আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন ৫০৪ বীরাঙ্গনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশে ৫০৪ জন বীরাঙ্গনাকে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শামীম শাহনেওয়াজের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বলেন, যুদ্ধকালীন মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী সব নারীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কার্যক্রম চলমান আছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশের আলোকে এরই মধ্যে ৫০৪ জন বীরাঙ্গনাকে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের নাম গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূরের প্রশ্নের জবাবে আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা যাদের নাম এমআইএস এবং সমন্বিত তালিকায় রয়েছে, তাদের অনুকূলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এক লাখ ৯৩ হাজার ৭৮০টি ডিজিটাল সনদ এবং জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এক লাখ ৮০৫টি স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তাদের মধ্যে প্রবাসে অবস্থানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাও রয়েছেন। তবে এমআইএস ও সমন্বিত তালিকায় যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে, কিন্তু অদ্যাবধি ডিজিটাল সনদ ও স্মার্ট আইডি কার্ড পাননি, তাদের অনুকূলে ডিজিটাল সনদ, স্মার্ট আইডি কার্ড প্রস্তুত ও প্রদানের কার্যক্রম চলমান আছে।


আরও খবর
আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪




এবার অপুকে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা বললেন বুবলী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ঈদ মৌসুমের সিনেমা উন্মাদনায় ভাটা পড়তেই জোয়ার এসেছে অপু-বুবলীর বাকবিতন্ডায়। ফের বাজতে চলেছে এই দুই নায়িকার মধ্যে যুদ্ধের দামামা। এবার শুরুটা করেছেন অপু। শাকিবকে ঘিরে বীরের মা যাই বলছেন তাই নিয়ে চলছে জয়ের মায়ের কটাক্ষ। এতদিন চুপ থাকলেও এবার সরব হলেন। অপুকে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চা বললেন বুবলী।

অপু মনে করেন শাকিবের নাম নিতে নিতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন বুবলী। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বুবলী বলেন, যে মহিলা (অপু) এসব বলছে সে কে? যিনি ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মত সবসময় আমাদের মাঝখানে তিড়িং বিড়িং করে। নিজের মত বানানো নানান মিথ্যা রচনা বলে সারাক্ষণ। সবচেয়ে হাস্যকর কথা হল-উনি তার নিঃশ্বাসের থেকেও বুবলী নামটা বেশি নেয়। তার সব জায়গায় শুধু বুবলী বুবলী। উনি ভাইরাল হওয়ার জন্য এমন কিছু নেই যা করছেন না। বুবলী নাম নিতে নিতে এমনই মানসিক রোগী হয়ে গিয়েছেন। সেটা আড্ডা, সহকর্মী, টেলিভিশন, ইউটিউব, যেখানেই হোক তার মুখে শুধু বুবলী আর বুবলী। কোথাও গেলে তাদের শিখিয়ে দেয় আমার নাম নিয়ে প্রশ্ন করতে যেনো উনি একটু ভাইরাল হয়। আমি আর আমার ছেলে এখন তার একমাত্র ক্যারিয়ার আলোচনায় থাকার। এমনকি জাতীয় টেলিভিশন পর্দায় কী সব উদাহরণ দিচ্ছে যার কোনও মানেই নেই! তার সঙ্গে কি কি নোংরা আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করছে, যেটা খুব লজ্জাজনক। সব সময় তার মুখে দুর্গন্ধজনক শব্দগুলো থাকে তার কারণ তার ভেতর টাও এরকম।

অপুকে হুশিয়ারি দিয়ে বুবলী বলেন, সে ভেবেছে সবসময় আমাকে আর আমার ছেলেকে নিয়ে মিথ্যাচার করবে আর আমি বরাবরের মতোই চুপ থাকব, কখনোই না। কারণ, তাকে নিয়ে কথা বলার কখনোই আমার রুচি হয়না কিন্তু যখন দেখছি সে তার নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে শেহজাদকে তার বাবার থেকে আলাদা করার জন্য তখন আমি চুপ থাকবো না। এসব নিয়ে সে সারাক্ষণ বাজে গেম প্ল্যান করে বলেই তার মুখে এই গেম প্ল্যান কথাটা এসেছে।


আরও খবর



নিত্যপণ্যের বাজারে বৃষ্টি-ব্লকেডের অজুহাত, সবকিছুর দাম আকাশচুম্বি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

