আজঃ শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

নাশকতার মামলা খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাশকতার একটি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অধ্যাপক তাজমেরী এস ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

সিএমএম আদালতের জিআর শাখার ওমেদার হায়দার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের একটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সিএমএম আদালত। সে মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাঁর আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে কাশিমপুর কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

তাজমেরী ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক শিক্ষক এবং বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ছিলেন। রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


আরও খবর



আমি জানি অনেক বুলেট আমার জন্য অপেক্ষা করছে, কিন্তু আমি থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের সব থেকে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি, দেশের বর্তমান প্রধামন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যার নাম এটি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন ক্ষমতার মসনদে বসা। আর এই কারনে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন একটানা। আজ দেশের সার্বিক অবস্থা ও উন্নয়নের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বুলেট, বোমা, গ্রেনেড অপেক্ষায় থাকলেও জীবনের পরোয়া করেন না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই তার লক্ষ্য।

তাই উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে টেকসই করতে জাতীয় মসৃণ উত্তরণ কৌশল নামের একটি জাতীয় দলিল তৈরির কথা জানালেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। দলিলটিতে সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব ধরনের দিক-নির্দেশনাসহ কার্যকর কৌশল রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার সকালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের দেয়া স্বীকৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন তিনি।

জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তার কন্যা বলেন, আমি জানি স্বাধীনচেতা হলে পরে অনেক বাধা আসে। দেশকে ভালোবেসে, শুধু দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে যারা পথ চলে, তাদের পথ চলা কখনও সহজ হয় না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়।

সব বাধা বিপত্তি অতিক্রম এগিয়ে যাওয়ার সংকল্পের কথা জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, চলার পথ যত অন্ধকারাচ্ছন্ন হোক না কেন, যত বন্ধুর হোক না কেন, যত কণ্টকাকীর্ণ হোক সেখানে আমরা থেমে থাকব না।

অন্তত আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি, থেমে থাকব না। চলার পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, যত রক্তক্ষরণ হোক, সব পদদলিত করে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে এগিয়ে যাব। এটাই হচ্ছে আমার প্রতিজ্ঞা।

এসময় আবেগঘন কণ্ঠে রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা পাঠ করে শোনান প্রধানমন্ত্রী।

দ্য উডস আর লাভলি, ডার্ক অ্যান্ড ডিপ

বাট আই হ্যাভ প্রমিসেস টু কিপ

অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ

অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ।

কবিতা পাঠ শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, যেকোনো সময় আমি জানি অনেক বুলেট, বোমা, গ্রেনেড আমার জন্য অপেক্ষা করছে, আমি কখনও সেগুলো পরোয়া করি না। আমি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করি।

জোরসে চলো বাংলাদেশ শীর্ষক এই আয়োজনে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে টেকসই করতে একটি জাতীয় মসৃণ উত্তরণ কৌশল বা স্মুথ ট্রানজিশান স্ট্যাটেজি প্রণয়নের কাজ হাতে নিয়েছি। এই জাতীয় দলিলে উত্তরণের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব ধরনের দিক-নির্দেশনাসহ কার্যকর কৌশল থাকতে হবে।

সম্যক গবেষণা ও সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রমাণনির্ভর সময়োপযোগী কার্যকর কৌশল প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানাই।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় দেশের নতুন ও তরুণ প্রজন্মকে হাল ধরার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, চিরদিন কেউ বাঁচে না, কিন্তু যে কাজ আমরা করে গেলাম সে গতি যেন হারিয়ে না যায়, চলার গতি যেন অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়, সেটাই আমরা চাই।

আর নতুন প্রজন্মের কাছে এটাই আমাদের দাবি। অন্তত আমি তাদের এইটুকু আহ্বান করব, দেশকে ভালোবাসবে, মানুষকে ভালোবাসবে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে- সেখানেই শান্তি, সেখানেই অগ্রগতি, সেখানেই উন্নতি, সেখানেই স্বস্তি।

এই উত্তরণ হঠাৎ নয়

জনগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩ বছরের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ। এটা হঠাৎ করে আসে না। সুষ্ঠু পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছি। আশুকরণীয় মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছি। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করেছি। আমরা পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছি বলেই আজকে আমাদের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। এটা আমরা ধরে রাখতে চাই। কারণ বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।

এই অর্জনের জন্য দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি এই অর্জনে বন্ধুপ্রতীম যেসব দেশ পাশে থেকে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশকে সেসব দেশের প্রতিও ধন্যবাদ জানান সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল। প্রকৃতপক্ষে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক আমাদের নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দিয়েছিল। সেখানে আমরা থেমে থাকিনি, এগিয়ে চলেছি। আমরা সব শর্ত পূরণ করে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছি যাতে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাই। ২০২১-এর ২৪ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা ও সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, এ সাফল্যের জন্য আমি সবাইকে বাহবা দিই। সবাইকে ধন্যবাদ দিই। কারণ সবার সহযোগিতা না পেলে এই উত্তরণ সম্ভব হতো না। ১৩ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও মাথাপিছু আয় গত ১৩ বছরে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩১তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫৫৪ ডলার। আইএমএফ-এর হিসাব মতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ১৩ বছর সময়কালে আমাদের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৩ শতাংশ, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর গড় প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৫.১ শতাংশ।

