আজঃ বুধবার ২৫ মে ২০২২
শিরোনাম

নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে তা নির্ধারণ করবে ইসি: জিএম কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম-এ। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কোন পদ্ধতীতে নির্বাচন হবে সেই আলোচনা ওই সভায় কতটা প্রাসঙ্গিক সে বিষয়ে মতভেদ আছে। নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব মূলত নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচনে পদ্ধতিগত কোনো পরিবর্তন আনতে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে মতামত নেবেন এটাই স্বাভাবিক।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় যুব মহিলা পার্টির সাথে এক মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সংবিধানকে এমন ভাবে কাটাকাটি করেছে তাতে গণতন্ত্র চর্চা সম্ভব নয়। দেশে সাংবিধানিক এক নায়কতন্ত্র চলছে। ফলে  সরকারের কোনেক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা নেই বললেই চলে।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি মাননীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় যুব মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নাজনীন সুলতানার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সৈয়দা জাকিয়া আফরোজ হিয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, মাসরুর মওলা, যুগ্ম মহাসচিব আশিক আহমেদ, দফতর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু। যুব মহিলা পার্টির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইলোরা ইয়াসমিন, কানিজ আফরোজা রসুল, নাহার ইতি, আফসানা ইয়াসমিন শান্তনু, তাছলিমা আক্তার, সীমানা আফরোজ পুতুল, তাহসিন রুবাইয়াত, রাবেয়া আক্তার মলি, তাসলিমা রহমান জুই, শাবনুর আক্তার, নূরুন্নাহার বেবী, আয়েশা আক্তার স্বর্ণা, মণি সরকার, রোজি, রোজিনা, সায়েকা হক, লুৎফুন্নাহার।


আরও খবর



শাওন মাহমুদ সাথে নিয়ে অবসকিওর ব্যান্ডের টিপুর নতুন গান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলা গান যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন ইতিহাসে উজ্জ্বল তারা হয়ে জ্বলবেন সাইদ হাসান টিপু। জনপ্রিয় ব্যান্ড অবসকিওর-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ভোকাল তিনি। বিখ্যাত এই ব্যান্ড তারকা বর্তমান সময়ে গানে খুব একটা নিয়মিত নন। তবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য চাঁদ রাতে নতুন একটি গান নিয়ে এসেছেন টিপু। নতুন এ গানের শিরোনাম চলো না যাই ফিরে। এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন শাওন মাহমুদ।

চলো না যাই ফিরে গানটি লিখেছেন সংগীতশিল্পী-গীতিকার সুচিতা নাহিদ সালাম। গানের সুর সাজ্জাদ কবির আর মিক্স মাস্টারিং করেছেন মিশাল কবির। এর সংগীত পরিচালনা করেছে অবসকিউর টিম।

নতুন গান প্রসঙ্গে টিপু বলেন, রোজার মধ্যে ছিলাম দেশের বাইরে। দেশে ফিরতেই গানটা রেডি হয়ে যায়। প্রকাশ করা যায় কখন ভাবতেই মনে হলো, কাছাকাছি সময়ে চাঁদরাত আছে, এটিই হতে পারে একটা সুন্দর সময়। অনেক দিন চাঁদরাতে গান প্রকাশ করা হয়নি। হিসাব করলে তো সাত-আট বছর হয়ে যাবে। তাই সুযোগটা মিস করতে চাইনি। এখন পর্যন্ত সবার কাছ থেকে গানটা নিয়ে ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। ইচ্ছা আছে গানগুলো অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করার।’

চাঁদরাতে নব্বইয়ের দশকের অন্য ব্যান্ড সংগীতশিল্পীদের গান প্রকাশের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন টিপু। তিনি বলেন, আমরা তো চাইছি গানবাজনার জোয়ারটা ফিরে আসুক। এভাবে গান প্রকাশ হতে থাকলে জোয়ারটা ফিরতে বেশি সময় লাগবে না।’

‘চলোনা যাই ফিরে’ গানটির ভিডিওতে অংশ নিয়েছেন সাঈদ হাসান টিপু ও শাওন মাহমুদ শিল্পীদ্বয়। মিউজিক ভিডিওটি উন্মুক্ত করা হয়েছে অবসকিউর বাংলাদেশ’ ব্যান্ডের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে।


আরও খবর



২৯ মে পুনরায় চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-কলকাতার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং কলকাতা-খুলনার মধ্যে বন্ধন এক্সপ্রেস আগামী ২৯ মে পুনরায় চালু হচ্ছে।

মৈত্রী এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে তার যাত্রা শুরু করবে। বন্ধন এক্সপ্রেস কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করবে। শুক্রবার (২০ মে) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