নিত্যপণ্যের বাজারে বৃষ্টি ও কোটাবিরোধী বাংলা ব্লকেড অজুহাত দেখানো হচ্ছে। সরবরাহ ঠিক থাকলেও বাড়ানো হয়েছে ডাল, আলু ও ডিমের দাম। পরিস্থিতি এমন- এক কেজি আলু কিনতে ক্রেতার ৬৫-৭০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ডালের কেজি ১৪০ টাকা এবং প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৫৫ টাকা। ফলে গরিবের খাবারের তালিকায় এখন ডাল-আলুভর্তা ও ডিমের জোগান দেওয়া যেন কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে শুক্রবার (১২ জুলাই) রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কাওরান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দাম কমছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় কোন দ্রব্যেরই। বরং লাগামহীনভাবে বেড়েই চলছে দ্রব্যের দাম।

এদিন, কচুরমুখী ৮০-৯০, টমেটো কেজি প্রতি ১৮০-২০০, কাচা মরিচ কেজি প্রতি ২৫০, গাজরের কেজি ৯০-১০০, শসা ৯০-১০০, বেগুন ৭০-৮০ ও পটল কেজি প্রতি ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

গত সপ্তাহের তুলনায় পটল ও বেগুন ছাড়া প্রায় সব সবজিরই দাম বাড়তি দেখা যায়। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা দুষছেন বন্যা ও কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে।

ব্যবসায়ীরা বলছে, এমনিতে কয়েকদিন ধরে হওয়া অতি বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে সবজির ক্ষেত। তার মধ্যে আবার ছাত্র আন্দোলনের ফলে ব্যাহত হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা। ফলে সরবরাহ কম হওয়ায় বাড়ছে দাম।

সপ্তাহের ব্যবধানে ঝাঁঝ বেড়েছে পেয়াজের। গত সপ্তাহেও যে পেয়াজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছিলো ৮০-৯০ টাকায় তা এ সপ্তাহে বেড়ে দাড়িয়েছে ১১০-১২০ টাকায়। এছাড়াও আলু ৬০-৭০, পেয়াজ ১১০-১২০, আদা ৩২০, রসুন ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যায়।

ক্রেতারা বলছেন, নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম। এখনই লাগাম না টানলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বাজার।

এই পাগলা ঘোড়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ চান ক্রেতারা। তারা বলছেন, আমাদের আয় তো বাড়ছে না কিন্তু প্রতিনিয়ত সব কিছুর দামই বেড়ে চলছে। এমনি চলতে থাকলে বাজার করায় কঠিন হয়ে যাবে। সরকারের উচিৎ এখনই লাগাম টেনে ধরা।

দ্রব্যমূল্য আর তার আয়ের ব্যবধানে অনেকটা অসহায় মশিউর। কাজ করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। সেখান থেকে যায় আয় হয় তা দিয়ে ৩-৪ বছর আগে ভাল চললেও এখন টানাপোড়েন লেগেই থাকছে। এক ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে তার সংসার। বাচ্চার স্কুলের খরচ ও দ্রব্যমূল্যের বাড়তি চাপে অনেকটায় দিশেহারা অবস্থা তার।

বাজার মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে জানিয়ে মশিউর বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ খাবো কি? যেভাবে সব কিছুরই দাম বাড়ছে তাতে করে পরিবার নিয়ে টিকে থাকায় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের উচিত, বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া। না হলে বাজার সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নিঃস্ব হবে সাধারণ ভোক্তারা।

শুধু সবজি নয়, আগুন লেগেছে মাংসের বাজারেও। গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগীর দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত। এদিন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৬০-২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়।

এছাড়াও প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ১২০০-১২৫০ টাকা।

নাগালের বাহিরে চলে গেছে গরীবের আমিষের চাহিদা পূরণের মাছ পাঙ্গাশ ও তেলাপিয়ায়ও। এদিন প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা ও চাষের পাঙাশ ২০০-২৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

এছাড়াও আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা, চাষের মাগুর ৬৫০ টাকা ও চাষের কৈ ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।


আরও খবর



নতুন কর্মসূচি দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার করে সংসদে আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া আগামীকাল শনিবার সারা দেশে সংগঠনটির সমন্বয়কদের নিয়ে অনলাইন-অফলাইনে প্রতিনিধি বৈঠক করবেন তারা। পরে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল সোয়া ৬টায় রাজধানীর শাহবাগে গতকালের বাংলা ব্লকেডে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকর মজুমদার।

তিনি বলেন, আগামীকাল সব বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলায় জেলায় অনলাইন-অফলাইন বৈঠক হবে এবং বিকেল ৬টায় প্রেস ব্রিফিং করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস ঘুরে শাহবাগ আসেন তারা। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা, অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ছাত্র সমাজের অ্যাকশন', 'হুমকি দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না', 'বাধা দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না', 'বুলেট দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না, পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না', 'মামলা দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না', 'দিয়েছি তো রক্ত, আরো দিব রক্ত', 'রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়', 'আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিব না' ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন।

এক দফা দাবিতে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। দাবিটি হলো সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে নূন্যতম (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ) পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাশ করে কোটা পদ্ধতিকে সংস্কার করতে হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দেশে ফিরেছেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৫৮

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৪৩ হাজার ৮৩ হাজি। এ বছর হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ জনে।

বুধবার (৩ জুলাই) ভোরে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্প ডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজার ৮৩ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১০৯টি ফ্লাইটে এসব হাজি বাংলাদেশে এসেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪১টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪২টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করে।

হজ শেষে গত ২০ জুন থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হয়। ওইদিন বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৭ জন হাজি নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

এদিকে চলতি বছর হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৫ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৪৬ জন, মদিনায় চারজন, মিনায় ছয়জন ও জেদ্দায় দুইজন মারা গেছেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। আগামী বছর (২০২৫) বাংলাদেশের জন্য এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা দিয়েছে সৌদি আরব।

এদিকে, চলতি বছর প্রখর তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমের জেরে হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে রেকর্ড মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।‌ এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪১ জন হজের আনুষ্ঠানিকতার শুরুর পর মারা গেছেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবার পরিচয় প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে নামাজে জানাজা হয়।


আরও খবর
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪

আজ পবিত্র আশুরা

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




দোহারে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নূরুল হক বেপারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মো. নূরুল হক বেপারী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল কালামের সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার নারিশা পশ্চিমচর এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তোবারক বেপারীর সভাপতিত্বে তার নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

এ সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তোবারক বেপারী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৩ বছর পর ভুয়া সনদ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তি হলে গত (১৪ জুলাই) রবিবার মো. নূরুল হক বেপারী এক সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীনভাবে মনগড়া কথা বলে নানা অপপ্রচার করেছেন। আমরা সবাই এর তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, নূরুল হক বেপারী একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন। তিনি একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযোদ্ধা রজ্জব আলী মোল্লাকে দিয়ে টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে তার নাম লিখেছেন।

তিনি বলেন, নূরুল হক বেপারী বলেছেন, আমরা এখানে উপস্থিত যে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছি তাদের থেকেও তিনি আরো ভালো মুক্তিযোদ্ধা। আমরা এর এমন ভিত্তিহীন বক্তব্যের প্রতি ধীক্কার জানিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. মহিউদ্দিন বলেন, একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আমাকে বলেছেন আমি নাকি মুক্তিযোদ্ধা নই। আমি তার এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্যর তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি ততকালীন মুক্তিযোদ্ধোর সময় ভারত গিয়ে যমুনা নামক ক্যাম্পে ট্রেনিং করে অস্ত্রসহ দেশে ফিরেছি এবং যুদ্ধ করেছি। সেই ক্যাম্পে আমার ট্রেনিংয়ের সহযোদ্ধাদের মধ্যে এখানে অনেকেই উপস্থিত রয়েছেন। এমনকি ভারতে যমুনা ক্যাম্পে ট্রেনিংয়ে আমার ক্রমিক নম্বার ছিলো ৩৯৫।

সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মো. বেলাল হোসেন বলেন, নূরুল হক বেপারী একজন ভুয়া মক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিযোদ্ধের সময় খুবই ছোট ছিলেন। তিনি কোথাও কোনো ট্রেনিং নেননি। তিনি গত ১৪ জুলাই রবিবার সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি তিনি আমার নামে অনেক মিথ্যা, মনগড়াভাবে বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার করেছেন। আমিসহ আমরা সকলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম খলিল সবুজ বলেন, নূরুল হক বেপারী একজন ভুয়া মক্তিযোদ্ধা। তিনি কখনও মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেননি। তিনি সংবাদ সম্মেলন ডেকে আমাদের নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার করেছেন। আমরা সবাই এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বোরহান উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গিয়াস উদ্দিন ঘিনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তারিক আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আক্কাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল তাহেরসহ আরো অনেকে।


আরও খবর