আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নীলফামারীতে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদে তৃতীয় ধাপে আগামীকাল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের জন্য উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ১৪১ টি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ভোটগ্রহণের ভোট বাক্সসহ অন্যান্য সামগ্রী।

মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্য়ালয়ের সামনে থেকে বিতরণ কার্য়ক্রমের উদ্বোধন করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান। এসময় সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সামসুল আজম ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। 

আগামীকাল বুধবার ভোর রাত চারটায় এসব কেন্দ্রে ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হবে এবং সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে চলবে ভোটগ্রহণ জানান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ও বাহিরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। যাহাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

নিউজ ট্যাগ: নীলফামারী

আরও খবর



চট্টগ্রামে ফিলিস্তিনের মুক্তিকামীর জনতার পক্ষে সংহতি সমাবেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বর্বর গণহত্যা বন্ধের দাবিতে শনিবার (১ জুন) বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে চট্টগ্রামের প্রগতিশীল রাজনৈতিক-সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদে, তাদের দেয়া অর্থ আর অস্ত্রে ফিলিস্তিনে যে হত্যায্জ্ঞ ইসরাইলি দখলদার বাহিনী চালাচ্ছে, এটা নিছক গণহত্যা নয়। এটা মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধ। গত আট মাসে ৩৬ হাজার মানুষকে ইসরাইলিরা হত্যা করেছে। আর তাদের দোসর আমেরিকা নানা ছলাকলায়, কথার জাল বুনে এ অপরাধকে বৈধতা দিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি তৈরি করে সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার ঘটানোই আমেরিকা-ইসরাইলের কৌশল। এ দুই দেশকে মানবতার শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে বিশ্বের সকল বিবেকমান মানুষকে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিশ্বের সকল শান্তিকামী রাষ্ট্রকে যুদ্ধবাজ আমেরিকা-ইসরাইলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশকেও ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী জনতার পাশে দাঁড়াতে হবে রাষ্ট্রীয়ভাবে।

খেলাঘরের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক রমেন দাশগুপ্তের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কথাসাহিত্যিক-সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, নারীনেত্রী নূরজাহান খান, উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. চন্দন দাশ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি অধ্যাপক অশোক সাহা ও  সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সিপিবি দক্ষিণ জেলার সভাপতি অধ্যাপক কানাই দাশ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলার আইন বিষয়ক সম্পাদক নুরুচ্ছাফা ভূঁইয়া, বোধন আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি আবদুল হালিম দোভাষ, খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য রথীন সেন, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সভাপতি লাকী দাশ, নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দীপেন চৌধুরী, ছড়াকার অধ্যাপক অ্যালেক্স আলীম, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দিলীপ দাশ, ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক দেবপ্রিয় বড়ুয়া অয়ন, চট্টগ্রাম জেলা যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশিদুল সামির, চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি টিকলু কুমার দে, অগ্নিবীণা পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক সানি চৌধুরী এবং মুক্তধারা পাঠাগারের সংগঠক হামিদ উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে খেলাঘর কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, '১৯৪৮ সালে ইসরাইল নামে এ লাঠিয়াল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদের শেকড় বিস্তৃত হয়েছে। আরব রাষ্ট্রগুলোতে যখন গাদ্দাফি বা সাদ্দাম হোসেনের মতো শাসক যারা সাম্রাজ্যবাদকে নির্দ্বিধায় কুর্নিশ করে না, তাদের মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তেমনি ভাবে আমেরিকা হামাসের মতো একটি সংগঠন জম্ম দিয়ে তাদের মাধ্যমে উসকানি সৃষ্টি করে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তি সৃষ্টি করার এবং মধ্যেপ্রাচ্যেকে ক্রমাগতভাবে সাম্রাজ্যবাদের নখরের মধ্যে আটকে রাখার পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করে চলেছে।'

