আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নাশকতার মামলায় টুকু-জুয়েলসহ বিএনপির ২৯ নেতাকর্মীর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর শাহজাহানপুর ও গুলশান থানায় করা নাশকতার পৃথক দুই মামলায় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলসহ বিএনপির ২৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় ৪৫ জনকে খালাসও দিয়েছেন আদালত।

শাহজাহানপুর থানার মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, মো. ভাসানী চাকলাদার, মো. মহসীন, মো. হানিফ হোসেন বাবু, মো. বেলাল উদ্দিন, বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম মজনু, মো. তারিকুল ইসলাম জিকির, মো. বাতেন, কাজী মো. জামাল, ইমরান খান ইমন, মো. সোহাগ ভূঁইয়া, আ. সালাম খান, আরিফুর রহমান সুজন, শেখ শহিদুল্লাহ টিপু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য, মো. সেলিম, আহমেদ ও হুমায়ূন কবির নাহিদ।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের দণ্ডবিধির ১৪৮ ও ৩৪ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দণ্ডবিধির ৪২৭ ও ৩৪ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে আসামিদের দুই বছর করে সাজা ভোগ করলেই চলবে বলেও রায়ে বলেছেন আদালত।

অন্যদিকে খালাসপ্রাপ্ত ৪৪ আসার মধ্যে আবুল হোসেন ওরফে লিলু, মো. শফিউল বারী বাবু ও মো. শামসুর রহমান হুমায়ূন মামলা চলাকালীন মৃত্যুবরণ করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে নাশকতার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করে। পরবর্তীসময়ে পুলিশ তদন্ত শেষে ৬৪ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এদিকে গুলশান থানার আরেক মামলায় বিএনপির নয় নেতাকর্মীকে পৃথক দুই ধারায় দুই বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন এ কারাদণ্ড দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেহেদী বাপ্পী, মাইনুল হাসান প্রকাশ মিশু, শরিফুল, জাকির হোসেন, মজিবুর রহমান প্রকাশ মজি, মামুন চৌধুরী, রুবেল হোসেন, আতিকুর রহমান, বিল্লাল হোসেন।

আসামিদের ১৮৬০ সালের পেনাল কোড আইনের ১৪৩ ধারায় ছয়মাসের কারাদণ্ড ও পাঁচহাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের একই আইনের ১৪৭ ধারায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচহাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আমিনুল ইসলাম নামে এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর গুলশানে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মিছিল করে। এসময় যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশের গুলশান থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।


আরও খবর



রাজধানীতে দুই দিনব্যাপী ‘স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

অ্যাফেয়ার্স এক্সিবিশন অ্যান্ড মিডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের আয়োজনে আগামী ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অনুষ্ঠিত হবে স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো। ভারতের উচ্চ র‌্যাঙ্কযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বোর্ডিং স্কুল গুলোর প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়া, এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সঠিক কোর্স বেছে নিতে এবং ভর্তি সংক্রান্ত হালনাগাদ ও সঠিক তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করবেন। স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো ২০২৪-এ অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অন-স্পট আবেদন করার এবং ১০০ শতাংশ মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ অর্জনের একটি অনন্য সুযোগ পাবেন।

অ্যাফেয়ার্স এক্সিবিশন অ্যান্ড মিডিয়া প্রা. লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্জীব বোলিয়া বলেন, উচ্চশিক্ষার শক্তিগুলোকে তুলে ধরাই হলো এক্সপোর মূল উদ্দেশ্য। স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপো শুধুমাত্র ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ বোর্ডিং স্কুল গুলোতে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয় না, বরং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ শিক্ষা, একাডেমিক অংশীদারত্ব; বিদেশে ভারতীয় ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্যের সঠিক উৎস থেকে দ্রুত অ্যাক্সেস ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি ভর্তির প্রক্রিয়াকে সহজ করার লক্ষ্য রাখি।

স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপোতে কম্পিউটার সায়েন্স, মেকানিক্যাল অ্যান্ড সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ, এমবিএ, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্স, ক্লাউড কম্পিউটিং, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্টের মতো জনপ্রিয় কিছু কোর্স অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অফার করবে বলে জানা গেছে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি (বিএইচইউ), শারদা ইউনিভার্সিটি, লাভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি, চন্ডিগড় ইউনিভার্সিটি, অ্যামিটি ইউনিভার্সিটি, এসআরএম ইউনিভার্সিটি, মানব রচনা ইউনিভার্সিটি, কেআইআইটি ইউনিভার্সিটি, বিএমএস কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং, পিডিইইউ, এমআইটি ওয়ার্ল্ড পিস ইউনিভার্সিটি, মোদি ইউনিভার্সিটি, এআইএমএস ব্যাঙ্গালোর, সিভি রমন বিশ্ববিদ্যালয়, আদিত্য গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউটস, পিম্পরি চিঞ্চওয়াড় বিশ্ববিদ্যালয়, উডস্টক স্কুল-মুসৌরি, মেয়ো কলেজ বয়েজ এবং মেয়ো কলেজ গার্লস স্কুল-আজমের, সেন্ট পলস স্কুল-দার্জিলিং, আগা খান একাডেমি-ঢাকা, আগা খান একাডেমি-হায়দরাবাদ, কিংস কলেজ ইন্ডিয়া-ব্রিটিশ, বোর্ডিং স্কুল দিল্লি এনসিআর, ইউনিসন ওয়ার্ল্ড স্কুল, হেইলিবারি ভালুকা, শারদা ওয়ার্ড স্কুল, সান্তা মারিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল প্রমুখ।

যেসব ছাত্রছাত্রীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা এমনকি কর্মজীবী পেশাজীবী তারা স্টাডি ইন ইন্ডিয়া এক্সপোতে যোগদান করতে পারবেন। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বিনামূল্যে এক্সপোতে অংশগ্রহণ করতে https://studyinindiaexpo.com/bangladesh/ এ নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



বেআইনি বিয়ের দায়ে ইমরান খান ও বুশরা বিবির ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার বিয়ের কারণে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে করা হয়েছে জরিমানাও। এর আগে তোশাখানা মামলায় উভয়কে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র পাঁচ দিন আগে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই রায় দিয়েছে পাকিস্তানের একটি আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বুশরা বিবির সাথে ইমরান খানের হওয়া বিয়েতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে।

চলতি সপ্তাহে আদালতের পক্ষ থেকে ইমরান খানের বিরুদ্ধে এটা তৃতীয় কোনো রায়। ৭১ বছর বয়সী পিটিআই নেতা এখন কারাগারে রয়েছেন। ফলে তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।

নির্বাচন সামনে করে রাষ্ট্রীয় গোপন নথি প্রকাশ করার অভিযোগে করা মামলায় তাকে ও তার বিশ্বস্ত সহযোগী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি আদিয়ালা কারাগারে দুই নেতার উপস্থিতিতে দফতর গোপনীয়তা আইনে গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত জুলকারনাইন এ রায় ঘোষণা দেন। পরদিন ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগে (তোশাখানা মামলা) ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ইসলামাবাদের জবাবদিহিতা আদালতের (অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্ট) বিচারক মুহাম্মদ বশির এ রায় দেন।

তিনদিন পর দেয়া হলো বিয়ে সম্পর্কিত মামলার রায়। রায়ে ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছর করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বুশরা বিবিকে বিয়ে করেন ইমরান খান। এটা তার তৃতীয় বিয়ে। নির্বাচনে বড় জয় ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র সাত মাস আগে অনেকটা গোপনে এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিয়ে হয়।

এরপর গত ছয় বছর ধরে সংসার করছেন এই দম্পতি। এতদিন পর সম্প্রতি নির্বাচন সামনে করে ইমরান খান ও বুশরার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বুশরা বিবির সাবেক স্বামী খাওয়ার ফরিদ মানেকা। তার অভিযোগ, বুশরা বিবি ইদ্দত পালন করেননি এবং ইদ্দত পালন না করেই বিয়ে করার মাধ্যমে তারা ব্যভিচার করেছেন।

ইসলামি শরিয়া আইন অনুসারে, স্ত্রীর তালাক হলে বা তার স্বামীর মৃত্যু হলে যে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ত্রীকে এক বাড়িতে থাকতে হয় কিংবা তিনি অন্য কোথাও যেতে পারেন না বা অন্য কোথাও বিয়ে করতে পারেন না; সেই সময়কালকে ইদ্দত বলা হয়।

তবে এই অভিযোগ দুজনই নাকচ করে দিয়েছেন। এরপরও মামলা চলে এবং গত মাসে এর শুনানি শুরু হয়। গত ১৬ জানুয়ারি রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বিশেষ ব্যবস্থায় কারাবন্দী ইমরান খানকে উপস্থিত রেখে এই মামলার অভিযোগ গঠন করেন বিচারক। তবে স্বাস্থ্যগত কারণে বুশরা বিবি উপস্থিত ছিলেন না।