২০০৮-০৯ অর্থ বছরের তুলনায় রপ্তানি আয় এবং প্রবাস আয় বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, এতে ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। বাংলাদেশ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকের উন্নয়নে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়িয়েছি।

দেশের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৫ সালে দরিদ্র ও হতদরিদ্রের হার ছিল যথাক্রমে ৪০ ও ২৫.১ শতাংশ, যা কমে বর্তমানে যথাক্রমে ২০.৫ ও ১০.৫ শতাংশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাষ উপযোগী জমি সীমিত। তাই আমরা গবেষণায় সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আজকে গবেষণার মাধ্যমে আমি বলতে পারি বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

করোনামহামারিতে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা হয়েছে বলেও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছি। ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছি। মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছি। ইতোমধ্যে প্রায় ১৩ কোটি ডোজ দেয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুস্টার ডোজ প্রদানও শুরু করেছি।

সরকার প্রধান শেখ হাসিনা আরো বলেছেন, এটি তার এখন একটি দৃড় বিশ্বাস যে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জন, ২০৩১-এর মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ এ উচ্চ আয়ের উন্নত-সমৃদ্ধ মর্যাদাশীল দেশে পরিণত হবে।আর সেই লক্ষ্যেই তিনি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশের আর দেশের মানুষের জন্য।



আরও খবর



রিফাত হত্যা: খালাস চেয়ে মিন্নির জেল আপিল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22 | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি খালাস চেয়ে জেল আপিল করেছেন হাইকোর্টে। মিন্নির এ জেল আপিলের অ্যাডমিশনের (গ্রহণযোগ্যতার) ওপর শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে।

জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলে নিয়মিত আপিল ও জেল আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের বিষয়ে ডেথ রেফারেন্সের শুনানি একইসঙ্গে হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী এ এম জামিউল হক ফয়সাল। তিনি জানান, শুনানিতে থাকবেন আইনজীবী মো. জহিরুল ইসলাম (জেড আই) খান পান্না।

নিয়ম অনুযায়ী, এ মামলার পেপারবুক তৈরি হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি মামলার শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করেন। তখন এ মামলার আপিল শুনানি শুরু হবে।

২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ বিচারক মো. আছাদুজ্জামানের আদালত। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জন অভিযুক্তকে ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। এছাড়া মামলার অন্য চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। বর্তমানে মিন্নিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বী আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খাঁন হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। খালাস পেয়েছেন মো. মুসা (পলাতক), রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম সাইমুন।


আরও খবর



ঠাণ্ডামাথায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী আটক

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজবাড়ীর পাংশায় পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী লিপি খাতুনকে জবাই করেছে হত্যা করেছে তার স্বামী। নতুন কাপড় পরিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে বেড়ানোর পর ঠাণ্ডামাথায় হত্যাকাণ্ড চালায় স্বামী রুবেল। এ ঘটনার পর তাকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মাছপাড়া ইউপির বুরুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রুবেল সরকার একই এলাকার অকুল সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ভোরে স্ত্রী লিপি খাতুন ও স্বামী রুবেল সরকার নতুন জামাকাপড় পড়ে বাইরে ঘুরতে যায়। পরে সকাল আটটার দিকে বাড়িতে ফিরে ঘরে ঢুকে রুবেল ধারালো দা দিয়ে জবাই করে হত্যা করে তার স্ত্রীকে।

পরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

সহকারি পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন সাহা জানায়, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

নিউজ ট্যাগ: স্ত্রীকে হত্যা

আরও খবর



ভোটকেন্দ্রে টাকাসহ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাই আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভোট কেন্দ্রের ভেতরে মো. কারিফ (৩৮) নামে এক পোলিং এজেন্টকে নগদ টাকাসহ পাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত কারিফ ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের হালিম শাহ লিল মিয়ার ছোট ভাই ও পোলিং এজেন্ট।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিন সারোয়ার জানান, তল্লাশিকালে পোলিং এজেন্টের কাছে নগদ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা পাওয়া যায়। তিনি এই টাকা দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। তাই তাকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আরও খবর



কেউ যেন টিকার আওতার বাইরে না থাকে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রথমে দিয়েছি, এখন শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত যারা, তাদের সবাইকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

নতুন করে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে টিকাদান অভিযান সহজলভ্য করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে কেউ আবার করোনাভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত না হয় এবং কেউই যেন টিকাদান কাভারেজের বাইরে না থাকে।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তার সরকারের টিকাদান কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রথমে দিয়েছি, এখন শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত যারা, তাদের সবাইকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকের অনীহার উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতকালই আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কথা বলে ব্যবস্থা নিয়েছি, সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে যেন এই টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। একদম তৃণমূল পর্যায়ের মানুষও যেন দ্রুত টিকা নিতে পারে। কারণ, নতুনভাবে যাতে আবার সংক্রমিত না হয়, সে ব্যবস্থা আমাদের এখন থেকেই নিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি আহ্বান জানাবো, আমরা এই টিকাদান কার্যক্রমটা একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাচ্ছি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমেই দেওয়া হবে বা অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমেও দেওয়া হবে। কিন্তু যারা টিকা নেননি, এখনই তাদের টিকাটা নিতে হবে।’

পরিবারের শুধু অভিভাবককে নয়, শিক্ষার্থীরাও যাতে টিকা নেয় সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর