আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

‘নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর করতে সবাইকে কাজ করতে হবে’

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর করতে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে হাছান মাহমুদ নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক) এ নির্বাচন প্রস্তুতি উপলক্ষে দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সবাই যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দেয় তার জন্য ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে হবে। প্রত্যেক ভোটারের কাছে ভোটার কার্ড পাঠাতে হবে। ভোটাররা যেনো ভোট কেন্দ্রে এসে উৎসবের আমেজে ভোট দিতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় হাছান মাহমুদ নিজ আসনের এই কমিটির সদস্যদের বলেন, কোনো ভোটকে হালকাভাবে নিতে নেই। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেছিলেন, ভোটের আগেই জিতে যাওয়া জেতা নয়। তাই ভোটের আগে দয়া করে কেউ জিতে যাবেন না। কারণ পিঁপড়ার শক্তিও কিন্তু শক্তি। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতেও তাই কাউকে বাদ দিতে নাই, সবাইকে রাখতে হবে। সেভাবেই সবাইকে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন>> নিষেধাজ্ঞা এলে বিএনপির ওপর আসা উচিত : কাদের

নির্বাচনকে উৎসবমূখর করতে উঠান বৈঠক, পাড়া বৈঠক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শুরু করে ভোটের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করতে হবে, না হয় মানুষ ভোট দিতে উৎসাহবোধ করবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমজনতাকে ভোটের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা একটা উৎসবমুখর ভোট করবো। মানুষ লাইন ধরে একেবারে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দেবে। ভোটার উপস্থিতির ক্ষেত্রেও যেন রেকর্ড করতে পারি, সে জন্য ভোটারদের উৎসাহ দিতে হবে। বাংলাদেশ যাতে রেকর্ড করে আমরা সেরকম একটা রেজাল্ট করতে পারি, সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে সবাইকে।

সভায় আরো বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম চিশতি, মো. শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিছ আজগর, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, আকতার হোসেন খাঁন, ইফতেখার হোসেন বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদার, আওয়ামী লীগ নেতা খালেদ মাহমুদ, মাস্টার আসলাম খান ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খারাপ হয়েছে ঢাকার বায়ু

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে ভারতের দিল্লি। তবে দূষণ মাত্রার দিক থেকে রাজধানী ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

তবে গতকাল বৃষ্টির প্রভাবে বায়ুমানে বেশ উন্নতি ঘটলেও একদিনের ব্যবধানে আবারও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে ঢাকার বায়ু। গতকাল ঢাকার স্কোর ছিল ১৬১ এবং তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ষষ্ঠ।

আজ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা দিল্লির বায়ুর মানের স্কোর হচ্ছে ১৮১ অর্থাৎ সেখানকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি। শহরটির স্কোর হচ্ছে ১৭০ অর্থাৎ সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর। 

আরও পড়ুন>> বিদ্যুতের ভর্তুকি আমরা সমন্বয় করতে চাই : ওবায়দুল কাদের

সূচকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা এবং শহরটির স্কোর হচ্ছে ১৬৭। এর অর্থ দাঁড়ায় সেখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর। দূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান চতুর্থ। রাজধানী ঢাকার দূষণমাত্রার স্কোর হচ্ছে ১৬৪ অর্থাৎ এখানকার বায়ু মান আজ অস্বাস্থ্যকর।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি হতে পারে ঈদের পর

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ৯ মার্চ। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ঘোষণা অনুযায়ী এদিন ঢাকাসহ ৮ বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

একই দিন ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন তারিখ ঘোষণা করায় পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা পড়েছেন প্রার্থীরা। পরীক্ষা পেছাবে কি না, তা নিয়ে পিএসসি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সোয়া তিন লাখেরও বেশি প্রার্থী।

পিএসসি সূত্র বলছে, ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ঈদের আগে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। পূর্ণ কমিশন সভায় পিএসসির সদস্যরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

পিএসসির পরীক্ষা শাখার (ক্যাডার) দুজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। সিটি নির্বাচনের দিনে পরীক্ষা নেওয়াটাও সম্ভব নয়। এসএসসি পরীক্ষার কারণে বিসিএস পরীক্ষা এগিয়ে আনারও সুযোগ নেই।

দুই কর্মকর্তার একজন নাম-পরিচয় প্রকাশ না করে বলেন, ঈদুল ফিতরের আগে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। রোজার মধ্যে বিসিএস পরীক্ষা নেওয়ার নজির নেই।

আরেকজনের ভাষ্য, নির্বাচনের দিনে তো আর পরীক্ষা হয় না। ৯ মার্চও পরীক্ষা হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত। এরপর রোজা শুরু। তারপর ঈদ। ঈদের ছুটি শেষে প্রথম অথবা দ্বিতীয় শুক্রবার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হতে পারে।

এ নিয়ে জানতে পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। কয়েক দফা তাকে কল করা হলেও রিসিভ করেননি।

গত ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ বিসিএসে আবেদন চলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন, যা চলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বিসিএসে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৮ হাজারেরও কিছু বেশি।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী৪৬তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে শূন্য পদের সংখ্যা ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ে ৫২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।


আরও খবর



চট্টগ্রামকে বিদায় করে কোয়ালিফায়ারে বরিশাল

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এলিমিনেটরে ফরচুন বরিশালের কাছে পাত্তাই পেলো না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। চট্টগ্রামকে ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বরিশাল। এই জয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জয়গা করে নিলো তামিম ইকবালের দল। অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলো চট্টগ্রাম।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বরিশাল। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম। দলের পক্ষে জস ব্রাউন ২২ বলে ৩৪ ও শুভাগত ১৬ বলে ২৪ রান করেন। বরিশালের পক্ষে মায়ার্স, সাইফুদ্দিন ও ম্যাকই নেন ২টি করে উইকেট।

