আজঃ মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২
শিরোনাম

নেত্রকোনায় বন্যার্তদের ত্রাণ দিতে গিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের এমপি অসীম কুমার উকিল ও তার সহধর্মিনী অধ্যাপক অপু উকিলের সঙ্গে কেন্দুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির আহম্মেদ খান রুজেল (৩৫) মারা গেছেন। রুজেলের বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা পাবেল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রবিবার (১৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে দিকে তিনি মারা যান।

এর আগে তিনি উপজেলার নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ত্রাণ বিতরণের সময় হঠাৎ স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবির আহম্মেদ খান রুজেল উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের মানিক খানের ছেলে।

পাবেল খান জানান, রবিবার সকালে স্থানীয় এমপি অসীম কুমার উকিল ও তার সহধর্মিনী অধ্যাপক অপু উকিল উপজেলার মোজাফরপুর, কান্দিউড়া ও নওপাড়া ইউনিয়নের বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করতে যান। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যান আবির আহম্মেদ রুজেলও। উপজেলার নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ত্রাণ বিতরণ শেষে হঠাৎ স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন রুজেল। পরে দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে বিকাল ৬টায় কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে জানাজা শেষে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে আবির আহম্মেদ খান রুজেলের মরদেহের দাফন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



এডিপিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া ১০ খাত

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব  পেয়েছে ১০টি খাত। গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত সরকারের জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদ-এনইসির সভায় এই বরাদ্দ দেওয়া হয়। বুধবার (৮ জুন) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, খাতওয়ারি সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ। এ খাতে সরকার বরাদ্দ দিয়েছে ৭০ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকা।  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। শিক্ষায় ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা। গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলি খাতে ২৪ হাজার ৪৯৭ টাকা বরাদ্দ দেওযা হয়।

এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে ১৯ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়নে ১৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। কৃষি খাতে ১০ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। পরিবেশ, জলবায়ু, পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ খাতে ৯ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা। শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবায় ৫ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা এবং বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি খাতে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হযেছে।

অপরদিকে সরকারের নতুন এডিপিতে মন্ত্রণালয় বা বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন দেয় এনইসি। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে সড়কক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ৩১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা। এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগে ২৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রায় ১৬ হাজার ১১ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে প্রায় ১৫ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রায় ১৪ হাজার ১২৯ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রায় ১৪ হাজার ১ কোটি টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রায় ১১ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা, সেতু বিভাগে ৯ হাজার ২৯০ টাকা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে প্রায় ৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতু খুলে দিলে মাদারীপুরে শিল্প বিপ্লব হবে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ জুন ২০22 | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু ২৫ জুন উদ্বোধন করা হবে। এই সেতুকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পদ্মাপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দে চলছে। বিশেষ করে এই সেতু উদ্বোধনের পর মাদারীপুর তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলে শিল্প বিপ্লব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে মাদারীপুরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রচুর সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সেতুকে ঘিরে পদ্মা পাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকার মানও পরিবর্তন করার চেষ্টা চলছে। হাতে নেওয়া হয়েছে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প। এতে আশান্বিত সাধারণ মানুষ। 

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। মূল অংশের পিচ ঢালাই কাজও শেষ। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর উদ্বোধন করবেন। পদ্মা সেতু চালুর মধ্যদিয়ে পুরো অঞ্চলের চেহারা বদলে যাবে। অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।  মাদারীপুরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের জন্যে সরকারের পক্ষ থেকে অধিগ্রহণ করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার একর জমি। এরই মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পে কাজ দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে তোলার জন্য জমি ক্রয় করছে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিবচরের কুতুবপুরে ৭০ একর জায়াগায় দেশের প্রথম ইনফরমেশন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ও হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই ইউনিয়নে ১০৮ একর জমিতে বেনারসি পল্লী নির্মাণের কাজ চলছে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণের জন্য ১৫ একর জমি অধিগ্রহণ শেষে কাজ চলমান রয়েছে। পরিকল্পিত শহরায়নের জন্য ৭৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে শিবচরে।  এখানে দাদাভাই উপশহর নামে পরিকল্পিত শহরায়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায় রয়েছে। চরাঞ্চলের চরজানাজাতে অলিম্পিক ভিলেজ নির্মাণের প্রস্তাবনাও রয়েছে।

রাজধানী ঢাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ নিরাপদ, সময় সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক করার লক্ষ্যে বাংলাদশে সরকাররে নিজস্ব র্অথায়নে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সড়ক ব্যবহার করে মেট্রোরেল নির্মাণের পরকিল্পনার রয়েছে সরকারের। এছাড়া মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় ইকোনোমিক জোন নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত এলাকা ঘিরে উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করতে যাচ্ছে সরকার। যার মনিটরিং করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। মাস্টারপ্ল্যানে থাকছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, আধুনিক পর্যটন স্থাপনা, শিল্পভিত্তিক বন্দরনগরী, পরিকল্পিত নগরায়ণ, যোগাযোগ, অর্থনীতি ও কৃষি খাতে উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা ও দুর্যোগ ঝুঁকিসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলাভিত্তিক কার্যক্রম।

