আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামার আশঙ্কা

নিউমার্কেটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ১৮৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে তারা রাস্তায় নামতে পারছেন না, বৃষ্টির পরে তারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের মধ্যে ঢাকা কলেজ, ইডেন ও কবি নজরুল কলেজ ছাড়াও রয়েছে বদরুন্নেসা কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ।

এদিকে পুলিশ বলছে, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা যদি বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভে নামে তাহলে রাজধানীর অনেক সড়ক আটকে গেলে ভয়াবহ যানজট দেখা দেবে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) নিউমার্কেট এলাকায় ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের দিনভর সংঘর্ষের পর আজ বুধবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

এ দিকে নিউমার্কেটে সরেজমিনে দেখা গেছে, এই এলাকার আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সকালে তারা নিরাপত্তার বিষয়ে‌ ব্রিফ করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে নামতে পারে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। এজন্য আমরা সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, তবে বিভিন্ন কলেজ থেকে যদি ছাত্ররা রাস্তায় নেমে যায়, তখন তো আর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। একটা কর্নার থেকে সে রকম চেষ্টা করা হচ্ছে, বিভিন্ন জায়গা নজরে রাখা হয়েছে।


আরও খবর



হলের ছাদ থেকে পড়ে জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলের ছাদ থেকে পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীর নাম অমিত কুমার বিশ্বাস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪৫ তম ব্যাচের (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী এবং শহীদ রফিক-জব্বার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অমিত কুমার।

এ বিষয়ে শহীদ রফিক-জব্বার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওই অবস্থায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানোর সুপারিশ করলে তাঁকে সাভারের বেসরকারি হাসপাতাল এনাম মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।’

প্রাধ্যক্ষ বলেন, তাঁর প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার পর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। প্রক্টরিয়াল টিমসহ আমরা হাসপাতালেই ছিলাম। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে ছিল।’

পরে বিকেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা অমিতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ব্যাপারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ এর মেডিকেল অফিসার ডা. ইফরান বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। তবে তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আইসিইউতে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আমরা তাঁর অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করি।’

অমিত শহীদ রফিক জব্বার হলের ৩১৫ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি খুলনায়। বাবা অজয় কুমার বিশ্বাস বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে কর্মরত। অমিত পরিবারের একমাত্র সন্তান।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৪ ব্যাচের ছাত্র শাহরিয়ার খান হৃদয় বলেন, আমি তিন তলায় থাকা অবস্থায় ভারী কিছু ছাদ থেকে পড়ার শব্দ শুনি। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অমিতকে পড়ে থাকতে দেখি এবং সঙ্গে সঙ্গে হলের কিছু ছাত্রদের সহায়তায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে আসি। সেখান থেকে তাঁকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’ 


আরও খবর



রুশ সীমান্তে পৌঁছল ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্রমশ লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে রাশিয়া। ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর সময়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছিলেন, গোটা ইউক্রেনকে মুক্ত করবেন তাঁরা। ক্রমে সেই লক্ষ্য থেকে সরে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে নজর দেয় রাশিয়া। এখন উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের দখলও হাতছাড়া হয়েছে মস্কোর। এ দিন একটি ভিডিয়ো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, রুশ সীমান্তে দাঁড়িয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর গর্জন, আমরা এখানে মিস্টার প্রেসিডেন্ট!

এই মুহূর্তে একমাত্র মারিয়ুপোল-সহ ডনবাস অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি অবশ্য দবি করেছেন, মারিয়ুপোলও তিনি মুক্ত করবেন। তাঁকে সমর্থন করে ইউরোপ-আমেরিকা ও জি-৭-এর মতো ধনী দেশের গোষ্ঠীও জানিয়েছে, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের সীমান্ত বদলের চেষ্টা করে, তারা তা মান্যতা দেবে না।

রুশ সীমান্ত ঘেঁষা সুমি অঞ্চলেও মস্কোর হামলা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রুশ আগ্রাসনের শুরু থেকে এই অঞ্চলটি ভয়ানক হামলার শিকার। ইউক্রেনের পশ্চিম অংশ এখন একেবারেই শান্ত। কাল থেকে কিভে ভারতীয় দূতাবাসের কাজও চালু হয়ে যাবে। বহু অঞ্চলেই মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। একমাত্র ডনবাস এলাকায় এখনও রয়েছে রুশরা।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক আজ একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্থলবাহিনীর এক-তৃতীয়াংশ হারিয়েছে রাশিয়া। বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও মৃত্যুর বোঝা মস্কোর ঘাড়ে। এমনকি রাশিয়া যা-ই দাবি করুক, পূর্ব ইউক্রেনেও তেমন অগ্রগতি হয়নি ক্রেমলিনের সেনার। ব্রিটিশ মন্ত্রক বলেছে, রুশ বাহিনীর শক্তি ক্রমশ কমছে। নৈতিক দিক থেকেও তারা জোর পাচ্ছে না। বাহিনীর কর্মক্ষমতা কমেছে।

কিছু ক্ষেত্রে এমন অবস্থা যে কোনও পরিবর্তিত ব্যবস্থা নেই রাশিয়ার হাতে। ফলে রুশ অভিযান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে।ব্রিটেনের গোয়েন্দা বাহিনীর দাবি, আগামী এক মাসে আরও পিছু হটতে বাধ্য হবে রাশিয়া। এ-ও শোনা গিয়েছে, মারিয়ুপোলের আজ়ভস্টল কারখানার নীচে আটকে থাকা জখম সেনাবাহিনীকে উদ্ধারে ইউক্রেন সরকারে সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে রাশিয়া। যদিও এই পরিস্থিতিতেও রাশিয়ার হামলা অব্যাহত রয়েছে। আজ তারা দাবি করেছে, কৃষ্ণসাগরে স্নেক আইল্যান্ডের কাছে ইউক্রেনের তিনটি যুদ্ধবিমান তারা গুলি করে নামিয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনে মস্কোর ক্ষেপণাস্ত্র হানাও জারি রয়েছে।


আরও খবর



‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মধু মাসের ফল আমের ঘ্রাণ এখন সর্বত্র। ফলের রাজা আম খেতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি পাওয়া খুব মুশকিল। কিন্তু কোনটা যে কি আম, তা চিনতে এবং কিনতে বিড়ম্বনার শেষ নেই। কারণ বাজারে বিভিন্ন ধরনের আম থাকে।

অধিকাংশ ক্রেতাই আম চিনতে ভুল করেন। আম কেনার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না তিনি কোন আমটি কিনছেন। সেরা ১০ জাতের আম সহজেই কিভাবে চিনতে পারবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।

গোপালভোগ: গোপালভোগের গায়ে সাধারণত হলুদ ছোপ ছোপ দাগ থাকে। এটির নিচের দিকে একটু সরু এবং পাকার পর হলুদ হয়ে যায়। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে পাওয়া যায় গোপালভোগ। 

রূপালী আম বা আম্রপালি: রূপালী আম বা আম্রপালি নিচের দিকে খানিকটা সুঁচালো এবং উপরে একটু গোলাকৃতির হয়। এই আম মিষ্টি বেশি ও স্বাদে অতুলনীয়।

ল্যাংড়া: ল্যাংড়া আম দেখতে কিছুটা গোলাকার ও মসৃণ। এর নাকটি দেখা যায় নিচের দিকে। এর চামড়া খুবই পাতলা।

রাণী পছন্দ: রাণী পছন্দ দেখতে অনেকটা গোপালভোগের মতোই। এর গায়েও হলুদ দাগ আছে কিন্তু আকারে ছোট। ফলে গোপালভোগের সঙ্গে রাণী পছন্দ মেশালে আলাদা করা কষ্টকর।

বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ: বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ চেনার সহজ উপায় হলো নাক আছে মাঝামাঝি স্থানে। মিষ্টি কম ও পাকলে হলুদ রং হয়। সাধারণত জুন মাসের শুরুর দিকে এই আম পাওয়া যায়।

ক্ষীরসাপাতি আম: খুবই মিষ্টি ক্ষীরসাপাতি আম অনেকে হিমসাগর বলে বিক্রি করেন। এই আম আকারে একটু বড় হয়। আমে হালকা দাগ থাকে। ক্ষীরসাপাতি আম বাজারে পাওয়া যায় মে মাসের শেষে অথবা জুনের প্রথম দিকে।

আশ্বিনা ও ফজলী: আশ্বিনা আর ফজলী আম দেখতে একই রকম। তবে আশ্বিনা আম একটু বেশি সবুজ ও ফজলী আম খানিকটা হলুদ হয়। আশ্বিনার পেট মোটা হয় ও ফজলী দেখতে লম্বা ধরনের হয়।

হিমসাগর: উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত জাতের আমের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আম জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাকতে শুরু করে এবং পুরো জুন মাস বাজারে পাওয়া যায়। এ আমের ঠোঁট নেই, গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ব হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা।

হাড়িভাঙ্গা:  রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বিখ্যাত ও সুস্বাদু আম হাড়িভাঙ্গা। এ আমের উপরিভাগ তুলনামূলক বেশি মোটা ও চওড়া এবং নিচের অংশ অপেক্ষকৃত চিকন। আকারে বড় হওয়ার কারেণ ৩টি আমে ১ কেজি হয়ে যায়। এ আম মাংসালো, শ্বাস গোলাকার ও একটু লম্বা। চামড়া কুঁচকে যায় কিন্তু পঁচে না।

সুবর্ণরেখা: এ আমটির আকার মাঝারি ও ডিম্বাকৃতির। সাধারণত আগাম জাতের আম এটি। সুবর্ণরেখা আমের বোটার পাশে লাল রং থাকে। রসালো এ আমটির নাম এদেশে সুবর্ণরেখা বা সুন্দরী হলেও দক্ষিণ ভারতে একে চিন্না আম বলে।


আরও খবর



জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ২৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেশিরভাগ জীবাণুই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ জীবাণুগুলোর মধ্যে গড়ে ৩১ থেকে ৬৭ শতাংশ জীবাণু মাল্টি ড্রাগ রেজিস্টেন্সি অর্জন করেছে। দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। ইন্টারন্যাশনাল ভ্যাক্সিন ইনাস্টটিউটের এক গবেষণায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।

রাজধানীর বনানীতে হোটেল ওয়েস্টিনে কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশে চলমান অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেসিস্ট্যান্সের (এএমআর) পরিস্থিতি ও এএমইউ ট্রেন্ডস শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ভ্যাক্সিন ইনাস্টটিউটের (ক্যাপটুরা) গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব অ্যান্টিবায়োটিক সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত সেগুলোর ব্যবহার বাংলাদেশে অনেক বেশি (প্রায় ৭০% থেকে ৮৮%)। অথচ এই ওষুধগুলোর ব্যবহার ৪০% এর মধ্যে সীমিত রাখা উচিত। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা নির্ধারিত অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত ক্ষতিকর রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুসমূহের উপস্থিতি দেশের কিছু কিছু নমুনায় পাওয়া গেছে। এসব জীবাণু জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে মনিটরিং জোরদারের মাধ্যমে এগুলো প্রতিরোধ করা খুবই দরকার। দেশের অনেক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে ডাটা ঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয় না এবং এসব ল্যাবের মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নতি প্রয়োজন।

এসময় বক্তারা বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুতর এবং ক্রমবর্ধমাণ হুমকি। এই গবেষণালব্ধ ফলাফল বাংলাদেশ সরকারকে এএমআর সংবরণ কার্যক্রমে তথ্য-প্রমাণভিত্তিক নীতি এবং অনুশীলন নির্ধারণ ও এর প্রয়োগ করতে সাহায্য করবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এ ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যউপাত্তের বিশ্লেষণধর্মী গবেষণামূলক কাজের প্রশংসা করে বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সংবরণে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ব্যতীত কোনো প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রয় ও গ্রহণ বন্ধ করা জরুরি। একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার সুনিশ্চিতকরণে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতা প্রয়োজন।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, লাইসেন্সিং ও আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ঔষধ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। এ গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে সার্ভেইল্যান্স কার্যক্রমকে উন্নত করা সম্ভব।


আরও খবর



ঈদে সক্রিয় চাঁদাবাজ-ছিনতাই চক্র, আটক ৪১

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ ও ছিনতাই চক্রের ৪১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

র‍্যাব বলছে, চাঁদাবাজ চক্র রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং মালবাহী গাড়ি থেকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে রাজি না হলে তাঁরা জীবননাশের হুমকি প্রদর্শন করে। এ ছাড়া ঈদের কেনাকাটার জন্য বের হওয়া সাধারণ মানুষের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিত চক্রের সদস্যরা।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিইও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজধানীর সবুজবাগ, খিলগাঁও, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, মুগদা, শাহবাগ, মতিঝিল, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাসহ ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ৩৩ জন চাঁদাবাজ ও ৮ জন ছিনতাইকারী। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে আদায়কৃত নগদ ১ লাখ ২ হাজার ৫৩৩ টাকা, মোবাইল ৫৩টি, ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ৯টি সুইচ গিয়ার, ১০টি অ্যান্টিকাটার, ১০টি ক্ষুর, ৭টি চাকু, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলোসোলাইমান (২৫), নুর হোসেন (৩০), মো. শাহজালাল (২২), আলী হোসেন (৪০), আরিফ হোসেন (১৭), সাইফুল ইসলাম (৫৭), মাসুম (২৭), মো. শিবলু (২৫), মোক্তার হোসেন (৩০), মো. মুন্না (২০), মো. সাইমন (৩২), মো. রনি (২৫), মো. আব্দুল মান্নান (৪৪), মো. বাবুল হাওলাদার (৫০), মো. আবুল কাশেম (৪৫), নুরুল হক (৪০), মো. রাকিব খান (২০), মো. মাসুদ (৪০), মো. জনি (৩২), মো. আকাশ (২০), মো. নাইম (১৯), মাজাহারুল ইসলাম ওরফে তামিম (১৮), মো. রাকিব (১৯), মো. নাইম বেপারী (১৯), মো. সজীব (২৫), বাবুল হোসেন (৩২), ইসমাঈল (৩৫), মো. রবিন (২৮), মো. সেলিম (৪০), মো. ইয়াসিন আরাফাত (২২), মো. নুর হোসেন (৬৫), মহব্বত হোসেন (৪০), মো. লিটন (৪২), মো. আরিফ (২৫), সাব্বির হোসেন জুবায়ের (২০), হেমায়েত হোসেন মামুন (৩৮), মো. ফারুক (৫০), শাহ পরান (২৬), কামরুল হাসান (২৫), মো. মিজান (২৪) ও মো. সেলিম (৩৬)।

গ্রেপ্তারকৃতদের বরাত দিয়ে আরিফ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সবজি ও ফলের দোকান, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, লেগুনা স্ট্যান্ড এবং পরে পণ্যবাহী গাড়ি থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে আসছিল। ফুটপাতের দোকানদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করত। এই কাজে চার থেকে পাঁচজনের একটি গ্রুপ জড়িত।

এ ছাড়া ঈদ সামনে রেখে সক্রিয় ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। তারা পথচারী, রিকশা আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নিত। ইফতারের সময় এবং সাহরির পর তুলনামূলক জনশূন্য রাস্তায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তাদের ছিনতাইকাজে বাধা দিলে তারা নিরীহ পথচারীদের প্রাণঘাতী আঘাত করতে দ্বিধাবোধ করে না। খিলগাঁও, মালিবাগ রেলগেট, দৈনিক বাংলা মোড়, পীরজঙ্গির মাজার ক্রসিং, কমলাপুর বটতলা, মতিঝিল কালভার্ট রোড, নাসিরের টেক হাতিরঝিল, শাহবাগ, রাজউক ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং পল্টন মোড়, গোলাপ শাহর মাজার ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, আব্দুল গণি রোড, মানিকনগর স্টেডিয়ামের সামনে, নন্দীপাড়া ব্রিজ, বাসাবো ক্রসিং এলাকায় সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেশি পরিলক্ষিত হয়।


আরও খবর