসের গোড়ায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামি জানান, ঈদের পরে নতুন করে আফগানিস্তানে গণতন্ত্র ফেরানোর লড়াই শুরু করবেন। তিনি বলেন, এ বার ঐক্যবদ্ধ ভাবে আমরা তালিবানকে হঠাব। আমেরিকার গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ এবং ব্রিটিশ গুপ্তচর সংস্থা এমআই-৬-এর তত্ত্বাবধানে ইতিমধ্যেই সেই তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রকাশিত একটি খবরে দাবি, আফগানিস্তানের পড়শি, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়েনের একটি প্রজাতন্ত্রের সীমান্ত ব্যবহার করে চলছে তালিবান বিরোধী লড়াইয়ের প্রস্তুতি।

দীর্ঘ দিন দক্ষিণ আফিগানিস্তানে তালিবান বিরোধী লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামি। আফগান সেনার অন্যতম দক্ষ সেনা আধিকারিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। গত অগস্টে তালিবান বাহিনীর দখলের সময় লন্ডন চলে গিয়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও সামির যোগাযোগ রয়েছে।

তালিবান বিরোধী জোট নর্দার্ন অ্যালায়্যান্সের (পোশাকি নাম ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট অব অফ আফগানিস্তান বা এনআরএফও) নেতা আহমেদ মাসুদ এবং প্রাক্তন আফগান ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লা সালে তালিবান বিরোধী লড়াইয়ে সামির সহযোগী হয়েছেন বলেও ওই খবরে দাবি করা হয়েছে। সামি এবং মাসুদ দুজনের লন্ডনের কিংস কলেজের যুদ্ধবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তনী। দীর্ঘ দিন ধরেই পরস্পরের পরিচিত। অন্য দিকে, সালের বাহিনী এখনও উত্তর আফগানিস্তানের কিছু এলাকায় তালিবান বিরোধী লড়াই চালাচ্ছে। এপ্রিল মাসেও তাজিকিস্তান সীমান্তের অদূরে তখর এলাকায় তালিবানের সঙ্গে সালে বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে।

 


আরও খবর



বগুড়ায় চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বগুড়ার শাজাহানপুরে রবিউল ইসলাম ওরফে মেহেরুল (৩৮) নামে এক যুবককে চুরির অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে তাকে পেটানোর পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শাকপালা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের স্বজনরা এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন। জানান শাজাহানপুর কৈগাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজু কামাল।

নিহত মেহেরুল শাকপালা এলাকায় ভাড়াবাড়িতে থেকে সাইকেল মেকানিকের কাজ করতেন। তিনি বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের ডামরুল গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে এসআই রাজু কামাল জানান, মেহেরুল মাদকসেবন এবং এলাকায় ছোটখাটো চুরি করতেন। শাকপালা এলাকায় চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে ধরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করতে পারেন স্থানীয় কিছু লোকজন। তবে এখনি পরিস্কার করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

শাজাহানপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান চুরির সন্দেহে রবিউল ইসলাম ওরফে মেহেরুলকে গনপিটনি দিয়ে শুক্রবার ভোরে হত্যা করা হয়েছে । এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামী গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর টোলের প্রজ্ঞাপন প্রস্তুত: বাইক ১০০, বাস ২৪০০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পদ্মা বহুমুখী সেতুর জন্য যানবাহনের শ্রেণি ও টোলের প্রজ্ঞাপন চূড়ান্ত করেছে সরকার। আজ  মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি গেজেট আকারে প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলের টোল ১০০ টাকা, কার ও জিপ ৭৫০ টাকা, পিকআপ এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাস এক হাজার ৩০০ টাকা। ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা এবং বড় বাস (৩ এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা।

এতে বলা হয়, ছোট ট্রাক (৫ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ টনের অধিক থেকে ৮ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৮ টনের অধিক থেকে ১১ টন পর্যন্ত) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (৪ এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা।

এ আদেশ পদ্মা বহুমুখী সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার দিন থেকে কার্যকর হবে।

গত ২৮ এপ্রিল পদ্মা সেতুর জন্য টোল হার প্রস্তাব করে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠায় সেতু মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুসারে, সেতু বিভাগ থেকে যে টোল হার প্রস্তাব করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর তা হুবহু অনুমোদন দিয়েছে।


আরও খবর