আজঃ রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

‘নিখোঁজ’ ঢাবি ছাত্র হিমেল টাঙ্গাইল কারাগারে

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী হামিদ শিকদার হিমেলের খোঁজ মিলেছে। নিখোঁজের চারদিন পর সোমবার (২২ নভেম্বর) তার সন্ধান পাওয়া যায়। নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে এসে তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়ে টাঙ্গাইল কারাগারে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউর রাব্বি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সকালে ঢাবির শহীদুল্লাহ হল থেকে গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুরে যাওয়ার কথা বলে রওয়ানা হন হিমেল। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ও তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। হিমেল বাড়ি না ফেরায় তার পরিবার ও স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে এ ঘটনায় শনিবার (২০ নভেম্বর) শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

হিমেল ঢাকাস্থ সখীপুর থানা স্টুডেন্ট (ডিএসটিএস) অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার জামালহাটকুড়া গ্রামের বিল্লাল শিকদারের ছেলে। তিনি ঢাবির রসায়ন বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউর রাব্বি জানান, হিমেল গত শুক্রবার টাঙ্গাইলের একটি কেন্দ্রে খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-খাদ্যপরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি (অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেওয়া) দিতে আসেন। এসময় তার কাছ থেকে ডিজিটাল একটি ডিভাইস পাওয়া যায়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি টাঙ্গাইল কারাগারে।


আরও খবর



জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আর নেই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর পেটে ব্যথার কারণে তাকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়।

সেখানে পরীক্ষার পর তার ফুসফুসে পানি জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। তখন থেকে বিএসএমএমইউর বক্ষব্যাধি (রেসপিরেটরি মেডিসিন) বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মোশাররফ হোসেনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

রফিকুল ইসলামকে পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যেতে চাইলেও তাতে তিনি সায় দেননি। এর মধ্যে তাকে বিএসএমএমইউ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা রফিকুল ইসলাম সেই সময়ের দুর্লভ আলোকচিত্রও ধারণ করছিলেন।

রফিকুল ইসলাম বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০১৮ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক হন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদক পেয়েছেন । ২০২১ সালের ১৮ মে সরকার তাকে তিন বছরের জন্য বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব দেয়।


আরও খবর



পরীমণির মামলায় নাসির-অমির জামিন

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চিত্রনায়িকা পরীমণির করা ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এবং তুহিন সিদ্দিকী অমির জামিন মঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন পরীমণি আদালতে উপস্থিত হয়ে অভিযোগপত্রের ওপর নারাজি দেন।

অন্যদিকে নাসির ও অমি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। তাদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। আর নারাজি আবেদনের আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

আদালতে উপস্থিত ছিলেন নাসির ও অমি। তবে মামলার অপর আসামি শহিদুল আলম পলাতক রয়েছেন।

গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক কামাল হোসেন অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর আগে গত ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরীমণি সাভার থানায় মামলা করেন।

পরীমণির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার বন্ধু অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা মাদক মামলায় সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ২৩ জুন পরীমনির ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার মামলায় তাদের পাঁচদিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।

এই রিমান্ড ২৯ জুন আসামিদের ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তখন মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমীদা তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।


আরও খবর



বাংলাদেশের জনগণই ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’র প্রকৃত অংশীদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের জনগণই এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড-এর প্রকৃত অংশীদার বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, এ পুরস্কার শত প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে যেমন বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছে, তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর বিশ্ববাসীর আস্থাকে দৃঢ়তর করছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের জনগণই এ পুরস্কারের প্রকৃত অংশীদার।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার (১৭ নভেম্বর) সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মহামারিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকোচন, ভ্যাকসিন বৈষম্য প্রভৃতি বিশ্বের অনেক দেশেরই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এ মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যে অবিচলভাবে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, এ পুরস্কার তারই বিশ্ব স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যতো অর্জন, সবই হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য। আমি দেশের জনগণকে এ পুরস্কার উৎসর্গ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিএসএনের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ প্রফেসর জেফ্রি স্যাক্সের নিকট হতে বাংলাদেশের পক্ষে আমি এ সম্মাননাটি গ্রহণ করি। সম্মাননা প্রদানকালে করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য আমাকে জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন বলে অভিহিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য এ পুরস্কারপ্রাপ্তি বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন।


আরও খবর



গোষ্ঠীগত ও জমিজমার বিরোধে নির্বাচনী সহিংসতা : আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অনেক সময় ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্বাচনের সময় সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা চালানোর অপচেষ্টা চালায়

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার বড় অংশ ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব এবং জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে বলেন, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেটআনিসুল হক

শনিবার (২৭ নবেম্বর) সংসদ কার্যে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এটি উত্থাপিত হয়।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর কয়েকটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতার খবর প্রচারিত হয়েছে। অনেক সময় ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নির্বাচনের সময় সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুর ওপর সহিংসতা চালানোর অপচেষ্টা চালায়। এ কারণেও নির্বাচনের সময় অনেক ধরনের সহিংসতার উদ্ভব হয়।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে সজাগ ও সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশ এ পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা কমিশনকে জানানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



আজ আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস আজ। বিশ্বব্যাপী লিঙ্গভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর দিবসটি পালন করা হয়।

উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, পুরুষ দিবস পালনের প্রস্তাব প্রথম করা হয় ১৯৯৪ সালে। তবে ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯২২ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পালন করা হতো রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে। ২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ডিফেন্ডার অফ দ্য ফাদারল্যান্ড ডে। রাশিয়া, ইউক্রেনসহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হতো।

তবে বলা যায়, প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়- নারী দিবসের অনুরূপভাবেই দিবসটি পালিত হয়। ষাটের দশক থেকেই পুরুষ দিবস পালনের জন্য লেখালেখি চলছে। কথিত আছে, ১৯২৩ সালে, অগণিত পুরুষ ৪ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালনের দাবি তুলেছিলেন।

সেই সময় পুরুষরা ২৩ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালনের জন্য নির্দিষ্ট করেছিল। ১৯৬৮-তে আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস একটি নিবন্ধে লেখেন, সোভিয়েত-রাশিয়ায় লিঙ্গবৈষম্য মারাত্মক। সেখানে নারী দিবস পালিত হলেও পুরুষ দিবসের কোনো অস্তিত্ব নেই। এরপরেই হ্যারিস পুরুষ দিবস পালনের দাবি জানান।

নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে পুরুষ দিবস পালনের জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন। যদিও অনুষ্ঠানগুলো খুব একটা প্রচার পায়নি, অংশগ্রহণও ছিল কম।

১৯৯৯ সালের ১৯ নভেম্বর ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে প্রথম আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস উদযাপিত হয়েছিল। ড. জেরোম তিলক সিং পুরুষদের অবদানের স্বীকৃতির দানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তা তার বাবার জন্মদিনে প্রথম বিশ্ব পুরুষ দিবস উদযাপিত হয়। ধীরে ধীরে এভাবেই ১৯ নভেম্বর হয়ে ওঠে পুরুষদের মুখ। পরবর্তী সময়ে ১৯ নভেম্বর পুরো বিশ্বে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে লিঙ্গভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে দিবসটি উদযাপন করা হয়ে থাকে।

প্রতি বছর বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশে পালন করা হয় দিবসটি। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কানাডা, ভারত, পাকিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, জ্যামাইকা, কিউবা, স্কটল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মাল্টা, কানাডা, ডেনমার্ক, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, ইউক্রেন ইত্যাদি।

বাংলাদেশেও দিবসটি ছোট পরিসরে পালিত হয়। এবারও বেসরকারি সংগঠন এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে বিশ্ব পুরুষ দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করছে। ১৯ নভেম্বর (শুক্রবার) আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম জানান, সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। পুরুষরা পরিবার, সমাজ তথা গোটা বিশ্বে যে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছে দিবসটি তারই স্বীকৃতি স্বরূপ। যেসব মহাপুরুষ যুগে যুগে এই মানবসভ্যতা বিনির্মাণে আত্মত্যাগ করে গেছেন, এই দিবস তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই দিবস পুরুষ এর কল্যাণার্থে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পুরুষ দিবসের ৬টি প্রধান প্রতিপাদ্যের মধ্যে অন্যতম নারী ও পুরুষ এর আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়ন এবং নারী ও পুরুষ উভয় এর লিঙ্গ সমতা নিশ্চিতকরণ।

এই লক্ষ্যে ২০২১ সালের পুরুষ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নারী-পুরুষের লিঙ্গ সম্পর্ক উন্নয়ন। দিবসটি উদযাপনে এইড ফর মেন ফাউন্ডেশনর কর্মসূচি-

সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে জড়ো হয়ে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির শুভ উদ্বোধন। সকাল সাড়ে ১০টায় রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি। সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যালি পরবর্তী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আলোচনা অনুষ্ঠান। যেখানে উপস্থিত থাকবেন সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দুপুর ১টায় সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা।


আরও খবর
করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি মৃত্যু

শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১