মাদারীপুরের ব্যবসায়ী জালাল মাহমুদ বলেন, বেসরকারি উদ্যেগে বিভিন্ন কলকারখানা নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এই অঞ্চলে কর্মসংস্থান বাড়বে। কমবে বেকারত্ব। অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখছে এসব প্রকল্প ঘিরে। তবে আমাদের এই অঞ্চলে গ্যাসের সংযোগ নেই। গ্যাসের সংযোগ না থাকলে কলকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যেন গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করে।

মাদারীপুর বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহা ব্যবস্থাপক নাজমুল হক বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যাবে। এখানে গড়ে উঠবে শিল্প কলকারখানা। বাড়বে কর্মসংস্থান। বাড়বে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্র। মাদারীপুরে দুইটি বিসিক রয়েছে। আরও দুটি বিসিক শিল্প নগরী গড়ে তোলার প্রস্তবনা রয়েছে। সে মোতাবেক কাজ চলছে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড.রহিমা খাতুন বলেন, পদ্মা সেতু খুলে দিলে এই অঞ্চলের ব্যপক উন্নয়ন হবে। তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখতে গড়ে তোলা হবে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী। এছাড়াও একটি ইকোনোকি অঞ্চল গড়ে তোলার প্রস্তাবনা দেওয়া আছে। সব কিছু ঠিক থাকলে মাদারীপুরে শিল্প বিপ্লব হবে বলেই আশা করি।

নিউজ ট্যাগ: পদ্মা সেতু

আরও খবর



আবারও মেয়াদ বাড়লো প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইহসানুল করিম হেলাল আবারও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিযুক্ত হয়েছেন। চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত প্রেস সচিবকে আগের চুক্তির ধারাবাহিকতায় আরও দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রবিবার (১৯ জুন) প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহা. রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগের চুক্তির ধারাবাহিকতা ও অনুরূপ শর্তে ১৮ জুন অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য সরকারের সচিব পদ মর্যাদা ও বেতনক্রমে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো।


এর আগে, ২০১৫ সালের ১৫ জুন ইহসানুল করিমকে এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ১৬ জুন তার চুক্তির মেয়াদ তিন বছর বাড়ানো হয়।

শেখ হসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টানা তৃতীয়বার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০১৯ সালের ১০ জুন তার চুক্তির মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হয়। এবার বাড়ানো হলো দুই বছর।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে ইহসানুল করিম রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।


আরও খবর



বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বন্ধ হতে পারে সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে। সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শহরে অনবরত ঢুকছে পানি। পানি বৃদ্ধি পেয়ে শহরের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এই অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। সিলেটের বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আজ শুক্রবারের মধ্যেই পুরো সিলেট শহরের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা বিদ্যুৎ সাব স্টেশনে পানি উঠে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে ওই এলাকায় সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। উপশহর কেন্দ্রেও পানি উঠেছে। যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রও বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ওই উপকেন্দ্র থেকে সারা সিলেটে বিদ্যুৎ সবরাহ করা হয়ে থাকে।

বিদ্যুৎ বন্ধের আশঙ্কায় শুক্রবার সকালে কুমারগাঁও ছুটে যান সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বিউবোর কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বরাত দিয়ে তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুহিবুল ইসলাম ইমন জানান, বিউবোর প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন আর মাত্র ৪ ইঞ্চি পানি বৃদ্ধি পেলে কুমারগাঁও উপকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। এতে পুরো সিলেট অন্ধকারে চলে যাবে। বিদ্যুতের পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটও দেখা দেবে। তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানি প্রবেশ বন্ধ ও পাম্প দিয়ে ভেতরের পানি সেচের ব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

ইমন জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে মেয়র শ্রমিক ও পাম্পসহ সবধরণের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। যে কোনভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তিনি বিউবোর কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের অনুরোধ জানিয়েছেন।


আরও খবর



স্তন ক্যানসার কী, কেন হয় ও চিকিৎসা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শরীরে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ক্যান্সার হলো স্তন ক্যান্সার। সারা বিশ্বে বর্তমানে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৫ হাজারের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এসব রোগীর মধ্যে ৯৮ শতাংশের বেশি নারী এবং অল্পসংখ্যক পুরুষ রয়েছেন। পুরুষের চেয়ে নারীদের এই  রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি। কারণ হিসেবে দেখা যায়, নারীরা তাদের নিজেদের  গোপনাঙ্গের রোগগুলো বা টিউমারের মতো অনুভূত হলেও এ নিয়ে সহজে কারও সঙ্গে কথা বলতে চান না। যে কারণে অজ্ঞানতা আর লজ্জার কারণেই নারীরা স্তন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

স্তন ক্যান্সার কি?

চিকিৎসা পরিভাষায় স্তন ক্যান্সার বলতে স্তনের কিছু কোষ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়াকে  বোঝায়। কালক্রমে এই অনিয়মিত ও অতিরিক্ত  কোষগুলো বিভাজনের মাধ্যমে টিউমার বা পিণ্ডে পরিণত হলে রক্তনালির লসিকা ও অন্যান্য মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

যেসব কারণে স্তন ক্যান্সার হতে পারে বলে মনে করা হয়:

স্তন ক্যান্সার হওয়ার নির্দিষ্ট  কোনো কারণ আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সন্তানদের বুকের দুধ না খাওয়ানো মায়েদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি বলে তারা মনে করছেন। এ ছাড়া বংশগত বা হরমোনজনিত কারণে, অতিরিক্ত ওজন থাকলে, বেশি বয়সে বিয়ে করা, ৩০ বছরের পর নারীদের প্রথম বাচ্চা নেয়া, বারো বছরের আগে ঋতুস্রাব হওয়া এবং  দেরিতে মেনোপজ বা ঋতু বন্ধ হওয়াকেও ক্যান্সারের কারণ বলে গণ্য করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বা হরমোনের ইনজেকশন নেয়া, ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া, ডায়েটে শাকসবজি ও ফলমূল কম রাখা, প্রক্রিয়াজাত খাবার বা প্রিজারভেটিভ খাবার খাওয়ার অভ্যাস, কৃত্রিম মিষ্টি ও রংযুক্ত খাবার খাওয়া, অ্যালুমিনিয়াম  বেজড উপাদান সমৃদ্ধ ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা, দীর্ঘদিন এয়ার ফ্রেশনার, কীটনাশক, অতিরিক্ত  কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিকস, ডিওডোরেন্ট এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে থাকাকে চিকিৎসকরা স্তন ক্যান্সারের কারণ বলে মনে করছেন।

লক্ষণগুলো:

স্তনে ক্যান্সার হলে এর কিছু লক্ষণ দেখা যায়। এগুলো হলো- স্তন বা বগলে চাকা বা দানা দেখা  দেয়া, স্তনের চামড়ার রং পরিবর্তন হওয়া বা চামড়া মোটা হওয়া, নিপল বা স্তনের বোঁটা  ভেতরে দেবে যাওয়া, নিপল দিয়ে রক্ত বা পুঁজ পড়া ইত্যাদি। তাই যদি এসব লক্ষণ স্তনে শরীরে  দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

পরীক্ষা বা টেস্টগুলো:

যদি স্তন ক্যান্সারের লক্ষণগুলো সন্দেহ হয় তাহলে চিকিৎসক আপনাকে দেখে সত্যিই শরীরে ক্যান্সার আছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য  মেমোগ্রাম, স্তন এবং বগলের আলট্রাসনোগ্রাম, এফএনএসি, কোর বায়োপসি বা ট্রুকাট বায়োপসি এবং হিস্টোপ্যাথলজির মতো পরীক্ষাগুলো করার জন্য বলে থাকেন।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ:

যদি স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে তাহলে ধরন অনুযায়ী সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন থেরাপি ও টার্গেটেড  থেরাপি এসব চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। কেবল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকই কোন চিকিৎসা করবেন তা নির্ধারণ করে থাকেন। তবে প্রতিরোধই হলো সর্বোৎতম চিকিৎসা। এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিং।  সেই সঙ্গে সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই এই ক্যান্সার জয় করা সম্ভব। স্তন ক্যান্সার জটিলতা বেড়ে গেলে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই লজ্জা নয়, প্রতিটি সমাজে এর সচেতনতা প্রয়োজন, যাতে স্তনে এর লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত প্রতিরোধি ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে সময়ক্ষেপণে স্তনে টিউমার বা পিণ্ডটি বড় হয়ে না যায় বা ছড়িয়ে না পড়ে। তাই স্তনে শুরুতে কিছুটা দানা বা পিণ্ড অনুভব করেন কোনো অবহেলা নয় দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। এর রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের হোমিও ওষুধ ও চিকিৎসা। যদি প্রাথমিক অবস্থায় স্তনে টিউমার দেখা যায় এবং সচেতনতার সহিত সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা করতে পারলে হোমিও চিকিৎসাতে  স্তন ক্যান্সার বা টিউমার আরোগ্য হয়। ভালো থাকুন, সুস্থ জীবনযাপন করুন।

নিউজ ট্যাগ: স্তন ক্যানসার

আরও খবর
বিফ সাসলিক তৈরির রেসিপি

সোমবার ২৭ জুন ২০২২