আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের মাস্ক বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুন্সীগঞ্জ থেকে জিতু রায়

'মাস্ক পড়ার অভ্যাস, করোনামুক্ত বাংলাদেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলাব্যাপি শুরু হওয়া পুলিশের বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সর্বসাধারণকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেছে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় গতকাল সোমবার সদর উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে সচেতনতামূলক মাইকিং ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। এ সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পথচারী, ইজিবাইক, রিকশাচালক এবং বাসের যাত্রীদের মাস্ক পরিয়ে দেন এবং সব সময় মাক্স পড়ার অভ্যাস করার জন্য অনুরোধ করেন। পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জের সদর থানা পুলিশের উদ্যোগে শহরের মসজিদ এবং গুরুত্বপূর্ন স্থানে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হয়।

এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.মিনহাজ-উল-ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবু বকর সিদ্দিক, টিআই প্রশাসন ফজলুর রহমান, পঞ্চসার বিট ইনচার্জ এস আই মোহাম্মদ ইব্রাহিম সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ।


আরও খবর



চরফ্যাশন গাছ চাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মামুন হোসাইন, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

Image

ভোলার চরফ্যাশনে ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাগানের গাছ কাটতে গিয়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে মোহাম্মদ আলী গাজী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শশীভূষণ থানার চর কলমী ইউনিয়নের দক্ষিণ চর মঙ্গল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধ ওই গ্রামের মৃত মো. মালেক মাঝির ছেলে।

নিহতের স্বজন মোহাম্মদ হোসেন জানান, সকালে তিনি ঘূর্ণিঝড়ে উপড়ে পড়া গাছ কাটতে নিজ বসত বাড়ির বাগানে যান। ওই সময় কাটা গাছের নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশনের হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

শশীভূষণ থানার ওসি মু. এনামুল হক জানান, কোন অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে।


আরও খবর



ঈদে মাংস সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কোরবানি ঈদে মাংস বিতরণের পরেও অনেকটা মাংস থেকে যায় বাড়তি। আবার পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও মাংসের ভাগ পাওয়া যায়। ফ্রিজ ছোট হলে এতো মাংস রাখার জায়গা হয় না। এমন পরিস্থিতিতে অন্যান্য উপায়ে রাখতে পারেন মাংস।

১. লবণ দিয়ে মাংস সংরক্ষণ বেশ প্রাচীন পদ্ধতি। লবণ মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন মাংস। এরপর ফ্রিজে রেখে দিন। ১ মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে এই মাংস। মাংসের অক্সিডেটিভ ও মাইক্রোবিয়াল পচন প্রতিরোধ করে এই পদ্ধতি।

২. মাংস শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। এজন্য সরু স্ট্রিপে কাটুন মাংস। এগুলো ৩-৪ মিনিটের জন্য সেদ্ধ করে নিন যাতে ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। পানি পুরোপুরি ঝরিয়ে শুকিয়ে নিন। একটি ওভেনে (সর্বনিম্ন সেটিংয়ে) ৮-১২ ঘন্টা বেক করুন। এভাবে ডিহাইড্রেটেড মাংস রেফ্রিজারেশন ছাড়া এয়ার-টাইট পাত্রে ১-২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকবে।

৩. রোদে বা চুলায় জ্বাল দিয়ে মাংসের শুঁটকি বানিয়ে ফেলতে পারেন। এজন্য প্রথমে মাংস টুকরো করে কেটে ধুয়ে শুধু হলুদ দিয়ে সেদ্ধ নিন। ভেতরের কাঁচা ভাব চলে না যাওয়া পর্যন্ত সেদ্ধ করবেন। সেদ্ধ হয়ে গেলে পানি ঝরিয়ে ঠান্ডা করুন। এরপর গুনা তারে গেঁথে কড়া রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। মাংসের ভেতরের পানি পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে তার থেকে খুলে মুখবন্ধ টিনে বন্ধ করে রাখুন। রান্নার আগে কিছুক্ষণ গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

৪. দুই থেকে তিন কেজি মাংস সংরক্ষণের জন্য ৪ টেবিল চামচ বিট লবণ ও ৪ টেবিল চামচ বাদামি চিনি মাখিয়ে নিন প্রথমে। এরপর ১ লিটার ভিনেগারে মাংস পুরোপুরি ডুবানো অবস্থায় ঢেকে রেখে দিন।

৫. পরিমাণ মতো লবণ ও হলুদ মেখে মাংস জ্বাল দিন। জ্বাল দিয়ে সংরক্ষণ করতে চাইলে চর্বি রেখে দেবেন মাংসের। প্রতিদিন দুইবার করে জ্বাল দিলে এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত রেখে খেতে পারবেন মাংস।

৬. মাংস সংরক্ষণের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ফ্রিজারে রাখা। তবে রাখার আগে স্লাইস করে কেটে পরিষ্কার করে পানি ঝরিয়ে রাখবেন। দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চাইলে চর্বি ফেলে দিন মাংস থেকে। একবারে বেশি পরিমাণে না রেখে ছোট ছোট ব্যাগে অল্প করে রাখুন। এতে প্রয়োজন মতো বের করে খাওয়া যাবে। একসঙ্গে অনেক মাংস রাখলে ডিফ্রস্ট করতে হবে পুরো অংশই।