আরও খবর



সোমবার থেকে বিমানবন্দর সড়কে বাড়বে যানজট

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেলের ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ এর কাজের জন্য সোমবার থেকে বিমানবন্দর সড়কে যানজট হতে পারে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সেই কারণে এই পথের যাত্রীদের যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে চলাচলের অনুরোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-১) প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল কাসেম ভূঁঞার সই করা বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের সর্বপ্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ নির্মাণের লক্ষ্যে ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) এর প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ এবং খিলক্ষেত স্টেশন এলাকায় আগামী ২৯ জানুয়ারি রাত ১০টা থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় পরিষেবা লাইন স্থানান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

এমতাবস্থায় পরিষেবা লাইন স্থানান্তরের কার্যক্রম চলাকালীন এয়ারপোর্ট রুটে যানজট সৃষ্টির হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই করিডোরে চলাচলরত জনসাধারণ ও পরিবহনকে যথেষ্ট সময় নিয়ে বের হওয়ার জন্য এবং প্রয়োজনে সম্ভাব্য বিকল্প পথ ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত মেতুলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

গত বছর ২০২৩ এর ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইসরায়েল। কারণ, ওই দিন ইসরায়েলের শক্তিশালী গোয়েন্দা বিভাগ ও সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে নজিরবিহীন অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক গোষ্ঠী হামাস। ওই দিন ইসরায়েলে প্রায় এক হাজার ২০০ মানুষ নিহত হয়। আহত হয় দুই হাজারেরও বেশি। এছাড়াও আড়াই শতাধিক মানুষকে ইসরায়েল থেকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস যোদ্ধারা। হামাসের এই কর্মকাণ্ডে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

হামাসের ওই হামলার জবাবে অবিলম্বে গাজায় আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। তারা ঘোষণা দেয়, হামাসকে নির্মূল করা ও জিম্মিদের উদ্ধার করা এই যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু দীর্ঘ চার মাসেও সেই লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি ইসরায়েল। বরং এখনও গাজায় স্থল অভিযানে হামাস যোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে নাস্তানাবুদ হচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। শুধু তাই নয়, আকাশপথেও গাজা থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে রকেট সক্ষমতাও দেখিয়ে যাচ্ছে হামাস।

তবে গাজার চেয়েও ইসরায়েলের জন্য বিপজ্জনক দেশটির সর্ব উত্তরের মেতুলা সীমান্ত। তিন দিক থেকে লেবানন বেষ্টিত এ শহরটি একরকম নিঃসঙ্গভাবে পাহারা দিচ্ছে ইসরায়েলি সীমান্তরক্ষীরা। অর্থাৎ ইসরায়েলের এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেতুলা সীমান্তের এক সীমান্তরক্ষী তার আঙ্গুল দিয়ে হিজবুল্লাহর অবস্থান নির্দেশ করছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আমরা তিন দিক থেকে হিজবুল্লাহর নজরে রয়েছি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষীর বরাতে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই শহরটি পশ্চিমে এক চুতার্থাংশ, উত্তরে আধা মাইল এবং পূবে আধা মাইল লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর নজরে রয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই দেশটির মেতুলা সীমান্তে সৈন্য জমায়েত করে হিজবুল্লাহ। পরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ইসরায়েল। তবে এই সীমান্তে চূড়ান্ত যুদ্ধের পক্ষে নন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কারণ এ অঞ্চলের সীমান্তরক্ষীরা জানেন হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো মানে তাদের এখানে বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সীমান্তরক্ষী জানিয়েছেন, আমরা জানি হিজবুল্লাহ হামাসের চেয়ে বেশ আধুনিক এবং শক্তিশালী বাহিনী। হামাসের চেয়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা বেশি। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের পক্ষে লড়াই করে আসছে।

এছাড়া হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া ওয়াশিংটনেরও মাথা ব্যাথার কারণ বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। হামাস-ইসরায়েল সংঘাত যদি আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে এই যুদ্ধে ইরানও জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মেতুলা সীমান্তে ইসরায়েলের জন্য হিজবুল্লাহ বড় ধরনের বিপদ বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



রশিদপুরে নতুন গ্যাসকূপ, দৈনিক মিলবে ৮০ লাখ ঘনফুট

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটের রশিদপুরে নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানে প্রায় ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।

শনিবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

ওই স্ট্যাটাসে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, গ্যাস অনুসন্ধানের চলমান প্রক্রিয়ায় বড় সুখবর নিয়ে এলো সিলেটের রশিদপুর ২ নং গ্যাসকূপ। ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে এখানে নতুন গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ প্রায় ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট এবং বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। আশা করছি, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এখান থেকে দৈনিক ৮০ লক্ষ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও লেখেন, তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে শেখ হাসিনা সরকারের অগ্রাধিকার আগামীতে বাংলাদেশের জন্য আরও বড় সুসংবাদ বয়ে আনবে আশা করি।


আরও খবর