নিউ জলপাইগুড়ি-ঢাকার মধ্যে মিতালি এক্সপ্রেস ১ জুন ভারত ও বাংলাদেশের রেলমন্ত্রীদের ভার্চ্যুয়াল লঞ্চের পর নিউ জলপাইগুড়ি থেকে যাত্রা শুরু করবে। কোভিড-১৯ এর কারণে গত দুই বছর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ ছিল।


আরও খবর



বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে কথা বলে বিতর্কে সুদীপ্তা

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী। রবিবার (৮ মে) ছিল বিশ্ব মা দিবস। এদিন কলকাতার অভিনেতা-পরিচালক সপ্তর্ষি রায় ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন—‘সবাই যদি মাকে এত ভালোবাসেন তাহলে বৃদ্ধাবাসগুলোতে কারা থাকেন? তাদের ছেলেমেয়েরা বোধহয় কেউই এই ফেবুপাড়ায় নেই! এ পোস্টের কমেন্ট বক্সে সপ্তর্ষিকে সমর্থন করে অধিকাংশ নেটিজেন মন্তব্য করেন। কিন্তু সুদীপ্তার মন্তব্য নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।

বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়ে সুদীপ্তা চক্রবর্তী কমেন্ট বক্সে লিখেন—‘বৃদ্ধাবাসের সঙ্গে মা-বাবাকে না ভালোবাসার কোনো সম্পর্ক কিন্তু নেই। আজকের নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির দায়িত্ববান ছেলে-মেয়েরা বাবা-মাকে বৃদ্ধাবাসে রাখেন তাদের সুবিধার জন্যই। আমরা সারাদিন কাজের পেছনে ছুটবো, টাকা রোজগার করবো, বাচ্চা মানুষ করবো, নানা দায়িত্ব পালন করবো আর সারাদিন মা-বাবা একা একা বাড়িতে বসে টিভি সিরিয়াল দেখে একাকিত্ব কাটানোর ব্যর্থ চেষ্টা করবেন।

জরুরি প্রয়োজনে কাউকে পাশে পাওয়া যায় না। তা উল্লেখ করে সুদীপ্তা চক্রবর্তী বলেন, কোনো জরুরি কাজের সময়ে কাউকে তক্ষুণি আশেপাশে পাবেন না। এমন অবস্থায় রেখে দেওয়ার চেয়ে অনেক স্বাস্থ্যকর হলো সমবয়সী আরো অনেকগুলো মানুষের সঙ্গে অবসর জীবন কাটানো। দরকারে মেডিক্যাল এমারজেন্সিতে পাশে সঠিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকজন পাওয়া অনেক বেশি জরুরি।

তবে অনেকেই সুদীপ্তার এই যুক্তির সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। এ তালিকায় টলিউড অভিনেত্রী রুপাঞ্জনা মিত্রও রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জোর সমালোচনা চললেও আর কোনো মন্তব্য করেননি সুদীপ্তা চক্রবর্তী।


আরও খবর



চলতি বাজেট: পালটে গেছে খরচের হিসাব-নিকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ এবং করোনাভাইরাসের শেষ ধাক্কায় পালটে গেছে চলতি বাজেটের খরচের হিসাবনিকাশ। স্বাভাবিক পরিবেশে বছরের শুরুতে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করলেও শেষদিকে চতুর্মুখী চাপে পড়েছে বাজেট। ফলে ব্যয় বেড়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে কয়েকটি খাতে। আবার প্রত্যাশিত অনেক খাতে পুরোপুরি ব্যয় করা সম্ভব হয়নি।  আকস্মিক চাপ সৃষ্টি করেছে মূল্যস্ফীতি ও ভর্তুকিতে। ব্যয় বেড়েছে সুদ পরিশোধ ও ও সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনভাতায়। মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে রাখার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী, সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি। একই কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ-ভর্তুকিতেও খরচ বেড়েছে।

গতানুগতিক অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাজটে কাটছাঁট করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ২ লাখ ২২ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা ব্যয় করতে পেরেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়। ফলে সংশোধিত বাজেটের সব টাকা ব্যয় করতে হলে আগামী জুন (বাকি চার মাসে) পর্যন্ত ৩ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা খরচ করতে হবে। ওই হিসাবে দৈনিক ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতিদিন ব্যয় করা কঠিন। ফলে শেষ পর্যন্ত বাজেট পুরোপুরি বাস্তবায়ন নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে। যদিও প্রতিবছর শতভাগ বাজেট বাস্তবায়ন হয় না। তবে ধারণা করা হচ্ছে এ বছর আরও কম হবে।

গতানুগতিক অন্যান্য বছরের মতো এবারও বাজেট কাটছাঁট করা হয়েছে ১০ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। বছরের শুরুতে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করলেও শেষদিকে সংশোধিত বাজেট দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকায়। বিশেষ করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পণ্য ও সেবা কেনাকাটা, সম্পদ সংগ্রহ ও পূর্তকাজ, শেয়ার ও ইকুইটিতে বিনিয়োগ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। এডিপি কাটছাঁট করা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা। সংশোধিত এডিপি হচ্ছে ২ লাখ ৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

এ বছর রাজস্ব খাত থেকে কোনো কাটছাঁট করা হচ্ছে না। অর্থ বিভাগের ধারণা, শুরুতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, সেটি অর্জন সম্ভব। তবে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জিনিসপত্রের মূল্য বেড়েছে। এতে মূল্যস্ফীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে বছরের শুরুতে ৫ দশমিক ৪ শতাংশের ঘরে রাখার যে ঘোষণা, সেটি সংশোধিত বাজেটে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ করা হয়। কিন্তু সেখানেও রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমান মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ২২ শতাংশ বিরাজ করছে। এছাড়া কৃষকের সার, জ্বালানি তেল ও খাদ্যের দাম বেড়েছে বিশ্ববাজারে। বেশি দামে আমদানি করে কম মূল্যে ভোক্তার দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বেশি। চলতি বছরে খাদ্যে ভর্তুকি ৫ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭৩ কোটি টাকা। বেশি মূল্যে জ্বালানি ও এলএনজি গ্যাস কিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের কারণে এ খাতে ভর্তুকি বেড়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। বছরের শুরুতে বিদ্যুতে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি থাকলেও এখন গুনতে হচ্ছে ১২ হাজার কোটি টাকা।

এছাড়া অন্যান্য খাতে ভর্তুকি বেড়েছে ৫ হাজার কোটি টাকা। শুরুতে অন্যান্য খাতে ১০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এখন দেওয়ার হচ্ছে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকের সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি বেড়েছে ২৫০০ কোটি টাকা। শুরুতে ৯৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হলেও এখন বরাদ্দ বাড়িয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, এ বছর ভর্তুকি, প্রণোদনা খাতে মোট ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা রাখা ছিল। এখন সেটি বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। এ খাতে মোট বেড়েছে ১২ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা। এ বছর সরকারি বেতনভাতা খাতে বরাদ্দের চেয়ে আরও অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১৫০০ কোটি টাকা। এটি বেড়েছে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে ডাক্তার, নার্সসহ নতুন জনবল নিয়োগের কারণে। করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্য খাতের সংকট পুরোপুরি ফুটে উঠেছিল। সারা দেশে নার্স ও চিকিৎসকের সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খায় হাসপাতালগুলো।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪ হাজার চিকিৎসক, ১৪০০ মিডওয়াইফারি, ৮১২৮ জন সিনিয়র নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়। এই মিডওয়াইফারি ও সিনিয়র নার্সদের বেতনভাতা আগামী জুন পর্যন্ত প্রয়োজন হবে ২১৬ কোটি টাকা। আর চিকিৎসকের বেতন বাবদ গুনতে হবে ২৯ কোটি ১১ লাখ টাকা, যা প্রতিমাসেই পরিশোধ করা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য ব্যয়সহ মোট প্রয়োজন ৪১০ কোটি ১১ লাখ টাকা। এছাড়া প্রশাসনে নতুন জনবল নিয়োগের কারণে এ ব্যয় বেড়েছে। করোনার কারণে গত দুই বছর স্থগিত ছিল জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া। এসব কারণে এ বছর সরকারের পরিচালনা খাতের ব্যয় বেড়েছে। শুরুতে পরিচালনা বাবদ ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা থাকলে সংশোধিত বাজেটে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ নতুন বরাদ্দ বেড়েছে ৭ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা। এ বছর ঋণের সুদ পরিশোধ খাতে অতিরিক্ত ২ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা গুনতে হচ্ছে। বছরের শুরুতে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ বাবদ ৬ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা ধরা হয়। কিন্তু সেটি বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ২৪৪ কোটি টাকায় উঠেছে।


আরও খবর



জামিন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করলেন সম্রাট

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ মে ২০২২ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আজ সোমবার আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। ৩০ মে ওই আবেদনের শুনানি হবে।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ মে হাইকোর্ট সম্রাটের জামিন বাতিল করেন। একই সঙ্গে তাঁকে সাত দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। মেডিকেল রিপোর্ট না দেখেই স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে সম্রাটকে জামিন দেওয়ায় বিচারককে সতর্কও করেন হাইকোর্ট।

এর আগে সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ১১ মে মুক্তি পান ক্যাসিনো-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া সম্রাট। পরে ওই জামিন বাতিল চেয়ে ১৬ মে হাইকোর্টে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ওই সময় তাঁর কাছ থেকে বিদেশি মদ পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

পরবর্তী সময়ে ঢাকায় এনে তাঁর কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। সেখান থেকে বন্য প্রাণির চামড়া, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আর বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করা হয় রমনা থানায়। এ ছাড়া সিআইডি মানি লন্ডারিং এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।


আরও খবর