আরও খবর



বিষখালী নদীর ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

বামনা(বরগুনা) প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় রেমালে বরগুনার বামনা উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বিষখালী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয় পানি ঢুকে সাধারণ জনগণের ব্যপক ক্ষতি হয়। অধিকাংশ জায়গায় বেড়িবাঁধ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

আজ মঙ্গলবার পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল অবঃ জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বামনা উপজেলার চলাভাঙ্গা, রামনা ও চেচান এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা করা হবে বলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে আশ্বস্ত করেন।

এ সময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা নাদিরা, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু, সংরক্ষিত ১৪ আসনের মহিলা সদস্য মোসাঃ ফারজানা সুমি, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আঃ ছালাম পিপিএম।

মন্ত্রী আজ সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে পাথরঘাটা আসেন। পাথরঘাটা থেকে স্প্রিডবোট যোগে বরগুনা জেলার বামনা, বেতাগী, পাথরঘাটা ও বরগুনা সদর উপজেলার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।


আরও খবর



খুলে দেওয়া হচ্ছে বেনজীরের রিসোর্ট: আয় যাবে সরকারি কোষাগারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

গোপালগঞ্জ সদরে অবস্থিত আলোচিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল শনিবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। দর্শনার্থীরা আগামীকাল থেকে ওই পার্কে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন রাইড চালু থাকলেও বন্ধ থাকবে কটেজ। ফলে অবকাশযাপন করতে পারবেন না কোনো দর্শনার্থী।

এদিকে পুলিশ, আনসার ও সাভানা ইকো রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীরা রিসোর্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। ইতোমধ্যে আনসার ভিডিপি ও রিসোর্টের নিরাপত্তা কর্মীরা সেখানে নিয়োজিত রয়েছেন। আগামীকাল সকাল থেকে পুলিশ মোতায়েন করবে জেলা প্রশাসন।

পর্যবেক্ষণ ও তদারকি কমিটির সদস্য সচিব এবং গোপালগঞ্জ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য পার্কটি খুলে দেওয়া হবে। এতে দর্শনার্থীরা আগের মতো ১০০ টাকা টিকিট কেটে পার্কে প্রবেশ করতে পারবেন। দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য পার্কের বিভিন্ন রাইড খুলে দেওয়া হলেও কটেজ বন্ধ থাকবে। আর এ পার্ক থেকে সকল আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জমা হবে। পার্কের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশ সদস্য মোতায়েনের জন্য আবেদন জানানো হবে। আশা করি সকাল থেকেই  পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ইতোমধ্যে রিসোর্টের নিরাপত্তার জন্য আনসার ও সাভানার নিরাপত্তা কর্মীরা দায়িত্বে আছেন।

ক্রোক আদেশের পর পার্কটি চালু থাকলেও গত ৪ জুন সার্ভার জটিলতা দেখিয়ে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে পার্কটি বন্ধ ছিল। গত ৭ জুন রাতে আদালতের নির্দেশে রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে পার্কটি নিয়ন্ত্রণে নেয় জেলা প্রশাসন।

গতকাল বৃহস্পতিবার পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সার্বিক তদারকির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক ও গোপালগঞ্জ দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালককে সদস্য সচিব করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দুদক।

অন্যদিকে ১২ জুন রাতে সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কের তিনটি কম্পিউটারের সিপিইউ ও একটি মনিটর চুরি হয়। পরদিন ১৩ জুন ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন পার্কের ম্যানেজার মো. সারোয়ার হোসেন।

এছাড়া গত ৭ জুন রাতে গোপনে পার্ক থেকে ধরা ৫৯০ কেজি মাছ বিক্রি করার সময় হাতেহাতে জব্দ করে দুদক। পরে মাছ বিক্রি করে ৮৩ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ৮ জুন দুপুরে গোপনে মাছ বিক্রির দায়ে পার্কের মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের নামে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন দুদকের গোপালগঞ্জে উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান।


আরও খবর



আনোয়ারুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ বুধবার ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমপি আনার খুনের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বেশি কিছু বলা যাবে না।

এর আগে সকালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধাননগরের নিউটাউন এলাকায় সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে নিউটাউনের টেকনোসিটি থানার পুলিশ সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, যেদিন তিনি নিখোঁজ হয়েছেন, সেদিনই তাকে খুন করা হয়। হত্যার পর তার মরদেহ সরিয়ে ফেলার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছিল এবং তার মোবাইলের লোকেশন বিভ্রান্ত করা হচ্ছিল।

এর আগে ভারতে যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এই সংসদ সদস্যের। রবিবার পরিবারের পক্ষ থেকে তিনদিন ধরে এমপির সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টি রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে অভিহিত করা হয়।

সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুর রউফ জানান, গত ১১ মে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। কিন্তু এরপর তিন দিন পার হলেও পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি।

ভারতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বরানগর থানার ১৭/৩ মণ্ডল পাড়া লেনের বাসিন্দা তার দীর্ঘদিনের পরিচিত গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন আনোয়ারুল আজিম। মূলত ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যান তিনি। পরদিন ১৩ মে দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বের হন এই সংসদ সদস্য। সন্ধ্যায় ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। পরে ১৮ মে বরাহনগর থানায় একটি নিখোঁজের অভিযোগ করেন গোপাল বিশ্বাস।


আরও খবর