তিনি আরও বলেন, 'মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মদদে ও সহযোগিতায় ইসরাইল এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনে যে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, সেটাকে আমি শুধু গণহত্যা বলতে রাজি নয়। আর কত হাসপাতালে, শরনার্থী শিবিরে, ত্রাণের লাইনের দাঁড়িয়ে থাকা নারী ও অবুঝ শিশুকে বোমা মেরে হত্যা করলে সেটা গণহত্যা হবে ? মার্কিন সাম্রাজ্যেবাদের মতো নিষ্ঠুর প্রকৃতির শাসকগোষ্ঠী এ নীতিবাক্যের কোনো জাবাব দেবে না। তার বিরুদ্ধে একমাত্র জবাব আমরা মানুষ ঐক্যবদ্ধ হওয়া। সারা পৃথিবীর ৯৯ শতাংশ মানুষ আজ এ সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি অশোক সাহা বলেন, 'সাত দশক ধরে প্যালেস্টাইনের জনগণ যে জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম করছে সেটাকে টুটি টিপে হত্যা করার শেষ আয়োজন চলছে গাজায়। এ ইসরাইলি জায়নবাদ আমেরিকার দালালরা দীর্ঘকাল ধরে প্যালেস্টাইনের লাখ লাখ মানুষ খুন করেছে। তারাই চক্রান্ত করে প্যালেস্টাইনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাতকে খুন করেছে।'

তিনি বলেন, ফিলিস্তিন জাতিসত্ত্বাকে পৃথিবীর ইতিহাস থেকে মুছে দিতে চায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও ইসরাইল। জাতিসত্ত্বা এমন এক জিনিস জবরদখল বা জবরদস্তি করে, বোমা মেরে ধ্বংস করা যায় না। দুনিয়ার যত অঘটন ঘটে, যত যুদ্ধের দামামা হয় সেখানেই আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ। এ আমেরিকা দেশে দেশে খুনোখুনি কম করেনি। আমাদের বাংলদেশেও  পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা যতরকমের বর্বর কাজ করেছে সব কিছুর হোতা এ আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ। এ চক্রান্তকারী শক্তির বিরুদ্ধে আমরা সবাই প্রতিবাদ না জানালে সংকটের সমাধান হবে না।'

সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, 'ইসরাইলের ইহুদিরাও বিভিন্ন দেশে আজ ফিলিস্তিনে বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এ যে মনোভাব একজন ইসরাইলি ইহুদির সে মনোভাব আজ সারা পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের। সাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতাসীনেরা কারও কথা শুনে না। তারা পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে যুদ্ধকে ছড়িয়ে রেখেছে। গাজায়ও তাদের অস্ত্রের ঝনঝনি আমরা শুনতে পায়। আমাদের এ প্রতিবাদ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের প্রতিবাদের সঙ্গে একাকার হয়ে যাক।'

নারীনেত্রী নূরজাহান খান বলেন, ফিলিস্তিনে যে গণহত্যা চালানো হচ্ছে সেটা অমানবিকতার শীর্ষ পর্যায়ে। পৃথিবীর অনেক দেশই এ বর্বর হত্যাযজ্ঞের বিরোধিতা করেছে। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরাও ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী জনতার পাশে আছি।'

উদীচী চট্টগ্রাম জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. চন্দন দাশ বলেন, 'ফিলিস্তিনে গণহত্যা আজ একদিন ধরে চলছে না। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। গাজা থেকে হামাসের পক্ষ থেকে যে হামলা চালানো হয়েছে সেটা একটি মার্কিনীদের কৌশল। এ হামলাকে কেন্দ্র করে আজ সেখানে বর্বর গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল। শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে এটাকে কেউই মেনে নেবে না। গাজা আজ শিশুদের কবরে পরিণত হয়েছে।'

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



কাশ্মীরের বনাঞ্চলে দাবানল, বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক ল্যান্ডমাইন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজৌরির বনাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক ল্যান্ডমাইন বলে গণমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে।

জানা গেছে, পাহাড়ি অঞ্চলে ড্রোন ব্যবহার করে আগুনের সঠিক অবস্থান এবং গতিবিধি অনুমান করে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন ভারতীয় দমকল কর্মীরা।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গরমের কারণে নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন মানকোট জঙ্গলে প্রথমের আগুনের সূত্রপাত হয়। কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই আগুন আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। কারণ, এই সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে সেখানে প্রচুর সংখ্যক ল্যান্ডমাইন বিছানো ছিল। আগুনের কারণে সেই ল্যান্ডমাইনগুলোতে ক্রমাগত বিস্ফোরণ ঘটছে। কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে আগুন দেখা যাচ্ছে।

এদিকে গত তিন দিন ধরে উধমপুর জেলার ঘোর্ডি ব্লকের দয়া ধারের জঙ্গলে আগুন জ্বলছে। ক্রমাগত অগ্নিনির্বাপণের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বর্তমানে এই আগুন আরও তীব্র হয়েছে। দয়া ধর বন এলাকায় ময়ূরের আবাসস্থল, যা এই আগুনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গাছপালা পুড়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র ময়ূরই নয়, অন্যান্য বন্যপ্রাণী এবং সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রকেও প্রভাবিত করেছে।

ভারতজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেই এ দাবানল যেন মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের জন্য। আগুন নেভাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও স্থানীয়রা।

মার্চের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভারতে সাধারণত বনাঞ্চলে দাবানল বেড়ে যায়। চলতি মাসে মেনধর উপজেলার নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন বনাঞ্চলে এটি চতুর্থ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, পাকিস্তান অধিকৃত এলাকার বনাঞ্চলের আগুন ভারতীয় ভূখণ্ডে চলে এসেছে। পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য ল্যান্ডমাইন অকার্যকর করতে এ ধরনের আগুন লাগিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।


আরও খবর



ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদোল্লাহিয়ানসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের মৃত্যুতে বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম রাইসি এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

এদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

নিহতদের বিদেহি আত্মার শান্তি কামনার জন্য বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।


আরও খবর
আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ

শনিবার ১৫ জুন ২০২৪




নাইজেরিয়ায় মসজিদে তালা লাগিয়ে আগুন, নিহত ১১

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় একটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দিলে কমপক্ষে ১১ মুসল্লি প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দেশটির কানো প্রদেশের একটি মসজিদে বাইরে থেকে তালা আটকে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার সময় মুসল্লিরা ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদের ভেতরে ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কানো প্রদেশের একটি মসজিদে এক ব্যক্তির হামলায় অন্তত ১১ জন মুসল্লি নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তারা বলেছে, এক ব্যক্তি মসজিদে পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন লাগানোর আগে সব দরজা বন্ধ করে দেয় এবং এতে মসজিদের ভেতরে প্রায় ৪০ মুসল্লি আটকা পড়েন।

উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হামলা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ। তারা এই ঘটনায় ৩৮ বছর বয়সী সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কানো প্রদেশের গেজাওয়া এলাকায় বুধবার মুসল্লিরা ফজরের নামাজে অংশ নেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বাসিন্দারা বলেছেন, হামলার পর মসজিদে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় মুসল্লিদের আর্তনাদের আওয়াজ শোনা যায় এবং তারা ভেতর থেকেই তালাবদ্ধ দরজা খুলতে চেষ্টা করেন। অবশ্য বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর প্রতিবেশীরা ভেতরে আটকে পড়াদের সাহায্য করতে ছুটে আসেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে এসব তথ্য উঠে এসেছে।


আরও খবর



প্রশ্নফাঁস: প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মৌখিক পরীক্ষা (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পরীক্ষা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া প্রশ্নফাঁসমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা রিটের বিষয়ে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২৮ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট পিয়া জান্নাতুল, ব্যারিস্টার লিটন আহমেদ ও ব্যারিস্টার খুররম খান মুরাদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি দাস, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচ উল মাওয়া।

আদেশের পর আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন সাংবাদিকদের বলেন, ২০২৩ সালের ১৪ জুন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য সার্কুলার হয় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য। এ পরীক্ষায় সাড়ে তিন লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঘটে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ অনেককেই গ্রেফতারও করে। আটকরা প্রশ্নফাঁসে জড়িত হওয়ার বিষয়ে দায়ও স্বীকার করেন।

তিনি বলেন, এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত কোনো অনুসন্ধান তো দূরের কথা, কিছুই করেনি। বরং তারা এতবড় ঘটনা ইগনোর করে সামনে এগিয়ে ভাইভা নিচ্ছেন। এখন আমাদের বক্তব্য হলো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা দিবালোকের মতো পরিষ্কার, সে ঘটনায় কেউ তদন্তও করলো না। আমাদের ধারণা এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কেউ জড়িত থাকতে পারেন। এজন্য আদালতে আমরা রিট দায়ের করি।

গত ২৯ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপে ঢাকা-চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে পরীক্ষা হয়। দুই বিভাগের ৪১৪টি কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে প্রার্থী ছিলেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ। এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরে এ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া জুয়েল রতন দাসসহ ১৫ জন রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন আদালত।

এই পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নের উত্তরপত্র ও ডিভাইসসহ মাদারীপুরে সাতজন ও রাজবাড়ীতে একজন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। দুই জেলায় আলাদাভাবে মামলা দায়ের করেন সংশ্লিষ্টরা। রাজবাড়ীতে আটক হওয়া পরীক্ষার্থী আদালতে নিজের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছেন।

প্রশ্নফাঁসের পরও গত ২১ এপ্রিল রাতে ফল প্রকাশ হয়। এতে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন ১৫ পরীক্ষার্থী।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর