আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মুন্সীগঞ্জে ৪৮ ক্যান বিয়ারসহ যুবক আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
সাকিব আহম্মেদ, মুন্সিগঞ্জ

Image

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার হাটভোগদিয়া গ্রামের ভবরঞ্জন শীলের ছেলে যুবক অমিত শীলকে (১৯) গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

এসময়ে গ্রেফতার কৃত যুবকের কাছ হতে ৪৮ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় নজরুল হোসেন রকী (২৮) নামের অপর মাদক কারবারি পালিয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পলাতক মাদক ব্যাবসায়ী উপজেলার লৌহজং মশদগাঁও গ্রামের রতন মাদবরের ছেলে।

আরও পড়ুন>> মির্জাগঞ্জে অসময়ে ভাঙ্গন: দিশেহারা পায়রা নদী পাড়ের মানুষ

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাটভোগদিয়া গ্রামের ভবরঞ্জনের বসত বাড়ির সামনে ফাঁকা স্থানে মাদকদ্রব্য (বিয়ার) বিক্রয় করিতেছে। পরে, অভিযান চালিয়ে রোববার রাত পৌনে ১২ টার দিকে ৪৮ ক্যান বিয়ারসহ একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় সাথে থাকা অপরজন পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গোয়েন্দা পুলিশের (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযান চালিয়ে এক ব্যাক্তিকে ৪৮ ক্যান বিয়ারসহ আটক করা হয়েছে। এ সময় অপর ব্যাক্তি পালিয়ে গেছে। তাদের নিয়মিত মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



টিএসসি থেকে ভিসি চত্বর দখলে নিলো ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্য এলাকা থেকে উপাচার্যের বাসভবন (ভিসি চত্বর) পর্যন্ত দখলে নিয়েছে ছাত্রলীগ।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর দুই পক্ষই ইটপাটকেল লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছে। এতে মুহূর্তেই ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিজয় একাত্তর হলে অবস্থান নেন। পরে তারা হলের তালা লাগিয়ে ভেতর থেকে ইট ছুড়তে থাকেন। শিক্ষার্থীরাও হলের দেয়ালের ওপর দিয়ে পাল্টা ইট ছুড়তে থাকেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগের আরেকটি দলকে হেলমেট পরে একাত্তর গেটের কাছাকাছি অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ছাত্রলীগ দাবি করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর আগে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, ছাত্রলীগ তাদের ওপর প্রথম হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তব্যের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের একদফা দাবি ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভে করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




সাধারণ মানুষ আমার প্রাণশক্তি, বিচ্ছিন্ন হতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাকে বাঁচাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে। যেহেতু আমার জীবন ঝুঁকিতে থাকে, সেজন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যরা নিয়োজিত থাকে। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য যেন জনবিচ্ছিন্ন না হয়ে যাই সেদিকটা সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখতে এসএসএফকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

তিনি বলেন, জনবিচ্ছিন্ন হতে গুলি-বোমা লাগে না। এমনিতেই শেষ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাই না। কেননা সাধারণ মানুষই আমার প্রাণ শক্তি।

বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসএসএফের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলো, তারা দেশকে এগিয়ে নিতে পারেনি। বরং ক্যু হয়েছে। বিমান বাহিনীর হাজার হাজার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিলো। দেশ যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছিলো। তবে এতো বড় গুরু দায়িত্ব নিতে হবে সে প্রস্তুতি কখনোই ছিলো না। তখন দেশের দুরাবস্থা সহ্য করার মতো ছিলো না।

যতোক্ষণ নিঃশ্বাস আছে ততোক্ষণ মানুষকে উন্নত জীবন দেয়ার চেষ্টা করে যাবো, এমন অঙ্গিকার করে শেখ হাসিনা বলেন, জীবন ঝুঁকি জেনেই দেশে ফিরেছি। দেশে ফেরার পর থেকে শত বাধা পেয়েও পিছিয়ে যাইনি। দেশের জন্য কাজ করছি।

এদিকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য সরকার ফোর্সেস গোল ২০৩০ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর আকার বৃদ্ধি, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ থেকে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় আছি বলেই উন্নয়ন দৃশ্যমান ও টেকসই করতে পেরেছি। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অপরদিকে, সম্প্রতি কক্সাবাজারে মায়ানমার সীমান্তে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সীমান্তের ওপার থেকে কখনও কখনও ছুটে আসছে গুলিও। কক্সবাজার সীমান্তে বাংলাদেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা ইতিমধ্যে জাতিসংঘে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের যে কোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কাউকে আক্রমণ করতে যাবো না, তবে আক্রান্ত হলে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চের ঘোষণা অনুসারে, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালে প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স অর্ডিন্যান্স নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করেন। যা একই বছর ১৯ জুন থেকে কার্যকর হয়।

পূর্বের ঘোষণা অনুসারে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদের তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রপতি ও বিদেশ থেকে আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তার জন্য ১৯৮৬ সালের ১৫ জুন  প্রেসিডেন্ট সিকিউরিটি ফোর্স নামে একটি বিশেষ নিরাপত্তা দল গঠন করেন। পরে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ১৯৯১ সালে ২৭ সেপ্টেম্বর এর নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নামকরণ করা হয়।

যদিও প্রাথমিকভাবে শুধু রাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দিতে এসএসএফ গঠিত হয়েছিল। কিন্তু সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি ছাড়াও সরকারপ্রধানকেও এসএসএফ নিরাপত্তা দিয়ে আসছে এবং এ সংস্থাটিকে তখন থেকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের অধিকার দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ১৫ অক্টোবর জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন গ্যাজেট আকারে প্রকাশ হওয়ার পর সংস্থাটি বর্তমানে জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদেরও সর্বস্থানে নিরাপত্তা দিয়ে আসছে।

এসএসএফ রাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিভিআইপি) নিরাপত্তায়ও নিয়োজিত। সংস্থাটি বেসামরিক প্রশাসন, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশ ও দেশের বাইরে উল্লেখিত ব্যক্তিদের শারীরিক নিরাপত্তায় যেকোনো ধরনের হুমকি থেকে রক্ষা ও সেগুলো প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও তারা অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বাড়ি ও অফিসে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




রাজাকার হতে চাওয়াদের দাবি মানা হবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোটা আন্দোলকারীদের রাজাকার শ্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, আমরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে, মেধার পক্ষে। এটার জন্য রাজাকার হওয়ার দরকার নেই। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে যারা রাজাকার হতে চাইবে; তাদের কোন দাবি মানা হবে না।

সোমবার (১৫ জুলাই) মধ্যরাতে শাহবাগে অবস্থানরত কোটা রাখার পক্ষে অবস্থান নেয়া ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের জনসমাবেশে উপস্থিত হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে রবিবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বের হয়ে শুরু করে কোটাবিরোধী মিছিল। তবে কিছুক্ষণ পরেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় ছাত্রলীগ।

এসময় কোটার রাখার পক্ষে মিছিল দেয়াসহ শোডাউন দেয় তারা।


আরও খবর
ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪




দেশে ফিরেছেন প্রায় ৫২ হাজার হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৬০

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজার ৯৮১ হাজি দেশে ফিরেছেন। মারা গেছেন ৬০ জন। শুক্রবার (৫ জুলাই) হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি থেকে ১২৭টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৩টি ফ্লাইটে ২১ হাজার ১৬১ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৮টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৪৮২ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৭১৫ হাজি দেশে ফিরেছেন।

চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৬০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৪৭ এবং মহিলা ১৩ জন।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৭ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে পুুরুষ ৩৬ এবং মহিলা ১১ জন।

এদিকে, আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে কতজন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর কতজন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাবেন তা বাংলাদেশ সরকার পরে নির্ধারণ করে দেবে।


আরও খবর
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪

আজ পবিত্র আশুরা

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




দিল্লিতে রেকর্ড বৃষ্টিতে ১১ জনের মৃত্যু, অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

প্রবল বৃষ্টিতে ভারতের দিল্লির বহু নিচু এলাকা ডুবে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির আবহাওয়া অফিস নগরীটিতে আবারও ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার দিল্লিতে রেকর্ড-ভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। এদিন নগরীটিতে ২২৮ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এটি ১৯৩৬ সালের পর থেকে জুন মাসের একদিনে হওয়া সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।

এই বৃষ্টির ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই দিল্লিবাসীকে আবারও ভারি বৃষ্টির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর নগরীটিতে রোববার ও সোমবার ভারি বৃষ্টি হতে পারে পূর্বাভাস দিয়ে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) রঙ-ভিত্তিক সতর্কতা পদ্ধতি অনুযায়ী অরেঞ্জ অ্যালার্ট লোকজনকে ভারি বৃষ্টির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানায়।

আইএমডির আবহাওয়া বিজ্ঞানী সোমা সেন এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ু এগিয়ে আসছে, উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি অংশে ভারি বৃষ্টি হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতদের মধ্যে বেশি কিছু শিশুও রয়েছে, তারা পানিতে তলিয়ে যাওয়া বিভিন্ন গর্তে পড়ে ডুবে মারা গেছে। নগরীর বসন্ত বিহার এলাকায় একটি দেয়াল ধসে তিনজনের মৃত্যু হয়। দিল্লি বিমানবন্দরের এক ছাউনির একটি অংশ ধসে যাত্রীর জন্য অপেক্ষারত এক ক্যাব চালকের মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ আন্ডারপাস প্রগতি ময়দান টানেল প্লাবিত হওয়ার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়। শনিবারও এ আন্ডারপাসটি বন্ধ ছিল।

ভারতের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ুর প্রভাব চলাকালে দিল্লিতে গড়ে প্রায় ৬৫০ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টিপাত হয়, কিন্তু এবার প্রথম একদিনেই এর এক তৃতীয়াংশ বৃষ্টি হয়ে গেছে।


আরও খবর