১৩৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বরিশাল। দলীয় ২ রানে ২ বলে শূন্য হাতে সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য সরকার। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা কাইল মায়ার্স।

মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের বোলারদের ওপর চড়াও হন তামিম। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ৯৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তাদের ব্যাটে জয়ের ভীত পায় বরিশাল। ২৫ বলে ফিফটি তুলে নেন মায়ার্স।

তবে দলীয় ১০০ রানে ২৬ বলে ৫০ রান করে আউট হন মায়ার্স। এরপর ক্রিজে আসেন দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটার ডেভিড মিলার। তবে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি তিনি। দলীয় ১২৫ রানে ১৩ বলে ১৭ রান করে ফিরে যান মিলার।

এরপর ক্রিজে আসা মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। ৪১ বলে ফিফটি তুলে নেন বরিশালের অধিনায়ক। এই দুই ব্যাটার মিলে ৩১ বলে বাকী থাকতে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। মুশফিক ৫ বলে ৬ ও তামিম ৪৩ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন।


আরও খবর
মেসির গোলে হার এড়াল মায়ামি

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলে বেশ কয়েকটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। গত কয়েক মাসে পারমাণবিক অস্ত্রধারী কমিউনিস্ট দেশটি বারবার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে যার ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে। রোববার সিনপো বন্দরের কাছে ওই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা বা ধরন এখনও স্পষ্ট নয়।

এর আগে গত বুধবার উত্তর কোরিয়া পুলহওয়াসল-৩-৩১ নামে একটি নতুন কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ বার্তা সংস্থা জানায়, বুধবার সকালের দিকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

এছাড়া কয়েকদিন আগেই ডুবো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় এই অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে কিম জং উনের দেশ।

২০২৩ সালের মার্চে প্রথম নতুন ড্রোন ব্যবস্থাটির পরীক্ষা চালানো হয়। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে যে, পানিতে থাকা শত্রুর ওপর লুকিয়ে আক্রমণ করা ও ডুবো বিস্ফোরণের মাধ্যমে বড় তেজস্ক্রিয় তরঙ্গ তৈরি করে নৌদল ও প্রধান আভিযানিক বন্দরগুলোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই এটি তৈরি।

এদিকে নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণের বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) বলেন, আমাদের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীরভাবে এ বিষয়ে কাজ করছে। উত্তর কোরিয়ার উস্কানিমূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন সাম্প্রতিক সময়ে আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছেন। দেশটিতে একের পর এক বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।


আরও খবর



শবে বরাতে যেসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শবে বরাত একটি ফজিলতপূর্ণ রাত। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়। হাদিস ভাষায় একে নিসফ শাবান বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়েছে।

শবে বরাত শব্দটি ফারসি। শব মানে রাত, বরাত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির রজনী।

শবে বরাতের ফজিলত

হাদিসে এই রাতের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। হজরত আবু সালাবা  রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে, তখন আল্লাহ তায়ালা মাখলুকাতের প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকান; মুমিনদের ক্ষমা করে দেন, কাফিরদের ফিরে আসার সুযোগ দেন এবং হিংসুকদের হিংসা পরিত্যাগ ছাড়া ক্ষমা করেন না। (কিতাবুস সুন্নাহ, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৮২)।

আরেক হাদিসে হজরত মুআয ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস, ৫৬৬৫)।

শবে বরাতে যেসব কাজ করবেন না

এই রাত ফজিলতপূর্ণ এবং ইবাদতের। তবে এ রাতকে ঘিরে আমাদের সমাজে ইবাদত মনে করে বেশ কিছু কাজের প্রচলন রয়েছে ইসলামি শরিয়তে যার কোনো ভিত্তি নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে-তাবেয়িদের যুগে যেসব আমলের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। শবে বরাতে পরিহারযোগ্য- এমন কিছু কাজের তালিকা তুলে ধরা হলো-

>>এই রাতকে উপলক্ষ করে মসজিদে বিপুল পরিমাণ জনসমাগমের আয়োজন করা যাবে না।

>> শুধু শবে বরাতকে কেন্দ্র করে মসজিদে বা ঘরে প্রয়োজন অতিরিক্ত লাইটিং করা যাবে না।

>> ইবাদত মনে করে হালুয়া-রুটির আয়োজন করা যাবে না।

>> ইবাদত মনে করে খাশি জবেহ করা যাবে না।

>> আতশবাজি,পটকা ফোটানো যাবে না।

>> নফল ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে অযথা ঘোরাফেরা করা যাবে না।  

>> গর্হিত ও অশ্লীল কোনো কাজ করা যাবে না।

>> অন্য কারও ইবাদতের বা ঘুমের বিঘ্ন ঘটানো যাবে না

>> দলবেঁধে কবরস্থানেও যাওয়া যাবে না।

>> শিরকে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকা।

>> হিংসাত্মক কাজ না করা।

>> আল্লাহর নাফরমানীমূলক কাজ না করা।

>> মাজার ও কবরস্থান আলোকসজ্জায় সজ্জিত না করা।

>> এ রাতে মৃত ব্যক্তির আত্মা তার গৃহে ফিরে আসে এমন ধারণা পোষণ না করা।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